Barta24

বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই ২০১৯, ৩ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

বাজারে চটকদার প্যাকেটে অস্বাস্থ্যকর সেমাই

বাজারে চটকদার প্যাকেটে অস্বাস্থ্যকর সেমাই
সেন্ট্রাল ডেস্ক
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease
ঈদকে সামনে রেখে ঝালকাঠিতে নোংরা পরিবেশে তৈরি হচ্ছে অস্বাস্থ্যকর সেমাই। বাহারি রঙের চটকদার প্যাকেটে এসব সেমাই দক্ষিণাঞ্চলের হাটে বাজারে বাজারজাত করা হচ্ছে। অধিকাংশ কারখানায় বিএসটিআইর অনুমোদন ছাড়া এসব সেমাই উৎপাদন হচ্ছে।
 
সেমাই উৎপাদনের সময় হাতে গ্লাভস পরেনা শ্রমিকরা। গরমে তাদের শরীরের ঘাম ঝরে সেমাইতে মিশে যাচ্ছে । ঝুড়িতে প্যাকেটজাত সেমাই সরবরাহ ও বিক্রির কোনো বৈধতা না থাকলেও ঝালকাঠির সেমাই মালিকরা প্রকাশ্যে তা বিএসটিআইয়ের সিল ব্যবহার করে বিক্রি করছে বলে ভোক্তাদের অভিযোগ।
 
বাজারে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ঈদ উপলক্ষে ব্যবসায়ীরা নামি দামি ব্র্যান্ডের সেমাইর পাশাপাশি স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত সেমাই মজুত করছে। 
 
ভালো ব্র্যান্ডের কুলসন, ম্যাকারনি, বনফুল সেমাই বিক্রি হয় প্রতিটি ৫ কেজির প্যাকেট ৩৫ টাকা করে ২৫টি প্যাকেট ৮৭৫ টাকায়। অন্যদিকে স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত সেমাই ৭ কেজির টুকরি বিক্রি হয় ৪২০ টাকায়। নিম্ন আয়ের মানুষের চাহিদা ও অধিক মুনাফার কথা চিন্তা করে ব্যবসায়ীরা স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত অস্বাস্থ্যকর সেমাই বিক্রিতে আগ্রহী বেশি।
 
সরেজমিনে গত বুধবার শহরের কাঠপট্টি এলাকায় অবস্থিত কুলসুম, মিনার, মদিনাসহ একাধিক সেমাই কারখানায় গিয়ে দেখা যায়, সামনে থেকে কারখানা তালাবদ্ধ করে ভিতরে চলছে নোংরা পরিবেশে সেমাই উৎপাদন। মেঝেতে কাদা আর তেলে একাকার।
 
সেমাই তৈরির কাজে নিয়োজিত শ্রমিকরা গ্লোভস ছাড়া খালি গায়ে সেমাই ভাজছে। শরীরের ঘাম হাত বেয়ে সেমাইতে মিশছে। সেই সেমাই ভাজা হচ্ছে কালো নিম্নমানের পাম অয়েল দিয়ে। 
 
দুর্গন্ধযুক্ত নোংরা ট্রেতে সেমাইর ময়দা মাখা হচ্ছে। প্যাকেটের গায়ে উৎপাদনের তারিখ হতে মেয়াদোর্ত্তীণের তারিখ ১ বছর লাগিয়ে সরবরাহ করা হচ্ছে। অনেক সেমাই কারখানায় ঝুড়িতে পলিথিন দিয়ে প্যাকেটজাত করা সেমাইর ভিতরের লেবেলে বিএসটিআইয়ের সিল দেয়া।
 
নূরানী লাচ্চা সেমাই কারখানার মালিক মো. মনিরুজ্জামান বলেন, ‘আমাদের সেমাই স্থানীয় বাজার ছাড়াও পটুয়াখালী, বরগুনা, পিরোজপুর, মঠবাড়িয়া খেপুপারাসহ দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহ হচ্ছে। আমারা শ্রমিকদের হাতের গ্লোভস দিলেও গরমের কারণে তারা তা ব্যবহার করতে পারেনা।’
 
