Barta24

মঙ্গলবার, ২৩ জুলাই ২০১৯, ৮ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

বাজেটে তামাকপণ্যে উচ্চহারে কর বৃদ্ধির দাবি

বাজেটে তামাকপণ্যে উচ্চহারে কর বৃদ্ধির দাবি
তামাকপণ্যের ওপর উচ্চহারে কর আরোপের দাবিতে ‘অ্যাসোসিশেন ফর কম্যুনিটি ডেভেলপমেন্টের (এসিডি) সংবাদ সমেলসন
স্টাফ করেসপন্ডেট
রাজশাহী
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

আসন্ন ২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেটে তামাকপণ্যের ওপর উচ্চহারে কর আরোপের দাবি জানিয়েছে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ‘অ্যাসোসিশেন ফর কম্যুনিটি ডেভেলপমেন্ট (এসিডি)। রোববার (২৮ এপ্রিল) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে রাজশাহীর সাগরপাড়ায় অবস্থিত সংগঠনটির কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানানো হয়।

‘কেমন তামাক-কর চাই’ শীর্ষক আয়োজনে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী কলেজের অর্থনীতি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. ওয়াসীম মো. মেজবাহুল হক। সভাপতিত্ব করেন রাজশাহী সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি কাজী শাহেদ।

সংগঠনের পক্ষ থেকে লিখিত বক্তব্যে দেশে অকাল মৃত্যুর মিছিল বন্ধে আগামী ২০১৯-২০ বাজেটে বেশ কিছু প্রস্তাবনা তুলে ধরা হয়। সেখানে সিগারেটের মূল্যস্তর সংখ্যা ৪টি থেকে কমিয়ে ২টিতে (নিম্ন এবং উচ্চ) নিয়ে আসা।

এছাড়াও বিড়ির ফিল্টার এবং নন-ফিল্টার মূল্য বিভাজন তুলে দেওয়া এবং ধোঁয়াবিহীন তামাকপণ্যের ট্যারিফ ভ্যালু প্রথা বিলুপ্ত করা এবং চার. সকল তামাকপণ্যের খুচরা মূল্যে ১৫ শতাংশ ভ্যাট প্রযোজ্য থাকবে।

এতে শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন এসিডি’র নির্বাহী পরিচালক (ইডি) সালীমা সারোয়ার। তামাক নিয়ন্ত্রণ প্রকল্পের প্রোগ্রাম ম্যানেজার মো. শাহীনুর রহমানের সঞ্চালনায় এসময় অন্যদের মধ্যে এন্টি টোব্যাকো মিডিয়া এলায়েন্স (আত্মা) এরর রাজশাহী বিভাগীয় সমন্বয়ক শরীফ সুমন, সদস্য ড. আইনুল হক, আহসান হাবীব অপুসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিনিধিবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন :

ঠাকুরগাঁওয়ে বজ্রপাতে ৪ জনের মৃত্যু

ঠাকুরগাঁওয়ে বজ্রপাতে ৪ জনের মৃত্যু
বজ্রপাতের আঘাতে আহতদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম।

ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী ও রানীশংকৈল উপজেলায় বজ্রপাতে ৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ সময় আহত হয়েছে আরও ১০ জন।

আহতদের মধ্যে ২ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাদের ঠাকুরগাঁও আধুনিক সদর হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়েছে। বাকি ৮ জনকে বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৩ জুলাই) বিকেলে জেলার বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার বড়পলাশবাড়ী ইউনিয়নে ও রাণীশংকৈল উপজেলায় এ বজ্রপাতের ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন- বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার বড়পলাশবাড়ী ইউনিয়নের দালালবস্তী গ্রামের আব্দুল জব্বার (৪৫), রাণীশংকৈল উপজেলার আলসেয়া গ্রামের মনছুর আলীর ছেলে আবু সাঈদ (১৩), একই গ্রামের রবিউল ইসলাম (২৮), জগদল গ্রামের মৃত বাচা মোহাম্মদের ছেলে নুরুল ইসলাম (৪৩) ।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/23/1563886918443.jpg

বালিয়াডাঙ্গী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোসাব্বেরুল হক জানান, বিকেলে বড়পলাশবাড়ী ইউনিয়নের সরকারবস্তী গ্রামের ভাঙ্গারু নামে এক ব্যক্তির আম বাগানে পাহারার কাজে নিয়োজিত ছিলেন রবিউল ইসলাম ও নুরুল ইসলাম। এ সময় বজ্রপাতে রবিউল ঘটনাস্থলে মারা যায়। পরে নুরুল ইসলামকে হাসপাতালে নেওয়ার সময় মারা যায়।

