Barta24

মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই ২০১৯, ১ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

বৈশাখী ছুটিতে পর্যটকদের ভিড়ে পরিপূর্ণ সমুদ্রপাড়

বৈশাখী ছুটিতে পর্যটকদের ভিড়ে পরিপূর্ণ সমুদ্রপাড়
পর্যটকদের ভিড়ে পরিপূর্ণ সমুদ্রপাড়
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
কক্সবাজার
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে টানা তিনদিনের ছুটিতে এখন পর্যটকমুখর কক্সবাজার। ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে মানুষ এসেছেন বেড়াতে। শহরের পাঁচ শতাধিক হোটেল-মোটেল ও রিসোর্টগুলোতে এখন ‘ঠাঁই নেই’ অবস্থা। তবে সৈকতে কোনো অনুষ্ঠান না থাকায় অনেকে হতাশ।

সাগরের নীল জলরাশি ও প্রকৃতির সৌন্দর্য উপভোগ করার জন্য কক্সবাজারে বেড়াতে এসেছেন প্রায় ৫ লাখ পর্যটক। পর্যটকরা সৈকতের লাবনী, সুগন্ধা, ইনানী, হিমছড়িসহ ছয়টি পয়েন্ট ছাড়াও ভ্রমণ করছেন, দরিয়ানগর, হিমছড়ি ঝনা, রামুর বৌদ্ধ বিহার, রেডিয়েন্ট ফিশ ওর্য়াল্ড, মহেশখালীর আদিনাথ মন্দির, সোনাদিয়া ও সেন্টমার্টিনসহ বিভিন্ন দর্শনীয় স্থান। পর্যটকদের সরব উপস্থিতিতে সমুদ্রের পাড় যেন উৎসবে পরিণত হয়েছে। পর্যটকদের সাড়া পেয়ে খুশি পর্যটন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা।

হোটেল ব্যবসায়িরা বলছেন, গত বৃহস্পতিবার থেকে পর্যটক আসতে শুরু করে সৈকত নগরীতে। সবগুলো হোটেল-মোটেলে এখন বৈশাখের আমেজ চলছে।

হোটেল-মোটেল মালিক সমিতির সভাপতি আবুল কাশেম বার্তা ২৪.কমকে বলেন, ‘বৈশাখ ও টানা সরকারি ছুটিতে একটি হোটেলেও কক্ষ খালি নেই। এবার মনে হয় সবাই ভালো ব্যবসা করতে পারবে।’

ঢাকা থেকে আসা রুমিলা-শাকিল দম্পতি বার্তা২৪.কমকে বলেন, ‘এ প্রথম কক্সবাজার বেড়াতে আসলাম। খুবই আনন্দ করছি। দু’জনই খুব ভালোভাবে উপভোগ করছি। পহেলা বৈশাখে আসতে পেরে আরও ভালো লাগছে। তবে কোনো প্রোগ্রাম না থাকায় কিছুটা হতাশ।’

কিন্তু রুম না পেয়ে হতাশ টাঙ্গাইল থেকে আসা রিয়াজুল আলম। তিনি বার্তা২৪.কমকে বলেন, ‘আগে রুম বুকিং দেইনি। জানতাম না এত মানুষ কক্সবাজার আসবে। সকাল থেকে অনেক চেষ্টা করেছি। কোথাও রুম পাচ্ছি না।’

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Apr/14/1555236394742.jpg

এদিকে তিনদিনের এই ছুটিতে ৫ লাখের মতো পর্যটক হতে পারে বলছেন পর্যটন ব্যবসায়ীরা।

জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট (পর্যটন সেল) সাইফুল ইসলাম জয় বার্তা২৪.কমকে বলেন, ‘নিরাপত্তার কারণে তেমন বড় কোনো প্রোগ্রাম না থাকলেও বিকেলে ঘুড়ি উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে। প্রায় ১ হাজার ঘুড়ি উড়বে সৈকতের আকাশে।’

এদিকে নিরাপত্তার বিষয়ে জানতে চাইলে কক্সবাজার ট্যুরিস্ট পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফখরুল ইসলাম বার্তা২৪.কমকে বলেন, ‘সৈকতের ১১টি পয়েন্ট জুড়ে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। যে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে সতর্কতা জারি করা হয়েছে।’

আপনার মতামত লিখুন :

কলারোয়ায় ট্রাকের ধাক্কায় নারী নিহত

কলারোয়ায় ট্রাকের ধাক্কায় নারী নিহত
সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত নারী, ছবি: সংগৃহীত

