Barta24

বুধবার, ২৬ জুন ২০১৯, ১২ আষাঢ় ১৪২৬

English Version

কুষ্টিয়ায় ট্রলি চাপায় এক নারীর মৃত্যু

কুষ্টিয়ায় ট্রলি চাপায় এক নারীর মৃত্যু
ছবি: সংগৃহীত
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
কুষ্টিয়া


  • Font increase
  • Font Decrease

কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে শ্যালো ইঞ্জিন চালিত ট্রলিচাপায় জহুরা খাতুন (৪০) নামে এক গৃহবধূর মৃত্যু হয়েছে।

শুক্রবার (১০ মে) সকালের দিকে মিরপুর-দৌলতপুর সড়কের চুনিয়ামোড় এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত জহুরা খাতুন দৌলতপুর উপজেলার চুনিয়ামোড় গ্রামের মান্নু সরদারের স্ত্রী।

দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজরুল ইসলাম জানান, শুক্রবার সকালের দিকে মিরপুর-দৌলতপুর সড়কের চুনিয়ামোড় এলাকায় দারুল কুরআন ইসলামিয়া মাদরাসার পুকুর খননের মাটি স্থানান্তরের সময় ইটভাটায় যাওয়ার সময় দ্রুতগামী শ্যালো ইঞ্জিনচালিত ট্রলিটি জহুরা খাতুনকে চাপা দিলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

লাশ উদ্ধার করে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হচ্ছে বলে জানান ওসি। এ ঘটনার পর ঘাতক ট্রলিচালক দ্রুত গতিতে পালিয়ে যায়।

আপনার মতামত লিখুন :

বিষ দিয়ে ফিশারি পুকুরের মাছ নিধনের অভিযোগ

বিষ দিয়ে ফিশারি পুকুরের মাছ নিধনের অভিযোগ
ছবি: বার্তা২৪

নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলায় ফিশারি পুকুরে বিষ দিয়ে মাছ নিধনের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় মাথায় হাত পড়েছে ক্ষতিগ্রস্ত ফিশারি মালিক আনিছুর রহমানের।

খবর পেয়ে বুধবার (২৬ জুন) দুপুরে নেত্রকোনার সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (কেন্দুয়া সার্কেল) মাহমুদুল হাসান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

এর আগে মঙ্গলবার (২৫ জুন) রাতের যেকোনো সময় উপজেলার নওপাড়া ইউনিয়নের দুর্গাপুর গ্রামের ওই পুকুরে বিষ দিয়ে মাছ নিধন করে দুর্বৃত্তরা।

পুকুরের মালিক আনিছুর রহমান বলেন, ৪০ শতক পুকুরে কৈ মাছের চাষ করেছিলাম। অল্প দিনের মধ্যেই মাছগুলো বিক্রি করার উপযোগী হতো। কিন্তু বুধবার (২৬ জুন) ভোরে পুকুরপাড়ে গিয়ে দেখি মাছগুলো মরে ভেসে উঠছে। রাতের আঁধারে দুর্বৃত্তরা বিষ জাতীয় কিছু দিয়ে মাছগুলো মেরে ফেলেছে। এতে আমার ৭/৮ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। এ ব্যাপারে থানায় অভিযোগ করব।

নেত্রকোনার সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (কেন্দুয়া সার্কেল) মাহমুদুল হাসান বলেন, ঘটনাটি দুঃখজনক। থানায় লিখিত অভিযোগ দিলে তদন্তপূর্বক আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ঘুরে আসুন সাগরের তলদেশ থেকে!

ঘুরে আসুন সাগরের তলদেশ থেকে!
পটকা জাতীয় সামুদ্রিক মাছ, ছবি: বার্তা২৪

চলার পথে চারপাশে ঘুরছে নানা প্রজাতির মাছ। যার মধ্যে হাঙর ও পিরানহাও আছে। এর মধ্য দিয়েই হেঁটে চলেছেন পর্যটকরা। পর্যটকদের অ্যাডভেঞ্চার ভ্রমণ বিনোদন দিতে সাগরের তলদেশের আদলে দেশে প্রথমবারের মতো গড়ে উঠেছে রেডিয়েন্ট ফিস ওয়ার্ল্ড, যা কক্সবাজারের পর্যটন শিল্পে সংযোজন করেছে নতুন মাত্রা। ফলে ছুটিতে যে কেউ ঘুরে আসতে পারেন এই কৃত্রিম সাগর তলদেশ থেকে।

