Barta24

শুক্রবার, ২৩ আগস্ট ২০১৯, ৮ ভাদ্র ১৪২৬

English

দোকান বন্ধ রেখে পুলিশের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ

দোকান বন্ধ রেখে পুলিশের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ
দোকান বন্ধ রেখে পুলিশের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ। ছবি: বার্তা২৪.কম
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
লক্ষ্মীপুর
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

লক্ষ্মীপুরের কমলনগরে দোকানপাট বন্ধ রেখে পুলিশের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ সভা করেছে ব্যবসায়ীরা। উপজেলার ফজুমিয়ার হাটের মো. রিপন নামে এক ব্যবসায়ী পুলিশের হাতে লাঞ্ছিত হন। এর প্রতিবাদে বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ সভা করে ব্যবসায়ীরা।

শুক্রবার (১৯ এপ্রিল) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত ফজুমিয়ার হাটের ব্যবসায়ীরা দোকানপাট খোলেননি। তবে ওই বাজারে পুলিশের বিরুদ্ধে ব্যবসায়ীরা ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিবাদ জানান। বৃহস্পতিবার (১৮ এপ্রিল) রাতেও পুলিশের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল করে ব্যবসায়ীরা।

প্রতিবাদ সভায় উপস্থিত ছিলেন চর কাদিরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান খালেদ মোহাম্মদ সাইফ উল্লাহ, বাজার ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি সফিক উল্লাহ, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি নুরুল ইসলাম প্রমুখ।

জানা গেছে, ফজুমিয়ার হাটে আবুল খায়েরের থেকে দোকানঘর ভাড়া নিয়ে কনফেকশনারির ব্যবসা করে আসছেন রিপন। সম্প্রতি খায়ের তাকে দোকানটি ছেড়ে দিতে বলে। বাজার পরিচালনা কমিটিকে বিষয়টি জানানো হয়। পরে দোকান ভাড়া বাড়িয়ে বিষয়টি মীমাংসা করে দেয়া হয়। ওই সময় বকেয়া টাকাও পরিশোধ করে দেন রিপন। কিন্তু বাজার পরিচালনা কমিটির সিদ্ধান্ত অগ্রাহ্য করে দোকানঘর মালিক থানায় অভিযোগ করেন।

স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানান, ঘর মালিক থানায় অভিযোগ করলে রিপনকে কমলনগর থানার সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) মো. রশিদ দেখা করতে বলেন। কিন্তু রিপন থানায় গিয়ে তার সঙ্গে দেখা করেননি। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে ওই পুলিশ এসে রিপনের জামার কলার ধরে ধাক্কা দেয়। একপর্যায়ে মারার জন্য লাঠি নিয়েও তেড়ে আসে। এ সময় বাজারের অন্য ব্যবসায়ীরা এগিয়ে আসলে ঘটনাস্থল থেকে চলে যায় পুলিশ।

ব্যবসায়ী রিপন বলেন, ‘দোকানের ভাড়া নিয়ে বাজার পরিচালনা কমিটির সিদ্ধান্ত মেনে নিয়েছি। বকেয়া টাকাও পরিশোধ করেছি। তারপরও পুলিশ দিয়ে আমাকে হেনস্তা করা হয়েছে।’

আবুল খায়ের জানান, রিপন দোকানের ভাড়া সময় মতো দিতেন না। এতে কয়েক মাসের ভাড়া বাকি রয়েছে। বাজার কমিটি ভাড়ার টাকা পরিশোধ করতে বললেও রিপন সবগুলো টাকা দেননি। উল্টো তাকে হুমকি দেয়ায় রিপনের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ করা হয়েছে।

বাজার ব্যবস্থাপনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক হারুনুর রশিদ জানান, পুলিশের এএসআই রশিদ এসে রিপনকে লাঞ্ছিত করেছে। বাজার কমিটি ও ইউপি চেয়ারম্যানকেও গালমন্দ করেছে ওই পুলিশ। ভাড়া নিয়ে বাজার কমিটি রিপন ও আবুল খায়েরের বিষয়টি মীমাংসা করে দিয়েছে। এরপরও পুলিশের এসব করা ঠিক হয়নি।

