Barta24

শনিবার, ২০ জুলাই ২০১৯, ৫ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

মেটংঘর-শ্রীকাইল সড়কে ঝুঁকিপূর্ণ ব্রিজ, প্রায়ই ঘটছে দুর্ঘটনা

মেটংঘর-শ্রীকাইল সড়কে ঝুঁকিপূর্ণ ব্রিজ, প্রায়ই ঘটছে দুর্ঘটনা
ছবি: বার্তা২৪
জাহিদ পাটোয়ারী
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
কুমিল্লা


  • Font increase
  • Font Decrease

কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলায় সড়ক ও জনপথ বিভাগের (সওজ) আওতাধীন শ্রীকাইল-মেটংঘর সড়কটি অত্যন্ত ব্যস্ততম যোগাযোগ মাধ্যম। তবে সড়কটিতে ঝুঁকিপূর্ণ তিনটি ব্রিজ রয়েছে। এই ব্রিজগুলোই গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কটিকে দুর্ভোগের কারণ করে তুলেছে।

একটি ব্রিজের মাঝখানে বড় গর্তের সৃষ্টি হয়ে মরণ ফাঁদে পরিণত হয়েছে। এতে হরহামেশাই ঘটছে দুর্ঘটনা। উপজেলার ব্যস্ততম এই সড়কের ব্রিজগুলো দীর্ঘদিন থেকে ভেঙে গেলেও সংস্কারের কোনো উদ্যোগ নেই।

স্থানীয়রা জানান, উপজেলার বাঙ্গরা বাজার থানাধীন শ্রীকাইল-মেটংঘর-কোম্পানীগঞ্জ সড়কটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিদিন বিভিন্ন এলাকার লক্ষাধিক জনসাধারণ এখান দিয়ে যাতায়াত করে। তাছাড়া এটি ঢাকা, কুমিল্লা, কোম্পানীগঞ্জ ও মুরাদনগর, বাঙ্গরা থানায় যাতায়াতের জন্য বহুল ব্যবহৃত পথ।

এছাড়া শ্রীকাইল বাজার, সরকারি কলেজ, হাই স্কুল, গার্লস স্কুল, সোনাকান্দা কামিল মাদরাসাসহ শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা, শ্রীকাইল নতুন গ্যাস ফিল্ডে যাওয়ার জন্য এই সড়কটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এ সড়কে সাতটি ব্রিজ রয়েছে, তার মধ্যে চারটি ব্রিজ নতুন করে নির্মাণ ও সংস্কার করা হয়েছে। বাকি তিনটি ব্রিজ অতি ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় তার মধ্য দিয়েই চলাচল করতে হচ্ছে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, মেটংঘর থেকে শ্রীকাইল যেতে প্রথমেই ঘোড়াশাল নামক স্থানে বড় একটি ব্রিজ বহু বছর ধরে পরিত্যক্ত রয়েছে। কারণ ব্রিজের মাঝে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে।

Cumilla Bridge

পাঁচ বছর আগে মোটরসাইকেলে রাতে টহল দেওয়ার সময় ব্রিজের ফাটল দিয়ে নিচে পড়ে এক পুলিশ কর্মকর্তার মৃত্যু হয়। এই ব্রিজের পাশ দিয়ে বাপেক্স নির্মিত বিকল্প সড়ক দিয়ে মানুষ এখন চলাচল করছে। তবে সংযোগ সড়কটি পাকাকরণ না হওয়ায় নানা দুর্ভোগ দেখা দিয়েছে।

অন্যদিকে, ঘোড়াশাল গ্রামে আরও একটি বেইলি ব্রিজ ভেঙে পড়ার অবস্থা। স্টিলের পাটাতনে ছোট বড় একাধিক ছিদ্র সৃষ্টি হয়েছে। প্রায়ই সিএনজিচালিত অটোরিকশার চাকা আটকে গিয়ে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। সোনাকান্দা কবরস্থান সংলগ্ন ব্রিজটি কয়েকটি স্থানে ডালাই ভেঙে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। ব্রিজের মাঝখানের অংশ ধসে পড়ায় মানুষকে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে। যানবাহনে মালামাল পরিবহন করতে গিয়ে প্রতিনিয়ত ছোট বড় দুর্ঘটনা ঘটছে।

এ বিষয়ে কুমিল্লা সওজ-এর নির্বাহী প্রকৌশলী ড. আহাদ উল্লাহ বার্তা২৪.কমকে বলেন, নতুন করে ব্রিজ নির্মাণের জন্য প্রস্তাবনা তৈরি হচ্ছে। প্রস্তাবগুলো অনুমোদন হলেই ব্রিজ নির্মোণের কাজ শুরু হবে।

আপনার মতামত লিখুন :

মানুষকে অসত্য তথ্য দিয়ে বিভ্রান্ত করবেন না: অধ্যাপক ফারুক

মানুষকে অসত্য তথ্য দিয়ে বিভ্রান্ত করবেন না: অধ্যাপক ফারুক
সংবাদ সম্মেলনে কথা বলছেন অধ্যাপক আ ব ম ফারুক হোসেন

