Barta24

সোমবার, ২২ জুলাই ২০১৯, ৭ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

ট্রেনে কাটা পড়ে নারী শ্রমিকের মৃত্যু

ট্রেনে কাটা পড়ে নারী শ্রমিকের মৃত্যু
ছবি: প্রতীকী
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
কুষ্টিয়া
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

কুষ্টিয়ায় ট্রেনে কাটা পড়ে সজিনা বেগম (৪৫) নামে এক মহিলা শ্রমিক নিহত হয়েছেন।

সোমবার (১৪ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে কুষ্টিয়া শহরতলির দবির মোল্লা রেলগেট এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত মহিলা শ্রমিক কুষ্টিয়া সদর উপজেলার লাহিনী ক্যানালপাড়া এলাকার আজাদ শেখের স্ত্রী। সে স্থানীয় একটি ডাল মিলে শ্রমিক হিসেবে কাজ করত।

কুষ্টিয়া রেলওয়ে পুলিশের ইনচার্জ রাজিউর রহমান জানান, খুলনা থেকে ছেড়ে আসা গোয়ালন্দগামী নকশীকাঁথা মেইল ট্রেনে কাটা পড়ে সোমবার সকাল সাড়ে ৮ টার দিকে সজিনা বেগম নামের ঐ মহিলা শ্রমিক নিহত হন।

এই ঘটনায় রেলওয়ে পুলিশ নিহতের লাশ উদ্ধার করে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে প্রেরণ করেছে।

আপনার মতামত লিখুন :

বান্দরবানে আওয়ামী লীগ নেতাকে গুলি করে হত্যা

বান্দরবানে আওয়ামী লীগ নেতাকে গুলি করে হত্যা
বান্দরবানে তারাছা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মংমং থোয়াই মারমাকে গুলি করে হত্যা/

বান্দরবানে তারাছা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মংমং থোয়াই মারমাকে (৫০) গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। সোমবার (২২ জুলাই) দুপুরে এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, রোয়াংছড়ি উপজেলা থেকে মোটরসাইকেল চালিয়ে বান্দরবান জেলা সদরে আসার পথে রোয়াংছড়ি-বান্দরবান সড়কের শামুকছড়ি এলাকায় অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীরা তাকে ৫ রাউন্ড গুলি করে। এতে গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় মংমং থোয়াই মারমার। সে তারাছা ইউনিয়নের বাসিন্দার মিক্যা জাই মারমার ছেলে।

খবর পেয়ে স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে গিয়ে সড়কের পাশ থেকে তাকে উদ্ধার করে বান্দরবান সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। সদর হাসপাতালের চিকিৎসক চিংম্রাসা বলেন, গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়েছে। হাসপাতালে আনার সময় তার দেহে প্রাণ ছিলো না।

এদিকে খবর পেয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতারা হাসপাতালে ছুটে যান।

আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও সদর উপজেলা চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম বলেন, রোয়াংছড়ি উপজেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন নিয়ে রোয়াংছড়ি বাজারের একটি হলরুমে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভা শেষে মোটরসাইকেল চালিয়ে ফেরার পথে ব্রাশ ফায়ার করে আওয়ামী লীগ নেতা মংমং থোয়াই মারমাকে হত্যা করা হয়েছে। সে তারাছা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ছিলেন।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহিদুল ইসলাম চৌধুরী জানান, অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীদের গুলিতে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতির মৃত্যু হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে নিহতের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। মরদেহটি ময়না তদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

বগুড়ায় বন্যা মোকাবেলায় প্রশাসন চাইছে বাড়তি বরাদ্দ

বগুড়ায় বন্যা মোকাবেলায় প্রশাসন চাইছে বাড়তি বরাদ্দ
বগুড়া সার্কিট হাউসে জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভায় ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. এনামুর রহমান

বন্যা প্রচণ্ড রকমের ঝাঁকুনি দিয়ে গেছে প্রাচীন জনপদ বগুড়ায়। উজান থেকে নেমে আসা পানির ঢল ও ভারী বৃষ্টিপাত এ জলায় বন্যা পরিস্থিতিকে করে তোলে ভয়াবহ। গত ১৩ জুলাই থেকে পানি আসতে শুরু করে বগুড়ায়।

