Barta24

শনিবার, ২৪ আগস্ট ২০১৯, ৯ ভাদ্র ১৪২৬

English

তেল বহনকারী লরির সিলিন্ডার বিস্ফোরণ, দগ্ধ ৫

তেল বহনকারী লরির সিলিন্ডার বিস্ফোরণ, দগ্ধ ৫
ছবি: প্রতীকী
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
কিশোরগঞ্জ


  • Font increase
  • Font Decrease

কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচর উপজেলায় জ্বালানি তেল বহনকারী লরির সিলিন্ডার বিস্ফোরণে পাঁচজন দগ্ধ হয়েছেন।

শনিবার (১১ মে) সকালে ওই উপজেলার সদর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

দগ্ধরা হলেন- কুলিয়ারচরের আগরপুর গ্রামের রতন মিয়ার ছেলে সালমান (১৩), একই উপজেলার ফরিদপুর গ্রামের আলম মিয়ার ছেলে হাকিম (২৬), চোর কামালপুর গ্রামের খোকন মিয়ার ছেলে নাইম (১৮) ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার গোপালপুর গ্রামের খোরশেদ আলমের ছেলে শফিক (২৪)। দগ্ধ আরেকজনের পরিচয় জানা যায়নি। এদের মধ্যে সালমান, হাকিম ও শফিকের অবস্থা গুরুতর বলে জানা গেছে।

কুলিয়ারচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল হাই তালুকদার জানান, সকালে কুলিয়ারচর উপজেলায় জ্বালানি তেলের লরির সিলিন্ডার মেরামতের সময় বিস্ফোরণে পাঁচজন দগ্ধ হন। তাৎক্ষণিকভাবে তাদের উদ্ধার করে বাজিদপুর জহুরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

আপনার মতামত লিখুন :

দু’বছরে ৪৩ রোহিঙ্গা খুন, বিভিন্ন অপরাধে আসামি সহস্রাধিক

দু’বছরে ৪৩ রোহিঙ্গা খুন, বিভিন্ন অপরাধে আসামি সহস্রাধিক
কক্সবাজারের টেকনাফে রোহিঙ্গা ক্যাম্প/ ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

কক্সবাজারের উখিয়া-টেকনাফের ৩২টি রোহিঙ্গা শিবিরে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি দিন দিন অবনতি হচ্ছে। মানবতার দোহায় দিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গারা এখন স্থানীয় বাসিন্দাদের বিষফোঁড়া। গত দুই বছরে ইয়াবা পাচার, চুরি, ডাকাতি ও হত্যাসহ বিভিন্ন অপরাধে রাহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে চার শতাধিক মামলা হয়েছে। এসব মামলায় আসামি সহস্রাধিক রোহিঙ্গা।

আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী সূত্রে জানা গেছে, গত দুই বছরে রোহিঙ্গা শিবিরে নিজেদের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বে নিহত হয়েছেন ৪৩ রোহিঙ্গা। আর আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়েছেন আরও ৩২ রোহিঙ্গা। এছাড়াও ডাকাতি, অপহরণ, ধর্ষণ, চুরি, মাদক ও মানবপাচারসহ রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে ৪৭১টি। যার মধ্যে- মাদক পাচারের দায়ে মামলা ২০৮টি, হত্যা মামলা ৪৩টি ও নারী সক্রান্ত মামলা ৩১টি। এসব মামলায় আসামি এক হাজার ৮৮ জন রোহিঙ্গা।

স্থানীয়দের দাবি, এখনই রোহিঙ্গাদের নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া আরও কঠিন হয়ে পড়বে। কারণ দিন দিন রোহিঙ্গারা বেপরোয়া হয়ে উঠছে। পাশাপাশি তারা চুরি, হত্যাসহ বিভিন্ন ঘটনায় জড়িয়ে পড়ছে। ক্যাম্প থেকে বেরিয়ে স্থানীয়দের ওপর হামলার ঘটনাও ঘটছে।

উখিয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ হামিদুল হক চৌধুরী বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে বলেন, ‘উখিয়া-টেকনাফের ৩৩টি ক্যাম্পে আশ্রয় নিয়েছে ১১ লাখের বেশি রোহিঙ্গা। বিপুল এই জনগোষ্ঠীকে নিয়ন্ত্রণ করা অনেক কষ্টসাধ্য ব্যাপার। এদিকে দেশি-বিদেশি দাতা সংস্থাগুলোর কারসাজিতে পরপর দুই বার রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত হওয়ায় উদ্বেগ-উৎকণ্ঠায় ভুগছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। যেখানে রোহিঙ্গাদের এমন অপরাধ কর্মকাণ্ড ও সহিংস আচরণে আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকেও ভাবিয়ে তুলেছে।’

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/24/1566668999699.jpg

কক্সবাজার পিপলস্ ফোরামের মুখপাত্র এইচ এম নজরুল ইসলাম বলেন, ‘বিভিন্ন অপরাধে জড়াচ্ছে রোহিঙ্গারা। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য, তারা স্থানীয়দের ওপর আগ্রাসী হয়ে উঠছে। কিছু এনজিওর উস্কানিতে তারা এমন আচরণ করছে।’

