Barta24

শনিবার, ২৪ আগস্ট ২০১৯, ৯ ভাদ্র ১৪২৬

English

মশা মারতে কামান দাগাতে চাই না: কাদের

মশা মারতে কামান দাগাতে চাই না: কাদের
নিজ কার্যালয়ে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের , ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
ঢাকা


  • Font increase
  • Font Decrease

প্রিয়া সাহার বক্তব্য প্রসঙ্গে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘মশা মারতে কামান দাগাতে চাই না।’

তিনি বলেন, ‘আমরা এ বিষয়ে খোঁজ খবর নিচ্ছি। কারো হাত আছে কিনা সেটি দেখছি। তাকে অবশ্যই জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। তাকে এক্সপ্লেইন করতে হবে।’

সোমবার (২২ জুলাই) বেলা সাড়ে ১১টায় সচিবালয়ে তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে অনুপ্রাণিত হয়ে প্রিয়া সাহা এমন বক্তব্য দিয়েছেন বলে যে বক্তব্য দেওয়া হয়েছে, সেটি সঠিক নয় উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ‘৩ কোটি ৭০ লাখ মানুষ গুম হয়েছেন, শেখ হাসিনা এমনটি বলতে পারেন না, বলেননি। মার্কিন প্রেসিডেন্টের কাছে এটি বলার মানে আমাদের ছোট করা।’

এতে প্রিয়া সাহার স্বামীর সম্পৃক্ততা রয়েছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘পরিবারের সবাই এক মতাবলম্বী নাও হতে পারেন। এ ধরনের কোনো আইনও নেই। কেন অহেতুক এটি নিয়ে সমস্যা করব।’

a
 নিজ কার্যালয়ে ওবায়দুল কাদের , ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

 

এ ইস্যুতে সরকারের হঠাৎ সিদ্ধান্ত পরিবর্তন হলো কেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘তাকে আমরা তুচ্ছজ্ঞান করতে পারি না। আমরা গভীরে যাচ্ছি। যেনে শুনে সিদ্ধান্ত নিতে চাই। কারো প্ররোচণা ও রাজনৈতিক মতলব আছে কি না। কারো উস্কানি থাকলেও সেটি খতিয়ে দেখা হবে।’

ছেলেধরা সন্দেহে পিটিয়ে হত্যার বিষয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে আমি কথা বলেছি। এটি রোধে তারা কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়েছেন। দলীয় কেউ জড়িত থাকলেও কঠোর সিদ্ধান্ত নেব। সবার জন্য আইন একই। কারো জন্য আলাদা ব্যবস্থা নয়।’

আপনার মতামত লিখুন :

চিড়িয়াখানায় যুক্ত হচ্ছে নতুন অতিথি

চিড়িয়াখানায় যুক্ত হচ্ছে নতুন অতিথি
জাতীয় চিড়িয়াখানা

আগামী এক সপ্তাহের মধ্যেই মিরপুরে অবস্থিত জাতীয় চিড়িয়াখানায় যুক্ত হচ্ছে ছয়টি বাঘ, দুইটি হরিণ গোত্রীয় ইম্পালা ও তিনটি ক্যাঙ্গারু। ইতোমধ্যে চারটি রয়েল বেঙ্গল টাইগার, দুইটি চিতাবাগ ও ইম্পালা এনে আলাদাভাবে রাখা হয়েছে। এক সপ্তাহের মধ্যে তিনটি ক্যাঙ্গারু আসলেই তাদের খাঁচায় দেওয়া হবে।

নতুন অতিথিদের আগমনকে কেন্দ্র করে নেওয়া হয়েছে সকল প্রস্তুতি। খাঁচা পরিষ্কার ও মেরামতের কাজ শেষ হয়েছে। ফ্লাইট চূড়ান্ত হলেই তিনটি ক্যাঙ্গারু আসবে, তখন সব প্রাণিকে একসঙ্গে খাঁচায় দেওয়া হবে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/24/1566637609755.jpg