মদিনা লাচ্চা সেমাইয়ের মালিক নান্নু মিয়া বলেন, ‘আমার কারখানার পরিবেশ ভালো। শ্রমিকরা পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন ভাবে কাজ করে। আমি বিএসটিআইয়ের অনুমোদন নিয়েই দীর্ঘদিন সেমাই উৎপাদন করছি।’
 
এ বিষয়ে বরিশাল বিএসটিআইর পরিদর্শক রঞ্জিত কুমার মল্লিক জানান, সম্প্রতি বেশ কিছু কারখানার বিরুদ্ধে মামলা ও জরিমানা করা হয়েছে। খোঁজ নিয়ে আবারো অভিযান চালানো হবে।
 
ঝালকাঠি জেলা প্রশাসন সূত্র জানায়, গত ২৩ মে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. শহিদুল্লাহ ঝুড়িতে পলিথিন দিয়ে প্যাকেজাত করা সেমাই বিক্রি ও নোংরা পরিবেশের জন্য ৩টি কারখানা মালিককে ৩৩ হাজার টাকা জরিমানা করেছে।
 
এ বিষয়ে ঝালকাঠি জেলা প্রশাসক মো. হামিদুল হক জানান, ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ৩টি কারখানা মালিককে জরিমানা করা হয়েছে। অন্যদের সাবধান করার জন্য অভিযান চালানো হয়েছে। যাতে তারা ভালো পরিবেশে মানসম্মত সেমাই উৎপাদন করে। না করলে আরও অভিযান চালানো হবে।
আপনার মতামত লিখুন :

বিএবি’র জনবল বাড়ানো হবে: শিল্পমন্ত্রী

বিএবি’র জনবল বাড়ানো হবে: শিল্পমন্ত্রী
অ্যাক্রেডিটেশন বিষয়ক মতবিনিময় সভায় বক্তব্য দেন শিল্পমন্ত্রী, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর

বিশ্বমানের পণ্য উৎপাদনে সহায়ক পরিবেশ তৈরির লক্ষ্যে বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন বোর্ডের (বিএবি) জনবল ও কর্মক্ষেত্র বাড়ানো হবে বলে জানিয়েছেন শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) শিল্প মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে বিএবি প্রকাশিত নিউজলেটারের মোড়ক উন্মোচন এবং অ্যাক্রেডিটেশন বিষয়ক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

শিল্পমন্ত্রী বলেন, বিএবি ইতোমধ্যে দেশীয় শিল্পপণ্যের গুণগতমান আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করতে কার্যকর অবদান রেখেছে। গুণগত শিল্পায়নের মাধ্যমে বাংলাদেশকে উন্নয়নের মহাসড়ক ধরে দ্রুত এগিয়ে নিতে এর প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা জোরদার করা হবে।

BAB

নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন বলেন, বিশ্বায়নের ফলে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের প্রতিযোগিতা ক্রমেই তীব্র হচ্ছে। এতে টিকে থাকতে শিল্পোন্নত দেশগুলো আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে অ্যাক্রেডিটেশনের মত বিভিন্ন কারিগরি প্রতিবন্ধকতা আরোপ করছে। এটি মোকাবিলায় বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক মানের অবকাঠামো গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে এবং জাতীয় পর্যায়ে অ্যাক্রেডিটেশন কার্যক্রম জোরদারের জন্য বিএবি প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।

তিনি বলেন, মানসম্মত পণ্য বলতে সব সময় আন্তর্জাতিকমানের পণ্যকে বোঝায়। উৎপাদিত পণ্য বিনা বাধায় আন্তর্জাতিক বাজারে প্রবেশ করার যোগ্যতা অর্জনের করতে হবে। বর্তমান সরকার শিল্পবান্ধব। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিচক্ষণ নেতৃত্বে সরকার টেকসই ও গুণগত শিল্পায়নের মাধ্যমে অর্থনৈতিক স্বাবলম্বিতা অর্জনে কাজ করছে। সরকারের ইশতেহারেও তৃণমূল পর্যায়ে ব্যাপক শিল্পায়নের এবং মানসম্মত পণ্য উৎপাদনের কথা বলা হয়েছে। আন্তর্জাতিকমানের পণ্যের বাইরে কোনো মানসম্মত পণ্য নেই। যে পণ্য উন্নত দেশের নাগরিকরা ভোগ করছেন, একই মানের পণ্য বাংলাদেশের নাগরিকরাও ভোগ করবেন।

