Barta24

শনিবার, ২৪ আগস্ট ২০১৯, ৯ ভাদ্র ১৪২৬

English

ইমামতির প্রভাব খাটিয়ে নারী-শিশু ধর্ষণ, ভিডিও ধারণ!

ইমামতির প্রভাব খাটিয়ে নারী-শিশু ধর্ষণ, ভিডিও ধারণ!
ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
ঢাকা


  • Font increase
  • Font Decrease

রাজধানীর দক্ষিণখানে একটি মসজিদ ও মাদরাসার শিক্ষকতা করেন ইদ্রিস আহমেদ। দীর্ঘ ১৮ বছরের ইমামতির প্রভাব খাটিয়ে মাদরাসার শিশু ও জিনের ভয় দেখিয়ে বিধবা ও প্রবাসীদের স্ত্রী ধর্ষণ করতেন ইদ্রিস।

সোমবার (২২ জুলাই) ইদ্রিস আহমেদ (৪২) সম্পর্কে এসব তথ্য দেন র‌্যাব ১ এর অধিনায়ক লে. কর্নেল সারওয়ার বিন কাশেম।

সারওয়ার বিন কাশেম বলেন, ধর্ষক ইদ্রিস দক্ষিণখানের স্থানীয় একটি মসজিদে দীর্ঘদিন ধরে ইমামতি করে। পাশাপাশি ওই মসজিদের মাদরাসার শিক্ষক। মাদরাসায় পড়তে আসা ১০/১২ বছরের কমপক্ষে ১২ জন শিশুকে সে বলাৎকার করেছে।

র‌্যাবের এই কর্মকর্তা বলেন, আমাদের কাছে এমনও অভিযোগ আছে। একটি শিশুকে দীর্ঘ পাঁচ বছর ধরে এই ধর্ষক বলাৎকার করে আসছে। পাশাপাশি সে তার মোবাইল ফোনে এই বলৎকারের ভিডিওগুলো ধারণ করে।

অন্যদিকে এই ইমাম জিনকে বশ করতে পারে, এমন একটি গুজব সে এলাকায় ছড়িয়ে দেয়। যে কোনো সমস্যার সমাধান সে দিতে পারে বলে এলাকার সাধারণ মানুষের মধ্যে ভ্রান্ত ধারণা আছে। এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে বিধবা মেয়ে বা যেসব নারীর স্বামী বিদেশে থাকে তাদেরকে প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণ করে।

সারওয়ার বিন কাশেম বলেন, মসজিদের একটি বিশেষ কক্ষে সে ঘুমাতো। তার সকল অপকর্ম ওই কক্ষেই সম্পন্ন করতো এবং তার এই অপকর্মের ভিডিও গুলো সে তার খাদেমদের দিয়ে ধারণ করাতে বাধ্য করতো।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/22/1563778639875.jpg
 '১০/১২ বছরের কমপক্ষে ১২ জন শিশুকে সে বলাৎকার করেছে'-র‌্যাব ১ এর অধিনায়ক লে. কর্নেল সারওয়ার বিন কাশেম

 

র‌্যাব জানায়, সম্প্রতি এক নারীর অভিযোগ আমলে নিয়ে এ ঘটনা আমরা অনুসন্ধান করি। অনুসন্ধানকালে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য বেরিয়ে আসে। তাকে গ্রেফতারের সময় তার কাছ থেকে মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়। আর সে মোবাইল ফোনে ওই ধরনের অপকর্মের অনেকগুলো ভিডিও ও স্থিরচিত্র পাওয়া গেছে। 

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে এই ধর্ষক প্রত্যেকটি ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছে। এটাও বলেছে জিন নিয়ে সে মিথ্যা প্রচারণা করেছে।

সারওয়ার বিন কাশেম বলেন, অভিযুক্ত ইদ্রিস আহমেদ সিলেটে বসবাস করতো। সিলেটের একটি মাদ্রাসা হতে ১৯৯৮ সালে টাইটেল পাস করে। এরপর সে সিলেটের কোম্পানীগঞ্জের একটি মসজিদে ইমামতি এবং পাশাপাশি মাদ্রাসায় শিক্ষকতা শুরু করেন।

৪ বছর পর ২০০২ সালে ঢাকায় আসে এবং দক্ষিণখানে বর্ণিত মসজিদের ইমাম হিসেবে নিযুক্ত হয়। সে প্রায় ১৮ বছরের বেশি সময় ধরে, এই মসজিদের ইমামতি করে আসছে।

আপনার মতামত লিখুন :

পাখির জন্য ভালোবাসার আবাস

পাখির জন্য ভালোবাসার আবাস
পাখির জন্য নিরাপদ আবাস গড়তে গাছে মাটির পাত্র বেঁধে দিয়েছেন স্বেচ্ছাসেবীরা

‘পাখি-সব করে রব, রাতি পোহাইল’—মদনমোহন তর্কালঙ্কারের ছড়ার ছড়াটি পড়েনি এমন কাউকে খুঁজে পাওয়া কঠিন। শুধু গ্রামেই নয়, শহরেও পাখির কিচির-মিচির হরহামেশাই শোনা যেত। কিন্তু এখন আর ছড়ার সঙ্গে মিল রেখে পাখির কলরব শোনা যায় না। গাছে গাছে পাখির কলকাকলি যেন হারিয়ে যাচ্ছে।

তাই ‘ইজি ডোর’ নামে একটি সংগঠনের সদস্যরা খুলনা শহরের সাতরাস্তার মোড়ের একটি বাদাম গাছে ৪০টি মাটির পাত্র বেঁধে দিয়েছেন পাখির জন্য নিরাপদ আবাস গড়ে দিতে। তাদের কার্যক্রমের নাম দেওয়া হয়েছে ‘টু-লেট ফর বার্ডস’।

