Barta24

শনিবার, ২০ জুলাই ২০১৯, ৫ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

‘সুন্দরবন ধ্বংসকারীদের আইনের আওতায় আনতে হবে’

‘সুন্দরবন ধ্বংসকারীদের আইনের আওতায় আনতে হবে’
বৃক্ষমেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক/ ছবি: বার্তা২৪.কম
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
খুলনা


  • Font increase
  • Font Decrease

১৫ দিনব্যাপী বৃক্ষমেলার উদ্বোধন করতে গিয়ে খুলনা সিটি করপোরেশনের মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক বলেন, ‘সুন্দরবন খুলনাঞ্চলকে প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে রক্ষা করে আসছে। যারা সুন্দরবনকে ধ্বংস করতে চায়, তাদের আইনের আওতায় আনতে হবে। সবাইকে বৃক্ষরোপণে আরও বেশি উদ্বুদ্ধ করতে হবে।’

বৃহস্পতিবার (১১ জুলাই) সকালে খুলনার সার্কিট হাউজ মাঠে বৃক্ষমেলার উদ্বোধন করেন মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক। খুলনা জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় সুন্দরবন পশ্চিম বন বিভাগ ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। ৬১টি স্টল নিয়ে এবারের বৃক্ষমেলা শুরু হয়েছে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/11/1562837042159.jpg

মেয়র খালেক বলেন, ‘বৃক্ষ অমূল্য সম্পদ। নির্মল পরিবেশ নিশ্চিতকরণ এবং ঝড়-জলোচ্ছ্বাস থেকে জানমাল রক্ষায় বৃক্ষ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। গাছ বাতাস থেকে ক্ষতিকর কার্বন-ডাই-অক্সাইড গ্রহণ করে এবং আমাদের বেঁচে থাকার জন্য অতি প্রয়োজনীয় অক্সিজেন নিঃসরণ করে। তাই নিজেদের অস্তিত্বের প্রয়োজনে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বন রক্ষায় কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে।’

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন খুলনার বিভাগীয় কমিশনার লোকমান হোসেন মিয়া, রেঞ্জ ডিআইজি ড. খ: মহিদ উদ্দিন, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শেখ হারুনুর রশীদ, সুন্দরবন পশ্চিম বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মোঃ বশিরুল-আল-মামুন, বন সংরক্ষক মোঃ আমীর হোসাইন চৌধুরী, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের অতিরিক্ত পরিচালক কাজী আব্দুল মান্নান, খুলনার জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হেলাল হোসেন, পুলিশ সুপার এসএম শফিউল্লাহ, কেএমপির উপ-কমিশনার মোঃ এহসান শাহ, খুলনা প্রেসক্লাবের সভাপতি এস এম হাবিব, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক পংকজ কান্তি মজুমদার প্রমুখ।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/11/1562837055439.jpg

এর আগে নগরীর শহিদ হাদিস পার্ক থেকে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের হয়ে বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে মেলা প্রাঙ্গণে এসে শেষ হয়। শোভাযাত্রায় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করে। মেলা প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত চলবে।

আপনার মতামত লিখুন :

বন্দরের কারণে চট্টগ্রামে যানজট নয়: বন্দর চেয়ার‌ম্যান

বন্দরের কারণে চট্টগ্রামে যানজট নয়: বন্দর চেয়ার‌ম্যান
সংবাদ সম্মেলনে চট্টগ্রাম বন্দরের চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল জুলফিকার আজিজ/ ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

চট্টগ্রাম বন্দরে আসা কন্টেইনার ও কার্গো সার্ভিস ঘণ্টা পর ঘণ্টা রাস্তায় অপেক্ষায় থাকে। একইসাথে সৃষ্ট জলাবদ্ধতায় ঐ রুটে চলাচলকারী গণপরিবহনকে পোহাতে হয় চরম ভোগান্তি। তবে সৃষ্ট এ যানজট কোনোভাবেই বন্দরের কারণে নয় বলে দাবি করছেন বন্দরের চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল জুলফিকার আজিজ।

তিনি বলেছেন, গত ১০ থেকে ১২ দিন ধরে মুষলধারে বৃষ্টির কারণে চট্টগ্রাম বন্দরের বাইরে বিভিন্ন রাস্তায় জলাবদ্ধতা দেখা দেয়। বিশেষ করে পোর্ট কানেকটিং সড়কের সংস্কার, বারিং বিল্ডিং থেকে ফকিরহাট পর্যন্ত ওয়াসার পইপ লাইন ও সিমেন্টে ক্রসিং এলাকায় এলিভেটেড এক্সপ্রেসের কাজের কারণে অধিকাংশ সড়কের প্রশস্ততা কমে এসেছে।’

শনিবার (২০ জুলাই) দুপুরে চট্টগ্রাম বন্দরের সম্মেলন কক্ষে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন। সম্প্রতি যানজট নিয়ে বেশকিছু গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর বন্দরের অবস্থান নিশ্চিত করার লক্ষ্যে মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়।

এতে লিখিত বক্তব্যে বন্দরের অবস্থান তুলে ধরেন এডমিরাল জুলফিকার আজিজ। তিনি জানান, ঘূর্ণিঝড় ফণীর সময়েও সর্বোচ্চ পাঁচ হাজার টিইইউএস পণ্যের পাশাপাশি কার্গো ও ডেলিভারি প্রদান করা হয়েছে। গত রমজান মাসেও চার হাজার ৮০০ টিইইউএস কন্টেইনার পণ্য ও কার্গো ডেলিভারি করা সম্ভব হয়।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/20/1563618895066.gif

