Barta24

শনিবার, ২০ জুলাই ২০১৯, ৫ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতালে হাঁটুপানি

চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতালে হাঁটুপানি
হাঁটুপানিতেই চলছে চিকিৎসা কার্যক্রম/ ছবি: বার্তা২৪.কম
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
চট্টগ্রাম


  • Font increase
  • Font Decrease

চট্টগ্রামের আগ্রাবাদ এলাকায় অবস্থিত নগরীর মা ও শিশু হাসপাতাল। প্রতিবছরের ন্যায় এবারও প্রবল বৃষ্টিতে জলাবদ্ধতার হাসপাতালটির নিচতলায় কার্যক্রম বন্ধ হয়ে পড়েছে। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন কাঙিক্ষত সেবা নিতে দূর-দূরান্ত থেকে আসা রোগী ও স্বজনরা।

এদিকে নিম্নাঞ্চল হওয়ায় এ জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে বলে দাবি করছে হাসপাতালটির কর্তৃপক্ষ। তাদের দাবি, সাময়িক ব্যাঘাত ঘটলেও কেউ সেবা না নিয়ে ফিরছেন না।

স্থানীয়া জানায়, জোয়ারের পানির কারণে বেশ কয়েকদিন ধরে পানি জমে আছে হাসপাতালটিতে। যা হাসপাতালের নিচতলায় কার্যক্রমে ব্যাঘাত ঘটাচ্ছে। সেই সাথে গত দুই দিনের টানা বর্ষণের কারণে হাঁটু পরিমাণ পানি বেড়ে গিয়ে জলাবদ্ধতায় রূপ নেয়। এতে বহিঃবিভাগসহ প্রশাসনিক কার্যালয় বন্ধ হয়ে যায়। সেবা নিতে আসা রোগীদের প্রবেশমুখের পানি মাড়িয়ে হাসপাতালে যেতে হচ্ছে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/09/1562676296694.jpg

মঙ্গলবার (৯ জুলাই) সকালে থেকে দুপুর পর্যন্ত থেমে থেমে আবার কখনো মুষলধারে বৃষ্টি হয়। এতে জলাবদ্ধতা আরও বেড়ে যায়।

আগ্রাবাদ এলাকার এক বাসিন্দা বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে বলেন, ‘স্ত্রীকে চিকিৎসা জন্য হাসপাতালে আনার পর শুনলাম জলাবদ্ধতার কারণে জরুরি বিভাগে সেবা দিতে পারছেন না চিকিৎসকরা।’

বৃষ্টির পানির সাথে সাপের উপদ্রব আর বিভিন্ন রোগ সংক্রমের আশঙ্কা বিরাজ করছে এলাকাবাসীর মাঝে।

হাসপাতাল ঘুরে দেখা যায়, নিচতলায় থইথই করছে পানি। এক প্রকার বাধ্য হয়ে দ্বিতীয় তলায় সেবা চলছে সীমিত আকারে। সেখানে সেবা পেতে বেগ পেতে হচ্ছে অনেককে। নিচতলায় হাঁটুপানিতেই চলছে কার্যক্রম।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/09/1562676314070.jpg

সার্বিক বিষয়ে জানতে চাইলে হাসপাতালের সহকারী পরিচালক আশরাফুল করিম বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে বলেন, ‘রোগীদের ভোগান্তি হচ্ছে এটা কিন্তু বলা যাবে না। এটা প্রকৃতিগত বিষয়, সেই সাথে জোয়ারের পানিতো আছে। এরপরও নিচতলায় সীমিত আকারে আউটডোরসহ অন্যান্য ওয়ার্ডে কাজ চলছে। আপদকালীন হিসেবে নিচের রোগীদের কার্যক্রম দ্বিতীয় তলায় শিফট করেছি। কোনো রোগী এসে ফেরত যাচ্ছেন না।’

এক প্রশ্নের জবাবে আশরাফুল বলেন, ‘এমন আবহাওয়ায় শিশুদের ডায়রিয়াসহ অন্যান্য পানিবাহিত রোগের প্রকোপ বেড়ে যাবে। এসব পানি সংস্পর্শে এলে শরীরে বিভিন্ন রোগ দেখা দিতে পারে।’

