Barta24

বুধবার, ১৭ জুলাই ২০১৯, ২ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

মানিকগঞ্জে ২৪০০ পিস ইয়াবাসহ আটক ২

মানিকগঞ্জে ২৪০০ পিস ইয়াবাসহ আটক ২
প্রতীকী ছবি
খন্দকার সুজন হোসেন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

মানিকগঞ্জ: মানিকগঞ্জের সেওতা এবং জয়রা এলাকা থেকে ২৪০০ পিচ ইয়াবাসহ দুই যুবককে আটক করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের একটি টিম। বুধবার (১৭ এপ্রিল) বিকালে তাদের আটক করা হয়।

এরা হলো- সদর উপজেলার উত্তর সেওতা এলাকার আইয়ুব খানের ছেলে আসিফ খান (৩০) এবং জেলার সাটুরিয়া উপজেলার জান্না এলাকার হাকিম আলীর ছেলে সৌরভ হোসেন (২৯)।

এদের মধ্য থেকে আসিফের কাছ থেকে ১৪০০ পিস ও সৌরভের কাছ থেকে এক হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।

মানিকগঞ্জ জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মুঈদ চৌধুরী বাংর্তা২৪.কমকে জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ইয়াবাসহ ও তাদের আটক করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন :

জিপিএ-৫ না পেয়ে ছাত্রীর আত্মহত্যা

জিপিএ-৫ না পেয়ে ছাত্রীর আত্মহত্যা
প্রতীকী

এইচএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ না পেয়ে গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেছেন তামিমা ইসলাম ফেনি নামে এক ছাত্রী। আত্মহত্যাকারী ওই শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় জিপিএ ৪.৯৬ পেয়েছেন।

বুধবার (১৭ জুলাই) বগুড়ার ঠনঠনিয়া তেঁতুলতলা এলাকায় ভাড়া বাসায় গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন ওই শিক্ষার্থী।

তামিমা ইসলাম ফেনি নওগাঁর রানীনগরের সেনাবাহিনীর ওয়ারেন্ট অফিসার ফরিদুল ইসলামের মেয়ে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্রী তামিমা ইসলাম রংপুর ক্যান্টনমেন্ট স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে এবারের এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেন। তার প্রত্যাশা ছিল জিপিএ-৫ পেয়ে মেডিকেল কলেজে ভর্তি হবেন। মেডিকেলে ভর্তি হওয়ার জন্য পরিবারসহ বগুড়ায় বাসা ভাড়া নিয়ে ভর্তির প্রস্তুতি কোচিং করছিলেন তিনি।

প্রতিবেশীরা জানান, এইচএসসি পরীক্ষার রেজাল্টে জিপিএ ৪.৯৬ পাওয়ার পর তামিমা ইসলাম কান্নায় ভেঙে পড়েন। দুপুরের পর ঘরের ভেতরে গিয়ে দরজা লাগিয়ে দেন। পরে তিনি ফ্যানের সাথে ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। ঘটনাটি তার মা বুঝতে পেরে চিৎকার করলে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে ঘরের দরজা ভেঙে তাকে উদ্ধার করে বগুড়া মোহাম্মদ আলী হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

বগুড়া সদর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) রেজাউল করিম বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম বলেন, তামিমার মরদেহ সুরতহালের রিপোর্ট শেষে ময়না তদন্তের জন্য বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।

৩৭ বছর বয়সে এইচএসসি পাস করলেন সেই মা মলি রাণী

৩৭ বছর বয়সে এইচএসসি পাস করলেন সেই মা মলি রাণী
পরীক্ষায় পাসের খুশিতে মা মলি রাণীকে মিষ্টি খাইয়ে দিচ্ছেন ছেলে মৃন্ময় কুমার। ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম।

বয়সের বাধাকে উপেক্ষা করে নাটোরের বাগাতিপাড়ার আলোচিত সেই মা মলি রাণী (৩৭) এবার এইচএসসি পরীক্ষায় পাস করেছেন।

বুধবার (১৭ জুলাই) প্রকাশিত ফলাফলে জিপিএ ৩ দশমিক ৯৬ পেয়ে পাস করেন তিনি। এর আগে ছেলের সঙ্গে এসএসসি পরীক্ষা দিয়ে পাস করে আলোচনায় আসেন তিনি।

চলতি বছর বাগাতিপাড়া টেকনিক্যাল অ্যান্ড বিজনেস ম্যানেজমেন্ট ইনস্টিটিউট থেকে কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেন মলি রাণী। তিনি ওই কলেজের উদ্যোক্তা উন্নয়ন ট্রেডের ছাত্রী ছিলেন।

এদিকে ছেলে মৃন্ময় কুমার এসএসসি পাসের পর নাটোরের টিএমএস পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ভর্তি হয়ে বর্তমানে চতুর্থ সেমিস্টারে ফাইনাল পরীক্ষা দিচ্ছেন।

এর আগে ২০১৭ সালের এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে ছেলের চেয়ে ভালো ফলাফল করেন মা মলি রাণী। তিনি পেয়েছিলেন জিপিএ ৪ দশমিক ৫৩ এবং ছেলে মৃন্ময় কুমার পান জিপিএ ৪ দশমিক ৪৩ । সে সময় কারিগরি শিক্ষাবোর্ডের অধীনে মলি বাগাতিপাড়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ড্রেস মেকিং অ্যান্ড টেইলারিং ট্রেডের এবং ছেলে মৃন্ময় বাগাতিপাড়া মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের বিল্ডিং মেইনটেন্যান্স ট্রেডের শিক্ষার্থী ছিলেন।

উদ্যমী ওই নারী মলি রাণীকে নিয়ে ২০১৭ সালে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে খবর প্রকাশের পর আলোচনায় আসেন তিনি। সে সময় মলি রাণীর সাফল্যে তৎকালীন এমপি অ্যাডভোকেট আবুল কালাম, সদ্যপ্রয়াত বইপ্রেমী পলান সরকার তার বাড়িতে ছুটে আসেন। আর তথ্য ও প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক মা ও ছেলেকে ডিসি অফিসে আনুষ্ঠানিকভাবে ল্যাপটপ উপহার দেন। উপজেলা প্রশাসন মা দিবসে সংবর্ধনা দেয় মলি রাণীকে। এরপর কলেজে ভর্তি হলে অধ্যক্ষ শরীফ উদ্দিন আহম্মেদ বিনা খরচে মলি রাণীর পড়ালেখার দায়িত্ব নেন।

মলি রাণী জানান, যখন তিনি নবম শ্রেণির ছাত্রী, তখন তার বাবা বাগাতিপাড়া উপজেলার গালিমপুরের মিষ্টি ব্যবসায়ী দেবব্রত কুমার মিন্টুর সঙ্গে বিয়ে দেন। তার বাবার বাড়ি নওগাঁ জেলার মান্দা উপজেলার প্রসাদপুরে। বাবার নাম অসিত কুন্ডু। এরপর আর পড়ালেখা করার সুযোগ হয়নি। সংসারের চাপে পিষ্ট হয়ে গৃহিণীই রয়ে যান। এরই মধ্যে দুটি সন্তানের জন্ম দেন। বড় ছেলে মৃন্ময় কুমার এবং ছোট ছেলে পাপন। ছেলেদের পড়ালেখা করাতে গিয়ে তিনি অনুভব করেন তার নিজের পড়ালেখা জানা দরকার। সেই ভাবনা থেকেই স্কুলে ভর্তি হন মলি রাণী।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র