Barta24

শুক্রবার, ১৯ জুলাই ২০১৯, ৪ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

বেনাপোল সীমান্তে ১৪ অনুপ্রবেশকারী বাংলাদেশি আটক

বেনাপোল সীমান্তে ১৪ অনুপ্রবেশকারী বাংলাদেশি আটক
বেনাপোল সীমান্ত, ছবি: সংগৃহীত
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
বেনাপোল (যশোর)


  • Font increase
  • Font Decrease

বেনাপোল সীমান্তপথে অবৈধভাবে ভারত যাওয়ার সময় ১৪ অনুপ্রবেশকারী বাংলাদেশি নারী-পুরুষকে আটক করেছে বাংলাদেশ বর্ডার গার্ড (বিজিবি) সদস্যরা। তবে এ সময় কোনো পাচারকারীকে আটক করতে পারেনি বিজিবি।

বৃহস্পতিবার (১৬মে ) সন্ধ্যা ৭টায় ভারত সীমান্তবর্তী এলাকা বেনাপোল সীমান্তের এমপি মার্কেট এলাকা থেকে ৪৯ ব্যাটালিয়নের চেকপোষ্ট আইসিপি ক্যাম্পের বিজিবি সদস্যরা তাদের আটক করে।

আটকরা হলেন- যশোরের বেনাপোল মুন্নাব নকিবের ছেলে হাসান মোল্লা (২৩), লাল মিয়ার ছেলে কবির হোসেন (২২), আজিজ খানের ছেলে জলিল খান (৩৪), মান্নান ফরাজির ছেলে কামরুল (২২), আবুল মাতব্বরের ছেলে রফিকুল রহমান (২৭), শফিউদ্দীনের ছেলে বাদশা (২৩), আব্দুল মাতব্বরের ছেলে রফিকুল (২৫), হাতেম জয়াদ্দারের স্ত্রী হোসনে আরা (৪৪), বাদশা বিশ্বাসের স্ত্রী মাজেদা (৩৫), মিজান মাতব্বরের মেয়ে সালমা (২২), সলেমান হাওলাদারের স্ত্রী ফিরোজা বেগম (৩৫), মুক্তার শেখের ছেলে রবিউল হাসান (২২) ও মোজাহার আলীর ছেলে শহিদুল (৩৪)।

বিজিবি জানায়, তাদের কাছে গোপন খবর আসে অবৈধভাবে একদল বাংলাদেশি সীমান্ত পার হচ্ছে। এমন সংবাদে বিজিবি সীমান্তে নজরদারী বাড়ায়। এক পর্যায়ে অবৈধ অনুপ্রবেশকারীরা ভারত প্রবেশের চেষ্টাকালে ধাওয়া করে তাদের আটক করা হয়। এর আগে বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যায় পাচারকারীরা।

৪৯ ব্যাটালিয়ন বিজিবির অধিনায়ক লেঃ কর্নেল সেলিম রেজা আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করে বার্তা২৪.কমকে জানান, আটকদের বিরুদ্ধে ১৯৭৩ সালের পাসপোর্ট আইনে ১১(৩) ধারায় মামলা দিয়ে বেনাপোল পোর্টথানা পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন :

শেরপুর-জামালপুর মহাসড়কে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন, ব্রিজ নির্মাণের দাবি

শেরপুর-জামালপুর মহাসড়কে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন, ব্রিজ নির্মাণের দাবি
শেরপুর-জামালপুর মহাসড়কে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন/ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদের পানি বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে শেরপুরে বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে। এতে শেরপুর-জামালপুর মহাসড়কের পোড়ার দোকান এলাকায় কজওয়ের (ডাইভারশন) ওপর দিয়ে প্রবলবেগে বন্যার পানি প্রবাহিত হচ্ছে। ফলে শেরপুর থেকে জামালপুর হয়ে রাজধানী ঢাকাসহ উত্তরাঞ্চলের সঙ্গে সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।

গত ২৪ ঘণ্টায় ব্রহ্মপুত্র নদের পানি শেরপুর ফেরিঘাট পয়েন্টে ২ মিটার বৃদ্ধি পেয়ে বিপদসীমা ছুইঁ ছুঁই করছে। বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের পুরাতন ভাঙন অংশ দিয়ে বন্যার পানি দ্রুতবেগে প্রবেশ করায় চরাঞ্চলের নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হচ্ছে।

