Barta24

মঙ্গলবার, ২৩ জুলাই ২০১৯, ৭ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

মিয়ানমারে অপহৃত মাঝিদের ছাড়তে মুক্তিপণ দাবি

মিয়ানমারে অপহৃত মাঝিদের ছাড়তে মুক্তিপণ দাবি
ছবি: সংগৃহীত
উপজেলা করেসপন্ডেন্ট
টেকনাফ
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

কক্সবাজারের নাফ নদী থেকে একটি ট্রলারসহ অপহৃত চার মাঝি-মাল্লাকে ছেড়ে দিতে মুক্তপণের টাকা দাবি করেছে অপহরণকারীরা।

মঙ্গলবার (১৬ এপ্রিল) রাত ৮টার দিকে ট্রলার মালিক সাবরাং ইউনিয়নের শাহপরীর দ্বীপ বাজার পাড়া এলাকার আমান উল্লাহ এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি জানান, মঙ্গলবার সন্ধার দিকে ৯৫৯২৫০৩৩০০৭৯ থেকে থেকে তার কাছে একটি ফোন কল আসে। তার ট্রলার ও মাঝি মাল্লাদের ছাড়িয়ে নিতে মিয়ানমারের ২০ লাখ কিয়াট দাবি করে। যদি দাবিকৃত টাকা পরিশোধ করা হয় তাহলে ট্রলারসহ মাঝি-মাল্লাদের ফেরত দেওয়া হবে।

তিনি আরও জানান, দাবিকৃত টাকা পরিশোধ করতে আগামীকাল বুধবার সকাল পর্যন্ত সময় নেওয়া হয়। টাকা সময়মত পরিশোধ না করলে মাঝিদের ফেরত দেওয়া হবে না।

একইদিন মঙ্গলবার সকালে সাবরাং ইউনিয়নের শাহপরীর দ্বীপ সংলগ্ন নাফ নদী এলাকা থেকে জিম্মি করে ট্রলারসহ চার মাঝি-মাল্লাকে ধরে নিয়ে যায় মিয়ানমারের বর্ডার গার্ড পুলিশ (বিজিপি)।

অপহৃত মাঝিরা হলেন- টেকনাফের শাহপরীর দ্বীপ বাজার পাড়ার বাসিন্দা আজিম উল্লাহ মাঝি, মোহাম্মদ আবদুল্লাহ, আবুল কালাম ও মোহাম্মদ হাসান। এদের মধ্যে মো: হাসান পুরাতন রোহিঙ্গা বলে জানা গেছে।

জানা যায়, মঙ্গলবার সকালে শাহপরীর দ্বীপ বাজার পাড়ার আমান উল্লাহর মালিকাধীন একটি ট্রলারে চার মাঝিমাল্লা নাফ নদীতে মাছ শিকারে যায়। এর কিছুক্ষণ পর মিয়ানমার বিজিপির একটি দল স্পিডবোটে এসে অস্ত্রের মুখে মাঝি-মাল্লাদের জিম্মি করে নিয়ে যায়।

এ প্রসঙ্গে টেকনাফ-২ ব্যাটালিয়নের উপ-অধিনায়ক মেজর শরীফুল ইসলাম জোমাদ্দার ক্ষুদে বার্তায় বলেন, ‘মঙ্গলবার রাত ৮টা পর্যন্ত জেলে নিয়ে যাওয়ার বিষয়টি মিয়ানমার স্বীকার করেনি। তবে চার জন জেলের মধ্যে একজন মিয়ানমারের রোহিঙ্গা বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। তারা নদী পার হয়ে ওপার গেছেন। কিন্তু মিয়ানমার কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করা হলে তারা অস্বীকার করেন। প্রতিবাদলিপি পাঠানোর কাজ প্রক্রিয়াধীন ও নিশ্চিত না হয়ে কিছু বলা যাচ্ছিল না।

আপনার মতামত লিখুন :

লক্ষ্মীপুরে ভুল চিকিৎসায় আ.লীগ নেতার মৃত্যুর অভিযোগে হাসপাতাল ভাঙচুর

লক্ষ্মীপুরে ভুল চিকিৎসায় আ.লীগ নেতার মৃত্যুর অভিযোগে হাসপাতাল ভাঙচুর
ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর

লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে আলী হায়দার (৫০) নামে আওয়ামী লীগের এক নেতার মৃত্যু হয়েছে। ভুল চিকিৎসায় মৃত্যুর অভিযোগ এনে নিহতের স্বজনেরা বেসরকারি মাতৃছায়া হাসপাতালে ভাঙচুর চালিয়েছেন।

সোমবার (২২ জুলাই) রাত ১০টার দিকে হাসপাতালের দরজা, জানালার গ্লাসসহ আসবাবপত্র ভাঙচুর করেন তারা।

নিহত হায়দার রায়পুর উপজেলার সোনাপুর ইউনিয়নের রাখালিয়া গ্রামের বাসিন্দা। তিনি ৩ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।

Lakshmipur-Clash

নিহতের স্বজনেরা জানান, উপজেলার মরকম আলী সর্দার বাড়ির সামনের দোকানে চা পান করছিলেন আলী হায়দার। এসময় হঠাৎ মাটিতে লুটে পড়েন তিনি। পরে তাকে উদ্ধার করে রায়পুর মাতৃছায়া হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। হাসপাতালের চিকিৎসক সৈয়দ সাখাওয়াত হোসেন রোগীকে দেখে ডায়রিয়ায় আক্রান্ত বলে চিকিৎসা দেয়। অবস্থার অবনতি ঘটলে তাকে চাঁদপুরের মতলব ডায়রিয়া নিরাময় কেন্দ্রে রেফার করা হয়। সেখানে নিলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

পরে নিহতের বিক্ষুব্ধ স্বজনরা মরদেহ নিয়ে রায়পুরের মাতৃছায়া হাসপাতালে দরজা, জানালার গ্লাসসহ আসবাবপত্র ভাঙচুর করেন। এসময় নিহতের ছেলে সোহেল মাহমুদের হাত গ্লাসে কাটা পড়ে রক্তক্ষরণ হয় । পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

নিহতের এক স্বজন মো. হারুন বলেন, স্ট্রোকের রোগীকে ডায়রিয়ার চিকিৎসা দেওয়ায় আলী হায়দার মারা গেছে।

Lakshmipur-Clash

এ ব্যাপারে রায়পুর মাতৃছায়া হাসপাতালের প্রশাসনিক কর্মকর্তা তুহিন চৌধুরী বলেন, ডায়রিয়ার রোগীকে হাসপাতালে নিয়ে আসা হলে তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে তাকে মতলব ডায়রিয়া নিরাময় কেন্দ্রে পাঠানো হয়। রাতে হঠাৎ অ্যাম্বুলেন্স নিয়ে ১০-১৫ জন লোক এসে হাসপাতাল ভাঙচুর করে। এতে হাসপাতালে দুই লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি হয়েছে। আমরা মামলা করবে।

রায়পুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তোতা মিয়া জানান, ভুল চিকিৎসায় রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ এনে স্বজনরা হাসপাতালে ভাঙচুর চালিয়েছেন । খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ঘটনার তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নেত্রকোনায় বন্যার পানিতে শিশুর মৃত্যু

নেত্রকোনায় বন্যার পানিতে শিশুর মৃত্যু
বন্যার পানি, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

নেত্রকোনার কলমাকান্দা উপজেলায় বন্যার পানিতে ডুবে তামিম (৫) নামের এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (২২ জুলাই) বিকালে উপজেলার কৈলাটি ইউনিয়নের খলা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

শিশু তামিম খলা গ্রামে সাইকুল মিয়ার ছেলে। এ উপজেলায় এর আগেও বন্যার পানিতে ডুবে আরও দুই শিশুর মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছিল।

নিহত শিশুর পারিবারের বরাত দিয়ে জানা গেছে, সোমবার বিকালের দিকে ঘর সংলগ্ন জমে থাকা বন্যার পানিতে পরিবারের সদস্যের অজান্তে পড়ে যায় তামিম। পরে পরিবারের লোকজন পানি থেকে শিশুটিকে উদ্ধার করে কলমাকান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ নিয়ে কলমাকান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাজহারুল করিমের সাথে কথা হলে তিনি বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র