Barta24

বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই ২০১৯, ৩ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

শিক্ষকদের প্রেষণ বাতিলের দাবিতে অভিভাবকদের মানববন্ধন

শিক্ষকদের প্রেষণ বাতিলের দাবিতে অভিভাবকদের মানববন্ধন
মানববন্ধন করেছেন অভিভাবকরা / ছবি: বার্তা২৪
উপজেলা করেসপন্ডেন্ট
গৌরীপুর (ময়মনসিংহ)
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

ময়মনসিংহের গৌরীপুর আর কে সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে কর্মরত শিক্ষকদের প্রেষণ বাতিলের দাবিতে মানববন্ধন করেছেন শিক্ষার্থীদের অভিভাবকরা।

বুধবার বিকেলে (১৭ এপ্রিল) বিদ্যালয়ের প্রবেশ পথের সামনে স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন গৌরীপুর উন্নয়ন সংগ্রাম পরিষদের উদ্যোগে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

মানববন্ধনে বক্তব্য দেন- গৌরীপুর উন্নয়ন সংগ্রাম পরিষদের সভাপতি অধ্যক্ষ শফিকুল ইসলাম মিন্টু, সাধারণ সম্পাদক মজিবুর রহমান ফকির, সাংগঠনিক সম্পাদক রাকিবুল ইসলাম রাকিব, পৌর কাউন্সিলর দিলুয়ারা আক্তার, বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন গৌরীপুর শাখার সাধারণ সম্পাদক রইছ উদ্দিন, উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মিজানুর রহমান, গৌরীপুর সরকারি কলেজ ছাত্রলীগের ওয়াসিকুল ইসলাম রবিন, উপজেলা ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি আলী আশরাফ আবীর, অভিভাবক গোলাম মোস্তফা, উপাধাক্ষ্য এমদাদুল হক, মঞ্জুরুল হক, আজিম উদ্দিন, আওলাদ হোসেন জসিম, নূর মোহাম্মদ ফকির প্রমুখ।

মানববন্ধনে বক্তরা বলেন, গৌরীপুর আর কে সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের যোগদান করেই শিক্ষকরা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের যোগসাজশে অন্যত্র প্রেষণে চলে যান। বিদ্যালয়ের প্রায় ৭০০ শিক্ষার্থীর পাঠদান চলছে ১২ জন শিক্ষক দিয়ে। এর মধ্যে পাঁচ জন শিক্ষক প্রেষণে থাকায় চতুর্থ ঘণ্টা পর বিদ্যালয় ছুটি হয়ে যায়। এতে করে এখানে অধ্যয়নরত কোমলমতি শিক্ষার্থীরা পড়াশোনায় পিছিয়ে পড়ছে। কিছুদিন আগে বিদ্যালয়ের একমাত্র উচ্চমান সহকারীকেও প্রেষণে অন্যত্র নেওয়া হয়েছে। এতো অনিয়মের মধ্য দিয়ে একটা বিদ্যালয় চলতে পারে না। অচিরেই শিক্ষক সঙ্কট সমাধান না করা হলে আগামী দিনে কঠোর আন্দোলনে যেতে আমরা বাধ্য হব।

এ বিষয়ে জানতে গৌরীপুর আর কে সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক লুৎফা খাতুনের মুঠোফোনে বেশ কয়েকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও সম্ভব হয়নি।

আপনার মতামত লিখুন :

সেতুর দুই পাশে নেই রাস্তা, উপকারে আসছে না স্থানীয়দের!

সেতুর দুই পাশে নেই রাস্তা, উপকারে আসছে না স্থানীয়দের!
সরাইলে ৩২ লাখ টাকায় নির্মিত সেতুটি, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার কালীকচ্ছ ইউনিয়নের দক্ষিণ কালীকচ্ছ গ্রামের ঘোষপাড়া এলাকায় ৩২ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত ব্রিজটি সাধারণ মানুষের কোনো কাজেই আসছে না। ব্রিজটির দুই পাশে নেই কোনো রাস্তা। পশ্চিম পাশে ফসলি মাঠ, উত্তর পাশে সবজি চাষাবাদের জমি, দক্ষিণে জনবসতি ও পূর্বে সরকারি পানি নিষ্কাশনের নালা।

এর মাঝখানে দাঁড়িয়ে আছে এই সেতু। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতরের (এলজিইডি) তত্ত্বাবধায়নে 'হাওর অঞ্চলের অবকাঠামো ও জীবনমান উন্নয়ন প্রকল্প (হিলিপ)' বরাদ্দে ৩২ লাখ টাকা ব্যয় পাঁচ বছর আগে এই সেতু নির্মাণ হয়েছিল বলে জানা যায়।

স্থানীয় এলাকাবসীর সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ৩২ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত ব্রিজটি এই স্থানে নির্মাণে কারণর তারা খুঁজে পাননি। সেতুটি তাদের কোনো উপকারে আসে না। দুইপাশে সড়ক না থাকায় আজ পর্যন্ত সেতুর ওপর কেউ উঠতে পারেনি। সেতুর একপ্রান্তে নালা, অপরপ্রান্তে ব্যক্তি মালিকানাধীন চাষাবাদের জমি। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতর (এলজিইডি) টাকা লোপাটের কারণেই এই ব্রিজ নির্মাণ করা হয়েছে বলে দাবি স্থানীয়দের।

