Barta24

মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই ২০১৯, ১ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

স্বামী-স্ত্রী দু’জনেই ইউএনও

স্বামী-স্ত্রী দু’জনেই ইউএনও
বাউফলের ইউএনও পিজুস চন্দ্র দে ও দশমিনা ইউএনও শুভ্রা দাস, ছবি: সংগৃহীত
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
পটুয়াখালী
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শুভ্রা দাস। তার স্বামী পিজুস চন্দ্র দে পাশের উপজেলা বাউফলের ইউএনও। স্বামীর সাথে সমান তালে নিজের উপজেলার প্রশাসনিক কাজ সম্পাদন করছেন শুভ্রা।

বেশ কিছু উদ্যোগ নিয়ে ইতোমধ্যে প্রশংসা কুড়িয়েছেন শুভ্রা দাস। এগুলোর মধ্যে দশমিনা উপজেলাকে ভিক্ষুকমুক্ত করা, গ্রাম পুলিশদের বাই সাইকেল বিতরণ এবং দুস্থ নারীদের কর্মমুখি বিভিন্ন প্রশিক্ষণ প্রদান উল্লেখযোগ্য।

১৯৮৬ সালে পিরোজপুরের নাজিরপুর উপজেলার জয়পুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন শুভ্রা দাস। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগ থেকে এলএলবি ও এলএলএম ডিগ্রি অর্জন করেন। ৩০তম বিসিএস -এ প্রশাসন ক্যাডারে নিয়োগ পান তিনি।

বাউফলের ইউএনও পিজুস চন্দ্র দে বার্তা২৪.কমকে বলেন, স্ত্রী শুভ্রা দাসের সকল কাজেই গুরুত্ব দিয়ে থাকি। স্ত্রীর কোনো অর্জনের খবরে আনন্দিত হই।

দশমিনা ইউএনও শুভ্রা দাস বলেন, ছোট বেলা থেকেই পরিবারের সহযোগিতায় দুই বোনই আজ প্রতিষ্ঠিত। ছোট বোন চিকিৎসক। দক্ষতা ও দায়িত্বশীলতা দিয়ে কাজের মাধ্যমে মানুষের মন জয় করতে চাই।

দাফতরিক কাজের পাশাপাশি বই পড়তে ও বাগান করতে ভালো বাসেন শুভ্রা দাস। তার সরকারি বাংলোতে ফুল ও ফলের বাগান করেছেন তিনি। বাড়ির ভেতর তাকে তাকে সাজানো আছে অসংখ্য বই। ভবিষ্যতে প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত সচিব (পিএস) হিসেবে কাজ করার ইচ্ছা প্রকাশ করেন প্রশাসন ক্যাডারের এই কর্মকর্তা।

আপনার মতামত লিখুন :

পাটুরিয়া ঘাটে দীর্ঘ হচ্ছে যানবাহনের সারি

পাটুরিয়া ঘাটে দীর্ঘ হচ্ছে যানবাহনের সারি
ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর

পদ্মা নদীতে তীব্র স্রোত বইছে। নৌরুটে দেখা দিয়েছে ফেরির স্বল্পতা। এ অবস্থায় ধীর গতিতে চলছে পারাপার। ফলে পাটুরিয়া ফেরিঘাট এলাকায় দীর্ঘ হচ্ছে যানবাহনের সারি।

পারাপারের জন্য ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে পরিবহন শ্রমিক ও সাধারণ যাত্রীদের। জরুরি পণ্যবাহী ট্রাক, বাস ও ব্যক্তিগত ছোট গাড়ি পারাপারে অগ্রাধিকার পাচ্ছে। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন পণ্যবাহী ট্রাকের চালকেরা।

নৌরুট পারাপারের জন্য দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলগামী পণ্যবাহী ট্রাক চালকদের এসব ভোগান্তি নিত্যদিনের। তবে খুব সহসাই এর থেকে তাদের রেহাই মিলছে না বলে জানায় ফেরিঘাট কর্তৃপক্ষ।

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশনের (বিআইডব্লিউটিসি) আরিচা কার্যালয়ের বাণিজ্য বিভাগের ব্যবস্থাপক সালাউদ্দিন হোসেন জানান, মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) বিকালে পাটুরিয়া ফেরিঘাট এলাকায় ৩ শতাধিক গাড়ি অপেক্ষামান ছিল। এসবের বেশির ভাগই পণ্যবাহী ট্রাক।

Paruria Ghat

বিআইডব্লিউটিসি আরিচা কার্যালয়ের বাণিজ্য বিভাগের এজিএম জিল্লুর রহমান বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে জানান, পদ্মা নদীতে পানি বাড়তে শুরু করায় প্রচণ্ড স্রোত রয়েছে। একারণে ফেরি চলাচলে সময় লাগছে আগের চেয়ে বেশি। এছাড়াও নৌরুটে থাকা ছোট একটি ফেরি মেরামতে রয়েছে। বাকি ১৪টি ফেরি দিয়ে যাত্রী ও যানবাহন পারাপার স্বাভাবিক রয়েছে। ফলে যানবাহন পারাপার কিছুটা ব্যাহত হচ্ছে।