শুক্রবার (১৯ জুলাই) সকাল সাড়ে দশটার দিকে শেরপুর-জামালপুর মহাসড়কের কজওয়েতে গিয়ে দেখা যায়, মোটরসাইকেল ও ছোট ছোট যানবাহন নৌকাযোগে পারাপার হচ্ছে। আবার রাস্তার মধ্যে পানির ব্যাপক স্রোত থাকায় কেউ কেউ মাছ ধরছে। অনেকে আবার পানিতে গোসল করছে এমন দৃশ্য। অসংখ্য মানুষ আসছেন কজওয়ের পানি দেখতে। তুলছেন সেলফি।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/19/1563516024338.jpg

তবে স্থানীয়রা বলছেন, এখানে যদি একটি ব্রিজ হয় তাহলে হয়তো এতো ভোগান্তি থাকবে না। তারা সরকারের কাছে দ্রুত ব্রিজ নির্মাণের দাবি জানান।

সদর উপজেলার নন্দির জোত এলাকার আব্দুল হক, আবুল হোসেন, হাসমত আলীসহ অনেকে বলেন, বৃহস্পতিবার রাত ১১ টার পর থেকে পানি বাড়তে শুরু করেছে। এতে এ সড়ক দিয়ে সব ধরণের যানবাহন চলাচল বন্ধ রয়েছে।

তারা আরো বলেন, সরকার যদি এই ডাইভারশনে ব্রীজ নির্মাণ করে তাহলে হয়তো এতো ভোগান্তি থাকবে না। তাই যত দ্রুত সম্ভব এখানে একটি ব্রীজ নির্মাণের দাবি জানাচ্ছি।

জেলা ত্রাণ অফিসের তথ্যমতে, অবিরাম বর্ষণ ও উজানের পাহাড়ি ঢলে শেরপুরের ৫ উপজেলার ৩৫ট ইউনিয়নের ১৭২টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে, পানি বন্দি রয়েছে প্রায় লক্ষাধিক মানুষ। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় ৫২টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সাময়িক বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। গত ৫দিনে বন্যার পানিতে ডুবে ৬ জনের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে।

মেহেরপুরে পেঁয়াজ মরিচের দাম কমেছে

মেহেরপুরে পেঁয়াজ মরিচের দাম কমেছে
পেঁয়াজের পাইকারি বাজার, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

মেহেরপুরের বাজারে গেল সপ্তাহের চেয়ে মরিচ পেঁয়াজ ও রসুনের দাম কিছুটা কমেছে। তবে ঈদুল আজহায় বাড়তি চাহিদা মেটাতে আবারও দাম বৃদ্ধির আশঙ্কা করছেন ব্যবসায়ীরা। 

শুক্রবার (১৯ জুলাই) জেলার পাইকারি বাজার ঘুরে জানা যায়, কেজি প্রতি শুকনা মরিচ ১৫০ টাকা, দেশি পেঁয়াজ ৩৩ টাকা, রসুন ১২৫ ও কাঁচা মরিচ ১২০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

গেল সপ্তাহে পাইকারি দর ছিল প্রতি কেজি রসুন ১৪৫ টাকা, কাঁচা মরিচ ১৪০ টাকা, পেঁয়াজ ৩৮ টাকা।

গাংনী কাঁচা বাজারের বন্ধু সবজি ভান্ডারের বাবুল আক্তার বলেন, ‘বিভিন্ন জেলা থেকে রসুন পেঁয়াজ আমদানি করা হচ্ছে। এলাকায় পর্যাপ্ত মালামাল রয়েছে। ভারতীয় রসুন পেঁয়াজের চাহিদা তেমন নেই। তবে দেশের বিভিন্ন জায়গায় বন্যার কারণে এসব পণ্যের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে।’

চাষি ও ব্যবসায়ী সূত্রে জানা গেছে, দেশের বিভিন্ন জায়গায় বন্যা হলেও মেহেরপুর জেলায় নেই পর্যাপ্ত বৃষ্টি। ফলে এর বিরূপ প্রভাব পড়েছে ফসলের মাঠে। দু'মাস আগেই এই জেলার মরিচ বাজারে আসার কথা। অথচ এখনো মরিচের দেখা নেই। ফলে বাইরের জেলা থেকে মরিচ এনে বিক্রি করছেন স্থানীয় ব্যবসায়ীরা।

চ্যাংড়া গ্রামের সবজি ব্যবসায়ী আব্দুল হান্নান জানান, বন্যার কারণে মসলা ও খাদ্য পণ্যের সংকট দেখা দিতে পারে এমন আশঙ্কা দেখা দিয়েছে মানুষের মাঝে। এজন্য ঈদের বেশ আগেই অনেকে বেশি করে রসুন, পেঁয়াজ কিনে রাখছেন।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র