কমলনগর থানার সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) মো. রশিদ বলেন, ‘খায়ের থানায় রিপনের বিরুদ্ধে একটি অভিযোগ করে। পরে দু'জনকেই থানায় আসতে বলা হয়। কিন্তু রিপন আসেনি। কেন আসেনি তা জানার জন্য তার দোকানে গিয়েছি। এ সময় তাকে লাঞ্ছিত করা হয়নি। এমনকি গালমন্দও না।’

আপনার মতামত লিখুন :

অযত্নে বেড়ে ওঠা গুণসমৃদ্ধ মানকচু

অযত্নে বেড়ে ওঠা গুণসমৃদ্ধ মানকচু
গ্রামঞ্চলের আনাচেকানাচে বেড়ে ওঠা মানকচু

আমাদের দেশে অনেক ধরণের কচু জন্মায়। তবে এরমধ্যে মানকচুর একটা আলাদা কদর আছে। সেটা এর বিশাল আকারের জন্য। আর কোনো কচু গাছ এত বড় আকারের হয়না। চাষাবাদ না হওয়ায় দেশের গ্রামাঞ্চলে পথে-ঘাটে, জঙ্গল- ঝোপঝাড়ে অনেকটা অযত্নে অবহেলা বেড়ে ওঠে গুণসমৃদ্ধ মানকচু গাছ।

শুক্রবার (২৩ আগস্ট) সকালে মানকচু গাছের দেখা মিলে গৌরীপুর পৌরশহরের গো-হাটা সড়ক সংলগ্ন একটি ডোবার পাশে। অযত্নে অবহেলা বেড়ে উঠা বিশালাকৃতির গাছগুলো সহজেই পথচারির নজর কাড়ে।

মানকচুর বৈজ্ঞানিক নাম: Alocasia macrorrhiza/ Alocasia indica হচ্ছে  Araceae পরিবারের একটি উদ্ভিদ প্রজাতি। দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশ, ভারতসহ বেশ কয়েকটি দেশে মানকচু দেখতে পাওয়া যায়। একে অনেকেই ঔষুধি হিসেবেও ব্যবহার করেন। তবে কিছু কচু আছে, যা খেলে গলা চুলকাতে পারে। তাই মানকচু ঠিকমতো সেদ্ধ করে খেতে হবে। রান্নার পাশাপাশি মানকচু ভর্তা করেও খাওয়া যায়।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/23/1566535389148.gif

মানকচু বহুবর্ষজীবী উদ্ভিদ। স্থানভেদে সর্বোচ্চ গাছ ১২ ফুট পর্যন্ত লম্বা হতে পারে। ছায়াযুক্ত অনুর্বর মাটির মানকছু গাছ খুব বেশি বড় হয় না। শুকনো উর্বর মাটির গাছ বেশ লম্বা হয়। বর্ষকালে মানকচুর উচ্চতা সর্বোচ্চ হয়। গ্রীষ্ম ও শীতকালে উচ্চতা সবচেয়ে কম হয়।

মান কচু গাছের আলাদা কোনো কাণ্ড নেই। মূলের যে অংশ মাটির উপরে থাকে সেই অংশটিকে এর কাণ্ড বলে।

মানকচুর শাখা-প্রশাখা থাকে না। সরাসরি মূল বা কাণ্ড থেকে প্রথম পাতাটা বের হয়। মানকচুর পাতা উপবৃত্তকার। পাতার রং গাঢ় সবুজ। কচি পাতার রং হালকা সবুজ। গাছের উচ্চতা অনুযায়ী পাতা ৪ ইঞ্চি থেকে ৪ ফুট পর্যন্ত হতে পারে।

মান কচুর ফুল ও ফল হয় না। অঙ্গজ প্রজননের মাধ্যমে বংশবিস্তার ঘটে। কচুর মুল থেকে সরাসরি নতুন চারা জন্মে। তাই একটা গাছ কোথাও জন্মালে সেখানে কয়েক মাসের মধ্যে অনেক চারা জন্মে ঘন ঝাড় সৃষ্টি হয়।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/23/1566535355007.gif