আপনার মতামত লিখুন :

মানুষকে অসত্য তথ্য দিয়ে বিভ্রান্ত করবেন না: অধ্যাপক ফারুক

মানুষকে অসত্য তথ্য দিয়ে বিভ্রান্ত করবেন না: অধ্যাপক ফারুক
সংবাদ সম্মেলনে কথা বলছেন অধ্যাপক আ ব ম ফারুক হোসেন

মানুষকে অসত্য তথ্য দিয়ে বিভ্রান্ত না করে সত্য দিয়েই তর্ক-বিতর্কের মাধ্যমে সমাধানের পথ খোঁজার আহ্বান জানিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়োমেডিকেল রিসার্চ সেন্টার ও ফার্মেসি অনুষদের  অধ্যাপক  আ ব ম ফারুক হোসেন।

শনিবার (২০ জুলাই) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিক সমিতির কার্যালয়ে মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

এ সময় তিনি মৎস ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের ইঙ্গিত দিয়ে বলেন, সত্যে আসেন, বিজ্ঞান হলো সত্য। আমরা এমন কিছু বলব না যেকারণে বিভ্রান্তি ছড়ায়। সত্য কখনো আমাদের বঞ্চনা করে না। এই সত্যকে অবলম্বন করেই আমাদের মুক্তির দিকে যেতে হবে। সমস্যা দূর করতে হবে।

তরল পদার্থ নিয়ে যে উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে তা অত্যন্ত সহজভাবে সমাধান করা যায় উল্লেখ করে অধ্যাপক ফারুক বলেন, পাস্তুরাইজেশন ইউনিটে যারা কাজ করে তাদের আরেকটু মোটিভেট করা। গরু রোগে আক্রান্ত হবেই। তারা জীবন্ত প্রাণি। তাই তাদের চিকিৎসাও করাতে হবে। নিয়ম হচ্ছে অ্যান্টিবায়োটিক দেওয়ার পর একটা উইথড্রো পিরিয়ড আছে। ততদিন পর্যন্ত গরুর দুধ পান করা যাবে না। এটা খুবই জরুরি। কম পক্ষে ২১ দিন গরুর দুধ নেওয়া যাবে না।

গরুকে চিকিৎসার সময় হিউমান অ্যান্টিবায়োটিক দেওয়া যাবে না। গরুর খাবারে অ্যান্টিবায়োটিক দেওয়া থাকে সেগুলো বিবেচনা করলেই এসব সমস্যার সমাধান হওয়া কঠিন কিছু না।

উকিল নোটিশের ব্যাপারে তিনি বলেন, আমার কাছে একটি উকিল নোটিশ পাঠানো হয়েছে যাকে লিগ্যাল নোটিশও বলা যায়। আমি এতো বড় লোক নই বলে কোনো আইনজীবী দিয়ে নোটিশ পাঠায়নি। আমি সময়মত সেটার উত্তর দিয়েছি। আমি আমার বিবেকমত যতটুকু বলার আত্মপক্ষ সমর্থনের জন্য ততটুকুই বলেছি।

গবেষণার ব্যাপারে সবাই ইতিবাচক দাবি করে তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত আমাদের গবেষণার ব্যাপারে সবার ইতিবাচক সাড়া দেখতে পাচ্ছি। যারা  দু’ একটা কথা বলে তারা আমাদের সামনে বলেন না।

গবেষণার উদ্দেশ্য সম্পর্কে তিনি বলেন, আমাদের গবেষণা কোনো কোম্পানির বিরুদ্ধে না। বরং আমরা দুধ সেক্টরটাকে উন্নত হিসাবে দেখতে চাই এবং  উন্নতমানের দুধ সরবরাহ করা হোক। আমরা যেন মানসম্মত, নিরাপদ দুধ খেতে পারি এটিই আমাদের লক্ষ্য।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের আহবায়ক আ ক ম জামাল উদ্দীন, ঢাবি শাখার সভাপতি আল মামুন, সেক্রেটারি আমিনুল ইসলাম বুলবুল প্রমুখ।