জানা গেছে, মালয়েশিয়ার প্রকৌশলীদের সহায়তায় কক্সবাজারে নির্মাণ করা হয়েছে আন্তর্জাতিক মানের এই অ্যাকুরিয়াম। নির্মাণে সময় লেগেছে দুই বছর। ২০১৭ সালে এই অ্যাকুরিয়াম উদ্বোধন করা হয়। এটি শুধু কক্সবাজারের জন্য নয়, বাংলাদেশের পর্যটন শিল্পে বড় ভূমিকা রাখছে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/26/1561555737557.JPG

অ্যাকুরিয়ামে বঙ্গোপসাগর থেকে নানান প্রজাতির সামুদ্রিক মাছ সংরক্ষণ করা হয়েছে। যাদের মধ্যে অচেনা ও বিলুপ্তপ্রায় অনেক মাছও রয়েছে। সাগরের বিলুপ্ত মাছ বিভিন্ন প্রাণী সংরক্ষণে একটি জাদুঘরও করা হচ্ছে। এটা শুধু বিনোদনের জন্য নয়, সাগরের জীববৈচিত্র ও প্রাণী সম্পর্কে জানার শিক্ষাকেন্দ্র বলেও মনে করেন পর্যটকরা।

সিলেট থেকে আসা আরিফুল ইসলাম বার্তা২৪.কমকে বলেন, ‘আগে অনেকের মুখে এ অ্যাকুরিয়ামের কথা শুনেছি। কিন্তু আজ বাস্তবে দেখলাম। এখান থেকে জীববৈচিত্র ও নানান প্রজাতীর প্রাণি সম্পর্কে অনেক কিছু শেখার আছে।’

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/26/1561555757095.JPG

নড়াইল থেকে আসা মুরাদ হোসেন বার্তা২৪.কমকে বলেন, ‘অ্যাকুরিয়ামে প্রবেশের সময়ই মনে হয়েছে গুহায় প্রবেশ করছি। কিন্তু ভেতরে আসার পর সেটা অনেকটা সাগরের তলদেশের মতো। উপরে নিচে পানি আর পানি। আর সেই পানিতে খেলা করছে নানান প্রজাতির মাছ।’

ঢাকা থেকে আসা আরিফা ইসলাম রাখি বার্তা২৪.কমকে বলেন, ‘এক সঙ্গে এতো প্রজাতীর মাছ আমরা আগে কখনো দেখিনি। অ্যাকুরিয়ামটা আসলে খুবই সুন্দর। সাগরের তলদেশের আদলে তৈরি করায় সেখানে পাহাড় ও উঁচু-নিচু পথ আছে।’

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/26/1561555773332.JPG

অ্যাকুরিয়ামে রাখা হয়েছে সামুদ্রিক শৈল মাছ, হাঙর, পিতম্বরী, আউস, শাপলা, পাতা, সাগর কুচিয়া, বোল, পানপাতা, পাংগাস, চেওয়া, কাছিম, কাঁকড়া, জেলি ফিসসহ অর্ধশতাধিক প্রজাতির মাছ। কিছু বিরল প্রজাতির মাছও এখানে রয়েছে।

কক্সবাজার রেডিয়েন্ট ফিস ওয়ার্ল্ডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) শফিকুর রহমান চৌধুরী বার্তা২৪.কমকে বলেন, ‘ধীরে ধীরে পরিচিতি লাভ করছে রেডিয়েন্ট ফিস ওয়ার্ল্ড। মাছও যে একটা বিনোদন উপাদন হতে পারে সেটা আমাদের দেশের মানুষের আগে জানা ছিল না। আশা করছি, সামনে দেশের পর্যটন শিল্পে এটা বড় অবদান রাখতে পারবে।’

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/26/1561555797532.jpg

তিনি আরও বলেন, ‘কক্সবাজারে প্রতি বছর লাখ লাখ পর্যটক আসেন। তবে যারা রেডিয়েন্ট ফিস ওয়ার্ল্ডের কথা জানেন তারা এখানে আসেন। এখানে নিরাপত্তাসহ গাড়ি পার্কিংয়ের সু-ব্যবস্থা আছে।’

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র