Barta24

রোববার, ২৫ আগস্ট ২০১৯, ১০ ভাদ্র ১৪২৬

English

কোরবানির প্রথম দিনের শতভাগ বর্জ্য অপসারিত

কোরবানির প্রথম দিনের শতভাগ বর্জ্য অপসারিত
নগর ভবন প্রাঙ্গণে কোরবানির বর্জ্য অপসারণ নিয়ে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিং এ মেয়র সাঈদ খোকন
সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
ঢাকা


  • Font increase
  • Font Decrease

পূর্ব ঘোষিত ২৪ ঘণ্টার মধ্যে কোরবানির প্রথম দিনের বর্জ্য শতভাগ অপসারণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র মোহাম্মদ সাঈদ খোকন। কোরবানির প্রথম দিন ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ১৬ হাজার মেট্রিক টন কোরবানি বর্জ্য অপসারণের মাধ্যমে নগরবাসীকে শতভাগ বর্জ্যমুক্ত করা সম্ভব হয়েছে- বলেন তিনি। 

মঙ্গলবার (১৩ আগস্ট) বিকেলে নগর ভবন প্রাঙ্গণে কোরবানির বর্জ্য অপসারণ নিয়ে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিং এ মেয়র সাঈদ খোকন এ ঘোষণা দেন।

মেয়র বলেন, ডিএসসিসি ঈদুল আজহায় গত ২৪ ঘণ্টায় প্রায় ১৬ হাজার মেট্রিক টন কোরবানি বর্জ্য অপসারণের মাধ্যমে নগরীকে প্রায় শতভাগ কোরবানি পশুর বর্জ্য মুক্ত করতে সক্ষম হয়েছে। তারমধ্যে প্রথম দিন অর্থাৎ গতকাল সোমবার বিকেল ৩ টা হতে দ্বিতীয় দিন মঙ্গলবার ১৩ আগস্ট বিকেল ৩ টা পর্যন্ত ১৭টি পশুর হাটের বর্জ্যসহ কোরবানিকৃত পশুর বর্জ্য অপসারণ করা হয়েছে।

মেয়র বলেন, আপনারা জানেন পুরান ঢাকাবাসী ঈদুল আজহার দ্বিতীয় এবং তৃতীয় দিনেও পশু কোরবানি দিয়ে থাকেন। তাই এ দুদিনে আরো ৫ হাজার মেট্রিক টন বর্জ্য উৎপন্ন হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে–যা  ডিএসসিসি দ্রুততম সময়ের মধ্যে অপসারণ করবে।

উল্লেখ্য, গত বছর ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনে কোরবানি পশুর হাটের সংখ্যা ছিল ১৪টি। ঈদুল আজহার তিন দিনে করপোরেশন মোট ১৯ হাজার ২০০ মেট্রিক টন বর্জ্য অপসারণ করেছিল। এবছর যেহেতু হাটের সংখ্যা ১৭টি। তাই বর্জ্যের পরিমাণও কিছুটা বেড়েছে। এবছর কোরবানি বর্জ্য অপসারণের পরিমাণ দাঁড়াবে ২১ হাজার মেট্রিক টন।

নগরবাসীদের বর্জ্য অপসারণ কাজে করপোরেশনকে সহযোগিতা করার জন্য আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ জানিয়েছেন মেয়র।

তিনি সংস্থার কর্মকর্তা-কর্মচারীদেরও ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, আপনাদের অক্লান্ত পরিশ্রম এবং নাগরিকদের সহযোগিতার ফলেই নগরীকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে কোরবানির বর্জ্যমুক্ত করার এ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা সম্ভব হয়েছে। তিনি ডিএসসিসি’র আওতাধীন এলাকার নাগরিকদের কোরবানি বর্জ্য অপসারণ সেবা পেতে ০১৯৬১১০০০৯৯৯ এ  হট লাইন নম্বরে ফোন করার অনুরোধ জানিয়েছেন।

প্রেসি ব্রিফিং অনুষ্ঠানে নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি হিসেবে কলামিস্ট ও লেখক সৈয়দ আবুল মকসুদ, কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা এয়ার কমোডর জাহিদ হোসেনসহ অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন নগরীর বর্জ্য অপসারণের কাজে নিয়মিত এবং অতিরিক্ত মিলে মোট ৯ হাজার ৫০০ জন পরিচ্ছন্ন কর্মী কাজ করছে। বর্জ্য অপসারণে ব্যবহার হচ্ছে-১৫২টি খোলা ট্রাক, ৮২টি কন্টেইনার বক্স, ২৯টি পানির গাড়ি, ২৩টি পে লোডার, ১২টি টায়ার ডোজারসহ নানা ধরণের যান ও যন্ত্রপাতি। এছাড়া নাগরিকদের জন্য কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে বিনামূল্যে বর্জ্যব্যাগ সরবরাহ করা হয়েছে। পরিবেশ দূষণরোধে কোরবানির স্থানটি ভালভাবে ধুয়ে দেয়ার জন্য ১৮০০ লিটার ব্লিচিং পাউডার ব্যবহার করা হয়েছে। 

