Barta24

বুধবার, ১৭ জুলাই ২০১৯, ২ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়েছে চা উৎপাদন

লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়েছে চা উৎপাদন
ছবি: বার্তা২৪
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
মৌলভীবাজার
বার্তা২৪


  • Font increase
  • Font Decrease

দুটি পাতা একটি কুড়ির দেশ মৌলভীবাজার। দেশের অন্যান্য চা অঞ্চলে চেয়ে চা উৎপাদনে বরাবরই মৌলভীবাজার এগিয়ে। বাংলাদেশে মোট ১৬৪টি চা বাগান রয়েছে। তার মধ্যে সিলেট বিভাগেই রয়েছে ১৩৫ টি। তারমধ্যে দেশের সবচেয়ে বেশি চা বাগান মৌলভীবাজারেই রয়েছে ৯১ টি। এর মধ্যে শুধু শ্রীমঙ্গলই রয়েছে ৪০টিরও বেশি চা বাগান।

গত বছর চা উৎপাদনে লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত না হলেও এবার লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে গেছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এই সফলতা। তবে সেচ যন্ত্রসহ চা-সামগ্রী আমদানিতে সরকারি সহায়তা বাড়ালে উৎপাদন কয়েকগুণ বাড়বে বলে জানান মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গলের চা ব্যবসায়ীরা। চা-পাতা তোলার মৌসুম শেষ হয়েছে অক্টোবরে। বাগান এখন রুক্ষ, খুব একটা সবুজের দেখা নেই। চা-গাছের উপরের পাতাগুলো কেটে ফেলা হচ্ছে। সবুজ গাছগুলো এখন ধূসর। প্রসেসিং শেষে বৃষ্টি হলেই কুঁড়ি গজাবে, তারপর আবারো শুরু হবে পাতা তোলার মৌসুম। দেড়’শো বছরের চায়ের ইতিহাসে ২০১৬ সালে সর্বোচ্চ ৮ কোটি ৫০ লাখ কেজি চা-উৎপাদন হয়। কিন্তু তার পরের বছরেই উৎপাদন কমে দাঁড়ায় ৭ কোটি ৮০ লাখ কেজিতে নেমে আসে। তবে এবার ইতোমধ্যে ৮ কোটি কেজি চা-উৎপাদন হয়েছে।

সিলেটের বাংলাদেশ চা সংসদের চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ শিবলী বলেন, যেসব জায়গায় চা উৎপাদন হতো না। সেসব জায়গাতে মালিকরা চা লাগাচ্ছেন। এবার আগেভাগে বৃষ্টির মৌসুম শেষ হলেও ডিসেম্বরে কিছুটা বৃষ্টি হওয়ায় লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হয়েছে।

মৌলভীবাজারে অবস্থিত হামিদিয়া টি এস্টেটের জেনারেল ম্যানেজার সিরাজুল ইসলাম বলেন, পরিমিত বৃষ্টি, পরিমিত রোদ, পরিমিত আবহাওয়া এগুলো সঠিকভাবে থাকলে উৎপাদন বাড়বে।

সিলেটের বাংলাদেশ চা সংসদের চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ শিবলী বলেন, পুরো বাগানে ইরিগেশন করলে চা উৎপাদন আরও বাড়বে। সরকার কিছু ক্ষেত্রে আমাদের সহায়তার পাশাপাশি কম মূল্যে সার, কীটনাশক সরবরাহ করলে আমরা উপকৃত হব। স্বাধীনতার সময় দেশে চা-বাগানের সংখ্যা ছিল ১৫০টি। তখন ৩ কোটি কেজির মতো উৎপাদন হতো। বর্তমানে চা-বাগানের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৬৬টিতে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সেচযন্ত্র আমদানিতে সরকারি সহায়তার পাশাপাশি কম মূল্যে সার, কীটনাশক সরবরাহ ও ক্লোনিং চা গাছ রোপণ করলে দ্বিগুণ বেড়ে যাবে উৎপাদন।

 

আপনার মতামত লিখুন :

ভুলে বিকাশে আসা ৩০ হাজার টাকা ফিরিয়ে দিলেন টাইলস মিস্ত্রি

ভুলে বিকাশে আসা ৩০ হাজার টাকা ফিরিয়ে দিলেন টাইলস মিস্ত্রি
ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

হত্যা, ধর্ষণ, মাদকসহ দুর্নীতির একের পর এক সংবাদে দেশবাসী যখন উৎকণ্ঠিত তখন বিকাশের ভুল নম্বর থেকে আসা ৩০ হাজার টাকা ফিরিয়ে সততার অনন্য নজির স্থাপন করেছেন হবিগঞ্জের বানিয়াচংয়ের শিরফল মিয়া (৪০)।

মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) বিকেলে মালিকের হাতে টাকাগুলো তুলে দেন শিরফল মিয়া। শিরফল মিয়া উপজেলা সদরের বানেশ্বর বিশ্বাসের পাড়া গ্রামের ফকির চাঁন মিয়ার ছেলে। তিনি পেশায় একজন টাইলস মিস্ত্রি।

জানা যায়, গত ১১ জুলাই রাতে শিরফল মিয়ার ব্যক্তিগত বিকাশ নম্বরে ৩০ হাজার টাকা আসে। কিন্তু এতো টাকা কিভাবে আসল তা তিনি বুঝতে পারছিলেন না। ভয়ে কারও সঙ্গে বিষয়টি আলাপও করেননি। পরদিন (১২ জুলাই) তার নম্বরে পটুয়াখালি থেকে মো. আল আমিন নামে এক ব্যক্তি ফোন দিয়ে টাকার কথা জানতে চাইলে তিনি বিষয়টি স্বীকার করেন। একই সাথে বানিয়াচং ঘুরে যাওয়ার জন্য তাকে আমন্ত্রণ জানান।

মঙ্গলবার টাকা ফেরত নিতে দুই বন্ধুকে সাথে নিয়ে বানিয়াচং আসেন আল আমিন (২৯)। পরে বিকেলে শিরফল মিয়া তার ৩০ হাজার টাকা ফেরত দেন। এসময় টাকা ফেরত পেয়ে খুশি হয়ে শিরফল মিয়াকে ২ হাজার টাকা দিয়েছেন তিনি।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন- সাংবাদিক শিব্বির আহমদ আরজু, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহ সভাপতি শেখ সাগর আহমদ ও রেজাউল করিম।

এ টাকা ফেরত পেয়ে আবেগে আপ্লুত হয়ে পড়েন আল আমিন মিয়া। তিনি বলেন- ‘যখন জানতে পারি ৩০ হাজার টাকা বিকাশের ভুল নম্বরে হবিগঞ্জের বানিয়াচং গিয়েছে তখন ফেরত পাব বলে বিশ্বাস ছিলো। কারণ এখানকার মানুষ অনেক সৎ ও ভালো হিসেবে জানি। সে বিশ্বাসের প্রতিফলন আজ পেয়েছি।’

এ ব্যাপারে শিরফল মিয়া বলেন- ‘ভুল করে টাকা আসতেই পারে। তাই বলে অন্যের টাকা আত্মসাৎ করব এমন শিক্ষা পেয়ে আমি বড় হইনি।’
শিরফল মিয়া বিদেশ ফেরত এক যুবক। তিনি প্রবাস থেকে অর্থ-কড়ি খুইয়ে বাড়িতে এসেছেন প্রায় ৫ বছর। পেশা হিসেবে টাইলস মিস্ত্রি। কিন্তু ৫ সদস্যের সংসারে অর্থের টানাপোড়েন লেগেই আছে। এমতাবস্থা থেকেও শিরফল মিয়া সেই টাকার প্রতি বিন্দুমাত্র লোভ করেননি। এতে তিনি টাকা ফেরত দিয়ে বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।

নবীগঞ্জে ট্রাক চাপায় রিকশা চালক নিহত

নবীগঞ্জে ট্রাক চাপায় রিকশা চালক নিহত
ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের হবিগঞ্জের নবীগঞ্জে ট্রাক চাপায় জাহাঙ্গীর মিয়া (১৫) নামে এক কিশোর রিকশা চালক নিহত হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) মহাসড়কের আউশকান্দি হীরাগঞ্জ বাজারের কাছে রাত ৮টার দিকে দুর্ঘটনাটি ঘটে।

নিহত রিকশা চালক আউশকান্দি ইউনিয়নের জালালপুর গ্রামের নুর উদ্দিনের ছেলে।

প্রতক্ষ্যদর্শী সূত্রে জানা যায়, রাত ৮টার দিকে বাড়ি থেকে রিকশা চালিয়ে আউশকান্দি বাজারে আসছিল জাহাঙ্গীর। এ সময় মুনিম ফিলিং স্টেশনের সামনে পৌঁছা মাত্রই সিলেট থেকে ঢাকাগামী দ্রুতগতির একটি ট্রাক জাহাঙ্গীরের রিকশাকে চাপা দেয়। এতে রিকশাটি দুমড়ে মুছড়ে গেলে ঘটনাস্থলেই সে নিহত হয়।

মহাসড়কের প্রায় এক ঘণ্টা যান চলাচল বন্ধ ছিল। খবর পেয়ে শেরপুর হাইওয়ে থানা ও নবীগঞ্জ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি শান্ত করলে যানচলাচল স্বাভাবিক হয়।

শেরপুর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ওয়াহিদুজ্জামান বলেন, ‘খবর পেয়ে হাইওয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে। বর্তমানে মরদেহ হাইওয়ে থানায় রয়েছে।’

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র