বন্যা মোকাবেলায় জেলায় এই মুহূর্তে সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন শুকনো খাবার ও নগদ অর্থ। পাশাপাশি গবাদি পশুর জন্যেও অতিরিক্ত অর্থ বরাদ্দ চেয়েছে জেলা প্রশাসন।

সোমবার (২১ জুলাই) বিকেলে বগুড়া সার্কিট হাউসে জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভায় এ কথা বলেন জেলা প্রশাসক ফয়েজ আহমেদ।

তিনি বলেন, বর্তমানে জিআর খাতে ১৮৪ মেট্রিক টন চাল ও নগদ অর্থ ৫০ হাজার টাকা অবশিষ্ট রয়েছে। এই অর্থ ও ত্রাণ দ্রুত ফুরিয়ে যাবে।

সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. মো. এনামুর রহমান। বিশেষ অতিথি ছিলেন পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এ কে এম এনামুল হক শামীম।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব শাহ কামালসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা সভায় অংশ নেন।
https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/22/1563793848105.jpg
সভায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. এনামুর রহমান জানান, এ পর্যন্ত জেলায় ৭১৭ মেট্রিক টন জিআর চাল, ৩ হাজার প্যাকেট শুকনো খাবার ও নগদ অর্থ সহায়তা বরাদ্দ করা হয়েছে সাড়ে ১১ লাখ টাকা। প্রয়োজনে আরও ত্রাণ ও অর্থ বরাদ্দ ছাড় করা হবে বলে জানান তিনি।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বিশ্বে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় রোল মডেল হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে বাংলাদেশ। ভাটি অঞ্চল হিসেবে উজান থেকে আসা বন্যার পানি হয়ত ঠেকানো যাবে না কিন্তু আমাদের লক্ষ্য থাকবে বন্যায় কী করে ক্ষয়ক্ষতি কমিয়ে আনা যায়।

তিনি বলেন, আমরা এই জেলার জন্য ৫০০ পিস তাঁবু পাঠিয়েছি যাতে করে খোলা আকাশের নিচে কাউকে থাকতে না হয়। প্রয়োজনে আরো শুকনো খাবার ও তাঁবু পাঠানো হবে।

সভায় পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক এ কে এম এনামুল হক শামীম বলেন, বগুড়ার বাঙালি, নাগর ও যমুনা নদীর ভাঙন রোধ করতে সরকার বেশ কিছু পরিকল্পনা নিয়েছে। এই পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়িত হলে ভবিষ্যতে এ জেলায় বন্যার ঝুঁকি অনেকাংশে কমে যাবে।

বাঙালি ও যমুনা নদীর পানি বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় প্লাবিত হয়েছে সারিয়াকান্দি, সোনাতলা, ধুনট উপজেলার ২২টি ইউনিয়নের ১৭৯টি গ্রাম।

নদী ভাঙনের ছোবলে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সোনাতলা ও ধুনট উপজেলার ২০৫টি ঘরবাড়ি। আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সারিয়াকান্দি, সোনাতলা ও ধুনট উপজেলার ৯৫০টি ঘরবাড়ি।

৩৬৯২ জন বানভাসি মানুষ বিভিন্ন স্থানে আশ্রয় নেওয়ার পাশাপাশি বাঁধে আশ্রয় নিয়েছে ১১ হাজার ৬০০ জন বন্যা দুর্গত।

জেলা প্রশাসনের তরফে বন্যা মোকাবেলায় অতিরিক্ত চাহিদা হিসেবে জিআর ৩০০ মেট্রিক টন চাল, নগদ অর্থ হিসেবে ২০ লাখ টাকা, শুকনো খাবার আরও পাঁচ হাজার প্যাকেট, ৪ হাজার পিস তাঁবু, ভারী পলিথিন ৮ হাজার পিস, গবাদি পশুর খাদ্য হিসেবে ৮০ মেট্রিক টন পশুখাদ্য কিংবা সমপরিমাণ অর্থ, শিশু খাদ্য এবং আনুষঙ্গিক ব্যয় নির্বাহের জন্য বাড়তি অর্থ বরাদ্দের চাহিদাপত্র দেওয়া হয়েছে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র