Barta24

শুক্রবার, ১৯ জুলাই ২০১৯, ৪ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

'বর্তমান সরকার সাংবাদিকদের কল্যাণে কাজ করছে'

'বর্তমান সরকার সাংবাদিকদের কল্যাণে কাজ করছে'
বক্তব্য রাখছেন উপ প্রেস সচিব হাসান জাহিদ তুষার, ছবি: বার্তা২৪
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
নেত্রকোনা
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের উপ প্রেস সচিব হাসান জাহিদ তুষার বলেছেন, ‘বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে এদেশ স্বাধীন হয়েছে। তারই সুযোগ্য কন্যা বর্তমান প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার গতিশীল নেতৃত্বে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। বর্তমান সরকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতায় বিশ্বাসী। সাংবাদিকরা যাতে স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারে তার জন্য সব ধরনের সহযোগিতা করা হচ্ছে।’

শনিবার (২০ এপ্রিল) দুপুরে নেত্রকোনা জেলা প্রেসক্লাবে সাংবাদিকদের সাথে মত বিনিময় সভায় এসব কথা বলেন তিনি।

প্রেস সচিব জাহিদ বলেন, ‘বর্তমান সরকার সাংবাদিকদের কল্যাণে কাজ করছে। এ জন্য সাংবাদিক কল্যাণ ফান্ডে ৫০ কোটি টাকার অনুদান প্রদান করা হয়েছে। শেখ হাসিনার বিগত ১০ বছর ছিল উন্নয়নের বছর। আগামী ৫ বছর হচ্ছে সুশাসনের বছর। সরকার দেশ থেকে সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ নির্মূলে জিরো টলারেন্সনীতি গ্রহণ করেছে। ফলে দেশ থেকে সন্ত্রাস জঙ্গিবাদ অনেকটাই নির্মূল করা সম্ভব হয়েছে। এখন সরকার দুর্নীতির বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছে। সংবাদপত্র হচ্ছে সমাজের দর্পণ আর সাংবাদিকরা হলেন জাতির বিবেক।’

তিনি বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উজ্জীবিত হয়ে মাদক, সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ ও দুর্নীতিমুক্ত ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সাংবাদিকদেরকে আরও বেশি দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। সরকারের ধারাবাহিক উন্নয়ন কর্মকাণ্ড আরও বেশি করে জনগণের সামনে তুলে ধরতে হবে। তাহলেই বাংলাদেশকে বিশ্ব দরবারে মর্যাদার আসনে প্রতিষ্ঠিত করা সম্ভব হবে।

নেত্রকোনা জেলা প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি এডভোকেট আব্দুল হান্নান রঞ্জনের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য হাবিবা রহমান খান শেফালী, কেন্দ্রীয় সাংবাদিক সমিতির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা হায়দার জাহান চৌধুরী, প্রেসক্লাব সম্পাদক শ্যামলেন্দু পাল, দৈনিক ইত্তেফাকের সাহিত্য সম্পাদক ফারুক আহমেদ, প্রেসক্লাবের সাবেক সদস্য সচিব সাংবাদিক এম ফখরুল হক, সাবেক সম্পাদক মাহবুবুল কিবরিয়া চৌধুরী হেলিম, রুরাল জার্নালিষ্ট ফাউন্ডেশন (আরজেএফ) নেত্রকোনার সভাপতি দিলওয়ার খান, নেত্রকোনা টেলিভিশন সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি ভজন দাস ও টিম নৌকার প্রধান সমন্বয়ক এ কে এম মাজহারুল ইসলাম অরুণ প্রমুখ।

আপনার মতামত লিখুন :

কেন্দুয়ায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় বৃদ্ধা নিহত

কেন্দুয়ায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় বৃদ্ধা নিহত
প্রতীকী ছবি

নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় জুবেদা আক্তার (৬৫) নামে এক বৃদ্ধা মারা গেছেন। শুক্রবার (১৯ জুলাই) দুপুরে কেন্দুয়া পৌর শহরের কমলপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত জুবেদা আক্তার কমলপুর গ্রামের মৃত সাহাব উদ্দিনের স্ত্রী।

