Barta24

রোববার, ২৫ আগস্ট ২০১৯, ১০ ভাদ্র ১৪২৬

English

ভারী বর্ষণে খুলনায় সড়কে জলাবদ্ধতা

ভারী বর্ষণে খুলনায় সড়কে জলাবদ্ধতা
ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
খুলনা


  • Font increase
  • Font Decrease

খুলনায় বর্ষা মৌসুমের প্রথম ভারি বর্ষণ হয়েছে। মৌসুমের কাঙ্ক্ষিত এ বর্ষায় নগরীর অধিকাংশ এলাকা পানিতে সয়লাব হয়ে যাওয়ায় নগরবাসীকে পোহাতে হচ্ছে সীমাহীন দুর্ভোগ।

শুক্রবার (১২ জুলাই) সকাল থেকে খুলনার আকাশ রৌদ্রজ্জ্বল থাকলেও বেলা বাড়ার সাথে সাথে আকাশে মেঘের আনাগোনা বাড়তে থাকে। দুপুরে নামাজের সময় ঘন কালো মেঘে ছেয়ে যায় খুলনার আকাশ। দুপুর ৩ টার দিকে তুমুল বৃষ্টি শুরু হয়। যা স্থায়ী হয় প্রায় দুই ঘণ্টা। বিকাল ৫ টার দিকে ভারি বর্ষণ থেমে গেলেও সন্ধ্যা নাগাদ গুড়িগুড়ি বৃষ্টি ঝরে। ভারি বর্ষণের সাথে সাথে খুলনা নগরীর অধিকাংশ এলাকা পানিতে নিমজ্জিত হয়। শহরের অধিকাংশ নর্দমায় যথাযথ পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থার অভাবে বৃষ্টির পানি নেমে যেতে না পারায় কোথাও হাঁটু, আবার কোথাও কোমর সমান পানিতে তলিয়ে গেছে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/12/1562949045212.jpg

 

সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, আষাঢ়ের প্রথম বর্ষণে নগরীর প্রধান সড়ক রয়েল মোড়, শান্তিধাম মোড়, শিববাড়ী মোড়, কেডিএ এভিনিউ থেকে শুরু করে খানজাহান আলী রোড, শের এ বাংলা রোড, রূপসা স্ট্যান্ড রোড, মতিয়াখালী রোড, টুটপাড়া সেন্ট্রাল রোড, পূর্ব বানিয়া খামার, বাবুখান রোড, মৌলভীপাড়া রোড, টিবি ক্রস রোড, আহসান আহমেদ রোড, হাজী মহসিন রোড, পিটিআই মোড়, কদমতলা রোড, রূপসা ব্রিজ রোড, ইসলামপাড়া রোড, লবণচরা বান্দা বাজার, দোলখোলা, মিস্ত্রীপাড়া, মিয়াপাড়া, বাগমারা, ইকবালনগর, রায়পাড়া, শামসুর রহমান রোড, ইসলামপুর রোড, বাইতিপাড়া রোড, দেবেন বাবু রোড, শেখপাড়া রোড, বসুপাড়া, নিরালা, করিমনগর, বেনী বাবু রোড, ধর্মসভা রোড, জোড়াগেট, নেভীগেট, বিআইডিসি রোড, সোনাডাঙ্গা, ছোট মির্জাপুর, গোবরচাকা রোডসহ নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়। একই সাথে নগরীর নিম্নাঞ্চলে দেখা দিয়েছে জলাবদ্ধতা।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/12/1562949058667.jpg

 

বর্ষণে নগরীর পথঘাটে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হওয়ায় গণপরিবহন সংকট দেখা দেয়। বৃষ্টির পানির সাথে নোংরা পানিতে এখন একাকার নগরীর প্রতিটি সড়ক। ড্রেনের ময়লা-আবর্জনা এখন রাস্তার ওপর পানকৌড়ির মতো ভেসে বেড়াচ্ছে। ফলে সীমাহীন ভোগান্তিতে পড়েছে নগরবাসী। এছাড়া খুলনা ওয়াসার উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড চলমান থাকায় নগরীর গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোতে বেশ কিছু দুর্ঘটনার খবর পাওয়া গেছে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/12/1562949079970.jpg

 

রিকশাচালক সরকার সাহা বার্তা টোয়েন্টিফোর. কম-কে বলেন, একটু বৃষ্টি হইলেই আর গাড়ি চালানো যায়না। সবখানে পানি জইমা যায়। আবার ওয়াসার পাইপ বসাবে, তাই সব রোড খুইড়া রাখছে। বৃষ্টি হইলেই এক্সিডেন্ট হয়।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/12/1562949098717.jpg

