Barta24

মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই ২০১৯, ১ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

যাত্রীর চাপে পথে আটকা পড়ছে ট্রেন,ভোগান্তির আশঙ্কা

যাত্রীর চাপে পথে আটকা পড়ছে ট্রেন,ভোগান্তির আশঙ্কা
সা‌ব্বির আহ‌মেদ
সি‌নিয়র ক‌রেসপ‌ন্ডেন্ট


  • Font increase
  • Font Decrease

ঢাকা: আবারও বিকল হয়ে পড়েছে লালমনি এক্স‌প্রেস। এ অবস্থায় লালম‌নিরহাট থে‌কে পুরাতন রেক দি‌য়ে ট্রেনটিকে ঢাকা আনা হ‌চ্ছে। এতে প্রায় ৩ থে‌কে ৪ ঘন্টা দে‌রি‌ হ‌চ্ছে।এদিকে অতিরিক্ত যাত্রীর চাপে চিলাহাটিগামী নীলসাগর এক্সপ্রেস জয়দেবপুর গি‌য়ে যান্ত্রিক ত্রু‌টি‌তে প‌ড়েছে।

কমলাপুর রেলও‌য়ে সূত্র জানায়, এবার ঈদে রে‌লের চমক ছি‌লো লালমনি এক্স‌প্রেস। দে‌শে কোচগু‌লো মেরামত ক‌রে চলাচল উপ‌যোগি করা হ‌য়ে‌ছি‌লো। কিন্তু যাত্রা শুরুর এক সপ্তা‌হের মাথায় পরপর দু'বার ট্রেন‌টি বিকল হ‌লো। অতি‌রিক্ত যাত্রী চাপে ট্রেন‌টির কোচ ক্ষ‌তিগ্রস্ত হ‌য়ে‌ছে।

রেলভবন সূত্র জানায়, ঈদ যাত্রায় ১৩ জুন যে যাত্রী চাপ তা ট্রেনগু‌লো ধারণ ক্ষমতার ক‌য়েকগুণ বে‌শি। এ অবস্থায় কোচ দে‌বে যা‌চ্ছে। ফলে আগামী দুই দিন ট্রেন যাত্রায় ভোগান্তির আশঙ্কা করা হচ্ছে।

বুধবার (১৩ জুন) সকা‌লে নীলসাগরের পেছ‌নের ২ কোচের অতিরিক্ত যাত্রীর জন্য কোচে সমস্যা দেখা দেয়। এ সময় ট্রেন‌টি একঘন্টা জয়‌দেবপু‌রে ব‌সে থা‌কে। রংপুর এক্স‌প্রেস ট্রেন নীলসাগর‌কে পেছ‌নে ফে‌লে চ‌লে যায়। বেলা ১টার কিছুক্ষণ পরই কোচ থে‌কে যাত্রী ক‌মিয়ে নীলসাগর সচল করে আবার রওনা দেয়।

এদিকে শি‌ডিউল বিপর‌্যয়ে পড়েছে আরও ক‌য়েক‌টি ট্রেন। রা‌তে লালমনি এক্সপ্রেস নির্ধা‌রিত সম‌য়ে আস‌তে পার‌বে না তার ছাড়তেও বিলম্ব হবে ব‌লে জানি‌য়ে‌ছেন কমলাপুর রেল‌স্টেশ‌ন মাস্টার সাখাওয়াত হো‌সেন।

স্টেশ‌ন ম‌নিট‌রের তথ্য অনুযা‌য়ী, সকা‌লে দেওয়ানগঞ্জ ঈদ স্পেশাল ট্রেন ছাড়ার কথা পৌনে ৯টায়; ট্রেন‌টি ছেড়েছে নির্ধারিত সময়ের পৌনে একঘণ্টা পর।

লালমনিরহাটের লালমনি ঈদ স্পেশাল ট্রেন সকাল সোয়া ৯টায় ছেড়ে যাওয়ার কথা থাকলেও ছাড়ে সকাল ১১টায়।

রংপুর এক্সপ্রেস ট্রেন সকাল ৯টায় ছাড়ার কথা থাকলেও তা সকাল ১০টার পরে কমলাপুর রেল স্টেশন ছেড়ে যায়।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার তিতাস কমিউটার ট্রেন সকাল সাড়ে ৯টার পরিবর্তে ২০ মিনিট দেরি করে বেলা ৯টা ৫০ মিনিটে ছেড়ে গেছে। জামালপুরের তারাকান্দি রুটের অগ্নিবীণা এক্সপ্রেস ট্রেন আধাঘণ্টা দেরি করে সকাল সোয়া ৯টায় ছেড়েছে।

এছাড়া দিনাজপুরের একতা এক্সপ্রেস ২০ মিনিট দেরি করে বেলা ১০টা ২০ মিনিটে ছেড়েছে।

নীলসাগর এক্সপ্রেস ট্রেনের ছাড়ার সময় সকাল ৮টায়। তবে ট্রেনটি আধাঘণ্টা দেরি করে সকাল সাড়ে ৮টায় গেছে। এর আগে ধুম‌কেতু এক্স‌প্রেস ও সুন্দরবন দে‌রি ক‌রে ছা‌ড়ে।

