Barta24

শুক্রবার, ১৯ জুলাই ২০১৯, ৩ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

ভগবানের নামে গড়া ফুলের বাগান

ভগবানের নামে গড়া ফুলের বাগান
ছবি: বার্তা২৪.কম
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
ঠাকুরগাঁও
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

মানুষ সবসময় সুন্দর জিনিসকে ভালোবাসে। এক কথায় সুন্দরের পূজারী হচ্ছে মানুষ। যে কোন সুন্দর জিনিস পেতে মানুষের মন যেন ব্যকুল হয়ে থাকে। এমনই একটি সুন্দর ও প্রাকৃতিক জিনিস হচ্ছে ফুল।

এই চিন্তা চেতনা নিয়েই ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার গড়েয়া ইউনিয়নের ‘শ্রী শ্রী রাধা গোপীনাথ ইসকন মন্দির’ এ গড়ে তোলা হয়েছে নানা প্রজাতির ফুলের বাগান। নিজেরাই পরিচর্যা করে গড়ে তুলেছেন অপরূপ সৌন্দর্যের এই ফুলের বাগানটি। নাম দিয়েছেন ভগবানের নামে ‘শ্রী শ্রী রাধা গোপীনাথ ফ্লাওয়ার গার্ডেন’।

রোবাবর (২৪ মার্চ) দুপুরে মন্দির প্রাঙ্গনে গেলে এমন চিত্র চোখে পরে। মন্দিরের পেছনে করা হয়েছে ফুলের বাগান। যেখানে রয়েছে, গোলাপ, সূর্যমুখী, বিস্কুট, গাঁদা, তারা ফুল সহ নানা প্রজাতির ফুল। তবে শুধু ভক্তদের আর্কষণের জন্য নয়, ভগবানের পূজার জন্যও ব্যবহার করা হয় এই ফুলগুলো। প্রতিদিনই কমবেশি হাজরো ভক্ত আসেন এই মন্দিরে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Mar/25/1553472669107.jpg

জানা যায়, ১৩৯৫ বঙ্গাব্দে শ্রী শ্রী রাধা গোপীনাথ মন্দিরের উদ্বোধন করেন ইসকনের অন্যতম আচার্য্য ও জি.বি.সি শ্রীল জয়পতাকা স্বামী মহারাজ। এরপর থেকেই শুরু হয় মন্দিরের সকল কার্যক্রম। ধীরে ধীরে উন্নতির দিকে এগুতো থাকে মন্দিরটি।

বর্তমানে এই মন্দিরে অনাথ শিশুসহ প্রায় ৬০-৮০জন ভক্তবৃন্দ অবস্থান করছেন। মন্দিরের উদ্বোধনের পর থেকেই শুরু করেন তারা এই বাগান করা। সেই সাথে বিভিন্ন সবজির আবাদ করেন তারা।

মন্দিরে ভগবানের দর্শন শেষে বাগানে ফুল দেখছিলেন জয় মহন্ত নামের এক ভক্ত। তিনি বার্তা২৪.কমকে বলেন, ‘এখানকার পরিবেশ অনেক সুন্দর। একদম নিরিবিলি একটা জায়গা। এখানকার ফুলগুলো দেখতে অসাধারন। এগুলোর গন্ধে যেন মন জুড়িয়ে যায়’।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Mar/25/1553472692464.jpg

দিনাজপুর থেকে মন্দিরে আসা কৃষ্ণ রায় নামের আরেকজন ভক্তা বার্তা২৪.কমকে বলেন, ‘অনেকের মুখেই শুনেছি এই মন্দিরটির ব্যাপারে। কখনো আসা হয়নি বিভিন্ন কাজের কারনে। আজ অবশেষে আসা হলো। অনেক ভালো লাগলো এই মন্দিরটি। দেখার মতো মন্দির। সেই সাথে এখানকার বাগানগুলো অনেক সুন্দর’।  

