Barta24

মঙ্গলবার, ২৩ জুলাই ২০১৯, ৮ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

শুভংকর হত্যার খুনিদের ফাঁসির দাবি

শুভংকর হত্যার খুনিদের ফাঁসির দাবি
ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
স্টাফ ক‌রেসপ‌ন্ডেন্ট
বার্তা‌টো‌য়ে‌ন্টি‌ফোর.কম
ঢাকা


  • Font increase
  • Font Decrease

পটুয়াখালীর আব্দুল করিম মৃধা কলেজের অনার্স দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী শুভংকর হাওলাদারের খুনি সাইফুল ইসলামসহ তার সহযোগীদের দ্রুত গ্রেফতার করে ফাঁসির দাবি জানিয়েছে ঢাকাস্থ পটুয়াখালী জেলার ছাত্র-জনতা।

শুক্রবার (১২ জুলাই) জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে আয়োজিত এক মানববন্ধনে এ দাবি জানান তারা। 

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, ব্যক্তিগত শত্রুতার জের ধরে পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলা নওমালা ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সভাপতি ও অনার্স দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী শুভংকর হাওলাদারকে হত্যা করা হয়। গত ২৬ জুন তার লাশ দূরবর্তী এক খালে পাওয়া যায়। পরবর্তীতে শুভংকরের বাবা বাদী হয়ে অজ্ঞাত নামা একটি হত্যা মামলা দায়ের করে। প্রশাসনের প্রচেষ্টায় হত্যার খুনি সাইফুল ইসলামকে গ্রেফতার করা হয়। কিন্তু শুভংকরের শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন ছিল না। তাই ধারণা করা হচ্ছে এই খুনের সাথে সাইফুল ইসলাম একা জড়িত নয়।

প্রশাসনের কাছে তারা দাবি জানিয়ে বলেন, 'এই হত্যার ঘটনায় খুনি সাইফুল ইসলামের সাথে আরও সহযোগী ছিল। তাদের প্রত্যেকে আগামী ৭ দিনের মধ্যে গ্রেফতার করে দ্রুত বিচারের আওতায় আনতে হবে। আমরা চাই না আর কোন মা বাবার সন্তানের এমন করুণ মৃত্যু হোক। আমরা খুনিদের ফাঁসির দাবি জানাচ্ছি।' 

মানববন্ধনে নওমালা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট কামাল হোসেন বিশ্বাস, শুভংকরের বড় ভাই জুয়েল হাওলাদার সহ ঢাকাস্থ পটুয়াখালী জেলার ছাত্র জনতার উপস্থিত ছিল।

আপনার মতামত লিখুন :

ডেঙ্গু মোকাবিলায় কার্যকর পদক্ষেপ নেই, অভিযোগ নগরবাসীর

ডেঙ্গু মোকাবিলায় কার্যকর পদক্ষেপ নেই, অভিযোগ নগরবাসীর
রাজধানীর সেন্ট্রাল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন কয়েকজন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত রোগী, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

কলাবাগানের বাসিন্দা কণিকা গাঙ্গুলী। গত ১০ দিন ধরে ছেলের জ্বর। কোনোভাবেই কমছিলো না। বেশ চিন্তিত হয়ে পড়েন। শেষে নানা টেস্ট করিয়ে ডেঙ্গু ধরা না পড়ায় স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেললেও আতঙ্কমুক্ত হতে পারছেন না কণিকা।

তার প্রতিবেশী জাহানারা বেগম, পাশের বিল্ডিংয়ের তিন তলার ফ্ল্যাটের বাসিন্দা। তার ফ্ল্যাটের জানালা আর জাহানারা বেগমের ফ্ল্যাটের জানালা লাগায়ো। জাহানারা বেগমের সঙ্গে দুই দিন আগে কথা হয়েছে। তার ছোট মেয়ে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে এখন হাসপাতালে।

কণিকা গাঙ্গুলীর সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, তার ফ্ল্যাটে এডিস মশার উৎপত্তি রুখতে আগেই সেই ব্যবস্থা করে রেখেছেন। কিন্তু মিসেস জাহানারা বেগমের ফ্ল্যাটের  জানালা দিয়ে এডিস মশা চলে আসে কিনা সেই চিন্তায় আতঙ্কিত তিনি।

কণিকা গাঙ্গুলী ক্ষোভ প্রকাশ করে বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, প্রতিদিন বিভিন্ন গণমাধ্যমে দেখছি; সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে কতগুলো টিম গঠন করা হয়েছে। যে টিম নাকি বাড়ি বাড়ি গিয়ে এডিস মশা নিধন ও ডেঙ্গু জ্বর নিয়ে সচেতনতা করবে।

প্রতিদিন আশায় থাকি তারা বুঝি আজ আসবে। এসে আমার ফ্ল্যাটসহ আশপাশের সকল বিল্ডিংয়ে গিয়ে এডিস মশা নিধন ও ডেঙ্গু নিয়ে সচেতনতা কথা বলবে। কিন্তু এই টিমের এখনও দেখা পাইনি।

এমন অভিযোগ শুধু কণিকা গাঙ্গুলীর একার না। রাজধানীর দুই সিটি করপোরেশনের অধিকাংশ নাগরিকের এ অভিযোগ।

সোমবার (২২ জুলাই) রাজধানীর নাখালপাড়া, মগবাজার, কাঁঠালবাগান,  কলাবাগান ও পূর্ব এবং পশ্চিম রাজাবাজার ঘুরে স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে এমন অভিযোগ পাওয়া যায়।