তিনি জানান, মেরামতের জন্য নারায়ণগঞ্জের ডকইয়ার্ডে চারটি এবং মাওয়া ঘাটে একটি ফেরি রয়েছে। ঈদের আগেই মেরামত সম্পন্ন হয়ে নৌরুটে যুক্ত হবে ওই ফেরিগুলো। এর আগ পর্যন্ত পাটুরিয়া ফেরিঘাট এলাকায় যানবাহনের বাড়তি চাপ পড়লে পারাপারে কিছুটা সময় অপেক্ষামান থাকতে হতে পারে।

সিরাজগঞ্জে ট্রেন-মাইক্রোবাস সংঘর্ষে নিহত ১১ জনের দাফন সম্পন্ন

সিরাজগঞ্জে ট্রেন-মাইক্রোবাস সংঘর্ষে নিহত ১১ জনের দাফন সম্পন্ন
নিহতদের জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হচ্ছে, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় ট্রেন ও মাইক্রোবাস সংঘর্ষে নিহত বর-কনেসহ ১১ জনের দাফন সম্পন্ন হয়েছে। 

মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) সকাল ১১টার থেকে বাদ জোহর পর্যন্ত সিরাজগঞ্জ পৌর কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠ, রামগাঁতি, কালিয়া হরিপুর, সয়াধানগড়া, দিয়ার ধানগড়া ঈদগাহ ও এনায়েতপুর গুচ্ছগ্রামের ঘাটিনা ঈদগাহ মাঠ ও রায়গঞ্জের উপজেলার কৃষ্ণদিয়ার গ্রামে পৃথক পৃথকভাবে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।

জানাজায় আশপাশের গ্রামের শত শত মানুষ অংশ নেয়। শেষবারের মতো মৃতদেহগুলো দেখতে বিভিন্ন এলাকার হাজার হাজার মানুষ ছুটে এসে ভিড় জমায়। পৃথক পৃথকভাবে সাতটি জানাজায় অংশ নেওয়া মানুষের মাঝে শোকের ছায়া নেমে আসে। চোখের পানি ঠেকাতে পারেননি অনেকেই। সান্ত্বনা দেয়ারও ভাষা ছিল না কারও কাছে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/16/1563272947300.jpg
দুর্ঘটনার পরবর্তী অবস্থা, ছবি: ফাইল ফটো

 

জানাজা নামাজ শেষে উত্তর কান্দাপাড়া গ্রামের আলতাফ হোসেনের ছেলে বর রাজন শেখ (২২), বরের মামাতো ভাই শিশু আলিফ বায়েজিদ (৮), চুনিয়াহাটি (কাজীপাড়া)র মৃত মহির উদ্দিনের ছেলে ভাষা সেখ (৫৫)কে কালিয়া হরিপুর করবস্থান, বরযাত্রী শহরের রামগাতি মহল্লার আব্দুল মতির ছেলে আব্দুস সামাদ (৫০), তার ছেলে শাকিল (২০), সয়াধানগড়া মহল্লার সুরুত আলীর ছেলে হেলপার আব্দুল আহাদ সুজন (২১), দিয়ারধানগড়া মহল্লার আলতাফ হোসেনের ছেলে শরীফুল ইসলাম (২৬)কে পৌর এলাকার মালশাপাড়া কবরস্থান, চালক স্বাধীন (৪৫)কে পৌর এলাকার রহমতগঞ্জ কবরস্থান, রায়গঞ্জ উপজেলার কৃষ্ণদিয়ার গ্রামের আলম শেখের ছেলে খোকন (৩৫)কে কৃষ্ণদিয়ার পারিবারিক কবরস্থান এবং উল্লাপাড়া পৌর এলাকার এনায়েতপুর গুচ্ছগ্রামের মৃত গফুর সেখের মেয়ে নব বিবাহিত সুমাইয়া খাতুন (১৮) ও তার ভাবি আশরাফ আলীর স্ত্রী মমতা বেগম (৩৫)কে এনায়েতপুর গুচ্ছগ্রামের ঘাটিনা কবরস্থানে দাফন সম্পন্ন হয়।

আরও পড়ুন: সিরাজগঞ্জে বিয়ের মাইক্রোবাসে ট্রেনের ধাক্কা, বর-কনেসহ নিহত ১০

উল্লেখ্য, বিয়ের মাইক্রোবাসটি উল্লাপাড়া থেকে বেতকান্দি যাবার পথে সলপ এলাকায় রেলক্রসিং পার হবার সময় রাজশাহী থেকে ঢাকাগামী পদ্মা এক্সপ্রেস ট্রেনটির সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। এতে মাইক্রোবাসটি দুমড়ে-মুচড়ে ঘটনাস্থলেই ১১ জন নিহত হয়।

আরও পড়ুন: সিরাজগঞ্জে ট্রেন-মাইক্রোবাস সংঘর্ষে নিহত ৬ জনের দাফন সম্পন্ন

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র