Barta24

সোমবার, ১৯ আগস্ট ২০১৯, ৪ ভাদ্র ১৪২৬

English

চাঁদপুরে ট্রাক-অটোরিকশা সংঘর্ষে চালক নিহত

চাঁদপুরে ট্রাক-অটোরিকশা সংঘর্ষে চালক নিহত
ছবি: বার্তা২৪
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
চাঁদপুর
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

চাঁদপুর শহরের মঠখোলা ওয়াপদাগেট এলাকায় চাঁদপুর-কুমিল্লা আঞ্চলিক সড়কে মালবাহী ট্রাক ও সিএনিজ চালিত অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে ওসমান গনি অনিক (১৮) নামে সিএনজি চালক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছে আটো রিকশায় থাকা আরও পাঁচজন যাত্রী।

শুক্রবার (১১ জানুয়ারি) সকালে এলাকার হাজী সুপার মার্কেটের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত অনিক জেলার মতলব উপজেলার উপাদি দক্ষিণ ইউনিয়নের করবন্দ গ্রামের মানিক বেপারীর ছেলে।

আহতরা হলেন- ইকবাল হোসেন (১৮), তানভীর (২০), আইরিন (২০), আবু ইউসুফ (৩৫) ও ইউনুছ রাড়ী (৪৫)। এদের মধ্যে আবু ইউসুফকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। বাকিদের চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসক সৌজা উদ্দ দৌলা রুবেল জানান, একজন ঘটনাস্থলেই নিহত হয়েছেন। আবু ইউসুফ নামে একজনকে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। বাকিদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।

চাঁদপুর মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে নিহতের মরদেহ উদ্ধার এবং ঘাতক ট্রাকটি আটক করে থানায় নিয়ে আসে।

আপনার মতামত লিখুন :

মানিকগঞ্জে মাদকবিরোধী অভিযানে ৫ মাদকসেবীর কারাদণ্ড

মানিকগঞ্জে মাদকবিরোধী অভিযানে ৫ মাদকসেবীর কারাদণ্ড
মানিকগঞ্জ, ছবি: সংগৃহীত

 

মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার বান্দুটিয়া এবং ঘুনটিপাড়া এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান চালিয়ে ৫ মাদকসেবীকে আটক করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। আটকের পর তিন মাস করে কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

সোমবার (১৯ আগস্ট) দুপুরে জেলা প্রশাসনের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. বিল্লাল হোসেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে এই কারাদণ্ড প্রদাণ করেন।

কারাদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, সোহরাব হোসেন (৪৫), রিপন মিয়া (৩৪), জাকির হোসেন (৩১), মো. আরিফ (২৮)  এবং মো. লোটাস (২৮)। দণ্ডপ্রাপ্তরা মানিকগঞ্জ সদর এবং শিবালয় উপজেলার বাসিন্দা।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতর মানিকগঞ্জ জেলা শাখার ইনচার্জ সাইফুল ইসলাম ভূইয়া ও তার সহকর্মীরা এই অভিযান পরিচালনায় সহায়তা করেন বলে জানান ম্যাজিস্ট্রেট বিল্লাল হোসেন।

উপকারে আসছে না ৬৮ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত বাসস্ট্যান্ড

উপকারে আসছে না ৬৮ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত বাসস্ট্যান্ড
পাবনার চাটমোহরের নতুন বাসস্ট্যান্ডটি। ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম।

গত আট বছরেও চালু করা সম্ভব হয়নি ৬৮ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত পাবনার চাটমোহরের নতুন বাসস্ট্যান্ডটি। বর্তমানে এলাকাটি মাদকসেবীদের অভয়ারণ্যে পরিণত হয়েছে। এছাড়া যত্রতত্র নির্মাণ সামগ্রী রাখায় জায়গাটি দখল হয়ে যাওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। তবে এসব বিষয়ে ব্যবস্থা নিচ্ছে না পৌর কর্তৃপক্ষ।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বাসস্ট্যান্ডটিতে টিকিট কাউন্টার, দোকানঘর ও শৌচাগার থাকলেও নেই শুধু যানবাহন ও কোলাহল। ধুলার আস্তরণে ঢেকে গেছে সব। আর সন্ধ্যার পর সেখানে ভুতুরে পরিবেশ সৃষ্টি হয়। বসে মাদকসেবীদের আড্ডা।