ডিএনসিস ও ডিএসসিসি সূত্রে জানা গেছে, গত বছরের তুলনায় এ বছর একটু আগেই ডেঙ্গু জ্বরের প্রভাব দেখা গেছে রাজধানীতে। সিটি করপোরেশনও এডিস মশা নিধন ও ডেঙ্গু জ্বর নিয়ন্ত্রণে কোমর বেঁধে নেমেছ। মশক নিধনসহ নগরবাসীকে সচেতন করতে তৈরি করা হয়েছে বিশেষ টিম। যারা বাড়ি বাড়ি গিয়ে কাজ করছেন।

তবে দুই সিটি করপোরেশনের এমন দাবি মানতে নারাজ নগরবাসী। তাদের  অভিযোগ, ডিএনসিসি ও ডিএসসিসির মেয়রদের এসব কথা গণমাধ্যম এবং র‍্যালী পর্যন্তই সীমাবদ্ধ। কার্যত এসব আশ্বাসের বা বিশেষ টিমের কোনো সুবিধাই পাচ্ছেন না তারা। পুরো রাজধানী ময়লা-আবর্জনায় সয়লাব, আগে নগরী পরিষ্কারের যে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিলো সেগুলোও মুখ থুবড়ে পড়েছে। সিটি করপোরেশন যা করে সব লোক দেখানো। কোনো উদ্যোগ নিলে  কিছু দিন পর  থেমে যায়, স্থায়ী কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয় না।   

এ বিষয়ে রাজধানীর ইন্দিরা রোডের বাসিন্দা মো. হাফিজ বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, বিভিন্ন গণমাধ্যমে সিটি করপোরেশনের নানা টিমের কথা শুনেছি। কিন্তু এলাকায় আজ পর্যন্ত দেখিনি তাদের বাসা বাড়িতে গিয়ে স্প্রে করে মশা মারতে। সাধারণ মশক নিধন কর্মীদেরও দেখা মিলছে না। তাহলে তারা কিভাবে এ কথা বলছেন।

রাজধানীর মনিপুরী পাড়ার বাসিন্দা বিল্পব গোমেজ বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, ডিএনসিসিকে চিঠি দিয়েও তাদের কোনো টিম আমাদের এলাকায় আনতে পারেনি। মশক নিধন ও সচেতনতার অভাবে এলাকায় অনেকে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে। কিন্তু সিটি করপোরেশনের কোনো সাহায্যই এ বিষয়ে পাওয়া যাচ্ছে না।

তিনি আরও বলেন, ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন ডেঙ্গু, চিকুনগুনিয়া মোকাবিলায় কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেয় না। একবার ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব বাড়ে তো আরেকবার চিকুনগুনিয়ার। এ রোগের মৌসুম আসার আগে যদি কার্যকর পদক্ষেপ নিত, তাহলে এভাবে মানুষকে দুর্ভোগ পোহাতে হত না।  

এদিকে রাজধানীতে এডিস মশা নিধনে দুই সিটি করপোরেশনের গৃহীত পদক্ষেপে অসন্তুষ্টি জানিয়েছেন হাইকোর্ট। এতে দুই সিটি করপোরেশনের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের তলব করেছেন হাইকোর্ট। আগামী বৃহস্পতিবার (২৫ জুলাই) তাদের হাইকোর্টে হাজির হয়ে এই বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে।

কিন্তু এ বিষয়ে ডিএনসিসির মেয়র আতিকুল ইসলাম ও ডিএসসিসির মেয়র সাঈদ খোকন জোর গলায় বলছেন, তারা শতভাগ চেষ্টা করছেন ডেঙ্গু ও এডিস মশা নিয়ন্ত্রণে। তাছাড়া ডিএনসিসির বর্জ্য ও মশক নিধন বিভাগের কর্মকর্তাদের ঈদের ছুটি বাতিল করা হয়েছে এবং ২৫ হাজার বাসায় গিয়ে এডিস মশা মারার সিদ্ধান্তও নিয়েছে ডিএসসিসি।

চমেকে অগ্নিকাণ্ডে ৫০ হাজার টাকার ক্ষয়ক্ষতি

চমেকে অগ্নিকাণ্ডে ৫০ হাজার টাকার ক্ষয়ক্ষতি
ছবি: সংগৃহীত

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে বৈদ্যুতিক সংযোগ থেকে অগ্নিকাণ্ডে প্রায় ৫০ হাজার টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। উদ্ধার করা হয়েছে ১০ লাখ টাকার মালামাল।

মঙ্গলবার (২৩ জুলাই) ভোর সাড়ে ৫টায় হাসপাতালের নিচতলায় মানসিক ওয়ার্ডে আগুনের সূত্রপাত হয়। পরে ফায়ার সার্ভিসের চারটি ইউনিটের নয়টি গাড়ি ৪০ মিনিটের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

চট্টগ্রাম ফায়ার ফায়ার সার্ভিসের উপ-সহকারী পরিচালক জসিম উদ্দীন বার্তা২৪.কমকে বলেন, ‘বৈদ্যুতিক লাইন থেকে আগুন লাগার খবর পেয়ে আমরা উদ্ধার অভিযান চালাই। এতে হাসপাতালের ক্ষয়ক্ষতি হলেও ওয়ার্ডে থাকা রোগীরা আহত হয়নি।’

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র