স্থানীয়রা জানান, দুপুরে জুবেদা আক্তার তার বাবার বাড়ি কেন্দুয়া পৌর শহরের বাদে আঠারবাড়ি গ্রাম থেকে অটোরিকশায় স্বামীর বাড়ি কমলপুর গ্রামে যাচ্ছিলেন। কমলপুর এলাকায় গিয়ে অটোরিকশা থেকে নামলে একটি মোটরসাইকেল তাকে ধাক্কা দেয়। এতে মারাত্মক আহত তিনি। পরে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে দুপুর ২টার দিকে চিকিৎসক ডা. পিয়াস পাল তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

কেন্দুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ রাশেদুজ্জামান জানান, ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে।

ব্রহ্মপুত্রের পানিতে ডুবে আছে চিলমারী

ব্রহ্মপুত্রের পানিতে ডুবে আছে চিলমারী
বাঁশঝাড়ের নিচে মাচা তৈরি করে আশ্রয় নিয়েছে চিলমারীর এই পরিবারটি/ ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

কুড়িগ্রাম থেকেঃ ব্রহ্মপুত্রের পানিতে প্লাবিত হয়েছে চিলমারী উপজেলার সবকটি ইউনিয়ন। উলিপুর-চিলমারী সড়কপথের বেশকিছু জায়গায় রাস্তার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে পানি। ইতোমধ্যে চিলমারী থানায় কোমড় সমান পানি জমেছে।

চিলমারী খাদ্য গুদামে হাঁটু পানি, উপজেলা পরিষদ সহ সকল সরকারি প্রতিষ্ঠান পানির নিচে। পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের সাব-স্টেশনে পানি প্রবেশ করেছে। ফলে উপজেলার পুরো এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছেন কর্তৃপক্ষ।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/19/1563529336611.gif

বন্যার পানিতে কুড়িগ্রাম-চিলমারী রেলপথের উলিপুর অংশের কয়েক জায়গা প্লাবিত হয়েছে। আরও কয়েক জায়গায় পানি রেলপথ ছুঁই ছুঁই করছে। এ অবস্থায় ঐ রেলপথে ট্রেন চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

এছাড়াও বন্যাদুর্গত লোকজন রেললাইনের ওপর আশ্রয় নেওয়ায় বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) সকাল থেকে কুড়িগ্রাম-চিলমারী রেল যোগাযোগ বন্ধ রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছেন লালমনিরহাট রেলওয়ে স্টেশন মাস্টার হারুন অর রশিদ।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/19/1563529351678.gif

চিলমারী উপজেলা চেয়ারম্যান বীরবিক্রম শওকত আলী সরকার বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে বলেন, '৩০ বছর পর এমন বন্যা দেখলাম। এর আগে ১৯৮৮ তে বন্যা দেখেছি। খুবই ভয়াবহ অবস্থা। হাজার হাজার মানুষ পানিবন্দি রয়েছে। তবে পানিবন্দি মানুষের তুলনায় পর্যাপ্ত ত্রাণ ও শুকনো খাবার এখন পৌঁছানো ও বিতরণ করা হয়নি।'

এদিকে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানায়, বৃহস্পতিবার পর্যন্ত কুড়িগ্রামের ৯টি উপজেলার বন্যা দুর্গতদের জন্য দুই হাজার প্যাকেট শুকনো খাবার, ৫০০ মেট্রিক টন চাল, ৪৫০টি তাবু ও ১৩ লাখ পঞ্চাশ হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। ত্রাণ ও শুকনো খাবার বিতরণ কার্যক্রম অব্যহত রয়েছে। জেলার ১৪৫টি আশ্রয়কেন্দ্রসহ বন্যাপ্লাবিত এলাকায় ৮৫টি মেডিকেল টিম স্বাস্থসেবা প্রদান করছে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র