Barta24

বৃহস্পতিবার, ২২ আগস্ট ২০১৯, ৭ ভাদ্র ১৪২৬

English

বন্দরের কারণে চট্টগ্রামে যানজট নয়: বন্দর চেয়ার‌ম্যান

বন্দরের কারণে চট্টগ্রামে যানজট নয়: বন্দর চেয়ার‌ম্যান
সংবাদ সম্মেলনে চট্টগ্রাম বন্দরের চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল জুলফিকার আজিজ/ ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
চট্টগ্রাম


  • Font increase
  • Font Decrease

চট্টগ্রাম বন্দরে আসা কন্টেইনার ও কার্গো সার্ভিস ঘণ্টা পর ঘণ্টা রাস্তায় অপেক্ষায় থাকে। একইসাথে সৃষ্ট জলাবদ্ধতায় ঐ রুটে চলাচলকারী গণপরিবহনকে পোহাতে হয় চরম ভোগান্তি। তবে সৃষ্ট এ যানজট কোনোভাবেই বন্দরের কারণে নয় বলে দাবি করছেন বন্দরের চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল জুলফিকার আজিজ।

তিনি বলেছেন, গত ১০ থেকে ১২ দিন ধরে মুষলধারে বৃষ্টির কারণে চট্টগ্রাম বন্দরের বাইরে বিভিন্ন রাস্তায় জলাবদ্ধতা দেখা দেয়। বিশেষ করে পোর্ট কানেকটিং সড়কের সংস্কার, বারিং বিল্ডিং থেকে ফকিরহাট পর্যন্ত ওয়াসার পইপ লাইন ও সিমেন্টে ক্রসিং এলাকায় এলিভেটেড এক্সপ্রেসের কাজের কারণে অধিকাংশ সড়কের প্রশস্ততা কমে এসেছে।’

শনিবার (২০ জুলাই) দুপুরে চট্টগ্রাম বন্দরের সম্মেলন কক্ষে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন। সম্প্রতি যানজট নিয়ে বেশকিছু গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর বন্দরের অবস্থান নিশ্চিত করার লক্ষ্যে মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়।

এতে লিখিত বক্তব্যে বন্দরের অবস্থান তুলে ধরেন এডমিরাল জুলফিকার আজিজ। তিনি জানান, ঘূর্ণিঝড় ফণীর সময়েও সর্বোচ্চ পাঁচ হাজার টিইইউএস পণ্যের পাশাপাশি কার্গো ও ডেলিভারি প্রদান করা হয়েছে। গত রমজান মাসেও চার হাজার ৮০০ টিইইউএস কন্টেইনার পণ্য ও কার্গো ডেলিভারি করা সম্ভব হয়।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/20/1563618895066.gif

মাঝখানে এমনও দিন গেছে সাড়ে ৯ থেকে ১০ হাজার কার্গো ও ডেলিভারি দেওয়া হয়েছে। তখন কেউ এমন যানজট অনুভব করেনি। অথচ টানা বর্ষণে বন্দর থেকে পণ্য ভেলিভারি চার হাজার টিইউএস কম ছিল। মূলত প্রাকতিক দুর্যোগ, বন্দরের যানবাহন ও গণপরিবহনের একই রাস্তায় হওয়ায় হওয়ার এমন অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে।

বন্দর চেয়ারম্যান বলেন, ‘চট্টগ্রাম শহরের যানজট নিরসনে বিকল্প হিসেবে প্রস্তাবিত দুইট রিং রোড আগ্রাবাদ এক্সেস রোড-বড়পুল সড়ক, আনন্দবাজার ইপিজেড সড়ক ও জিইসি- সাগরিকা বেড়িবাঁধ সড়ক দ্রুততার সময়েও বাস্তবায়ন করতে হবে। যা একইসাথে বন্দরের কার্গো ও কন্টেইনার হ্যান্ডিলিং কার্যক্রমে প্রবৃদ্ধি বৃদ্ধি করবে।’

এ সময় হাইকোর্টের নির্দেশনা অনুযায়ী দ্রুত সময়ে কর্ণফুলী নদীর উচ্ছেদ কার্যক্রম শুরু করার আশ্বাস দেন বন্দর চেয়ারম্যান। মতবিনিময় সভায় বন্দরের অন্যান্য কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন :

গ্রেনেড হামলার মাস্টার মাইন্ডদের সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি

গ্রেনেড হামলার মাস্টার মাইন্ডদের সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি
গ্রেনেড হামলায় আত্মার মাগফেরাত ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দীর্ঘায়ু কামনায় দোয়া, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার ঘটনায় জড়িতদের ফাঁসির রায় দ্রুত কার্যকর এবং মাস্টার মাইন্ডদের বিচারের আওতায় এনে সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানিয়েছেন ময়মনসিংহ মহানগর আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতারা।

বুধবার (২১ আগস্ট) সন্ধ্যায় নগরীর শিববাড়ি রোডস্থ দলীয় কার্যালয়ে মহানগর আওয়ামী লীগের আয়োজনে এক প্রতিবাদ সভায় এ দাবি জানানো হয়।