মেয়র বলেন, গতবছরের তুলনায় এবছর নাগরিকদের বেশি পরিমাণ করপোরেশন কর্তৃক দেয়া বর্জ্য ব্যাগ ব্যবহার করেছেন।

আপনার মতামত লিখুন :

‘বঙ্গবন্ধু হত্যার পেছনে জাসদ-গণবাহিনীর সৃষ্টি’

‘বঙ্গবন্ধু হত্যার পেছনে জাসদ-গণবাহিনীর সৃষ্টি’
জাতীয় শোক দিবসের আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা এইচটি ইমাম/ ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা এইচটি ইমাম বলেছেন, ‘বঙ্গবন্ধু হত্যার পেছনে দেশের শত্রুরা দুটি কাজ সুপরিকল্পিতভাবে করেছে। এর একটি পাকিস্তান থেকে ফিরে আসা সেনা কর্মকর্তাদের সৃষ্টি আর অন্যটি জাসদ ও গণবাহিনীর সৃষ্টি। এদের সম্পর্কে অনেক ভালো জেনেছি যখন জেলে ছিলাম।’

শনিবার (২৪ আগস্ট) বিকালে রাজধানীর অফিসার্স ক্লাবে ‘বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন এ আলোচনা সভার আয়োজন করে।

এইচ টি ইমাম বলেন, ‘৩ নভেম্বর যে অভ্যুত্থান হল তখন কর্নেল তাহের ও তার সঙ্গে যারা ছিল তাদের সবাইকে অ্যারেস্ট করে তারা আবার জেলখানায় চলে এল। জেলে শাফায়াত জামিল আমার সাথে। জেলখানায় তখন প্রথম জানতে পারলাম ৬৬ সালে পূর্ব পাকিস্তান ছাত্রলীগের মধ্যে একটি বিপ্লবী সেল তৈরি করা হয়েছিল এবং সেটি সিরাজুল আলম খানের নেতৃত্বে। তখন শুনেছি বঙ্গবন্ধু সম্পর্কে কী জঘণ্য উক্তি তারা করত।’

পাকিস্তান ফেরত সেনা অফিসারদের ভূমিকার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘পাকিস্তান থেকে প্রত্যাগত সেনা অফিসাররা এসেই এমন একটা বিভেদ সৃষ্টি করে ফেলল। পরবর্তীতে দেখেন, বেছে বেছে মুক্তিবাহিনীর অফিসারদের এরা হত্যা করেছে। মুক্তিবাহিনীর সেনা যারা, তারাই প্রাণ দিয়েছে, এরা কিন্তু কেউ প্রাণ দেয়নি। জেনারেল জিয়াউর রহমান তার কোর্সমেট জেনারেল মোজাম্মেল, জেনারেল আব্দুর রহমান, জেনারেল ওয়াজিমুল্লাহকে ভালো ভালো জায়গায় বসিয়েছে। এমনভাবে পুরো জিনিসটা কুক্ষিগত করে ফেলল আমাদের সেনাবাহিনীকে যে জেনারেল শফিউল্লাহ কিছুই না।’

‘জেনারেল জিয়া তো ওদেরই লোক। এরা সকলে কোর্সমেট। এদেরই পৃষ্ঠপোষকতায় বেড়ে উঠেছে কর্নেল রশিদ, কর্নেল ফারুক। কর্নেল রশিদের তো ঢাকায় পোস্টিং ছিল না, তার তো আর্টিলারি ব্যাটালিয়ন নিয়ে কুমিল্লায় থাকার কথা, ফারুকের ট্যাঙ্ক বাহিনী নিয়ে থাকার কথা বগুড়া অথবা সাভারে। এরা যে ঢাকায় এল তাহলে আমাদের সেনাপতিরা, যারা তখন ছিলেন, তারা জানতেন না, এ সমস্ত মুভমেন্ট কী কখনো আর্মি হেডকোয়ার্টাসের অনুমতি কিংবা অনুমোদন ছাড়া হয়? এগুলো তো হয় না। তাহলে আমাদের মধ্যে কীভাবে ঢুকে পড়েছিল এই ষড়যন্ত্রকারীরা। আর মূল ষড়যন্ত্রটি যারা করেছে তারা হল পাকিস্তানিরা।’

