Barta24

রোববার, ২১ জুলাই ২০১৯, ৬ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

লালমনিরহাটে স্কুল ছাত্রীকে গণধর্ষণ

লালমনিরহাটে স্কুল ছাত্রীকে গণধর্ষণ
ছবি: সংগৃহীত
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
লালমনিরহাট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলায় এক স্কুল ছাত্রীকে গণধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় মেয়েটি অসুস্থ হয়ে পড়লে বৃহস্পতিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) লালমনিরহাট সদর হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। সে উপজেলা দোয়ানী উচ্চ বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রী।

মেয়েটির পরিবার সূত্রে জানা গেছে, বুধবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যার পর বাড়ির পাশ্ববর্তী এক মুদির দোকান থেকে ফিরছিল মেয়েটি। এমন সময় প্রতিবেশী হোসেন ফকিরের ছেলে জাহেদুল (১৬) ও তার খালাতো ভাই আয়নাল (২৮) মেয়েটির মুখ চেপে ধরে রাস্তার পাশে নিয়ে তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে।

গণধর্ষণের শিকার ওই মেয়েটি অসুস্থ হয়ে পড়লে স্থানীয় লোকজনের সহযোগিতায় তাকে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য মেয়েটিকে লালমনিরহাট সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়।

মেয়েটির মামা শফিকুল ইসলাম মুঠোফোনে বার্তা২৪.কমকে বলেন, `মেয়েটিকে আমরা চিকিৎসার জন্য লালমনিরহাট সদর হাসপাতালে নিয়ে এসেছি। হাতীবান্ধা থানায় প্রাথমিকিভাবে বলা হয়েছে। ধর্ষকদের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগের প্রস্তুতি চলছে।

হাতীবান্ধা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওমর ফারুক বলেন, `বিষয়টি জানা মাত্র আমি স্থানীয় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে মেয়ে ও তার পরিবারের সঙ্গে কথা বলেছি। তাদের অভিযোগ দিতে বলেছি। অভিযোগ পেলেই আইনানুগ ব্যাবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন :

গাইবান্ধার বন্যার্তদের জন্য মানুষের দ্বারে দ্বারে শিক্ষার্থীরা

গাইবান্ধার বন্যার্তদের জন্য মানুষের দ্বারে দ্বারে শিক্ষার্থীরা
বন্যার্তদের সসাহায্যে ফান্ড সংগ্রহ করছেন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীরা, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

গাইবান্ধায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন লক্ষাধিক মানুষ। নদীর গর্ভে অনেকে হারিয়েছেন ঘরবাড়ি। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বিদ্যালয়, মাদরাসা, মসজিদ। তাদের পাশে দাঁড়াতে এ জেলার ঢাকা, রাজশাহী ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়সহ বেশ কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়রে শিক্ষার্থীরা মানুষের দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন। অর্থ সংগ্রহ করে বন্যার্তদের জন্য সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন তারা।

গাইবান্ধার বন্যার্তদের সাহায্য করুন এমন লেখা সম্বলিত বক্স নিয়ে নিজ ক্যাম্পসের ছাত্রছাত্রীদের দ্বারে দ্বারে এবং বিভিন্ন মসজিদে গিয়ে ফান্ড সংগ্রহ করছেন তারা।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/21/1563722044701.jpg

এ বিষয়ে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মাসুদ মোন্নাফ বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম বলেন, ‘আমরা বিভিন্ন গণমাধ্যম ও ফেসবুকে নিজ জেলার মানুষদের মানবেতর জীবনযাপনের চিত্র দেখে বসে থাকতে পারিনি। আমরা নিজেরা ছাত্র, আমাদের উপার্জন নেই। তাই আমাদের কোনো ফান্ডও নেই। বাধ্য হয়ে সহপাঠীদের নিয়ে মানুষের দ্বারে দ্বারে গেছি। এতে অনেকের সাড়াও পেয়েছি। এ পর্যন্ত আমরা স্বল্প পরিসরে ১৫০টি পরিবারে সহযোগিতা করেছি আরও চেষ্টা করছি।’

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/21/1563722060816.jpg

ঢ়াকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র জনি মিজানুর রহমান বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম বলেন, ‘আমরা সিনিয়র ও জুনিয়রদের প্রচেষ্টায় ১ লাখ ২৬ হাজার টাকা ফান্ড কালেকশন করেছি। এগুলো নিয়ে আমরা বানভাসিদের পাশে দাঁড়াব।’

শ্যামগঞ্জে ধান বিক্রিতে সিন্ডিকেটের থাবা

শ্যামগঞ্জে ধান বিক্রিতে সিন্ডিকেটের থাবা
কর্মকর্তাদের সঙ্গে কৃষকের বাকবিতণ্ডা হলে কর্তৃপক্ষ গুদামের গেটে তালা ঝুলিয়ে দেয়, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

