Barta24

সোমবার, ২২ জুলাই ২০১৯, ৭ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

১০০ টাকার তরমুজ ৩০০ টাকা

১০০ টাকার তরমুজ ৩০০ টাকা
রাজবাড়ীর রেলগেট এলাকার তরমুজ বিক্রেতা বিপ্লব। ছবি: বার্তা২৪.কম
সোহেল মিয়া
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
রাজবাড়ী


  • Font increase
  • Font Decrease

গত এক সপ্তাহের ব্যবধানে ১শ টাকার তরমুজ এখন ৩শ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। রমজান মাসকে পুঁজি করে রাজবাড়ীর পাঁচটি উপজেলায় বাজারে সিন্ডিকেট করে কেজি দরে তরমুজ বিক্রি করছে একশ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ী।

ফলে সাধারণ ক্রেতাদের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে এখন এই মৌসুমী ফল। রোজা শুরুর আগেও রাজবাড়ীতে তরমুজ বিক্রি হতো পিস হিসাবে। আর এখন সেই তরমুজ বিক্রি হচ্ছে কেজি হিসাবে। বিক্রেতারা প্রতি কেজি তরমুজের দাম চাচ্ছে ৬০ থেকে ৯০ টাকা পর্যন্ত। আর কেজি হিসাবে বিক্রি করার কারণে ১শ টাকার তরমুজ এখন ক্রেতাদের কিনতে হচ্ছে ৩শ টাকা দিয়ে।

এদিকে হঠাৎ করে কেজি হিসাবে তরমুজ বিক্রি শুরু হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছে সাধারণ ক্রেতারা।

সরেজমিনে দেখা যায়, রাজবাড়ীর রেলগেট এলাকায় বেশ কয়েকটি তরমুজের দোকান রয়েছে। সেখানে তরমুজ বিক্রি হচ্ছে কেজি দরে। প্রতি কেজি তরমুজের দাম তারা নিচ্ছেন ৬০ থেকে ৯০ টাকা পর্যন্ত। যাদের অর্থনৈতিক অবস্থা একটু সচ্ছল তারা কিনছে আর যারা নিম্ন ও মধ্যবিত্ত তারা দাম শুনেই চলে যাচ্ছে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/May/14/1557822686273.gif

বালিয়াকান্দি বাজারে তরমুজ কিনতে আসা ভ্যান চালক জামাল উদ্দিন বার্তা২৪.কমকে বলেন, ‘আমার ছেলে অনেক দিন হলো তরমুজ খেতে চেয়েছে। তাই ভাবলাম আজ কিনে নিয়ে যাবো। কিন্তু কিনতে এসে আমি হতবাক হয়ে গেলাম। যে তরমুজের দাম ৬০-৭০ টাকা, সেই তরমুজের দাম চাচ্ছে ২৬০ টাকা। আমি আজ সারা দিন ধরে এতো টাকা আয়ই করতে পারিনি। তাহলে তরমুজ কিনব কীভাবে?’

এ বিষয়ে তরমুজ বিক্রেতা বিপ্লব বার্তা২৪.কমকে বলেন, ‘আমরা কী করব। যে ১শ পিস তরমুজ গতবছর আমরা ১০-১২ হাজার টাকায় কিনেছি, এবার তা ৩০ হাজার টাকায় কিনতে হচ্ছে। উপায় না পেয়ে তাই কেজি দরে বিক্রি করছি।’

রোজা শুরুর আগে পিস হিসাবে বিক্রি করতেন, এখন রোজা শুরু হওয়ার পর কেজি দরে বিক্রি করছেন কেন এমন প্রশ্নে কিছুক্ষণ চুপ করে থাকেন তিনি। পরে বলেন, ‘সবাই বিক্রি করছে, তাই আমিও করছি।’

বালিয়াকান্দি উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মাসুম রেজা বার্তা২৪.কমকে বলেন, ‘বিষয়টি উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির মিটিংয়ে উঠেছিল। এই উপজেলাতে তরমুজের দাম যাতে সাধারণ ক্রেতাদের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে থাকে সে বিষয়টি আমরা দেখব। কোনো সিন্ডিকেট করে লাভ হবে না। যারা বেশি মুনাফা লাভের আশায় সিন্ডিকেট করে তরমুজ কেজি দরে বিক্রি করছে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