শুক্রবার (২৩ আগস্ট) দিনভর সাতরাস্তার মোড়ের গাছটিতে পাখির বাসা সংযোজন করেছে উদ্যমী ওই তরুণরা। এ সপ্তাহে জিলা স্কুল, টাউন জামে মসজিদ রোড এবং ওজোপাডিকো সদর দফতরের ভেতরের গাছে পাখির নিরাপদ আবাসের ব্যবস্থা করবেন বলে জানিয়েছেন সংগঠনটির সদস্যরা।

ইজি ডোরের সহ-প্রতিষ্ঠাতা শিক্ষার্থী আহসান আহম্মেদ বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, সাতরাস্তা মোড়ের বাদাম গাছটিতে প্রতিদিন বিকেল থেকে শত শত চড়ুই পাখি আশ্রয় নেয়। পাখিরগুলোর ডাকে বিকেল থেকে পুরো এলাকা মুখরিত থাকে। আমরা কয়েকজন বন্ধু এখানে আড্ডা দিতাম। আড্ডা দিতে দিতেই পাখির নিরাপদ আবাসের কথাটা সবার মাথায় আসে। এরপর শহরের কয়েকটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সদস্যদের নিয়ে বৈঠক করি। এরপর টাকা সংগ্রহ করে প্রথম দিনে ৪০টি মাটির পাত্র কিনে বাদাম গাছে লাগিয়েছি। এ কাজে খুলনা ফায়ার সার্ভিস আমাদের সাহায্য করেছে।

পাখির নিরাপদ আবাসের জন্য কাজ করা এসব স্বপ্নবাজ তরুণরা আরও বলেন, এ কাজের উদ্দেশ্য খুলনা শহরের পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করা। পাখিদের অভয়ারণ্য তৈরি হলে এ শহরের সৌন্দর্য এবং পরিবেশ অনেক ভালো হবে বলে আমরা মনে করি। পাখিরা নিশ্চিন্তে শহরে যেন থাকতে পারে তার একটা পরিবেশ তৈরি করাও আমাদের কাজের লক্ষ্য। শহরের বাসিন্দাদের বাড়ির ছাদে বা যেকোন স্থানে সবাই যেন পাখির জন্য একটু এগিয়ে আসে সেই চেষ্টাও করছি। আমাদের উদ্যোগ একদিনের নয় বরং সহযোগিতা পেলে আমরা এই কাজ চালিয়ে যাব। প্রয়োজনে আরও আধুনিক উপায় বের করে পাখি ও অন্যান্য প্রজাতির জন্য সুন্দর আবাসস্থল তৈরি করব।

ইজি ডোরের এ উদ্য‌োগের সঙ্গে ছিলেন—মাহমুদুল ইসলাম সনেট, আহসান আহম্মেদ, জুবায়ের হাসান সৈকত, শুভ্র মজুমদার, আলামিন শেখ, সাব্বির আহম্মেদ, আলামিন, তানভীর আহম্মেদ সজল প্রমুখ। এরা প্রত্যেকেই ইজি ডোর ইয়ুথ ভলান্টিয়ার অ্যাসোসিয়েশনের স্বেচ্ছাসেবী।

খুলনা শহরের কিছু কিছু এলাকায় প্রচুর পাখি দেখা যায়। পাখির জন্য নিরাপদ আবাস বানিয়ে প্রাণীটির প্রতি নিজেদের ভালোবাসা প্রকাশ করছেন খুলনার এই তরুণরা। এ কাজের জন্য তরুণেরা মানুষের ভালোবাসাও পাচ্ছেন।

সাংবাদিক প্লাবনকে হুমকি, থানায় জিডি

সাংবাদিক প্লাবনকে হুমকি, থানায় জিডি
রেজাউল করিম প্লাবন

সাংবাদিক রেজাউল করিম প্লাবনকে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়েছে। চাঁদা না পাওয়ায় মোবাইল ফোনে তাকে হত্যার হুমকি দেওয়া হয় উল্লেখ করে রাজধানীর হাতিরঝিল থানায় জিডি করেছেন তিনি।

শুক্রবার (২৩ আগস্ট) এসব তথ্য জানান দৈনিক যুগান্তরের স্টাফ রিপোর্টার রেজাউল করিম প্লাবন। তার গ্রামের বাড়ি কুড়িগ্রামের চিলমারীতে।

জিডিতে তিনি বলেন, ‘কুড়িগ্রামের চিলমারী থেকে মাসুম বিল্লাহ নামে একজন সন্ত্রাসী দীর্ঘদিন থেকে আমার কাছে চাঁদা দাবি করে আসছিল। সর্বশেষ গত ১১ আগস্ট চিলমারী আমার নিজ এলাকায় ত্রাণ বিতরণকালে আমরা মুক্তিযোদ্ধার সন্তান সংগঠনের নেতা পরিচয় দিয়ে ১০০টি ত্রাণের স্লিপ দাবি করে। চাঁদার স্লিপ না দেয়ায় সে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করে চলে যায়। এরই জের ধরে গত কয়েকদিন ধরে মাসুম বিল্লাহ ও তার সহযোগী মামুন আমার পরিবারের লোকজনদের হয়রানি করছে। বাসায় গিয়ে বিনা কারণে শাসিয়ে আসছে। এ নিয়ে মাসুম বিল্লাহ আমাকে ফোন দিয়ে বৃহস্পতিবার অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে ও হত্যার হুমকি দেয়। আমি এখন নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।’

রেজাউল করিম প্লাবন বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, ‘নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতেই আমি হাতিরঝিল থানায় সাধারণ ডায়েরি করি। প্রশাসনের কাছে আমার পরিবারের নিরাপত্তা দাবি করছি।’

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র