ট্রেনগুলোর পরপর শিডিউল বিপর‌্যয়ের ফলে যাত্রীদের ভোগান্তির পাশাপাশি রেল চলাচলে ঈদ যাত্রায় বড় বিপযর‌্য ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করছে সংশ্লিষ্টরা।

আপনার মতামত লিখুন :

এজলাসে খুন: গাফিলতি কিনা খুঁজে দেখা হচ্ছে

এজলাসে খুন: গাফিলতি কিনা খুঁজে দেখা হচ্ছে
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল

কুমিল্লায় আদালতের এজলাস কক্ষে ফারুক নামে এক আসামিকে খুন করার ঘটনায় নিরাপত্তাগত দিক থেকে কারো কোনো গাফিলতি আছে কিনা তা খুঁজে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।

মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) ধানমন্ডিতে বিজিবি সদর দপ্তরে এক অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

তিনি বলেন, এজলাস কক্ষে এমন একটি ঘটনা অনাকাঙ্ক্ষিত। কিভাবে এজলাস কক্ষে একজন মানুষ ধারালো অস্ত্র নিয়ে আসতে পারে সেটি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এতে যদি নিরাপত্তাগত দিক থেকে কারো কোন গাফিলতি থাকে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, তবে আরেকটি বিষয় আদালতে কেমন নিরাপত্তা দেওয়া হবে তা আদালত ঠিক করে পুলিশকে নির্দেশ দেন। আদালতের চাহিদা মতই পুলিশ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করে। তবে এমন ঘটনার পর, আদালত কেন্দ্রিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করার জন্য আমরা নানারকম পদক্ষেপ নিয়েছি। খুব দ্রুত বাস্তবায়ন হবে।

রাজশাহীতে লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়েছে পাট চাষ, তবুও চাষিদের শঙ্কা

রাজশাহীতে লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়েছে পাট চাষ, তবুও চাষিদের শঙ্কা
রাজশাহীর পবা এলাকায় জমি থেকে পাট কাটছেন শ্রমিকরা/ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

রাজশাহী অঞ্চলে বেড়েছে পাট চাষ। চলতি বছর লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ২৭১ হেক্টর বেশি জমিতে পাট চাষ হয়েছে। জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের তথ্য অনুযায়ী, এবছর পাট চাষ হয়েছে ১৩ হাজার ৮৪৬ হেক্টর জমিতে। লক্ষ্যমাত্রা ছিলো ১৩ হাজার ৫৭৫ হেক্টর। আর গত বছর পাট চাষ হয়েছিল ১২ হাজার ৮২৫ হেক্টর জমিতে।

রাজশাহীর পবা উপজেলার শ্রীপুর এলাকার পাটচাষি আবদুর রাজ্জাক বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে জানান, এবার আড়াই বিঘা জামিতে পাট চাষ করেছেন। তবে পাট জাগ দেওয়া নিয়ে সমস্যা হবে। যেহেতু এবছর তেমন বৃষ্টিপাত নেই। তাই পুকুর ও ডোবায় তেমন পানি নেই। এক বিঘা পাট কাটা ও পানিতে জাগ দেওয়ার খরচ হচ্ছে প্রায় তিন হাজার টাকা। এছাড়া শ্রমিকও পাওয়া যাচ্ছে না ।

একই এলাকার পাটচাষি মোজাম্মেল হক জানান, তিনি এক বিঘা জমিতে পাট চাষ করেছেন। ফলন ভালো হয়েছে। তবে দাম নিয়ে শঙ্কিত। পাট বাজারে ওঠার পরে দাম কমে যায়। তারা শ্রমিকদের টাকা দেওয়ার জন্য পাট বিক্রি করে দাম পায়না। এতে তাদের লোকসান হয়।

তিনি বলেন, পাটের দাম কম পাওয়া, বিক্রির সমস্যা এবং ভালো বীজের অভাব পাট চাষে সমস্যা থেকেই যাচ্ছে। এছাড়া পাট কাটার জন্য রাজশাহী জেলার বাইরে অর্থাৎ সিরাজগঞ্জ, নাটোর ও পাবনা থেকে শ্রমিক আনতে হয়। এতে করে আরও খরচ বেড়ে যায়।

রাজশাহী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের অতিরিক্ত উপ পরিচালক (উদ্যান) কৃষিবিদ আবদুল ওয়াদুদ বলেন, গত বছরের চেয়ে রাজশাহী অঞ্চলে বেড়েছে পাটের চাষ। এই অঞ্চলে পাট কাটা শুরু হয়েছে। কোন রোগবালাই নেই। তবে বৃষ্টি না হওয়ায় পাট পচাতে বা জাগ দিতে সমস্যায় পড়েছেন চাষীরা। তবে আষাঢ়ের শেষ দিকে এসে যেভাবে বৃষ্টি দেখা যাচ্ছে, তাতে সমস্যা কেটে যাবে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র