Barta24

বৃহস্পতিবার, ২২ আগস্ট ২০১৯, ৭ ভাদ্র ১৪২৬

English

নাটোরে দুই আনা স্বর্ণালঙ্কারের জন্য শিশু হত্যা

নাটোরে দুই আনা স্বর্ণালঙ্কারের জন্য শিশু হত্যা
শিশু হত্যার অভিযোগে সুরজিনাকে (১৯) আটক করে পুলিশ, ছবি: বার্তা২৪
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
নাটোর


  • Font increase
  • Font Decrease

নাটোরের সিংড়ায় দুই আনা ওজনের সোনার গহনার জন্য ফুফাতো বোনের হাতে এক দশ বছর বয়সী শিশু খুন হয়েছে। প্রেমিকার সঙ্গে পালিয়ে যাওয়ার অর্থ জোগাড় করতে শিশুটিকে হত্যা করা হয় বলে পুলিশের কাছে স্বীকার করেছে অভিযুক্ত সুরজিনা (১৯)।

নিহত জুই উপজেলার ছাতারদিঘী ইউনিয়নের রামনগর গ্রামের হারেজ আলীর মেয়ে। সে পাচুপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী।

পুলিশ ও নিহতের পরিবার সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার রামনগর গ্রামের প্রতিবেশী মামাতো বোন জুঁইকে ফুসলিয়ে বাকাই বিলে গোবর কুড়াতে নিয়ে যায় সারজিনা। দুপুরে জুইয়ের বাবা হারেজ শিশুটির মায়ের জুঁই কোথায় জানতে চাইলে তিনি জানান জুঁই সারজিনার সঙ্গে বেরিয়ে গেছে। পরে জুইয়ের মা সারজিনার বাড়িতে খোঁজ নিয়ে জানতে পারেন তারা কেউ বাড়িতে ফেরেনি। পরে তারা বিভিন্ন স্থানে খোঁজ করতে থাকেন।

এ সময় খবর পান সারজিনাকে ভ্যানে করে একা যেতে দেখেছেন স্থানীয়রা। পরে জুঁইয়ের বাবাসহ প্রতিবেশীরা বিলে খোঁজ করতে গিয়ে মেয়ের গামছা দেখতে পান। সেখানেই তার লাশ খুজে পায় স্বজনরা। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক (এসআই) পলাশ জানান, লাশ উদ্ধার করে নাটোর সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিকভাবে হত্যার কথা স্বীকার করেছে সুরজিনা। প্রেমিকের সঙ্গে পালিয়ে যাওয়ার অর্থ জোগাড় করতে শিশুটিকে হত্যা করেছে বলে সারজিনা স্বীকার করেছেন।

এ বিষয়ে সিংড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, হত্যাকারী ও নিহতের পরিবার সকলেই দরিদ্র। এ ঘটনায় যারা জড়িত, তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ ঘটনায় কথিত প্রেমিককে খোঁজা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন :

ওভারটেক করতে গিয়ে দুই বাসের সংঘর্ষ, নিহত ৩

ওভারটেক করতে গিয়ে দুই বাসের সংঘর্ষ, নিহত ৩
দুর্ঘটনা কবলিত বাস দুটি। ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম।

ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার সালন্দর ইউনিয়নে দুটি বাসের সংঘর্ষে তিনজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ২০ জন।

বৃহস্পতিবার (২২ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টায় ওই ইউনিয়নের ঠাকুরগাঁও-পঞ্চগড় মহাসড়কের পুরাতন ডেনিস হাসপাতালের সামনে এ ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন- রাজু এন্টারপ্রাইজের ড্রাইভার বাবুল (৪২), গাড়ির যাত্রী পঞ্চগড় জেলার চকলাই হাট এলাকার কামরুজ্জামান বাবু (৪২) ও ঠাকুরগাঁও নারগুন এলাকার আবুল কালাম আজাদ (৩৫)।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/22/1566456458291.jpg

প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, সকালের দিকে রাজু এন্টারপ্রাইজসহ আরও একটি বাস ঠাকুরগাঁও থেকে পঞ্চগড়ের উদ্দেশে ছেড়ে আসে। পথে ওই এলাকায় পৌঁছালে সোনার বাংলা পরিবহনের একটি বাসকে ওভারটেক করতে গিয়ে ওই দুই বাসের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই মারা যায় রাজু এন্টারপ্রাইজের ড্রাইভার ও একজন যাত্রী। এ ঘটনায় আহত হয়েছে আরও ২০ যাত্রী। তাদের উদ্ধার করে ঠাকুরগাঁও আধুনিক সদর হাসপাতালে নেয়ার পথে আরেকজন মারা যায়। সংঘর্ষ হওয়া ওই দুই বাসের মধ্যে একটির নাম জানা যায়নি।

এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন ঠাকুরগাঁও ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন মাস্টার মফিদার রহমান।

প্রত্যাবাসনের প্রস্তুতি নিয়ে শালবাগান ক্যাম্পে কর্মকর্তারা

প্রত্যাবাসনের প্রস্তুতি নিয়ে শালবাগান ক্যাম্পে কর্মকর্তারা
রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে বাস, ট্রাক ও মাইক্রো | ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

প্রত্যাবাসনে সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়ে কক্সবাজারের টেকনাফের শালবাগান রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অবস্থান করছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের লক্ষ্যে বৃহস্পতিবার (২২ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে টেকনাফের হ্নীলা ইউনিয়নের শালবাগান ২৬ নম্বর রোহিঙ্গা শিবিরের সামনে প্রধান সড়কের পাশে ৫টি মাইক্রো, ৩টি বাস ও ২ ট্রাক প্রস্তুত রাখা হয়েছে। এছাড়া লেদা ক্যাম্পের পাশে আরও দুটি বাস অপেক্ষা করছে।

রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ভেতরে সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা, ইউএনএইচসিআর প্রতিনিধি, সেনাবাহিনী ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর বিপুলসংখ্যক সদস্য উপস্থিতি রয়েছেন।

আরও পড়ুন: শালবাগান ক্যাম্পে ২১৪ রোহিঙ্গা পরিবারের সাক্ষাৎকার

এ প্রসঙ্গে টেকনাফের জাদিমোরা শালবাগান রোহিঙ্গা শিবিরের ইনচার্জ মোহাম্মদ খালিদ হোসেন বলেন, প্রত্যাসনের তালিকায় থাকা রোহিঙ্গাদের আজও সাক্ষাৎকারের কার্যক্রম চলছে। তবে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের জন্য ক্যাম্পে সব ধরনের প্রস্তুতি রয়েছে। রোহিঙ্গারা স্বেচ্ছায় স্বদেশে ফিরে যেতে চাইলে গাড়িতে করে তাদের পাঠিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে।

শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মোহাম্মদ আবুল কালাম বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টার মধ্যে যেকোন সময়ে শুরু হতে পারে প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া। এ জন্য কঠোর নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। ইতিমধ্যে কক্সবাজারে অবস্থান করছেন মিয়ানমার ও চীনের দুই প্রতিনিধি। আমরা আশা করছি খুব শিগগিরই প্রত্যাবাসন কার্যক্রম শুরু করতে পারব।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র