Barta24

রোববার, ২১ জুলাই ২০১৯, ৬ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

গোপালগঞ্জে নেই মানসম্মত হোটেল-রেস্টুরেন্ট, বিপাকে পর্যটক

গোপালগঞ্জে নেই মানসম্মত হোটেল-রেস্টুরেন্ট, বিপাকে পর্যটক
ছবি: বার্তা২৪.কম
মাসুদুর রহমান ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
গোপালগঞ্জ
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মস্থান গোপালগঞ্জকে এখন বলা হয় রাজনীতির তীর্থস্থান। শুধু বঙ্গবন্ধুর আদর্শের অনুসারীরাই নন, দেশ-বিদেশের অনেকেই আসেন বঙ্গবন্ধুর সমাধিস্থল গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায়। কিন্তু টুঙ্গিপাড়াসহ গোপালগঞ্জে পর্যাপ্ত ও ভালোমানের আবাসিক হোটেল না থাকায় চরম ভোগান্তিতে পরছে এখানে আসা রাজনীতিবিদ ও পর্যটকরা। শুধু আবাসিক হোটেলই নয়, ভালো মানের রেস্টুরেন্ট না থাকায় অনেকেই চলে যান পার্শ্ববর্তী খুলনা জেলায়।

বঙ্গবন্ধুর সমাধিস্থল গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া এখন রাজনৈতিক পর্যটনের এক আকর্ষণীয় এলাকা। ১৭ মার্চ বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন এবং ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবসসহ বিশেষ রাষ্ট্রীয় দিনগুলোতে শ্রদ্ধা জানাতে আসে হাজারো মানুষ। এছাড়াও বিভিন্ন রাজনৈতিক সংগঠনের নেতাকর্মীরা বছরজুড়ে আসেন বঙ্গবন্ধুর সমাধিস্থলে। কিন্তু টুঙ্গিপাড়াসহ গোপালগঞ্জে পর্যাপ্ত ও ভালো মানের আবাসিক হোটেল না থাকায় ভোগান্তিতে পরতে হয় এসব নেতাকর্মী ও পর্যটকদের।

স্থানীয়রা জানান, প্রধানমন্ত্রী যেহেতু প্রতিবছরই এখানে আসেন, তার সঙ্গে অনেক সরকারি কর্মকর্তা ও নেতাকর্মীরাও আসেন। তখন আবাসিক সংকট বেশি দেখা দেয়। এছাড়াও বছরজুড়ে হাজার হাজার নেতাকর্মী ও পর্যটকরা এখানে আসেন। তারাও এ ধরনের সমস্যায় ভোগেন।

ভালো মানের হোটেল তৈরির বিষয়ে মৃণাল রায় নামে এক স্থানীয় উদ্যোক্তা বলেন, ‘আবাসিক হোটেল তৈরির জন্য ব্যাংক থেকে আর্থিক সহায়তা দরকার। আমরা এক-দুই বছরের মধ্যেই ভালোমানের হোটেল তৈরির চেষ্টা করছি।’

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Apr/29/1556543367215.gif

এ বিষয়ে এনআরবিসি ব্যাংক, গোপালগঞ্জ শাখা ব্যবস্থাপক মোহাম্মদ আনিসুর রহমান জানান, যদি ভালো উদ্যোক্তা পাওয়া যায় এবং আবাসন খাতে পলিসি গাইডলাইনে যদি সাপোর্ট করে তাহলে এনআরবিসি ব্যাংক ফাইনান্স করতে দ্বিধা করবে না।

এদিকে গোপালগঞ্জে আন্তর্জাতিক মানের স্টেডিয়াম থাকা সত্ত্বেও ভালো মানের হোটেল ও রেস্টুরেন্টের অভাবে খেলার আয়োজন করতে পারছে না কর্তৃপক্ষ।

এ বিষয়ে ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ বলেন, ‘আমিও সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ও রাষ্ট্রপতির দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলতে চাই, অনতিবিলম্বে সুন্দর আবাসন ব্যবস্থা করা দরকার। আর খাবারের মান ঠিক রাখতে নতুনভাবে রেস্টুরেন্ট মালিকদের সঙ্গে বসা হবে।’

মূলত বঙ্গবন্ধুর সমাধিকে ঘিরে এখানে পর্যটন কেন্দ্র গড়ে ওঠার অপার সম্ভাবনা রয়েছে। তাই এখানে আসা রাজনীতিবিদ ও পর্যটকদের জন্য মানসম্পন্ন হোটেল, রেস্টুরেন্টসহ বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা বাড়ানোর দাবি গোপালগঞ্জবাসীর।