বাংলাদেশ জাতীয় চিড়িয়াখানার ডেপুটি কিউরেটর ডা: মো: নূরুল ইসলাম বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, নতুন যে অতিথিরা চিড়িয়াখানায় যুক্ত হচ্ছে আমরা তাদের খাঁচাগুলো পরিষ্কার ও মেরামত করেছি। আশা করি, কিছুদিনের মধ্যে দর্শনার্থীরা নতুন বাঘ ও ক্যাঙ্গারু দেখতে পাবেন। বাইরে থেকে আনা প্রাণিগুলোর মধ্যে রয়েল বেঙ্গল টাইগার, চিতাবাঘ ও ইম্পালা সাউথ আফ্রিকা থেকে আনা হয়েছে।

এদিকে চিড়িয়াখানায় থাকা প্রাণিদের সঙ্গে গত এক সপ্তাহে বেশ কিছু নতুন অতিথি যুক্ত হয়েছে। সেখানে থাকা জিরাফ, জেব্রা, এরাবিয়ান হর্স ও জলহস্তী বাচ্চা জন্ম দিয়েছে। সেসব বাচ্চার জন্য নেওয়া হয়েছে বিশেষ ব্যবস্থা।

 

পারিবারিক বলয় থেকে মুক্তি চান জাপার তৃণমূল নেতারা!

পারিবারিক বলয় থেকে মুক্তি চান জাপার তৃণমূল নেতারা!
ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম।

এরশাদ আছে, এরশাদ নেই। এই বিশ্লেষণে রংপুর-৩ আসনে উপ-নির্বাচনকে ঘিরে জমে উঠেছে ভোট প্রস্তুতি। মাঠে নেমেছেন জাতীয় পার্টির (জাপা) বেশ ক’জন তৃণমূল নেতা। পরিবার থেকেও মনোনয়ন দৌড়ে আলোচনায় আছেন এরশাদপুত্র রাহগীর আল মাহি সাদ, ভাতিজা সাবেক এমপি হোসেন মকবুল শাহরিয়ার আসিফ, ভাতিজা মেজর (অব.) খালেদ আখতার, ভাগনি মেহেজেবুন্নেছা রহমান টুম্পা। তবে পারিবারিক বলয় থেকে মুক্ত হয়ে স্থানীয় পর্যায় থেকেই প্রার্থী চূড়ান্ত করার দাবি তৃণমূল নেতা-কর্মীদের।

জাতীয় পার্টির প্রতিষ্ঠাতা হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের অবর্তমানে এ আসনটিতে উপনির্বাচনকে ঘিরে প্রার্থী নির্ধারণে দ্বিধাদ্বন্দ্বে আছে দলটি। ব্যক্তি এরশাদের জনপ্রিয়তা আর রংপুরবাসীর আবেগে ১৯৯১ সাল থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত এই আসনটি জাতীয় পার্টির দখলে ছিল। এখন এরশাদ নেই, পাল্টে যেতে পারে ভোটারদের আবেগ আর ভালোবাসার সমর্থনও। তাই পারিবারিকভাবে নাকি স্থানীয় পর্যায় থেকে প্রার্থী চূড়ান্ত করা হবে, তা নিয়ে দলের ভেতরে-বাইরে চলছে নানা বিশ্লেষণ।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/24/1566635628472.jpg

এ নিয়ে বর্তমান চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ কাদের ও সিনিয়র কো-চেয়ারম্যান বেগম রওশন এরশাদও আছেন দ্বিধাদ্বন্দ্বে। যদিও রওশন এরশাদ চাইছেন তারপুত্র রাহগীর আল মাহি সাদকেই প্রার্থী হিসেবে চূড়ান্ত করতে। তবে তৃণমূলের দাবি আর সাদ এরশাদের গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে চিন্তিত গোলাম মোহাম্মদ কাদের।

তৃণমূলের কাছে গ্রহণযোগ্যতা নেই এমন বহিরাগত কাউকে নির্বাচনে প্রার্থী চূড়ান্ত করলে বিপর্যয় ঘটতে পারে বলে মনে করছেন জাতীয় পার্টির অনেক নেতাই। আর বিশ্লেষকরা মনে করছেন, মনোনয়ন তালিকায় এগিয়ে থাকা জাতীয় পার্টির সম্ভাব্য প্রার্থীর সামনে বড় চ্যালেঞ্জ অপেক্ষা করছে। প্রার্থী চূড়ান্তে ভুল হলে দীর্ঘদিনের জয়ের ধারাবাহিকতা থেকে ছিটকে পড়বে দলটি।

