Barta24

শুক্রবার, ২৩ আগস্ট ২০১৯, ৮ ভাদ্র ১৪২৬

English

কৃষকের ধান কেটে দিচ্ছেন শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা

কৃষকের ধান কেটে দিচ্ছেন শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা
কৃষকের ধান কেটে দিচ্ছেন শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা / ছবি: বার্তা২৪
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
শেরপুর


  • Font increase
  • Font Decrease

শেরপুরে যখন চড়া মজুরির কারণে ধান কাটতে পারছেন না দরিদ্র কৃষকরা, ঠিক তখনই স্বেচ্ছাশ্রমে ধান কেটে দিচ্ছেন একদল যুবক। এতে অংশ নিয়েছেন স্থানীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরাও।

শুক্রবার (১৭ মে) সকাল থেকে সদর উপজেলার মুন্সিচর গ্রামে হোসাইন মারুফ ক্রীড়া চক্রের উদ্যোগে এ স্বেচ্ছাশ্রমে ধানকাটা কর্মসূচি শুরু হয়। এদিন প্রায় ৫০ বিঘা জমির ধান কাটেন তারা।

সংগঠনের সদস্য ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের আহ্বানে এতে যুক্ত হয়েছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের শিক্ষক ও সভাপতি ড. মামুন। তিনিও শেরপুরে এসে ধান কাটা কর্মসূচিতে অংশ নেন।

তিনি জানান, শেরপুরে স্বেচ্ছাশ্রমে ধান কাটা কর্মসূচি একটি অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত। সারাদেশে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজ শিক্ষার্থীরাও যদি এভাবে গরিব কৃষকের ধান কেটে দেয় তাহলে কৃষরা উপকৃত হবে। কারণ কৃষক বাঁচলে দেশ বাঁচবে।’

এলাকার যুবসমাজ স্বেচ্ছাশ্রমে ধান কেটে দিয়ে কৃষকের পাশে থাকায় খুশি স্থানীয়রাও। মাঠে অনেক কৃষকের ধান পাকলেও শ্রমিকের উচ্চ মজুরির কারণে ধান কাটতে পারছিলেন না তারা। তাই স্বেচ্ছাশ্রমে তাদের ধান কেটে দেওয়ায় তারা বেশ খুশি ।

স্বেচ্ছাশ্রমে ধানকাটার মূল উদ্যোক্তা ও হোসাইন মারুফ ক্রীড়াচক্রের সভাপতি হোসাইন মারুফ জানান, তারা স্থানীয় প্রায় অর্ধশত শিক্ষার্থী ও যুবককে সঙ্গে নিয়ে এলাকার দরিদ্র কৃষকের ধান কেটে দিচ্ছে। প্রথম দিন তারা ৫০ বিঘা জমির ধান কাটেন এবং এর ধারাবাহিকতায় যতদিন জমিতে পাকা ধান রয়েছে ততদিন পর্যন্ত তারা পর্যায়ক্রমে সকল কৃষকের ধান কেটে দেবেন।’

আপনার মতামত লিখুন :

নাটোরে সাধ্যের মধ্যে ইলিশ

নাটোরে সাধ্যের মধ্যে ইলিশ
নাটোরের মাছের বাজারে মাঝারি সাইজের ইলিশ, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

চলছে ইলিশের মৌসুম। তাই নাটোরের বাজারগুলোতে এখন অন্যান্য মাছের চেয়ে ইলিশের আমদানি সবচেয়ে বেশি। প্রতিদিনই বাজারে আসছে ছোট, মাঝারি ও বড় ইলিশ। আকারভেদে বিভিন্ন দামে বিক্রি হওয়ায় সব শ্রেণি-পেশার মানুষ সাধ্যের মধ্যে বাঙালির প্রিয় মাছ ইলিশ কিনছেন। প্রতি কেজি ইলিশ ৩৫০ টাকা থেকে ১৩০০ টাকা কেজি পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে।

শুক্রবার (২৩শে আগস্ট) সকালে শহরের নিচাবাজার মাছের বাজারে ঢুকতেই দেখা গেল বাজারের প্রবেশদ্বার ইলিশের দখলে। ডালাভর্তি বরফের ভেতরে চকচক করছে ইলিশ। বাজারে মাছ বিক্রির নিদিষ্ট স্থান ছাড়াও ভেতরে যে যেখানে পেরেছে বসেছেন ইলিশের পসরা সাজিয়ে। মাছের আড়ৎগুলোতে পাইকাররা ক্যারেট ভর্তি ইলিশ ওজন করে কিনে নিচ্ছেন।

নাটোরে সাধ্যের মধ্যে ইলিশ

সপ্তাহের ছুটির দিন হওয়ায় ক্রেতার চাহিদার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে ইলিশ বিক্রি। বিক্রেতারা হাঁক-ডাকে জানান দিচ্ছেন, ইলিশগুলো বরিশাল, চাঁদপুর, ও ভোলা থেকে আনা। নাটোরের নিচাবাজার ছাড়াও শহরের স্টেশনবাজার, মাদরাসা মোড়, বনবেলঘরিয়া বাইপাসসহ বিভিন্ন বাজারে ইলিশের ব্যাপক সরবরাহ রয়েছে।