আপনার মতামত লিখুন :

রাজবাড়ীর তিন পয়েন্টেই কমতে শুরু করেছে পদ্মার পানি

রাজবাড়ীর তিন পয়েন্টেই কমতে শুরু করেছে পদ্মার পানি
পদ্মা নদী, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

রাজবাড়ীর তিন পয়েন্ট পাংশার সেনগ্রাম, গোয়ালন্দের দৌলতদিয়া এবং সদরের মহেন্দ্রপুরে কমতে শুরু করেছে প্রবাহমান প্রমত্তা পদ্মা নদীর পানি। গত চব্বিশ ঘণ্টায় পানি কমেছে বেশ কয়েক সেন্টিমিটার। পানি কমার বিষয়টি বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে নিশ্চিত করেছেন রাজবাড়ী পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃপক্ষ। 

রাজবাড়ী জেলা প্রশাসকের কার্যালয় ও পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা যায়, গত চব্বিশ ঘণ্টায় পদ্মার পানি পাংশার সেনগ্রাম ও সদরের মহেন্দ্রপুর পয়েন্টে ০.৮ সেন্টিমিটার এবং গোয়ালন্দের দৌলতদিয়া পয়েন্টে ০.৯ সেন্টিমিটার পানি কমেছে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/22/1563768767338.jpg

তবে পানি কমলেও এখনো দৌলতদিয়া ও সেনগ্রাম পয়েন্টের পানি বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

সোমবার (২২ জুলাই) সকাল ৬ টার পরিমাপকৃত তথ্য অনুযায়ী পদ্মার পানি দৌলতদিয়া পয়েন্ট ০.৫৯ সেন্টিমিটার ও সেনগ্রাম পয়েন্টে ০.৫৬ সেন্টিমিটার পানি বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। আর সদরের মহেন্দ্রপুর পয়েন্টে  ১.০৮ সেন্টিমিটার পানি বিপদসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

এর আগে সর্বোচ্চ দৌলতদিয়া পয়েন্টে ৯.৮০, সেনগ্রামে ১১.৬১ ও সদরের মহেন্দ্রপুর পয়েন্টে ৯.৩৩ সেন্টিমিটার পানি বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছিলো।

ডেঙ্গু আক্রান্ত সিভিল সার্জন মারা গেছেন

ডেঙ্গু আক্রান্ত সিভিল সার্জন মারা গেছেন
ছবি: সংগৃহীত

ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে হবিগঞ্জের সিভিল সার্জন ডা. মো. শাহাদৎ হোসেন হাজরা (৫৩) মারা গেছেন। সোমবার (২২ জুলাই) সকালে তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হবিগঞ্জ সিভিল সার্জন অফিসের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. শাহ্ আলম।

তিনি জানান, গত রোববার (২১ জুলাই) রাত সোয়া ১০টার দিকে রাজধানীর শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

শাহ আলম বলেন, ‘বেশ কিছুদিন ধরেই ডেঙ্গু জ্বরে ভুগছিলেন সিভিল সার্জন ডা. মো. শাহাদৎ হোসেন হাজরা। রোববার সকালে তিনি জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে সমন্বয় সভায় অংশ নেন। এ সময় অসুস্থতা বোধ করলে হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয় তাকে। বিকার ৪টার দিকে শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটলে চিকিৎসকরা তাকে ঢাকায় পাঠান। রাত সোয়া ১০টার দিকে সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

উল্লেখ্য, গত ৯ জুলাই তিনি পদোন্নতি পেয়ে হবিগঞ্জের সিভিল সার্জন হিসেবে যোগদান করেন। যোগদানের ১৩ দিনের মাথায় মারা গেলেন জেলার স্বাস্থ্য বিভাগের এই প্রধান। তাকে হারিয়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে সিভিল সার্জন অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র