Barta24

বৃহস্পতিবার, ২২ আগস্ট ২০১৯, ৭ ভাদ্র ১৪২৬

English

এক কেজি মিষ্টিতে আড়াইশ গ্রাম কম!

এক কেজি মিষ্টিতে আড়াইশ গ্রাম কম!
এক কেজি মিষ্টির প্যাকেটে আড়াইশ গ্রাম কম। ছবি:বার্তা২৪.কম
মাসুদুর রহমান
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
গোপালগঞ্জ
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

গোপালগঞ্জের ভোক্তারা প্রতিনিয়তই বিক্রেতাদের কাছে প্রতারিত হচ্ছে। বিক্রেতারা বিভিন্ন কৌশলে ভোক্তাদের ঠকিয়ে অতিরিক্ত লাভ করে যাচ্ছে। ওজনে কম দিয়ে, পচা-বাসি, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে মালামাল বিক্রিসহ নানা ভাবে ভোক্তাদেরকে প্রতারিত করা হচ্ছে।

আসছে রমজানকে সামনে রেখে অবশ্য ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর (গোপালগঞ্জ) প্রায় নিয়মিত তাদের অভিযান পরিচালনা করে আসছে। কিন্তু তাতে এই বিশাল এলাকায় এর সুফল তেমন একটা পাওয়া যাচ্ছে না। কেননা প্রতিদিনই অভিযান পরিচালনায় বেরিয়ে আসছে ভোক্তা ঠকানোর নানা কলাকৌশল।

জরিমানা দিয়ে খালাস পেলেও আবারো সেই একই ব্যবসা চালিয়ে যায় বিক্রেতারা। সারা বছর ধরে ভোক্তাদের ঠকিয়ে লাখ লাখ টাকা আয় করে ২ থেকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা দিলে বিক্রেতাদের উপর তেমন একটা চাপও পড়ে না। এ জন্য জরিমানার পাশাপাশি কারাদণ্ডের ব্যবস্থা থাকার প্রয়োজন আছে বলে মনে করেন অনেক ভোক্তা।

অতিসম্প্রতি ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, গোপালগঞ্জের সহকারী পরিচালক শামীম হাসানের নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে দেখা গেছে, এক কেজি মিষ্টির প্যাকেটে আড়াইশ গ্রামই নাই, এক কেজির দইয়ে থাকে না প্রায় ৪৩০ গ্রাম। তাছাড়া পচা দই, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে এসব খাবার প্রস্তুত করাসহ হোটেলগুলোতে রয়েছে নানা অনিয়ম।

এছাড়া ফার্মেসিগুলোতে মেয়াদোত্তীর্ণ-নিম্নমানের ওষুধ রয়েছে। এসব ভোক্তাদের কাছে বিক্রি করে প্রতিনিয়তই তাদের ঠকিয়ে আসছিলেন বিক্রেতারা। শুধু এটুকুতেই সীমাবদ্ধ নাই বিক্রেতারা। তারা যে যেভাবে পারছে তাদের পণ্যের মধ্যে ভেজাল দিয়ে ভোক্তাদেরকে ঠকিয়ে যাচ্ছেন। আর প্রতারিত হচ্ছেন ভোক্তারা।

একদিকে দামে ঠকছেন, ওজনে ঠকছেন এবং সঠিক পণ্যটিও তারা পাচ্ছেন না। এজন্য যদিও ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের (গোপালগঞ্জ) পক্ষ থেকে ভোক্তাদেরকে নিয়মিত লিফলেট ও অন্যান্যভাবে প্রচারণার মাধ্যমে সচেতন করার কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। তবে তাতে খুব একটা কাজ হচ্ছে বলে মনে হচ্ছে না। কেননা যতদিন না বিক্রেতারা সৎ হবেন এবং অধিক লাভের আশায় ভোক্তাদেরকে না ঠকাবেন ততদিন এ অবস্থা থেকে মুক্তি পাওয়া কঠিন।

জেলা উদীচীর সভাপতি মো. নাজমুল ইসলাম জানান, এ ব্যাপারে ব্যাপক জনসচেতনতার প্রয়োজন রয়েছে। যেসব বিক্রেতারা ভেজাল পণ্য বিক্রি করে থাকেন তাদেরকে প্রত্যাখান করাসহ আইনের সঠিক প্রয়োগেরও দরকার।

ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের (গোপালগঞ্জ) সহকারী পরিচালক শামীম হাসান জানান, এ ব্যাপারে গণসচেতনতা সৃষ্টি করতে হবে। প্রচুর প্রচারণা, সভা, সমাবেশ, সেমিনার, গণশুনানি ও মত বিনিময় সভার আয়োজন করা দরকার বলে মনে করেন তিনি। তারা যখন বাজার তদারকি করেন তখন উপস্থিত জনগণকে আইন সম্পর্কে সচেতন করেন।

আপনার মতামত লিখুন :

শেরপুরে বৃদ্ধাকে গলা কেটে হত্যা

শেরপুরে বৃদ্ধাকে গলা কেটে হত্যা
শেরপুরের ম্যাপ

শেরপুরে ফরিদা বেগম (৬০) নামে এক বৃদ্ধাকে গলা কেটে হত্যা করেছে দূর্বৃত্তরা।

বুধবার (২১ আগস্ট) রাত সাড়ে ১১টার দিকে শেরপুর পৌর এলাকার গৌরিপুর মহল্লায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত ফরিদা ওই এলাকার মৃত আব্দুস সালামের স্ত্রী।

নিহতের নাতি শিহাব বলেন, ‘আমি শেরপুরে একটি মোটরসাইকেল শো-রুমে কাজ শেষে বাসায় যাই। এসময় ঘরে সামনে গিয়ে দরজা খোলার জন্য দাদীকে ডাকাডাকি করি। কিন্তু তিনি দরজা না খোলায় পাশের বাসা থেকে হাতুড়ি এনে তালা ভেঙ্গে ভিতরে ঢুকে দাদীকে গলা কাটা অবস্থায় পাই। এরপর চিকৎকার করলে আশপাশের লোকজন আসে। আমি আর কিছু জানি না।’

শেরপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) আমিনুল ইসলাম বলেন, কে বা কারা বৃদ্ধার গলা কেটে রেখেছে আমরা ঘটনা উদঘাটনের চেষ্টা করছি। দ্রুত সময়ের মধ্যে আসামীকে গ্রেফতার করার চেষ্টা করছি।

গুড়ায় গভীর রাতে বাল্য বিয়ে বন্ধ করলেন ইউএনও-ওসি

গুড়ায় গভীর রাতে বাল্য বিয়ে বন্ধ করলেন ইউএনও-ওসি
ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

গভীর রাতে বিয়ে বাড়িতে হাজির হয়ে বাল্য বিয়ে বন্ধ করলেন বগুড়ার শেরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)।

বুধবার (২১ আগস্ট) রাত সাড়ে ১১টায় এই দুই কর্মকর্তা হাজির হন মির্জাপুর ইউনিয়নের মাড়র খোলা গ্রামের আকিমুদ্দিনের বাড়িতে। কেননা সেখানে গভীর রাতে আয়োজন করা হয়েছিল নবম শ্রেনীর ছাত্রী আদরী খাতুনের (১৩)। বর পার্শ্ববর্তী ভাদরা গ্রামের মহসিনের ছেলে ইকবাল হোসেন (১৬)।

বিয়ের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন কাজী সাহেব এমন সময় সেখানে হাজির হন ইউএনও লিয়াকত আলী শেখ ও শেরপুর থানার ওসি হুমায়ুন কবীর।

তাদেরকে দেখে বাল্য বিয়ের প্রস্তুতি ভন্ডুল হয়ে যায় মুহুর্তের মধ্যে। এসময় মেয়ের বাবা আকিমুদ্দিন তার মেয়েকে প্রাপ্ত বয়স্ক না হওয়া পর্যন্ত বিয়ে দিবে না মর্মে অঙ্গীকার নামা দেন।

এছাড়া বরকে ১০ দিনের কারাদণ্ড এবং মেয়েকে আটকের পর বয়স বিবেচনা করে তার বাবার জিম্মায় ছেড়ে দেয়া হয়। ছেলের বাবা ও কাজী সাহেবের অর্থ দণ্ড করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও ইউএনও লিয়াকত আলী শেখ।

শেরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হুমায়ুন কবির বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র