সাতক্ষীরার কলারোয়ায় ট্রাকের ধাক্কায় কমলা রানী হালদার (৫২) নামে এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। নিহত নারী কলারোয়া পৌর সদরের ঝিকরা গ্রামের মৃত নিতাই হালদারের স্ত্রী। তিনি কলারোয়া মাছ বাজারে পানি দেওয়া ও মাছ পরিষ্কারের কাজ করতেন।

মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) সকাল ৭টার দিকে কলারোয়া পৌর সদরের ঝিকরা হরিতলা পূজা মণ্ডপের পাশের পুকুর ধারে যশোর-সাতক্ষীরা মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, প্রতিদিনের ন্যায় কমলা সকালে বাড়ি থেকে কলারোয়া মাছ বাজারের উদ্দেশে যাচ্ছিলেন। ওই স্থানে পৌঁছালে যশোর দিক থেকে আসা পাথরভর্তি ট্রাক ক্রসিংয়ের সময় পুকুর ধারে উল্টে যায়। এ সময় ট্রাকের ধাক্কা খেয়ে কমলা রাণী ঘটনাস্থলেই নিহত হন।

পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।

কলারোয়ায় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মুনীর-উল-গীয়াস ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

প্রত্যক্ষদর্শী স্থানীয় ছাকিমুল ইসলাম নামের এক ব্যক্তি জানান- দ্রতগামী পরিবহনকে সাইড দিতে গিয়ে পাথর ভর্তি ১০ চাকার ট্রাকটি (ঢাকা ২৫৩/অ) মেইন রোডে হরিতলা ও প্রি-ক্যাডেট স্কুলের মাঝামাঝি পুকুরের সাইডে নেমে যায়। পুকুরের পাশে সদ্য মাটি ভরাট করা অংশে ট্রাকটি গেলে মাটি ধসে আস্তে আস্তে পাশের পিলার ভেঙে পুকুরের মধ্যে পড়ে উল্টে যায় ট্রাকটি।

সে সময় পথচারী পৌরসভার ৫নং ওয়ার্ড ঝিকরা গ্রামের কমলা হালদার ট্রাকের আঘাতে ঘটনাস্থলেই মারা যান। দুর্ঘটনার পরপরই ঘাতক ট্রাকটির চালক ও হেলপার পালিয়ে যান।

জামালপুরে বন্যার পরিস্থিতির আরো অবনতি

জামালপুরে বন্যার পরিস্থিতির আরো অবনতি
জামারপুরে বন্যা কবলিত এলাকা

উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও টানা ভারী বর্ষণে জামালপুরে বন্যা পরিস্থিতির আরো অবনতি হয়েছে। জেলার সাতটি উপজেলার ৪৭ ইউনিয়ন প্লাবিত হয়েছে।

গত ২৪ ঘণ্টায় যমুনার পানি ১৬ সেন্টিমিটার বেড়ে মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) সকালে বাহাদুরাবাদ পয়েন্টে বিপদসীমার ১৩৫ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

যমুনার পানি বিপদসীমা অতিক্রম করায় জেলার ৪৭টি ইউনিয়ন প্লাবিত হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে এসব এলাকার পুকুরের মাছ, গরুর খাবার ও বিস্তীর্ণ ফসলের মাঠ। বন্ধ হয়ে গেছে সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা। পানি বৃদ্ধির কারণে বন্যা কবলিত এলাকার ৩০০ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে গেছে।
https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/16/1563247221662.jpg
জামালপুরে বন্যা কবলিত এলাকায় প্লাবিত হয়েছেন ৮০ হাজার পরিবারের ৫ লাখ মানুষ। বন্যার পানি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শুকনো খাবারের প্রয়োজনের পাশাপাশি শিশু খাদ্য ও বিশুদ্ধ পানির সংকট দেখা দিয়েছে। কিছু এলাকায় দেখা দিয়েছে চর্মরোগ ও শিশুদের সর্দি জ্বর।

বন্যা আক্রান্ত মানুষেরা বলছেন তাদের কাছে এখনো ত্রাণসামগ্রী পৌঁছায়নি। অন্যদিকে ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যরা বলছেন বন্যা কবলিত মানুষের সংখ্যার চেয়ে ত্রাণের পরিমাণ কম থাকায় সবাইকে দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।

জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বন্যা কবলিত মানুষদের জন্য ৬শ’ ৫০ মে. টন চাল, নগদ ৯ লাখ ৫০ হাজার টাকা এবং ২০০০ প্যাকেট শুকনো খাবার বরাদ্দ করা হয়েছে। এছাড়াও প্রতি উপজেলায় ২টি করে মেডিকেল টিম দেওয়া আছে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র