বিশেষজ্ঞরা বলেন, কচু খেলে শরীর পুষ্ট হয় এবং শুক্র বৃদ্ধি পায়। কান ও গলার রুক্ষতা দূর করে। এ ছাড়া মানকচুর আরও কিছু গুণ আছে।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে মানকচু শরীরে আয়রনের ঘাটতি পূরণ ও দৃষ্টিশক্তি বাড়াতে মানকচু কার্যকর। মানকচুতে আছে দরকারি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও বিটা ক্যারোটিন, যা শরীরে রোগ সৃষ্টিকারী ফ্রি র‌্যাডিকেলসকে দূরে রাখে। এতে থাকা ভিটামিন সি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়, ভিটামিন ত্বকের জন্য ভালো। মানকচুতে থাকা ডায়েটারি ফাইবার ও পটাশিয়াম হৃদযন্ত্রের জন্য ভালো। এটি হৃৎস্পন্দন নিয়ন্ত্রণে রাখে। ধমনির ধকল দূর করায় রক্তচাপ থাকে নিয়ন্ত্রণে।

শ্রীপুরে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, সভাপতিসহ আহত ৭

শ্রীপুরে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, সভাপতিসহ আহত ৭
দু-গ্রুপের হামালায় আহতরা, ছবি: সংগৃহীত

গাজীপুরের শ্রীপুরে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষে উপজেলা ছাত্র লীগের সভাপতি ও সম্পাদক সহ সাতজন আহত হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (২২ আগস্ট) রাতে শ্রীপুর রেলওয়ে স্টেশন সংলগ্ন স্থানে এ ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলেন- উপজেলা ছাত্র লীগের সভাপতি জাকিরুল হাসান জিকু, উপজেলা ছাত্র লীগের সহ-সভাপতি রাকিবুল হাসান, গ্রন্থ ও প্রকাশনা সম্পাদক তন্ময় বনিক ও সহ-সম্পাদক রাসেল শেখ আহত হয়। এদিকে এ ঘটনায় প্রতিপক্ষের মুক্তিযোদ্ধা রহমত আলী সরকারি কলেজ শাখা ছাত্রলীগ নেতা সিয়াম খন্দকার সানি, সুজন, আল আমিন ও জনি মন্ডল আহত হয় বলে জানা যায়।

কলেজ শাখা ছাত্রলীগ নেতা সিয়াম খন্দকার সানি বলেন, 'রেলওয়ে স্টেশন থেকে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তির মোবাইল ফোন ছিনতাই করে নিয়ে যাচ্ছিল কয়েকজন ছিনতাইকারী। এ ঘটনায় বাধা দিলে রাকিব, রাসেল, তন্ময়সহ আরও কয়েকজন মিলে আমার ওপর হামলা চালায়। স্থানীয়রা আমাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। পরে এ ঘটনায় রাকিব, তন্ময়,রাসেল ও বুলবুলকে বিবাদী করে থানায় লিখিত অভিযোগ দেয়া হয়েছে।'

উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি জাকিরুল হাসান জিকু বলেন, 'গত রাত সাড়ে ৭টার দিকে রাকিব, রাসেল, তন্ময়সহ আরও কয়েকজন মিলে রেলওয়ে স্টেশনের পাশের একটি দোকানে চা পান করার সময় হঠাৎ ১০-১৫ জন সন্ত্রাসী দেশীয় অস্ত্র নিয়ে আমাদের ওপর হামলা চালায়। আমিসহ সবাই এখন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। এ ঘটনায় অভিযোগ লিখা হয়েছে। দুপুরের দিকে থানায় জমা দেয়া হবে।'

শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লিয়াকত আলী জানান, এ ঘটনা অবগত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। এখনো পর্যন্ত কোন অভিযোগ পাওয়া যায়নি বলেও জানান তিনি।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র