একই সময় বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার দালালবস্তী গ্রামে মাঠে কাজ করার সময় আব্দুল জব্বার বজ্রপাতে ঝলসে গিয়ে মারা গেছেন।

অপরদিকে রাণীশংকৈল থানার ওসি আব্দুল মান্নান জানান, বিকেলে প্রতিবেশী আব্দুল খালেকের সঙ্গে মাঠে হাঁস আনতে গিয়েছিলেন আবু সাঈদ। বজ্রপাতে সেখাইনেই তার মৃত্যু হয়। তবে প্রতিবেশীর কোনো ক্ষতি হয়নি ।

বন্যা দুর্গত প্রত্যেক ঘরে ত্রাণ পৌঁছানো হবে: কৃষিমন্ত্রী

বন্যা দুর্গত প্রত্যেক ঘরে ত্রাণ পৌঁছানো হবে: কৃষিমন্ত্রী
কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর

কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক জানিয়েছেন, বন্যা দুর্গত প্রত্যেক মানুষের বাড়িতে পর্যাপ্ত পরিমাণ ত্রানসামগ্রী পৌঁছে দেওয়া হবে। বন্যার সময় যেমন খাদ্যসামগ্রী দেওয়া হবে, তেমনি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে ঘর নির্মাণে সহযোগিতা করা হবে।

মঙ্গলবার (২৩ জুলাই) দুপুরে মানিকগঞ্জের দৌলতপুর উপজেলার চরাঞ্চল বাঁচামারা, শিবালয় উপজেলার অন্বয়পুর এবং হরিরামপুর উপজেলার বাহাদুরপুরে বন্যাকবলিতদের ত্রাণ প্রদানকালে তিনি এসব কথা বলেন।

আব্দুর রাজ্জাক বলেন, আমাদের দেশ নদীমাতৃক দেশ, ভাঙন ও বন্যা স্বাভাবিক ব্যাপার। তবে সরকার বন্যা ও ভাঙন মোকাবিলায় স্থায়ী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। চাঁদপুর থেকে পদ্মা ও যমুনা নদীতে ড্রেজিং করা হবে। ড্রেজিংয়ের মাটি নদীর পাড়ে ফেলে বাঁধ নির্মাণ করা হবে। এতে নদীর গভীরতা বৃদ্ধি পাবে এবং ভাঙন রোধ হবে।

কৃষিমন্ত্রী বলেন, বন্যায় সবচেয়ে ক্ষতি হয় কৃষিতে। বন্যা পরবর্তী কৃষি পুনর্বাসনের জন্য কৃষকদের বিনামূল্যে সার ও বীজ প্রদান করা হবে। এজন্য ১২০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। আশা করা যায়, কৃষি পুনর্বাসনে কোনো সমস্যা হবে না।

বিএনপি নেতাদের বন্যা নিয়ে কোনো মাথাব্যথ্যা নেই মন্তব্য  করে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর এই সদস্য বলেন, বিএনপি নেতা রিজভী শুধু দলীয় কার্যালয়ে বসে প্রেসরিলিজ দেন আর সাংবাদিকরা তা মিডিয়াতে তুলে ধরেন। এছাড়া বিএনপি নেতাদের কোনো কাজ নেই।

Manikganj

তিনি বলেন, ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত আওয়ামী লীগ বিরোধী দলে ছিল। ওই সময় উত্তরাঞ্চলে মঙ্গা ও বন্যা হলে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা দুর্গতদের ত্রাণ দেন। কিন্তু গত ১১ বছরে বিএনপির কোনো নেতাকর্মী দুর্গতদের পাশে দাঁড়ায়নি।

আওয়ামী লীগের ত্রাণ বিষয়ক উপ-কমিটির পক্ষ থেকে মানিকগঞ্জের এই তিন উপজেলায় নদীভাঙন ও বন্যাকবলিত তিন হাজার পরিবারকে ৩০ কেজি করে চাল, ডাল, তেল, চিড়া, আলু ও লবণ দেওয়া হয়।

ত্রাণ বিতরণকালে উপস্থিত ছিলেন সাবেক মন্ত্রী ও সংসদ সদস্য মির্জা আজম, আওয়ামী লীগের সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক ও সংসদ সদস্য অসীম কুমার উকিল, স্থানীয় সংসদ সদস্য নাঈমুর রহমান দুর্জয়, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট গোলাম মহীউদ্দীন, শিবালয় উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান রেজাউর রহমান জানু, দৌলতপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নূরুল ইসলাম রাজা, হরিরামপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান দেওয়ান সাইদুর রহমান।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র