স্থানীয় ইউপি সদস্য অরবিন্দ দত্ত বলেন, দুইপাশে রাস্তা নেই, অথচ লাখ লাখ টাকা ব্যয়ে এখানে খালের উপর সেতু নির্মাণ করা হয়েছে। আনুমানিক ৩০০ গজ দক্ষিণে সেতুটি নির্মাণ করলে, স্থানীয় লোকজন উপকৃত হতেন। সেখানে খালের দুইপাশেই সরকারি রাস্তা ছিল। হিন্দু সম্প্রদায়ের শশ্মানঘাটও ছিল।

কালীকচ্ছ ইউপি চেয়ারম্যান শরাফত আলী জানান, হিলিপ প্রকল্পের আওতায় ৩২ লাখ টাকার এই সেতু এখন স্থানীয় লোকজনের দুই পয়সার কোন কাজে আসছে না। এই ব্রিজের টাকা লুটপাট করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

এই ব্যাপারে সরাইল এলজিইডি কার্যালয়ের উপ-সহকারী প্রকৌশলী আবদুল্লাহ আল বাকি বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে জানান, হিলিপ প্রকল্পে ৩২ লাখ টাকা বরাদ্দে সেই সেতু নির্মাণ করে একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। তৎকালীন উপ-সহকারী প্রকৌশলী নুরুন্নাহার বেগম এই কাজের প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার দায়িত্বে নিয়োজিত ছিলেন। বিষয়টি তিনিই ভালো জানেন। বর্তমানে তিনি বদলি হয়ে এলজিইডির প্রধান কার্যালয়ে কর্মরত।

এলজিইডির প্রধান কার্যালয়ের উপ-সহকারী প্রকৌশলী নুরুন্নাহার বেগম জানান, পাঁচ বছর আগে হিলিপ প্রকল্পের সেই সেতু নির্মাণ হয়। আমি সরাইলে কর্মরত থাকা অবস্থায় ঠিকাদারকে সেই সেতুর অ্যাপ্রোচ সড়কের বিল প্রদান করিনি। ঠিকাদার অ্যাপ্রোচ সড়ক নির্মাণ করতে গেলেও মাটির অভাবে তা সম্ভব হয়নি।

সরাইল উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) এএসএম মোসা বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে জানান, হিলিপ প্রকল্পে সঙ্গে স্থানীয় ইউএনও'র কোনো সম্পর্ক নেই। তারা কীভাবে প্রকল্প গ্রহণ করে তারাই বলতে পারবে। তবে বিষয়টি খুব দুঃখজনক বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

শেরপুর-জামালপুর মহাসড়কে হাঁটু পানি

শেরপুর-জামালপুর মহাসড়কে হাঁটু পানি
ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম।

পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদে পানি বৃদ্ধির ফলে শেরপুরে বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে। বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের পুরাতন ভাঙন অংশ দিয়ে পানি দ্রুতবেগে প্রবেশ করায় চরাঞ্চলের নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হচ্ছে।

গত ২৪ ঘণ্টায় ব্রহ্মপুত্র নদের পানি শেরপুর ফেরিঘাট পয়েন্টে ১ মিটার বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমা ছুঁই ছুঁই করছে। এতে শেরপুর-জামালপুর মহাসড়কের পোড়ার দোকান কজওয়ের (ডাইভারশন) উপর দিয়ে প্রবলবেগে বন্যার পানি প্রবাহিত হচ্ছে। স্থানীয়রা হাঁটু পানি মাড়িয়ে ঝুঁকি নিয়ে ওই মহাসড়ক দিয়ে চলাচল করছে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/18/1563438434171.jpg

এদিকে ঝুঁকি নিয়ে যানবাহন চলাচল করলেও যেকোনো সময় শেরপুর থেকে জামালপুর হয়ে রাজধানী ঢাকা ও উত্তরাঞ্চলের সঙ্গে সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হতে পারে।

স্থানীয়রা বলছেন, হঠাৎ করে গত রাত থেকে এই ডাইভারশনে পানি এসেছে। এতে আতঙ্কে আছেন তারা। যেকোনো মুহূর্তে বন্ধ হয়ে যেতে পারে শেরপুর-জামালপুর রুটে যানবাহন চলাচল।

স্থানীয় রহমত আলী, মজিবর রহমান, খলিলুর রহমানসহ অনেকে জানান, বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) সকাল থেকে পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে তারা আতঙ্কে আছেন।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/18/1563438456420.jpg

পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মাজহারুল ইসলাম বলেন, ‘শুনেছি গতরাত থেকে ডাইভারশন দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে। তবে যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় পানি উন্নয়ন বোর্ড প্রস্তুত রয়েছে।’

এদিকে অবিরাম বর্ষণ ও উজানের পাহাড়ি ঢলে শেরপুরের ৫ উপজেলার ৩৫টি ইউনিয়নের ২ শতাধিক গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। এতে পানিবন্দী রয়েছে প্রায় লক্ষাধিক মানুষ। এছাড়া পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় ৫২টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। গত ৫ দিনে বন্যার পানিতে ডুবে ৬ জনের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র