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/25/1566671529801.jpg

দেশের সিভিল সার্ভিসের অবমূল্যায়নের প্রেক্ষাপটের ইতিহাস তুলে ধরে সাবেক এই আমলা বলেন, ‘১৯৬৫ সালের পরে তৎকালীন সিএসপি নিয়ে মানুষের মধ্যে একটা বিরূপ ভাব তৈরি হয়েছিল। তার পেছনে কারণ ছিল আইয়ুব খান। মার্শাল ল চালুর পরে উনি দেখলেন সবকিছু চালায় সিএসপিরা। তিনি তখন ক্ষমতা ভাগাভাগির জন্য কমিটি করলেন। সিভিল সার্ভিসের ক্ষমতা কীভাবে খর্ব করা যায় সে ব্যবস্থা কমিটি পাকাপোক্ত করল। সেই থেকে সিভিল সার্ভিসের অবমূল্যায়ন কিংবা তাদের ক্ষমতা নিয়ে নেওয়া হলো।’

‘আইয়ুব খানের আরেকজন প্রতীকী ইয়াহিয়া খান। আর আমাদের দেশে এসে হলেন জিয়াউর রহমান খান। আমি জিয়াউর রহমান খানই বলব। কারণ তিনি কিন্তু ওই লাইনেরই এবং তারপরে এরশাদ খান।’

তিনি আরও বলেন, ‘এই খানেরা আমাদের ক্রমান্বয়ে যে কী পরিমাণে ক্ষতি করে গেছেন, অথচ সে জিনিসটি থেকে বঙ্গবন্ধু এসে সেই রাষ্ট্রটিতে তিনি আবার খুঁজে খুঁজে সিভিল সার্ভিসের লোকদের নিয়ে এসেছেন। শুধু সিভিল সার্ভিস নয়, উনি প্রথম সরকারে ল্যাটারাল এন্ট্রি অর্থাৎ সরকারের বাইরে কোথায় কোনো প্রতিভা আছে, যিনি সরকারকে সহযোগিতা করতে পারবেন, সেটা চালু করেন।’

বাকশালের সমালোচনাকারীদের উদ্দেশে বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ঠ সহকর্মী এইচ টি ইমাম বলেন, ‘বাকশালের গঠনতন্ত্র কেউ দেখেনি। বাকশালের উদ্দেশ্য কী ছিল এটি সম্পর্কে কেউ জানে না। বঙ্গবন্ধু এভাবে জনগণের কাছে ক্ষমতা নিয়ে যেতে চেয়েছিলেন ভিত্তিমূলে, তৃণমূলে। যে জন্য ৬৪টি মহকুমাকে তিনি জেলায় পরিণত করলেন। প্রতিটা জেলায় গভর্নর নিয়োগ করলেন এবং তাদেরকে ক্ষমতায়ন করে গেছেন।’

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব সাজ্জাদুল হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন, মন্ত্রিপরিষদ সচিব শফিউল আলম, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সাবেক মূখ্য সচিব ড.কামাল আব্দুল নাসের চৌধুরী, বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ সাদিক। স্বাগত সংগঠনের মহাসচিব শেখ ইউসুফ হারুন প্রমুখ।

ব্লেন্ডার মেশিন থেকে সাড়ে তিন হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার

ব্লেন্ডার মেশিন থেকে সাড়ে তিন হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার
আটক হওয়া মাদক ব্যবসায়ী, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

রাজধানীর কাফরুল এলাকার একটি বাসার ব্লেন্ডার মেশিনে রক্ষিত অবস্থায় ৩ হাজার ৬৫০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করেছে র‍্যাব-৪। এ ঘটনায় মো. ইউনুস নামে এক মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে র‍্যাব।

রোববার (২৪ আগস্ট) রাতে র‍্যাব-৪ এর সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সাজেদুল ইসলাম সজল এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/24/1566664805904.jpg

সাজেদুল ইসলাম সজল বলেন, 'আজ বিকেল ৫টায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-৪ এর একটি দল কাফরুল থানাধীন সেনপাড়া পর্বতা এলাকার একটি আবাসিক ভবনের ৬ তলার ফ্ল্যাটে অভিযান পরিচালনা করে। ফ্ল্যাটটিতে অভিযানের এক পর্যায়ে একটি ব্লেন্ডার মেশিনে রক্ষিত অবস্থায় ৩ হাজার ৬৫০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। এছাড়া এ ঘটনায় মাদক ব্যবসায়ী ইউসুফকে আটক করা হয়।'

তিনি বলেন, 'প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে, ইউসুফ কক্সবাজার জেলার টেকনাফ থেকে ইয়াবা ট্যাবলেট সংগ্রহ করে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় পাইকারি ও খুচরা বিক্রয় করে থাকে।'

আটকের বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলেও তিনি জানান।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র