Barta24

শুক্রবার, ১৯ জুলাই ২০১৯, ৩ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

মৌলভীবাজারে বাদ পড়লেন ৩০ প্রার্থী

মৌলভীবাজারে বাদ পড়লেন ৩০ প্রার্থী
ছবি: প্রতীকী
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
মৌলভীবাজার
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

আসন্ন ৫ম উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের মনোনয়ন যাচাই বাছাই শেষে জেলার ৭টি উপজেলায় ৬ চেয়ারম্যান প্রার্থীসহ ৩০ প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল হয়েছে। এর মধ্যে চেয়ারম্যান প্রার্থী ৬ জন, ভাইস চেয়ারম্যান (পুরুষ) ১৩ জন ও ভাইস চেয়ারম্যান (নারী) ১১ জন বাদ পড়েছেন। তবে বাদ পড়া প্রার্থীদের প্রার্থিতা ফিরে পেতে আইনি লড়াই করতে হবে।

মৌলভীবাজার সদর উপজেলা থেকে চেয়ারম্যান পদে একমাত্র মনোনয়নপত্র জমাদানকারী ও আওয়ামী লীগ মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী হলেন মো. কামাল হোসেন। তিনি জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক। মো. কামাল হোসেন তার ছোট ভাই জুয়েল আহমদের এক্সিম ব্যাংকে ঋণের জামিনদার থাকায় মনোনয়নপত্র বাতিল করেছেন রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. আশরাফুর রহমান।

তবে কামাল হোসেনের আইনজীবী জানান, এ ব্যাপারে তারা আপিল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

এছাড়া সদর উপজেলায় পুরুষ ভাইস-চেয়ারম্যান পদে ভিপি আব্দুল মতিন ও নারী ভাইস চেয়ারম্যান পদে রাশেদা খাঁনের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে।

রাজনগর উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে জাসদের নূরে আলম জিকু, ভাইস-চেয়ারম্যান (পুরুষ) পদে ফারুক মিয়া, সাইফুল আহমদ ছফু, লুৎফুর রহমান গেদু, আলাল মোল্লা এবং ভাইস চেয়ারম্যান (নারী) সুমাইয়া আক্তার সুমির মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে।

কুলাউড়ায় নারী ভাইস চেয়ারম্যান পদে মোছাম্মাৎ শাহানারা আক্তারের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে।

কমলগঞ্জে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ মনোনীত দলের কেন্দ্রীয় নেতা অধ্যাপক মো. রফিকুর রহমান, আব্দুল আহাদ মিনার, ভাইস চেয়ারম্যান (পুরুষ) পদে সিদ্দেক আলী, মুক্তিযোদ্ধা জয়নাল আবেদীনের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে।

শ্রীমঙ্গলে ভাইস চেয়ারম্যান (নারী) পদে মিতালী দত্ত, পারভীন চৌধুরীর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে।

বড়লেখায় ভাইস চেয়ারম্যান (পুরুষ) পদে প্রার্থী বর্তমান উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান বিবেকানন্দ দাস নান্টু, তাজ উদ্দিন, আজিজুর রহমান, ভাইস চেয়ারম্যান (নারী) প্রার্থী মুন্না আক্তার মনি, রাজিয়া সুলতানা চৌধুরী, ফারহানা বেগম, নাজমা বেগম ও হাজেরা বেগমের র মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে।

জুড়ী এলাকায় চেয়ারম্যান পদে কিশোর রায় চৌধুরী মনি, এম এ মুহিদ ফারুক, ভাইস চেয়ারম্যান (পুরুষ) ৩ জন, ভাইস চেয়ারম্যান (নারী) ১ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন :

কেরামত আলী ফেরিতে আগুন

কেরামত আলী ফেরিতে আগুন
দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া ফেরি ঘাট/ ফাইল ছবি

রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া অভিমুখী একটি ফেরির ইঞ্জিনের সাইলেন্সার পাইপে আগুন ধরে যাওয়ায় ফেরিটি মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া ঘাটে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) রাত ৯টার দিকে ফেরিটি পাটুরিয়া ফেরিঘাট পন্টুনে এসে পৌঁছায়।

এ বিষয়ে বিআইডব্লিউটিসি পাটুরিয়া কার্যালয়ের সহকারী ব্যবস্থাপক (বাণিজ্য) মহিউদ্দিন রাসেল বলেন, ‘কেরামত আলী ফেরি ছোট বড় ২০টি যাত্রীবাহী গাড়ি নিয়ে সন্ধ্যা সাড়ে ৫টার দিকে পাটুরিয়া ঘাট থেকে দৌলতদিয়ার উদ্দেশে ছেড়ে যায়।

প্রবল স্রোতের বিপরীতে ফেরিটি দেড় ঘণ্টা চেষ্টার পর দৌলতদিয়া ঘাটের কাছে যায়। কিন্তু দৌলতদিয়া ঘাটের কাছে নদীতে স্রোত বেশি থাকায় ফেরিটি বার বার চেষ্টা করেও ঘাটে ভিড়তে পারেনি।

স্রোতের বিপরীতে দফায় দফায় চেষ্টা করার কারণে এক পর্যায়ে ফেরিটির ইঞ্জিনের সাইলেন্সার পাইপে আগুন ধরে যায়। ইঞ্জিন দুর্বল থাকায় এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।