বিএবি’র চেয়ারম্যান ও শিল্পসচিব মো. আবদুল হালিমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন বিএবি’র মহাপরিচালক মো. মনোয়ারুল ইসলাম। প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম তুলে ধরেন উপ-পরিচালক মনিরুল হক পাশা। শিল্প মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব বেগম পরাগ ও একেএম শামসুল আরেফীন, যুগ্মসচিব মীর খায়রুল আলমসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা আলোচনায় অংশ নেন।

৫০ ভাগ চিকিৎসা আসছে বেসরকারি খাত থেকে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

৫০ ভাগ চিকিৎসা আসছে বেসরকারি খাত থেকে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
সেমিনারে বক্তব্য দেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

দেশের ৫০ শতাংশ চিকিৎসা সেবা বেসরকারি হাসপাতালসহ বিভিন্ন চিকিৎসাকেন্দ্রগুলো থেকে আসছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) হোটেল প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁওয়ে ‘সার্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা অর্জনের লক্ষ্যে দেশের স্বাস্থ্যসেবাকে অধিকতর কার্যকরী ও মানসম্পন্ন করা’ শীর্ষক সেমিনারে তিনি এ তথ্য জানান। স্বাস্থ্য অধিদফতর এ সেমিনারের আয়োজন করে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘চিকিৎসায় বেসরকারি সেক্টরে ৫০ শতাংশ চিকিৎসা সম্পন্ন হলেও আমরা তাদেরকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারছি না। অনেক সমস্যার কথা আমরা শুনি। কিন্তু সমাধান করতে পারি না। কেননা আমাদের সেই চর্চা নেই। আমাদের ক্ষমতা রয়েছে দুর্নীতিগ্রস্ত যেকোনো হাসপাতালকে বন্ধ করে দেওয়ার। কিন্তু আমরা তা করতে পারছি না আমাদের চিকিৎসকদের সংযুক্তি বা যারা এ দায়িত্বে আছেন, তাদের সদিচ্ছা না থাকার কারণে।’

তিনি অভিযোগ করে বলেন, ‘দেশের চিকিৎসা খাতে মেডিকেল হেলথ কেয়ার প্রোভাইডাররা (সিএইচসিপি) রোগীদেরকে এন্টিবায়োটিক ওষুধ প্রেসক্রাইব করছে। এ ধরনের কাজ সম্পূর্ণ নিয়ম বহির্ভূত। তাদেরকে রাখা হয়েছে শুধুমাত্র প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করার জন্য। এন্টিবায়োটিক প্রেসক্রাইব করতে পারবে শুধুমাত্র এ সংক্রান্ত বিষেজ্ঞ বা চিকিৎসকরা। আমাদেরকে এ বিষয়ে জোর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।’

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/18/1563442343997.jpg

মন্ত্রী বলেন, ‘দেশের শিশু-কিশোরদেরকে ও চিকিৎসায় শিক্ষিত করতে হবে। আমাদের প্রাইমারি হেলথ কেয়ার ব্যবস্থাপনা অন্যান্য উন্নয়নশীল দেশের থেকে উন্নত। রোগ প্রতিরোধে শুরু হয় এই প্রাইমারি হেলথ কেয়ার থেকে। যার মাধ্যমে দেশের জনগণ নিজেরাই নিজেদের সেবা করতে পারবে। এই সেবাকেও ঢেলে সাজাতে হবে। কেননা দেশের বিভিন্ন স্বাস্থ্য সেবা কেন্দ্রগুলোর মাধ্যমে এই সেবা পুনরাবৃত্তি হচ্ছে। এটাকে বন্ধ করতে হবে।’