কক্সবাজার র‌্যাব-১৫ এর অধিনায়ক ও উইং কমান্ডার আজিম আহমেদ বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে বলেন, ‘রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অপরাধ দমনে র‌্যাব প্রতিনিয়িত অভিযান পরিচালনা করছে। পাশাপাশি মাদক পাচারে জড়িত বেশ কয়েকজন রোহিঙ্গাকে আটক করা হয়েছে। র‌্যাবের সঙ্গে গুলি বিনিময়ের ঘটনাও ঘটেছে। তবে নিরাপত্তা জোরদারে টহল জোরদার করেছে র‌্যাব।’

এ বিষয়ে জানতে চাইলে কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) মো. ইকবাল হোসেন বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে বলেন, ‘প্রতিদিনই বাড়ছে রোহিঙ্গাদের মামলার সংখ্যা। হত্যা, চুরি, মাদক পাচারসহ বিভিন্ন অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে তারা। তবে পুলিশ ক্যাম্পের আইন-শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে কঠোর অবস্থানে রয়েছে।’

উল্লেখ্য, ২০১৭ সালে ২৫ আগস্ট রাখাইনের ৩০টি নিরাপত্তা চৌকিতে একযোগে হামলার ঘটনা ঘটে। প্রতিক্রিয়ায় মিয়ানমার সেনাবাহিনী রোহিঙ্গাদের ওপর নিপীড়ন শুরু করে। ফলে প্রাণ বাঁচাতে প্রায় সাত লাখ রোহিঙ্গা সীমান্ত পাড়ি দিয়ে বাংলাদেশে এসে আশ্রয় নেয়। পুরনোসহ উখিয়া-টেকনাফের ৩০টি শিবিরে এখন ১১ লাখের বেশি রোহিঙ্গা অবস্থান করছে।

তবে জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, এই সংখ্যা ১১ লাখ ৮৫ হাজার ৫৫৭। তাদের মধ্যে নারী ও শিশুর সংখ্যাই বেশি।

জাতিগত নিধন ও গণহত্যার প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে আন্তর্জাতিক চাপের মুখে ২০১৮ সালের জানুয়ারিতে বাংলাদেশ-মিয়ানমার প্রত্যাবাসন চুক্তি সম্পন্ন হয়।

'ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে অবদানের জন্য কোনো পুরস্কার গ্রহণ করিনি'

'ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে অবদানের জন্য কোনো পুরস্কার গ্রহণ করিনি'
হবিগঞ্জে শোক সভায় বক্তব্য রাখছেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম/ ছবি: সংগৃহীত

ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে বিশেষ অবদানের জন্য কোনো পুরস্কার বা স্মারক গ্রহণ করেনননি উল্লেখ করে একটি সংগঠন তাদের প্রথাগতভাবে সম্মাননা জানিয়েছেন বলে দাবি করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম।

শনিবার (২৪ আগস্ট) দুপুরে হবিগঞ্জ সার্কিট হাউজে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

তাজুল ইসলাম বলেন, ‘একটি বিতর্ক অনুষ্ঠানে অন্য সবার সাথে আমাকেও একটি স্মারক তুলে দেয় আয়োজকরা। কিন্তু এটি ভুলভাবে ব্যাখ্যা করা হচ্ছে। কোনো বিষয়কে আংশিক বা ভুলভাবে পরিবেশন করা দুঃখজনক।’

মন্ত্রী বলেন, ‘ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করছে। সকল প্রতিষ্ঠান আন্তরিকভাবে কাজ করছে। আশা করি ডেঙ্গু মোকাবিলায় আমরা সফল হব।’

পরে তিনি হবিগঞ্জ পৌরসভা আয়োজিত শোক সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে যোগদান করেন। মেয়র মিজানুর রহমান মিজানের সভাপতিত্বে শোক সভায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন স্থানীয় সংসদ সদস্য অ্যাড. মো. আবু জাহির, সংসদ সদস্য অ্যাড. আবদুল মজিদ খান, সংসদ সদস্য গাজী শাহনওয়াজ মিলাদ প্রমুখ।

শোক সভায় স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, ‘জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এদেশের মানুষকে ভালোবাসতেন। তিনি স্বপ্ন দেখতেন এদেশকে সোনার বাংলা হিসেবে গড়ে তুলবেন। এ লক্ষ্যে শিক্ষা ও কৃষিকে অগ্রাধিকার দিয়ে যখন তিনি কাজ শুরু করেছিলেন, তখন ষড়যন্ত্রকারীরা তাকে নির্মমভাবে হত্যা করে এদেশের উন্নয়নের অগ্রযাত্রাকে থামিয়ে দেয়।’

এর আগে মন্ত্রী দুই কোটি ৮৫ লাখ টাকা ব্যয়ে হবিগঞ্জ পৌরসভার কিচেন মার্কেটের উদ্বোধন করেন। পরে হবিগঞ্জ সার্কিট হাউজ মিলনায়তনে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতর ও জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদফতর কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন চলমান কার্যক্রমের উপর মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে যোগদান করেন।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র