মাঝখানে এমনও দিন গেছে সাড়ে ৯ থেকে ১০ হাজার কার্গো ও ডেলিভারি দেওয়া হয়েছে। তখন কেউ এমন যানজট অনুভব করেনি। অথচ টানা বর্ষণে বন্দর থেকে পণ্য ভেলিভারি চার হাজার টিইউএস কম ছিল। মূলত প্রাকতিক দুর্যোগ, বন্দরের যানবাহন ও গণপরিবহনের একই রাস্তায় হওয়ায় হওয়ার এমন অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে।

বন্দর চেয়ারম্যান বলেন, ‘চট্টগ্রাম শহরের যানজট নিরসনে বিকল্প হিসেবে প্রস্তাবিত দুইট রিং রোড আগ্রাবাদ এক্সেস রোড-বড়পুল সড়ক, আনন্দবাজার ইপিজেড সড়ক ও জিইসি- সাগরিকা বেড়িবাঁধ সড়ক দ্রুততার সময়েও বাস্তবায়ন করতে হবে। যা একইসাথে বন্দরের কার্গো ও কন্টেইনার হ্যান্ডিলিং কার্যক্রমে প্রবৃদ্ধি বৃদ্ধি করবে।’

এ সময় হাইকোর্টের নির্দেশনা অনুযায়ী দ্রুত সময়ে কর্ণফুলী নদীর উচ্ছেদ কার্যক্রম শুরু করার আশ্বাস দেন বন্দর চেয়ারম্যান। মতবিনিময় সভায় বন্দরের অন্যান্য কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।

মানুষকে অসত্য তথ্য দিয়ে বিভ্রান্ত করবেন না: অধ্যাপক ফারুক

মানুষকে অসত্য তথ্য দিয়ে বিভ্রান্ত করবেন না: অধ্যাপক ফারুক
সংবাদ সম্মেলনে কথা বলছেন অধ্যাপক আ ব ম ফারুক হোসেন

মানুষকে অসত্য তথ্য দিয়ে বিভ্রান্ত না করে সত্য দিয়েই তর্ক-বিতর্কের মাধ্যমে সমাধানের পথ খোঁজার আহ্বান জানিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়োমেডিকেল রিসার্চ সেন্টার ও ফার্মেসি অনুষদের  অধ্যাপক  আ ব ম ফারুক হোসেন।

শনিবার (২০ জুলাই) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিক সমিতির কার্যালয়ে মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

এ সময় তিনি মৎস ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের ইঙ্গিত দিয়ে বলেন, সত্যে আসেন, বিজ্ঞান হলো সত্য। আমরা এমন কিছু বলব না যেকারণে বিভ্রান্তি ছড়ায়। সত্য কখনো আমাদের বঞ্চনা করে না। এই সত্যকে অবলম্বন করেই আমাদের মুক্তির দিকে যেতে হবে। সমস্যা দূর করতে হবে।

তরল পদার্থ নিয়ে যে উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে তা অত্যন্ত সহজভাবে সমাধান করা যায় উল্লেখ করে অধ্যাপক ফারুক বলেন, পাস্তুরাইজেশন ইউনিটে যারা কাজ করে তাদের আরেকটু মোটিভেট করা। গরু রোগে আক্রান্ত হবেই। তারা জীবন্ত প্রাণি। তাই তাদের চিকিৎসাও করাতে হবে। নিয়ম হচ্ছে অ্যান্টিবায়োটিক দেওয়ার পর একটা উইথড্রো পিরিয়ড আছে। ততদিন পর্যন্ত গরুর দুধ পান করা যাবে না। এটা খুবই জরুরি। কম পক্ষে ২১ দিন গরুর দুধ নেওয়া যাবে না।

গরুকে চিকিৎসার সময় হিউমান অ্যান্টিবায়োটিক দেওয়া যাবে না। গরুর খাবারে অ্যান্টিবায়োটিক দেওয়া থাকে সেগুলো বিবেচনা করলেই এসব সমস্যার সমাধান হওয়া কঠিন কিছু না।

উকিল নোটিশের ব্যাপারে তিনি বলেন, আমার কাছে একটি উকিল নোটিশ পাঠানো হয়েছে যাকে লিগ্যাল নোটিশও বলা যায়। আমি এতো বড় লোক নই বলে কোনো আইনজীবী দিয়ে নোটিশ পাঠায়নি। আমি সময়মত সেটার উত্তর দিয়েছি। আমি আমার বিবেকমত যতটুকু বলার আত্মপক্ষ সমর্থনের জন্য ততটুকুই বলেছি।

গবেষণার ব্যাপারে সবাই ইতিবাচক দাবি করে তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত আমাদের গবেষণার ব্যাপারে সবার ইতিবাচক সাড়া দেখতে পাচ্ছি। যারা  দু’ একটা কথা বলে তারা আমাদের সামনে বলেন না।

গবেষণার উদ্দেশ্য সম্পর্কে তিনি বলেন, আমাদের গবেষণা কোনো কোম্পানির বিরুদ্ধে না। বরং আমরা দুধ সেক্টরটাকে উন্নত হিসাবে দেখতে চাই এবং  উন্নতমানের দুধ সরবরাহ করা হোক। আমরা যেন মানসম্মত, নিরাপদ দুধ খেতে পারি এটিই আমাদের লক্ষ্য।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের আহবায়ক আ ক ম জামাল উদ্দীন, ঢাবি শাখার সভাপতি আল মামুন, সেক্রেটারি আমিনুল ইসলাম বুলবুল প্রমুখ।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র