তবে এতে ফেরির বড় ধরনের কোনো ক্ষতি হয়নি। ফেরিতে থাকা গাড়ি বা যাত্রীদেরও কোনো ক্ষতি হয়নি। কর্তৃপক্ষের নির্দেশে ফেরিটি দৌলতদিয়া থেকে রাতেই পাটুরিয়ায় ফিরিয়ে আনা হয়েছে।

ফেরিতে থাকা গাড়ি ও যাত্রীদের অন্য ফেরিতে নিরাপদে দৌলতদিয়া ঘাটে পাঠানোর সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে বলেও জানান মহিউদ্দিন রাসেল।

এদিকে ফেরির যাত্রীরা মোবাইল ফোনে কিংবা মেসেঞ্জারে ফেরিতে আগুন ধরার খবর তাদের পরিবার ও স্বজনদের জানালে মুহূর্তের মধ্যেই তা ছড়িয়ে পড়ে। এতে খুবই চিন্তিত ও উদ্বিগ্ন হয়ে পড়ে যাত্রীদের পরিবার।

বিআইডব্লিউটিসি আরিচা অঞ্চলের ডিজিএম আজমল হোসেন বলেন, ‘তীব্র স্রোতের কারণে ফেরি পারাপারে সময় লাগছে স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে দ্বিগুণ। ফলে বিপুল সংখ্যক গাড়ি পাটুরিয়া ঘাটে ফেরি পারের অপেক্ষায় আছে।’

ভাসমান কারখানার নির্বাহী প্রকৌশলী স্বদেশ প্রসাদ মণ্ডল বলেন, ‘পাটুরিয়া দৌলতদিয়া নৌপথে যে ফেরিগুলো আছে তার অধিকাংশই পুরাতন। স্রোতের বিপরীতে চলতে যেয়ে মাঝে মধ্যেই ফেরি বিকল হয়ে পড়ছে। ছোট ফেরি স্রোতের প্রতিকূলে চলতেই পারছে না। তবে ফেরি মেরামতে সাধ্যমত চেষ্টা করা হচ্ছে।’

পাটুরিয়া ঘাট পুলিশ কন্ট্রোল রুমের ট্রাফিক ইন্সপেক্টর আরাফাত রাসেল বলেন, ‘নদীতে তীব্র স্রোত ও ফেরি সংকটে ফেরি চলাচল ব্যহত হচ্ছে। পানি বাড়ার ফলে পন্টুন ডুবে যাচ্ছে। এ কারণে প্রতিদিনই পন্টুন সরিয়ে উপরে উঠানো হচ্ছে।’

পঞ্চগড়ে মাতৃত্বকালীন ভাতা উত্তোলনে ভোগান্তি

পঞ্চগড়ে মাতৃত্বকালীন ভাতা উত্তোলনে ভোগান্তি
ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর

পঞ্চগড়ে দুস্থ গর্ভবতী নারীদের মাতৃত্বকালীন ভাতা দিচ্ছে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়। কিন্তু এই ভাতা নিতে এসে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয় গর্ভবতী নারীদের। সোনালী ব্যাংকের পঞ্চগড় শাখায় মাতৃকালীন ভাতা নিতে গিয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হয় তাদের।

মাত্র একজন কর্মকর্তা দিয়ে দেড় হাজার দুস্থ নারীকে এই ভাতা দেওয়া হয়। ফলে ভাতা বিতরণ প্রক্রিয়া দীর্ঘ হয়ে ভোগান্তিতে পড়তে হয় গর্ভবতীদের।

বৃহস্পতিবার (১৮জুলাই) দুপুরে সরেজমিনে ব্যাংকে গিয়ে দেখা যায়, ভাতা উত্তোলন করতে আসা নারীদের দীর্ঘ লাইন, ভাতা বিতরণেও ধীর গতি। লাইনে থাকা বেশিরভাগ নারীই সন্তান প্রসবের শেষ সময়ের দিকে। ফলে ভাতার অপেক্ষায় নাজেহাল অবস্থা তাদের। প্রচণ্ড গরমে অনেকেই অসুস্থপ্রায়!

Panchagar

মাতৃত্বকালীন ভাতা নিতে আসা সদর উপজেলার জগদল এলাকার সেলিনা পারভিন বলেন, 'এক দিনে সব এলাকার মহিলাদের ভাতা প্রদান করায় দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকতে হয়। ফলে বিপাকে পড়েছি আমরা।'

একই উপজেলার গোয়াঝাড় এলাকার মনিরা বেগম বলেন, 'মাত্র একজন দিয়ে ভাতার টাকা বিতরণ করা হচ্ছে। আড়াই ঘণ্টারও বেশি সময় দাঁড়িয়ে আছি আমি। আমাদের দাবি- সরকার যদি মাতৃত্বকালীন ভাতা প্রদান সহজ করে তাহলে আমাদের দুর্ভোগ হবে না।’

পঞ্চগড় সোনালী ব্যাংকের শাখা ব্যবস্থাপক এ কে এম মতিয়ার রহমান জানান, 'আমাদের জনবল সংকট ও অন্য কাজের চাপ থাকায় একজন অফিসার দিয়েই ভাতার টাকা বিতরণ করা হচ্ছে।'

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র