এদিকে জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম মহাসচিব ও রংপুর মহানগরের সাধারণ সম্পাদক এস এম ইয়াসীর, কেন্দ্রীয় কমিটির প্রেসিডিয়াম সদস্য ও রংপুর জেলার সাধারণ সম্পাদক শিল্পপতি এস এম ফখর-উজ-জামান জাহাঙ্গীর এবং কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক ও রংপুর জেলার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাজী আব্দুর রাজ্জাক, সাবেক এমপি ও এরশাদের ভাতিজা হোসেন মকবুল শাহরিয়ার আসিফ স্থানীয় পর্যায়ে ভোটারদের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়িয়েছেন। ভোট প্রার্থনা, গণসংযোগসহ প্রচার প্রচারণায় এগিয়ে আছেন তৃণমূলের এই নেতারা।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/24/1566635645070.jpg

এরশাদপুত্র রাহগীর আল মাহি সাদ প্রচারণার মাঠে না থাকলেও এখন নিয়মিত রংপুর সফর করছেন। আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে দলের মহাসচিবের সঙ্গে এখন তার সংখ্যতাও বেড়েছে। এ কারণে ঘুরে ফিরে সাদ এরশাদকে নিয়ে নানা প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে তৃণমূল নেতা-কর্মী ও এরশাদভক্তদের মাঝে। যদিও দলের মহাসচিব মসিউর রহমান রাঙ্গার দাবি, দলের জন্য নিবেদিত, ত্যাগী ও গ্রহণযোগ্যতা আছে এমন নেতাকেই রংপুর-৩ আসনে প্রার্থী করার প্রস্তুতি চলছে।

মনোনয়ন প্রত্যাশী রংপুর মহানগর জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক এস এম ইয়াসীর বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, ‘আমি তৃণমূল থেকে রাজনীতি করে আসছি। দলের চেয়ারম্যান, মহাসচিবসহ অনেকেই আমাকে উপনির্বাচন করতে বলছে। তাই আমি প্রস্তুতি নিয়েছি। মানুষের দ্বারে দ্বারে যাচ্ছি। আমার বাসা ঢাকায় নয়। আমি রংপুরের সন্তান, রংপুরেই থাকব। নির্বাচিত হলে স্যারের (এরশাদ) স্বপ্ন পূরণে কাজ করব।’

অন্যদিকে আরেক মনোনয়ন প্রত্যাশী রংপুর জেলা জাতীয় পার্টির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, হাজী আব্দুর রাজ্জাক বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, ‘রংপুরের সর্বস্তরের মানুষ উপনির্বাচনে লাঙ্গলের প্রার্থীকে জয়ী করবে। তারা আবারো ভোট দিয়ে প্রমাণ করবে এরশাদকে ভালোবেসে ছিলেন।’

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/24/1566635662069.jpg

স্থানীয় সিনিয়র সাংবাদিক রশীদ বাবু বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, ‘পরিচিত প্রার্থী দিতে যদি জাতীয় পার্টি ব্যর্থ হয়, তাহলে এর মূল্যায়ন ও খেসারত দিতে হবে। এমনকি পরবর্তী নির্বাচনগুলোতে এর ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকবে। তাই প্রার্থী চূড়ান্ত করতে তৃণমূলের নেতা-কর্মীদের দাবির প্রতি খেয়াল রেখে দলটিকে সতর্ক হতে হবে।’

গত ১৪ জুলাই এরশাদের মৃত্যুর পর শূন্য হয় রংপুর সদর উপজেলা ও সিটি করপোরেশনের ২৫টি ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত গুরুত্বপূর্ণ এই আসনটি। আগামী ১১ অক্টোবরের মধ্যে এ আসনে উপনির্বাচন সম্পন্ন হবার প্রস্তুতি নিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

এদিকে গত সংসদ নির্বাচনে রংপুরের ছয়টি আসনে জাতীয় পার্টি মাত্র দুটি আসনে জয় পেয়েছিল। টানা ২৮ বছর পর এবার এরশাদের অবর্তমানে গুরুত্বপূর্ণ এ সদর আসনটি জাতীয় পার্টির দখলে রাখা কতটা সম্ভব হবে, তা নিয়ে বিশ্লেষণ চলছে দলের ভেতরে-বাইরে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র