আপনার মতামত লিখুন :

এক গাছ একটি প্রাণ: ডিসি ফরিদপুর

এক গাছ একটি প্রাণ: ডিসি ফরিদপুর
ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক তার অফিস চত্বরে তরুছায়ার পক্ষ থেকে দেওয়ার একটি বৃক্ষরোপণ করেন/ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

 

ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক (ডিসি) অতুল সরকার বলেছেন, একটি গাছ মানেই হচ্ছে একটি প্রাণ। গাছকে তুচ্ছ ভাবার কোন সুযোগ নেই। আগামীতে সুষ্ঠ সুন্দর পরিবেশে জীবন যাপন করতে হলে প্রচুর গাছ লাগাতে হবে। ভবিষ্যতে আমারদের প্রতিকূল আবহাওয়া মোকাবেলা করতে হলে গাছই হবে রক্ষা কবজ।

রোববার (২১ জুলাই) দুপুরে ফরিদপুরের স্বেচ্ছাসেবক সংগঠন তরুছায়ার কর্মীদের সঙ্গে নবাগত জেলা প্রশাসকের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে জেলা প্রশাসক অতুল সরকার এসব কথা বলেন। এ সময় ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক তার অফিস চত্বরে তরুছায়ার পক্ষ থেকে দেওয়ার একটি বৃক্ষরোপণ করেন।

এ সময় স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালন মনিরুজ্জামান, চরভদ্রাসন উপজেলা চেয়ারম্যান মোশাররফ হোসেন, আলফাডাঙ্গা পৌর মেয়র সাইফুর রহমান সাইফার, তুরুছায়ার সভাপতি খালিদ মাহমুদ সজিব, সাধারন সম্পাদক তানভীর সাকিব, এনামুল হাসানসহ তরুছায়া পরিবারের সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

গাইবান্ধায় বন্যায় ৫০০ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ

গাইবান্ধায় বন্যায় ৫০০ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ
৫০০ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় এক লাখ শিক্ষার্থীর লেখাপড়া ব্যাহত হচ্ছে, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

গাইবান্ধা জেলার চলমান বন্যায় ৭ উপজেলার ৫১ ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকা পানিতে প্লাবিত হয়েছে। এতে প্রায় ৫০০ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পানিবন্দি রয়েছে ফলে ওইসব প্রতিষ্ঠানের পাঠদান কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। ফলে এক লাখ শিক্ষার্থীর লেখাপড়া ব্যাহত হচ্ছে।  

জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ, সদর, সাদুল্লাপুর, পলাশবাড়ী, সাঘাটা, ফুলছড়ি ও গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা সমূহে ২৬৪ মাদরাসা, ১৭৬ প্রাথমিক বিদ্যালয়, ৪২ মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও অন্যান্য ১৮টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পানি উঠায় আপতত পাঠদান কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/21/1563715100769.jpg
 এখনো বিদ্যালয়ের কক্ষে পানি জমে আছে

 

স্থানীয়রা জানান, গাইবান্ধা জেলায় পরিস্থিতি কিছুটা উন্নতি হলেও এখনো বিদ্যালয়ের কক্ষে পানি জমে আছে। এ পরিস্থিতিতে বন্ধ করা বিদ্যালয়গুলোর প্রায় এক লাখ শিক্ষার্থীর লেখাপড়া ব্যাহত হচ্ছে। এর ফলে চরম উৎকণ্ঠায় রয়েছেন শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা। 

শিক্ষার্থী সবুজ মিয়া বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে বলেন, 'বন্যার কারণে স্কুল বন্ধ থাকায় লেখাপড়া করার মানসিকতা কমে যাচ্ছে। তবুও চেষ্টা করছি বাড়িতে বসে পড়তে।'

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/21/1563715137318.jpg
পানি নেমে গেলে আবারও পাঠদান শুরু করা হবে বলে জানান জেলা শিক্ষা অফিসার 

 

আজগর আলী নামের এক অভিভাবক বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে বলেন, 'বন্যায় স্কুল কলেজে পানি উঠায় প্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ রয়েছে। এ সুযোগে সন্তানরা পড়তে বসা থেকে বিরত রয়েছে। তাই সন্তানদের নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছি।' 

গাইবান্ধা জেলা শিক্ষা অফিসার হোসেন আলী বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে বলেন, 'বিদ্যালয়গুলোতে বন্যার পানি জমে থাকায় বন্ধ ঘোষণা করেছে কর্তৃপক্ষ। পানি নেমে গেলে আবারও পাঠদান শুরু করা হবে।'

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র