Barta24

বৃহস্পতিবার, ২২ আগস্ট ২০১৯, ৭ ভাদ্র ১৪২৬

English

চালক নূর আলমের মৃত্যুতে অসহায় পরিবার

চালক নূর আলমের মৃত্যুতে অসহায় পরিবার
অটোরিকশা চালক নূর আলম সোহাগকে হারিয়ে হাসপাতালের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েছেন তার বাবা নূর মোহাম্মদ ও দুই বোন/ ছবি: বার্তা২৪.কম
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

লক্ষ্মীপুরের মান্দারীর রতনপুর এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনায় নূর আলম সোহাগ (৩০) নামের এক সিএনজি চালিত অটোরিকশা চালক নিহত হয়েছেন। নূর আলম সোহাগ তার সংসারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি ছিলেন।

নিহত চালক নূর আলম লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার বাঙ্গাখাঁ ইউনিয়নের নেয়ামতপুর গ্রামের নূর মোহাম্মদের একমাত্র ছেলে।

তার মৃত্যুতে পরিবারটি এখন অসহায় হয়ে পড়েছে। মরদেহ নিতে এসে সদর হাসপাতাল এলাকায় পরিবারের সদস্যদের আহাজারিতে থমথমে অবস্থা সৃষ্টি হয়। কান্নায় ভেঙে পড়েন নিহত নূর আলমের বাবা ও দুই বোন।

বুধবার (২৩ জানুয়ারি) দুপুর ১২টার দিকে সদর হাসপাতালে লাশ ঘরের সামনে ভাইয়ের মৃত্যুর শোকে বাবা নূর মোহাম্মদকে জড়িয়ে ধরে কাঁধতে দেখা যায় বোন পাকি বেগম ও লাকি আক্তারকে।

এর আগে ভোরে ঢাকা-রায়পুর সড়কের সদর উপজেলার রতনপুর এলাকায় মালবাহী ট্রাক ও অটোরিকশার সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে অটোরিকশাতে থাকা একই পরিবারের ছয় জন ও চালক নিহত হন।

হাসপাতাল এলাকায় কান্না জড়িত কণ্ঠে নূর মোহাম্মাদ বলেন, ‘নূর আলম পরিবারের সকলের স্বপ্ন পূরণের চেষ্টা করতো। এখন আর পরিবারের কারো স্বপ্ন পূরণ হবে না। রাত ৪টার দিকে পাম্প থেকে গ্যাস নিয়ে নোয়াখালীর চাঁদখালী যাবে বলে সে বাড়ি থেকে বের হয়েছে। তখন আমার সাথে তার দেখা হয়নি। আর কখনো দেখা হবেও না।’

নিহত চালকের বোন পাকি বেগম ও লাকি আক্তারের আহাজারিতে ভেসে আসছে নূর আলমকে হারিয়ে তাদের সংসারের অসহায়ত্ব। এখন কে দেখবে তাদের সংসার? এ বৃদ্ধ বয়সে তাদের বাবা-মায়ের দায়িত্ব নেবে কে? তার প্রতিবন্ধী ছেলেটার এখন কি হবে? সাত মাস বয়সী তার ছেলে মিরাজ কাকে বাবা বলে ডাকবে? এমন প্রশ্ন।

আপনার মতামত লিখুন :

গুড়ায় গভীর রাতে বাল্য বিয়ে বন্ধ করলেন ইউএনও-ওসি

গুড়ায় গভীর রাতে বাল্য বিয়ে বন্ধ করলেন ইউএনও-ওসি
ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

গভীর রাতে বিয়ে বাড়িতে হাজির হয়ে বাল্য বিয়ে বন্ধ করলেন বগুড়ার শেরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)।

বুধবার (২১ আগস্ট) রাত সাড়ে ১১টায় এই দুই কর্মকর্তা হাজির হন মির্জাপুর ইউনিয়নের মাড়র খোলা গ্রামের আকিমুদ্দিনের বাড়িতে। কেননা সেখানে গভীর রাতে আয়োজন করা হয়েছিল নবম শ্রেনীর ছাত্রী আদরী খাতুনের (১৩)। বর পার্শ্ববর্তী ভাদরা গ্রামের মহসিনের ছেলে ইকবাল হোসেন (১৬)।

বিয়ের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন কাজী সাহেব এমন সময় সেখানে হাজির হন ইউএনও লিয়াকত আলী শেখ ও শেরপুর থানার ওসি হুমায়ুন কবীর।

তাদেরকে দেখে বাল্য বিয়ের প্রস্তুতি ভন্ডুল হয়ে যায় মুহুর্তের মধ্যে। এসময় মেয়ের বাবা আকিমুদ্দিন তার মেয়েকে প্রাপ্ত বয়স্ক না হওয়া পর্যন্ত বিয়ে দিবে না মর্মে অঙ্গীকার নামা দেন।

এছাড়া বরকে ১০ দিনের কারাদণ্ড এবং মেয়েকে আটকের পর বয়স বিবেচনা করে তার বাবার জিম্মায় ছেড়ে দেয়া হয়। ছেলের বাবা ও কাজী সাহেবের অর্থ দণ্ড করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও ইউএনও লিয়াকত আলী শেখ।

শেরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হুমায়ুন কবির বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

বেড়াতে এসে পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু

বেড়াতে এসে পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু
ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে নিকটাত্মীয়ের বাড়িতে বেড়াতে এসে পুকুরের পানিতে ডুবে ইশরাত (৪) নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

বুধবার (২১ আগস্ট) রাত ৯টার দিকে উপজেলার আকরতমা গ্রামের একটি মসজিদের পুকুর থেকে ডুবরিরা তার মরদেহ উদ্ধার করে।

ইশরাত উপজেলার পানিয়ালা গ্রামের জলার বাড়ির ইমরান হোসেনের মেয়ে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, বুধবার দুপুরে ইশরাতের বাবা-মা স্বপরিবারে আকরতমা গ্রামে ভুলুয়া বাড়ির নিকটাত্মীয়ের বাড়িতে বেড়াতে আসে। বিকেলে সবার অগোচরে শিশুটি ঘর থেকে বের হয়ে যায়। পরে আত্মীয়-স্বজনরা বাড়ির পুুকুর ও আশপাশের এলাকায় খুঁজেও তাকে পায়নি। কোথাও না পেয়ে থানায় নিখোঁজ ডায়েরি করতে যায় পরিবারের লোকজন। খবর পেয়ে এর আগেই রামগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস ও চাঁদপুরের ডুবরির দল প্রায় এক ঘণ্টা চেষ্টা করে পুকুর থেকে ইশরাতের ডুবন্ত মরদেহ উদ্ধার করে।

রামগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন বলেন, শিশুটির পরিবারের সদস্যরা থানায় জিডি করার জন্য এসেছিল। জিডি নথিভূক্ত করার আগেই ডুবরিরা পুকুর থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করেছে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র