মন্দির গুরুকুলের ছাত্র বিন্দু কৃষ্ণ দাস বার্তা২৪.কমকে জানান, আমাদের এই মন্দিরের বিভিন্ন প্রজাতির ফুল গাছ রয়েছে। প্রতিদিন কমবেশি অনেকেই আসেন। এই ফুলগাছগুলো দর্শণ করেন, ভগবানকে দর্শণ করেন। আমাদেরও ভালো লাগে। এই ফুল দিয়েই ভক্তাদের অভ্যর্থনা সহ ভগবানের মালা বানাই আমরা।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Mar/25/1553472712834.jpg

গড়েয়া ইসকন মন্দিরের সহকারি অধ্যক্ষ শ্রী কংশহন্ত দাশ ব্রক্ষচারীর বার্তা২৪.কমকে জানান, এই বাগানটির ফুল শ্রী-শ্রী রাধা গোপীনাথের পূজার জন্য ব্যবহার করা হয়। ভোর সারে ৪টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত পূজা করা হয়।

যে কারনে এই বাগানটি করা হয়েছে। সেই সাথে বাগানের ফুলে আকৃষ্ট হয়ে বহিরাগত সর্ব শ্রেণীর লোকেরা তাদের মনোরঞ্জনের জন্য আসেন।

আপনার মতামত লিখুন :

কেরামত আলী ফেরিতে আগুন

কেরামত আলী ফেরিতে আগুন
দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া ফেরি ঘাট/ ফাইল ছবি

রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া অভিমুখী একটি ফেরির ইঞ্জিনের সাইলেন্সার পাইপে আগুন ধরে যাওয়ায় ফেরিটি মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া ঘাটে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) রাত ৯টার দিকে ফেরিটি পাটুরিয়া ফেরিঘাট পন্টুনে এসে পৌঁছায়।

এ বিষয়ে বিআইডব্লিউটিসি পাটুরিয়া কার্যালয়ের সহকারী ব্যবস্থাপক (বাণিজ্য) মহিউদ্দিন রাসেল বলেন, ‘কেরামত আলী ফেরি ছোট বড় ২০টি যাত্রীবাহী গাড়ি নিয়ে সন্ধ্যা সাড়ে ৫টার দিকে পাটুরিয়া ঘাট থেকে দৌলতদিয়ার উদ্দেশে ছেড়ে যায়।

প্রবল স্রোতের বিপরীতে ফেরিটি দেড় ঘণ্টা চেষ্টার পর দৌলতদিয়া ঘাটের কাছে যায়। কিন্তু দৌলতদিয়া ঘাটের কাছে নদীতে স্রোত বেশি থাকায় ফেরিটি বার বার চেষ্টা করেও ঘাটে ভিড়তে পারেনি।

স্রোতের বিপরীতে দফায় দফায় চেষ্টা করার কারণে এক পর্যায়ে ফেরিটির ইঞ্জিনের সাইলেন্সার পাইপে আগুন ধরে যায়। ইঞ্জিন দুর্বল থাকায় এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।

তবে এতে ফেরির বড় ধরনের কোনো ক্ষতি হয়নি। ফেরিতে থাকা গাড়ি বা যাত্রীদেরও কোনো ক্ষতি হয়নি। কর্তৃপক্ষের নির্দেশে ফেরিটি দৌলতদিয়া থেকে রাতেই পাটুরিয়ায় ফিরিয়ে আনা হয়েছে।

ফেরিতে থাকা গাড়ি ও যাত্রীদের অন্য ফেরিতে নিরাপদে দৌলতদিয়া ঘাটে পাঠানোর সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে বলেও জানান মহিউদ্দিন রাসেল।

এদিকে ফেরির যাত্রীরা মোবাইল ফোনে কিংবা মেসেঞ্জারে ফেরিতে আগুন ধরার খবর তাদের পরিবার ও স্বজনদের জানালে মুহূর্তের মধ্যেই তা ছড়িয়ে পড়ে। এতে খুবই চিন্তিত ও উদ্বিগ্ন হয়ে পড়ে যাত্রীদের পরিবার।