এদিকে এতো টাকা ব্যয় করে বাসস্ট্যান্ডটি নির্মাণ হওয়ার পরে তা ব্যবহার না হওয়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। তারা জানান, শহরে যানবাহনের চাপ কমাতে ২০১১ সালে চাটমোহর-জোনাইল সড়কের পাশে গাইনগড় এলাকায় দুই বিঘা জমির উপর বাসস্ট্যান্ডটি নির্মাণ করে চাটমোহর পৌরসভা। এ জন্য উপজেলা পরিষদ নগর উন্নয়ন প্রকল্প থেকে ৬০ লাখ টাকা ঋণ নেয় এবং পরে তহবিল থেকে ব্যয় করা হয় ৮ লাখ টাকা। মোট ৬৮ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত বাসস্ট্যান্ডটি ঘটা করে উদ্বোধনও করা হয়। কিন্তু পরে আর চালু হয়নি।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/19/1566215779930.jpg

জানা গেছে, সম্প্রতি বর্তমান মেয়র মির্জা রেজাউল করিম দুলাল সাপ্তাহিক হাট বসিয়ে বাসস্ট্যান্ডটি চালুর উদ্যোগ নেন। এজন্য তিনি বাসস্ট্যান্ড জুড়ে ২৮টি সোলার প্যানেল বসান, সুপেয় পানির পাম্প বসান এবং বাইরে আরও একটি শৌচাগার নির্মাণ করেন। তবে তার কোনো উদ্যোগ সফল হয়নি।

অভিযোগ আছে, সরকারি অর্থ ব্যয় করে নির্মাণ করা বাসস্ট্যান্ডটি সাধারণ মানুষের কোনো উপকারে আসছে না। অথচ সব ধরনের যানবাহন প্রতিদিন চাটমোহর-পাবনা সড়কের ওপর দাঁড় করিয়ে যাত্রী ওঠা-নামা করানো হচ্ছে। পাশাপাশি ট্রাক থেকে মালামাল লোড-আনলোড করানো হয়। এতে পৌর সদরের মধ্যে প্রতিনিয়ত যানজট লেগে থাকে। কাগজে কলমে সচল থাকলেও দীর্ঘদিন অচল অবস্থায় পড়ে আছে পৌর বাসস্ট্যান্ডটি। এতে সাধারণ মানুষ দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন।

এ বিষয়ে চাটমোহর পৌরসভার মেয়র মির্জা রেজাউল করিম দুলাল বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, ‘অনেক চেষ্টা করেও বাসস্ট্যান্ডটি চালু করতে পারছি না। সংযোগ সড়ক না করে অপরিকল্পিতভাবে বাসস্ট্যান্ডটি নির্মাণ করায় কেউ এটি ব্যবহারে আগ্রহী হচ্ছে না। ফলে আগের মেয়রের ভুলের খেসারত আমাকে দিতে হচ্ছে।’

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/19/1566215803680.jpg

তিনি আরও বলেন, ‘বাসস্ট্যান্ডটি নির্মাণের জন্য নেয়া ঋণের টাকা এখনো পৌর তহবিল থেকে পরিশোধ করতে হচ্ছে। তবে বাসস্ট্যান্ডটি চালুর চেষ্টা করে যাচ্ছি।’

কয়েকজন বাস চালক জানান, বাসস্ট্যান্ডটি পৌর সদরের সড়ক থেকে কিছুটা দূরে অবস্থিত এবং সেখানে গাড়ি পার্কিংয়ের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেই। তাই সেখানে কেউ যেতে চায় না।

তবে সাধারণ যাত্রীদের দাবি, বাসস্ট্যান্ড থেকে নিরাপদে যাতায়াত করা সম্ভব। ফলে তাদের আশা, দ্রুত বাসস্ট্যান্ডটি চালুর উদ্যোগ নেবেন সংশ্লিষ্টরা।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র