নন-কমিউনিকেবল ডিজিজের প্রতি বিশেষ দৃষ্টি দেওয়া প্রয়োজন উল্লেখ করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘রোগগুলো আমাদের দেশে বাড়ছে। এজন্য আমাদের জীবনযাত্রার মান পুনঃনির্ধারণ করতে হবে। কেননা আমরা এই ধরনের রোগ প্রতিরোধে এখনো প্রস্তুত না। তাই এটাকেও প্রাইমারি হেলথ কেয়ারের অন্তর্গত করতে হবে।’

চিকিৎসকদের মেডিকেল প্র্যাক্টিস সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘আমাদের রেফারেল সিস্টেম এখনো দুর্বল। চিকিৎসকদের এক্ষেত্রে আরও মনোযোগী হতে হবে। বিষয়টি নিয়ে আমরা আলোচনা করছি কিন্তু এখনো বাস্তবায়ন করা হয়নি। এছাড়া চিকিৎসকদেরকে প্রাইভেট প্র্যাকটিসের সময় কমাতে হবে। সরকারি হাসপাতালে তাদেরকে বেশি সময় দিতে হবে। দুই ধরনের প্র্যাকটিস বিশ্বের অন্যান্য দেশে নাই। এ ক্ষেত্রে সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসকদের বেতন বাড়ানোর কথা আমরা ভাবছি।’

স্বাস্থ্য খাতে বাজেট সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘বাজেটে মেনটেনেন্সের জন্য মাত্র ৬ থেকে ৭ কোটি টাকা বরাদ্দ রয়েছে। কিন্তু এ বরাদ্দ প্রয়োজন ৪০০ থেকে ৫০০ কোটি টাকা। বাজেটের দিকে আমরা আরও নজর বাড়াব। বিশেষজ্ঞদের নিয়ে আলোচনা করে বাজেটের বিষয় নির্ধারণ করব।’

তিনি আরও বলেন, ‘দেশের এনজিওগুলো স্বাস্থ্য খাতে সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করছে না। তারা নিজেরাও কাজ করছে না, আমাদেরকেও দিচ্ছে না। এতে আমাদের নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা লক্ষ্যভ্রষ্ট হচ্ছে। এক্ষেত্রে আমরা নজরদারি বাড়াচ্ছি। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এর বাইরে কর্মকর্তাদের সংস্পর্শ বেশি। এটা অবশ্যই কমাতে হবে।’

সেমিনারে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেক পাঁচটি জাতীয় গাইডলাইনের মোড়ক উন্মোচন করেন। গাইডলাইনগুলো হলো- ন্যাশনাল স্ট্র‍্যাটেজিক প্ল্যানিং অব পেশেন্ট সেফটি, ন্যাশনাল গাইডলাইন অব ইনফেকশন প্রিভেনশন অ্যান্ড কন্ট্রোল, অ্যান্টি মাইক্রোবিয়াল স্টেয়ার্ডশিপ কিউআই ফ্রেমওয়ার্ক, ন্যাশনাল আর এমএনসিএএইচ কিউআই ফ্রেমওয়ার্ক, ন্যাশনাল আইসিইউ কিউআই ফ্রেমওয়ার্ক।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম আজাদের সভাপতিত্বে সেমিনারে আরও উপস্থিত ছিলেন- স্বাস্থ্য অধিদফতরের সাবেক মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. এম এ ফায়েজ, ইউএনএফপিএ'র সিনিয়র উপদেষ্টা ডা. এস এ জে মো. মুসা, অধিদফতরের রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখার সাবেক পরিচালক অধ্যাপক ডা. বে-নজির আহমেদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হেলথ ইকনোমিকস বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. এম এ হামিদ, আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা প্রতিষ্ঠান, বাংলাদেশের বিশেষজ্ঞ ইকবাল আনোয়ার, অধ্যাপক ডা. মো. লিয়াকত আলী, ডা. মো. আমিরুল ইসলাম প্রমুখ।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র