বিআইডব্লিউটিসি আরিচা অঞ্চলের ডিজিএম আজমল হোসেন বলেন, ‘তীব্র স্রোতের কারণে ফেরি পারাপারে সময় লাগছে স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে দ্বিগুণ। ফলে বিপুল সংখ্যক গাড়ি পাটুরিয়া ঘাটে ফেরি পারের অপেক্ষায় আছে।’

ভাসমান কারখানার নির্বাহী প্রকৌশলী স্বদেশ প্রসাদ মণ্ডল বলেন, ‘পাটুরিয়া দৌলতদিয়া নৌপথে যে ফেরিগুলো আছে তার অধিকাংশই পুরাতন। স্রোতের বিপরীতে চলতে যেয়ে মাঝে মধ্যেই ফেরি বিকল হয়ে পড়ছে। ছোট ফেরি স্রোতের প্রতিকূলে চলতেই পারছে না। তবে ফেরি মেরামতে সাধ্যমত চেষ্টা করা হচ্ছে।’

পাটুরিয়া ঘাট পুলিশ কন্ট্রোল রুমের ট্রাফিক ইন্সপেক্টর আরাফাত রাসেল বলেন, ‘নদীতে তীব্র স্রোত ও ফেরি সংকটে ফেরি চলাচল ব্যহত হচ্ছে। পানি বাড়ার ফলে পন্টুন ডুবে যাচ্ছে। এ কারণে প্রতিদিনই পন্টুন সরিয়ে উপরে উঠানো হচ্ছে।’

পঞ্চগড়ে মাতৃত্বকালীন ভাতা উত্তোলনে ভোগান্তি

পঞ্চগড়ে মাতৃত্বকালীন ভাতা উত্তোলনে ভোগান্তি
ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর

পঞ্চগড়ে দুস্থ গর্ভবতী নারীদের মাতৃত্বকালীন ভাতা দিচ্ছে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়। কিন্তু এই ভাতা নিতে এসে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয় গর্ভবতী নারীদের। সোনালী ব্যাংকের পঞ্চগড় শাখায় মাতৃকালীন ভাতা নিতে গিয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হয় তাদের।

মাত্র একজন কর্মকর্তা দিয়ে দেড় হাজার দুস্থ নারীকে এই ভাতা দেওয়া হয়। ফলে ভাতা বিতরণ প্রক্রিয়া দীর্ঘ হয়ে ভোগান্তিতে পড়তে হয় গর্ভবতীদের।

বৃহস্পতিবার (১৮জুলাই) দুপুরে সরেজমিনে ব্যাংকে গিয়ে দেখা যায়, ভাতা উত্তোলন করতে আসা নারীদের দীর্ঘ লাইন, ভাতা বিতরণেও ধীর গতি। লাইনে থাকা বেশিরভাগ নারীই সন্তান প্রসবের শেষ সময়ের দিকে। ফলে ভাতার অপেক্ষায় নাজেহাল অবস্থা তাদের। প্রচণ্ড গরমে অনেকেই অসুস্থপ্রায়!

Panchagar

মাতৃত্বকালীন ভাতা নিতে আসা সদর উপজেলার জগদল এলাকার সেলিনা পারভিন বলেন, 'এক দিনে সব এলাকার মহিলাদের ভাতা প্রদান করায় দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকতে হয়। ফলে বিপাকে পড়েছি আমরা।'

একই উপজেলার গোয়াঝাড় এলাকার মনিরা বেগম বলেন, 'মাত্র একজন দিয়ে ভাতার টাকা বিতরণ করা হচ্ছে। আড়াই ঘণ্টারও বেশি সময় দাঁড়িয়ে আছি আমি। আমাদের দাবি- সরকার যদি মাতৃত্বকালীন ভাতা প্রদান সহজ করে তাহলে আমাদের দুর্ভোগ হবে না।’

পঞ্চগড় সোনালী ব্যাংকের শাখা ব্যবস্থাপক এ কে এম মতিয়ার রহমান জানান, 'আমাদের জনবল সংকট ও অন্য কাজের চাপ থাকায় একজন অফিসার দিয়েই ভাতার টাকা বিতরণ করা হচ্ছে।'

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র