 

খুলনা আঞ্চলিক আবহাওয়া অফিসের সিনিয়র আবহাওয়াবিদ আমিরুল আজাদ বার্তা টোয়েন্টিফোর. কম-কে বলেন, দুপুর ৩টা থেকে সন্ধ্যা পৌনে ৬ টা পর্যন্ত খুলনায় ৫৯ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। তবে খুলনার আশপাশে কোথাও ভারি আবার কোথাও হালকা বর্ষণ হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন :

‘বঙ্গবন্ধু হত্যার পেছনে জাসদ-গণবাহিনীর সৃষ্টি’

‘বঙ্গবন্ধু হত্যার পেছনে জাসদ-গণবাহিনীর সৃষ্টি’
জাতীয় শোক দিবসের আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা এইচটি ইমাম/ ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা এইচটি ইমাম বলেছেন, ‘বঙ্গবন্ধু হত্যার পেছনে দেশের শত্রুরা দুটি কাজ সুপরিকল্পিতভাবে করেছে। এর একটি পাকিস্তান থেকে ফিরে আসা সেনা কর্মকর্তাদের সৃষ্টি আর অন্যটি জাসদ ও গণবাহিনীর সৃষ্টি। এদের সম্পর্কে অনেক ভালো জেনেছি যখন জেলে ছিলাম।’

শনিবার (২৪ আগস্ট) বিকালে রাজধানীর অফিসার্স ক্লাবে ‘বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন এ আলোচনা সভার আয়োজন করে।

এইচ টি ইমাম বলেন, ‘৩ নভেম্বর যে অভ্যুত্থান হল তখন কর্নেল তাহের ও তার সঙ্গে যারা ছিল তাদের সবাইকে অ্যারেস্ট করে তারা আবার জেলখানায় চলে এল। জেলে শাফায়াত জামিল আমার সাথে। জেলখানায় তখন প্রথম জানতে পারলাম ৬৬ সালে পূর্ব পাকিস্তান ছাত্রলীগের মধ্যে একটি বিপ্লবী সেল তৈরি করা হয়েছিল এবং সেটি সিরাজুল আলম খানের নেতৃত্বে। তখন শুনেছি বঙ্গবন্ধু সম্পর্কে কী জঘণ্য উক্তি তারা করত।’

পাকিস্তান ফেরত সেনা অফিসারদের ভূমিকার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘পাকিস্তান থেকে প্রত্যাগত সেনা অফিসাররা এসেই এমন একটা বিভেদ সৃষ্টি করে ফেলল। পরবর্তীতে দেখেন, বেছে বেছে মুক্তিবাহিনীর অফিসারদের এরা হত্যা করেছে। মুক্তিবাহিনীর সেনা যারা, তারাই প্রাণ দিয়েছে, এরা কিন্তু কেউ প্রাণ দেয়নি। জেনারেল জিয়াউর রহমান তার কোর্সমেট জেনারেল মোজাম্মেল, জেনারেল আব্দুর রহমান, জেনারেল ওয়াজিমুল্লাহকে ভালো ভালো জায়গায় বসিয়েছে। এমনভাবে পুরো জিনিসটা কুক্ষিগত করে ফেলল আমাদের সেনাবাহিনীকে যে জেনারেল শফিউল্লাহ কিছুই না।’

‘জেনারেল জিয়া তো ওদেরই লোক। এরা সকলে কোর্সমেট। এদেরই পৃষ্ঠপোষকতায় বেড়ে উঠেছে কর্নেল রশিদ, কর্নেল ফারুক। কর্নেল রশিদের তো ঢাকায় পোস্টিং ছিল না, তার তো আর্টিলারি ব্যাটালিয়ন নিয়ে কুমিল্লায় থাকার কথা, ফারুকের ট্যাঙ্ক বাহিনী নিয়ে থাকার কথা বগুড়া অথবা সাভারে। এরা যে ঢাকায় এল তাহলে আমাদের সেনাপতিরা, যারা তখন ছিলেন, তারা জানতেন না, এ সমস্ত মুভমেন্ট কী কখনো আর্মি হেডকোয়ার্টাসের অনুমতি কিংবা অনুমোদন ছাড়া হয়? এগুলো তো হয় না। তাহলে আমাদের মধ্যে কীভাবে ঢুকে পড়েছিল এই ষড়যন্ত্রকারীরা। আর মূল ষড়যন্ত্রটি যারা করেছে তারা হল পাকিস্তানিরা।’