ময়মনসিংহ মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি নাজমা ইসলামের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মোহিত-উর-রহমান শান্ত'র সঞ্চালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন- ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের মেয়র ও মহানগর আ'লীগের সহ-সভাপতি মো. ইকরামুল হক টিটু।

এতে সংগঠনের সহ-সভাপতি হোসাইন জিল্লু, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হোসাইন জাহাঙ্গীর বাবুসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা বক্তব্য রাখেন।

প্রতিবাদ সভায় বক্তারা বলেন, 'বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনাকে হত্যার মাধ্যমে আওয়ামী লীগকে নেতৃত্বশূন্য করতেই দানবীয় এ হত্যাযজ্ঞ চালানো হয়েছিল। তবে আল্লাহর অশেষ রহমতে পরিকল্পিত সে হামলায় মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে এসেছিলেন শেখ হাসিনা। ইতোমধ্যে এই গ্রেনেড হামলার যে রায় হয়েছে সেটি দ্রুত সময়ের মধ্যেই বাস্তবায়ন করতে হবে।'

প্রতিবাদ সভা শেষে শহীদদের আত্মার মাগফেরাত ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দীর্ঘায়ু কামনা করে দোয়া মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।

মন্ত্রী-মেয়র ব্যস্ত বক্তৃতায়, সচিবের আয়েশি ঘুম

মন্ত্রী-মেয়র ব্যস্ত বক্তৃতায়, সচিবের আয়েশি ঘুম
মশক নিধন এবং পরিচ্ছন্নতা বিষয়ক পর্যালোচনা সভায় স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব হেলালুদ্দীন আহমদের আয়েশি ঘুম/ছবি: শাহরিয়ার তামিম

রাজধানীর স্পেকট্রা কনভেনশন সেন্টারে মশক নিধন এবং পরিচ্ছন্নতা বিষয়ক পর্যালোচনা সভা চলছে। ওয়ার্ড কাউন্সিলরদের দিক-নির্দেশনা দিচ্ছেন স্থানীয়, সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র সভায় ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলায় ব্যস্ত। তবে অনুষ্ঠানের এ মঞ্চে দুশ্চিন্তামুক্ত ছিলেন একজন। আর তিনি হলেন স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ।

অনুষ্ঠানের শুরু থেকে তিনি দফায় দফায় ঘুম দিচ্ছেন। কখনও ঘুমে দুলুনি খাচ্ছেন, কখনও আবার হঠাৎ চমকে উঠছেন। কোনো কোনো সময় মুখ হা করে বিরাট হাই তুলছেন।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/21/1566400999878.jpg

বুধবার (২১ আগস্ট) বিকেলে রাজধানীর স্পেকট্রা কনভেনশন সেন্টারে আয়োজিত সভায় এমন আয়েশি ভঙ্গিতে ধরা পড়লেন সচিব হেলালুদ্দীন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম। মেয়র আতিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন ডিএনসিসি’র প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল হাইসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও বিভিন্ন ওয়ার্ডের কাউন্সিলররা।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/21/1566401016016.jpg

মন্ত্রীর কারণে বিকেল ৪টায় অনুষ্ঠান শুরু হওয়ার কথা থাকলেও শুরু হয় আরও দেরিতে। এরপর মন্ত্রীর ডান পাশের চেয়ারে বসেন সচিব হেলালুদ্দীন আর বাম পাশে বসেন মেয়র আতিকুল ইসলাম।

সভার শুরুতে মেয়র কথা বলার পর বক্তব্য শুরু করেন মন্ত্রী। তার বক্তৃতার পুরো সময় সচিব কখনো হাই তুলেছেন, আবার কখনো দুই হাত বুকের ওপর রেখে ভঙ্গিতে ঘুম দিয়েছেন। মাঝে মাঝে দুই চোখ খুললেও আবার চোখ বন্ধ করে ফেলেন। মন্ত্রী যখন বক্তৃতা করছিলেন তখন মাঝে মাঝেই সচিব চেয়ারে হেলান দিয়ে ঘুমাচ্ছিলেন।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/21/1566401037611.jpg

সম্প্রতি দেশের ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ে সরকার, সিটি করপোরেশন ও প্রশাসন কর্মকর্তারা বেশ দৌড়ের ওপর রয়েছেন। ডেঙ্গু মৌসুমের শুরুতে পদক্ষেপ না নেওয়ায় সমালোচনাও সইতে হচ্ছে সংশ্লিষ্ট মহলকে। এর মধ্যে এমন জনগুরুত্বপূর্ণ একটি অনুষ্ঠানে সরকারের একজন আমলার এভাবে ঘুমানোকে বেমানান বলছেন সভায় উপস্থিত ব্যক্তিরা।

আরও পড়ুন:  রোববার থেকে চিরুনি অভিযান, লার্ভা পেলে সর্বোচ্চ ৬ মাসের..

ডেঙ্গু আক্রান্তদের জন্য স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর দুঃখ..

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র