ময়মনসিংহের গৌরীপুরের শ্যামগঞ্জে খাদ্যগুদামে কৃষকের কাছে থেকে ধান ক্রয় না করে সিন্ডিকেটের মাধ্যমে প্রভাবশালীদের ধান ক্রয় করছে গুদাম কর্তৃপক্ষ। এতে বঞ্চিত হচ্ছেন কৃষকেরা।

রোববার (২১ জুলাই) দুপুরে ধান ক্রয় না করায় খাদ্যগুদাম কর্মকর্তাদের সঙ্গে কৃষকের বাকবিতণ্ডা হয়। পরে গুদাম কর্তৃপক্ষ গুদামের গেটে তালা ঝুলিয়ে দেয়।

কৃষকরা জানান, গুদামের অফিস সহকারী মাহমুদুল হাসানের নেতৃত্বে গড়ে উঠা সিন্ডিকেটকে টাকা দিয়ে প্রভাবশালীরা রাতের বেলা ট্রাক বোঝাই ধান এনে গুদামে বিক্রি করছে। কিন্তু আমাদের ধান গুদামে পড়ে থাকলেও ক্রয় হচ্ছেনা।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/21/1563721132339.jpg
গুদাম সিন্ডিকেটকে টাকা না দেয়ায় ধান নেওয়া হচ্ছে না বলে জানান কৃষকরা 

 

গুদামের অফিস সহকারী মাহমুদুল হাসান বলেন, 'কৃষকদের ধান রাতে বাইরে থাকলে বৃষ্টিতে ভিজে নষ্ট হতে পারে। এজন্য রাতের বেলা ধান গুদামে ঢোকানো হয়েছে। আর আমাদের কোনো সিন্ডিকেট নেই।' 

খাদ্যগুদাম সূত্রে জানা যায়, চলতি বোরো মৌসুমে উপজেলার সিধলা ও মইলাকান্দা ইউনিয়নের কৃষকের জন্য শ্যামগঞ্জ খাদ্যগুদামে ধান ক্রয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয় ২৯২ মেট্রিক টন। প্রতি মণ ধানের সরকারি মূল্য ১ হাজার ৪০টাকা।

সরেজমিনে দেখা যায়, শ্যামগঞ্জ খাদ্যগুদামের গেটে তালা দেওয়া হয়েছে। কৃষকদের ধান নিয়ে ভেতরে ঢুকতে দেয়া হচ্ছেনা। সাংবাদিকের উপস্থিতিতে গেট খোলা হলে বিক্ষুব্ধ কৃষকরা ভেতরে ঢুকে  উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা সাইদুর রহমান ও শ্যামগঞ্জ খাদ্য গুদাম কর্মকর্তা প্রদীপ রিছিলের  সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন।

গুদাম ও গুদামের বাইরে ঘুরে দেখা যায়, কৃষকের সারি সারি ধানের বস্তা পড়ে থাকলেও ক্রয় হচ্ছে না। পাওয়া যায়নি কার্ডধারী প্রকৃত কৃষকের তালিকা। ময়েশ্চার মেশিন না থাকায় ধানের গুণগত মান পরীক্ষা না করেই তড়িঘড়ি করে ক্রয় হচ্ছে প্রভাবশালীদের ধান। 

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/21/1563721853762.jpg
গুদামের অফিস সহকারী মাহমুদুল হাসানের নেতৃত্বে গড়ে উঠেছে এই সিন্ডিকেটরা 

 

গুদামের লেবার সর্দার আব্দুল গফুর বলেন, 'স্থানীয় নেতারা গুদামে ধান বিক্রি করায় কৃষকরা ধান বিক্রি করতে পারছে না। তাই কৃষকরা গুদামের লোকজনের সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়ছেন।' 

মইলাকান্দা ইউনিয়নের কৃষক আজিজুল হক বলেন, 'গুদাম সিন্ডিকেটকে টাকা না দেয়ায় আমার ধান নেয়া হয়নি। দুই তিন ধরে ধান বিক্রি করতে পারিনি।'

শ্যামগঞ্জ খাদ্যগুদাম কর্মকর্তা প্রদীপ রিছিল বলেন, 'গুদামের ময়েশ্চার মেশিন নষ্ট। যে সকল কৃষকের ধান গুদামে ঢুকানো হয়েছে তাদের ধান অন্য উপজেলা থেকে বরাদ্দ এনে ক্রয় করা হবে। যদি গুদামের কেউ টাকা চায়, আমাকে জানালে আমি ব্যবস্থা নিবো।'

এ বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা খাদ্যনিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা বলেন, 'কৃষকদের সঙ্গে কথা হয়েছে। কোনো অনিয়ম পেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে। কার্ডধারী কৃষকদের তালিকা আছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন তালিকা সাথে নেই। তবে দুই ইউনিয়নে চার হাজারের মতো হতে পারে।'

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র