আকারভেদে প্রতি কেজি ছোট সাইজের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ৩৫০ থেকে ৩৮০ টাকায়, মাঝারি সাইজের ইলিশ ৬৫০ থেকে ৮০০ টাকায় এবং বড় সাইজের ইলিশ ১২০০ থেকে ১৩০০ টাকা কেজি। সবচেয়ে বেশি চাহিদা ছোট সাইজের ইলিশের। ছোট সাইজের তিনটি ইলিশের ওজন এক কেজি। মাঝারি সাইজের ইলিশগুলো ওজনে ৭০০ থেকে ৮০০ গ্রাম আর বড় ইলিশগুলো দুই থেকে আড়াই কেজি ওজনের।

নাটোরে সাধ্যের মধ্যে ইলিশ

ইলিশ ক্রেতা রোকনুজ্জামান জানান, এক সপ্তাহ ধরে বাজারে ইলিশের সরবরাহ বেশি থাকায় গত সপ্তাহের চেয়ে বাজারে ইলিশের দাম অন্তত ৫০ টাকা কমেছে। তবে বড় ইলিশের দাম তুলনামূলক বেশি।

ইলিশ বিক্রেতা রঞ্জু জানান, তিনি মাঝারি সাইজের ইলিশ বিক্রি করছেন। বাজারে ইলিশের দাম বর্তমানে সহনীয় পর্যায়ে রয়েছে। ফলে বিক্রি বেড়েছে।

নাটোরে সাধ্যের মধ্যে ইলিশ

ছোট ও মাঝারি ইলিশের দামে সন্তোষ প্রকাশ করলেও বড় ইলিশের দাম নিয়ে ক্রেতারা অভিযোগ করেছেন। স্কুল শিক্ষক সিদ্দিকুর রহমান বলেন, 'শুধু সাইজে একটু বড় হওয়ার কারণেই বড় ইলিশের জন্য মাঝারি ইলিশের দ্বিগুণ দাম চাইছেন বিক্রেতারা।'

ইলিশ বিক্রেতা আব্দুল মান্নান বলেন, 'একডালি বরফে মাঝারি ইলিশের তুলনায় বড় ইলিশ কম সংরক্ষণ করা যায় যার ফলে বরফ বেশি লাগে। ফলে অন্যান্য খরচের সঙ্গে বরফ যুক্ত হয়ে ইলিশের দাম বেড়ে যায়।'

বগুড়ায় শ্রীকৃঞ্চের জন্মাষ্টমী পালন

বগুড়ায় শ্রীকৃঞ্চের জন্মাষ্টমী পালন
বগুড়ায় শ্রীকৃঞ্চের জন্মাষ্টমী পালন

বগুড়ায় র‌্যালি, মঙ্গল শোভাযাত্রার বের করার মধ্য দিয়ে মহাবতার ভগবান শ্রীকৃঞ্চের জন্মাষ্টমী পালিত হয়েছে।

শুক্রবার (২৩ আগস্ট) সকাল ৯ টা থেকে বগুড়া জেলা প্রশাসন ও হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

সকাল ৯টায় বগুড়া জেলা স্কুল প্রাঙ্গণ থেকে বর্ণাঢ্য র‌্যালি ও মঙ্গল শোভাযাত্রা বের হয়ে শহরের বড়গোলা মোড় ঘুরে আবারও জেলা স্কুল মাঠে শেষ হয়। র‌্যালিতে জেলা প্রশাসক ফয়েজ আহামেদ, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আব্দুল মালেক,অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সনাতন চক্রবর্তী, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আজিজুর রহমান, সদর থানার ওসি এসএম বদিউজ্জামান জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক রাগেবুল আহসান রিপু, পূজা উদযাপন পরিষদ জেলা কমিটির সভাপতি দীলিপ কুমার দেব, সাধারণ সম্পাদক সাগর কুমার রায় প্রমুখ।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/23/1566536629127.gif

এর আগে সকাল ৮টা থেকে শহরের বিভিন্ন এলাকা থেকে নারী-পুরুষ ও শিশুরা জন্মাষ্টমীর খণ্ড খণ্ড র‌্যালি নিয়ে জেলা স্কুল প্রাঙ্গণে সমবেত হন।র‌্যালিতে ছোট ছোট শিশুদেরকে রাধা-কৃঞ্চ সাজিয়ে খোল করতাল বাজিয়ে র‌্যালিতে অংশগ্রহণ করে।

এদিকে শ্রীকৃঞ্চের জন্মাষ্টমীর র‌্যালি ও মঙ্গল শোভাযাত্রা উপলক্ষে ব্যাপক নিরাপত্তা দেয়া হয়।পুলিশ, র‌্যাব, ফায়ার সার্ভিস সকাল থেকেই শহরের সাতসাথা ও তার আশেপাশে অবস্থান নেয়।

র‌্যালি ও মঙ্গল শোভাযাত্রা শেষে সকাল ১০টায় জেলা স্কুল মাঠে জন্মাষ্টমীর আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয় এতে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক ফয়েজ আহামেদ।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র