নজরুল প্রশিক্ষণ কোর্সে উত্তীর্ণের হার বাড়ানোর তাগিদ

নজরুল প্রশিক্ষণ কোর্সে উত্তীর্ণের হার বাড়ানোর তাগিদ
উত্তীর্ণ প্রশিক্ষণার্থীদের মাঝে সনদপত্র দেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

নজরুল প্রশিক্ষণ কোর্সে উত্তীর্ণের হার বাড়নোর তাগিদ দিয়েছেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ।

তিনি বলেছেন, ‘কবি নজরুল ইনস্টিটিউটে গত ২০১৬-২০১৮, ২০১৭-২০১৮ শিক্ষাবর্ষে মোট ৩৩৯ জন প্রশিক্ষণার্থী বিভিন্ন প্রশিক্ষণ কোর্সে ভর্তি হয়। চূড়ান্ত পরীক্ষায় মাত্র ১১১ জন উত্তীর্ণ হয়। গত ২০১৭-২০১৮, ২০১৮-২০১৯ শিক্ষাবর্ষে বিভিন্ন কোর্সে ৩৩০ জন প্রশিক্ষণার্থী ভর্তি হয় যার মধ্যে চূড়ান্ত পরীক্ষায় মাত্র ১৫৫ জন উত্তীর্ণ হয়, যা তুলনামূলকভাবে অনেক কম। তাই কবি নজরুল ইনস্টিটিউটকে বিভিন্ন প্রশিক্ষণ কোর্সে উত্তীর্ণের হার বাড়াতে সচেষ্ট হতে হবে। একইসঙ্গে প্রশিক্ষণে উপযুক্ত মানও বজায় রাখতে হবে।’

শনিবার (৭ জুলাই) সকালে ধানমন্ডিতে কবি নজরুল ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে ২০১৯-২০২০ শিক্ষাবর্ষের নবীন প্রশিক্ষণার্থীদের ওরিয়েন্টেশন ক্লাস অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় ২০১৬-২০১৯ সালের বিভিন্ন শিক্ষাবর্ষের নজরুল-সংগীত, আবৃত্তি ও নৃত্য প্রশিক্ষণ কোর্সের উত্তীর্ণ প্রশিক্ষণার্থীদের মাঝে সনদপত্র বিতরণ করা হয়।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘কবি নজরুল ইনস্টিটিউট নজরুলের অপ্রকাশিত গানের রেকর্ড ও সুর সংগ্রহের কাজ করছে। তাছাড়া প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে নজরুল ইনস্টিটিউট নজরুল-সংগীত, আবৃত্তি ও নৃত্য বিষয়ক বিভিন্ন প্রশিক্ষণ কোর্স আয়োজন করে আসছে। প্রতিষ্ঠানটি প্রথম থেকেই নজরুল-সংগীতের বিকৃতি বিষয়ে সচেতন এবং বিকৃতি রোধে তথা নজরুল অনুমোদিত সুর (আদি গ্রামোফোন রেকর্ডের বাণী ও সুরসহ) সংরক্ষণ ও প্রশিক্ষণের মাধ্যমে প্রচারের জন্য নানা কার্যক্রমে সক্রিয়ভাবে নিয়োজিত।’

তিনি আরও বলেন, ‘বর্তমানে নজরুল ইনস্টিটিউট শিশু, কিশোর, তরুণ, উচ্চতর ডিপ্লোমা, উচ্চাঙ্গ সংগীতসহ ১১টি প্রশিক্ষণ কোর্স এবং নজরুল আবৃত্তি দুটি ও নৃত্য তিনটিসহ মোট ১৬টি প্রশিক্ষণ কোর্সের মাধ্যমে নজরুল সংগীতের বাণী ও সুর প্রচার করে যাচ্ছে।’

কবি নজরুল ইনস্টিটিউটের ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারপারসন জাতীয় অধ্যাপক রফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন নজরুল-সংগীত স্বরলিপি প্রমাণীকরণ পরিষদের সভাপতি সেলিনা হোসেন। স্বাগত বক্তব্য দেন- কবি নজরুল ইনস্টিটিউটের নির্বাহী পরিচালক মো. আব্দুর রাজ্জাক ভূঞা।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র