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/25/1566671529801.jpg

দেশের সিভিল সার্ভিসের অবমূল্যায়নের প্রেক্ষাপটের ইতিহাস তুলে ধরে সাবেক এই আমলা বলেন, ‘১৯৬৫ সালের পরে তৎকালীন সিএসপি নিয়ে মানুষের মধ্যে একটা বিরূপ ভাব তৈরি হয়েছিল। তার পেছনে কারণ ছিল আইয়ুব খান। মার্শাল ল চালুর পরে উনি দেখলেন সবকিছু চালায় সিএসপিরা। তিনি তখন ক্ষমতা ভাগাভাগির জন্য কমিটি করলেন। সিভিল সার্ভিসের ক্ষমতা কীভাবে খর্ব করা যায় সে ব্যবস্থা কমিটি পাকাপোক্ত করল। সেই থেকে সিভিল সার্ভিসের অবমূল্যায়ন কিংবা তাদের ক্ষমতা নিয়ে নেওয়া হলো।’

‘আইয়ুব খানের আরেকজন প্রতীকী ইয়াহিয়া খান। আর আমাদের দেশে এসে হলেন জিয়াউর রহমান খান। আমি জিয়াউর রহমান খানই বলব। কারণ তিনি কিন্তু ওই লাইনেরই এবং তারপরে এরশাদ খান।’

তিনি আরও বলেন, ‘এই খানেরা আমাদের ক্রমান্বয়ে যে কী পরিমাণে ক্ষতি করে গেছেন, অথচ সে জিনিসটি থেকে বঙ্গবন্ধু এসে সেই রাষ্ট্রটিতে তিনি আবার খুঁজে খুঁজে সিভিল সার্ভিসের লোকদের নিয়ে এসেছেন। শুধু সিভিল সার্ভিস নয়, উনি প্রথম সরকারে ল্যাটারাল এন্ট্রি অর্থাৎ সরকারের বাইরে কোথায় কোনো প্রতিভা আছে, যিনি সরকারকে সহযোগিতা করতে পারবেন, সেটা চালু করেন।’

বাকশালের সমালোচনাকারীদের উদ্দেশে বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ঠ সহকর্মী এইচ টি ইমাম বলেন, ‘বাকশালের গঠনতন্ত্র কেউ দেখেনি। বাকশালের উদ্দেশ্য কী ছিল এটি সম্পর্কে কেউ জানে না। বঙ্গবন্ধু এভাবে জনগণের কাছে ক্ষমতা নিয়ে যেতে চেয়েছিলেন ভিত্তিমূলে, তৃণমূলে। যে জন্য ৬৪টি মহকুমাকে তিনি জেলায় পরিণত করলেন। প্রতিটা জেলায় গভর্নর নিয়োগ করলেন এবং তাদেরকে ক্ষমতায়ন করে গেছেন।’

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব সাজ্জাদুল হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন, মন্ত্রিপরিষদ সচিব শফিউল আলম, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সাবেক মূখ্য সচিব ড.কামাল আব্দুল নাসের চৌধুরী, বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ সাদিক। স্বাগত সংগঠনের মহাসচিব শেখ ইউসুফ হারুন প্রমুখ।

ব্লেন্ডার মেশিন থেকে সাড়ে তিন হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার

ব্লেন্ডার মেশিন থেকে সাড়ে তিন হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার
আটক হওয়া মাদক ব্যবসায়ী, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

রাজধানীর কাফরুল এলাকার একটি বাসার ব্লেন্ডার মেশিনে রক্ষিত অবস্থায় ৩ হাজার ৬৫০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করেছে র‍্যাব-৪। এ ঘটনায় মো. ইউনুস নামে এক মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে র‍্যাব।

রোববার (২৪ আগস্ট) রাতে র‍্যাব-৪ এর সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সাজেদুল ইসলাম সজল এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/24/1566664805904.jpg

সাজেদুল ইসলাম সজল বলেন, 'আজ বিকেল ৫টায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-৪ এর একটি দল কাফরুল থানাধীন সেনপাড়া পর্বতা এলাকার একটি আবাসিক ভবনের ৬ তলার ফ্ল্যাটে অভিযান পরিচালনা করে। ফ্ল্যাটটিতে অভিযানের এক পর্যায়ে একটি ব্লেন্ডার মেশিনে রক্ষিত অবস্থায় ৩ হাজার ৬৫০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। এছাড়া এ ঘটনায় মাদক ব্যবসায়ী ইউসুফকে আটক করা হয়।'

তিনি বলেন, 'প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে, ইউসুফ কক্সবাজার জেলার টেকনাফ থেকে ইয়াবা ট্যাবলেট সংগ্রহ করে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় পাইকারি ও খুচরা বিক্রয় করে থাকে।'

আটকের বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলেও তিনি জানান।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র