মানুষকে অসত্য তথ্য দিয়ে বিভ্রান্ত না করে সত্য দিয়েই তর্ক-বিতর্কের মাধ্যমে সমাধানের পথ খোঁজার আহ্বান জানিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়োমেডিকেল রিসার্চ সেন্টার ও ফার্মেসি অনুষদের  অধ্যাপক  আ ব ম ফারুক হোসেন।

শনিবার (২০ জুলাই) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিক সমিতির কার্যালয়ে মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

এ সময় তিনি মৎস ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের ইঙ্গিত দিয়ে বলেন, সত্যে আসেন, বিজ্ঞান হলো সত্য। আমরা এমন কিছু বলব না যেকারণে বিভ্রান্তি ছড়ায়। সত্য কখনো আমাদের বঞ্চনা করে না। এই সত্যকে অবলম্বন করেই আমাদের মুক্তির দিকে যেতে হবে। সমস্যা দূর করতে হবে।

তরল পদার্থ নিয়ে যে উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে তা অত্যন্ত সহজভাবে সমাধান করা যায় উল্লেখ করে অধ্যাপক ফারুক বলেন, পাস্তুরাইজেশন ইউনিটে যারা কাজ করে তাদের আরেকটু মোটিভেট করা। গরু রোগে আক্রান্ত হবেই। তারা জীবন্ত প্রাণি। তাই তাদের চিকিৎসাও করাতে হবে। নিয়ম হচ্ছে অ্যান্টিবায়োটিক দেওয়ার পর একটা উইথড্রো পিরিয়ড আছে। ততদিন পর্যন্ত গরুর দুধ পান করা যাবে না। এটা খুবই জরুরি। কম পক্ষে ২১ দিন গরুর দুধ নেওয়া যাবে না।

গরুকে চিকিৎসার সময় হিউমান অ্যান্টিবায়োটিক দেওয়া যাবে না। গরুর খাবারে অ্যান্টিবায়োটিক দেওয়া থাকে সেগুলো বিবেচনা করলেই এসব সমস্যার সমাধান হওয়া কঠিন কিছু না।

উকিল নোটিশের ব্যাপারে তিনি বলেন, আমার কাছে একটি উকিল নোটিশ পাঠানো হয়েছে যাকে লিগ্যাল নোটিশও বলা যায়। আমি এতো বড় লোক নই বলে কোনো আইনজীবী দিয়ে নোটিশ পাঠায়নি। আমি সময়মত সেটার উত্তর দিয়েছি। আমি আমার বিবেকমত যতটুকু বলার আত্মপক্ষ সমর্থনের জন্য ততটুকুই বলেছি।

গবেষণার ব্যাপারে সবাই ইতিবাচক দাবি করে তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত আমাদের গবেষণার ব্যাপারে সবার ইতিবাচক সাড়া দেখতে পাচ্ছি। যারা  দু’ একটা কথা বলে তারা আমাদের সামনে বলেন না।

গবেষণার উদ্দেশ্য সম্পর্কে তিনি বলেন, আমাদের গবেষণা কোনো কোম্পানির বিরুদ্ধে না। বরং আমরা দুধ সেক্টরটাকে উন্নত হিসাবে দেখতে চাই এবং  উন্নতমানের দুধ সরবরাহ করা হোক। আমরা যেন মানসম্মত, নিরাপদ দুধ খেতে পারি এটিই আমাদের লক্ষ্য।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের আহবায়ক আ ক ম জামাল উদ্দীন, ঢাবি শাখার সভাপতি আল মামুন, সেক্রেটারি আমিনুল ইসলাম বুলবুল প্রমুখ।

নজরুল প্রশিক্ষণ কোর্সে উত্তীর্ণের হার বাড়ানোর তাগিদ

নজরুল প্রশিক্ষণ কোর্সে উত্তীর্ণের হার বাড়ানোর তাগিদ
উত্তীর্ণ প্রশিক্ষণার্থীদের মাঝে সনদপত্র দেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

নজরুল প্রশিক্ষণ কোর্সে উত্তীর্ণের হার বাড়নোর তাগিদ দিয়েছেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ।

তিনি বলেছেন, ‘কবি নজরুল ইনস্টিটিউটে গত ২০১৬-২০১৮, ২০১৭-২০১৮ শিক্ষাবর্ষে মোট ৩৩৯ জন প্রশিক্ষণার্থী বিভিন্ন প্রশিক্ষণ কোর্সে ভর্তি হয়। চূড়ান্ত পরীক্ষায় মাত্র ১১১ জন উত্তীর্ণ হয়। গত ২০১৭-২০১৮, ২০১৮-২০১৯ শিক্ষাবর্ষে বিভিন্ন কোর্সে ৩৩০ জন প্রশিক্ষণার্থী ভর্তি হয় যার মধ্যে চূড়ান্ত পরীক্ষায় মাত্র ১৫৫ জন উত্তীর্ণ হয়, যা তুলনামূলকভাবে অনেক কম। তাই কবি নজরুল ইনস্টিটিউটকে বিভিন্ন প্রশিক্ষণ কোর্সে উত্তীর্ণের হার বাড়াতে সচেষ্ট হতে হবে। একইসঙ্গে প্রশিক্ষণে উপযুক্ত মানও বজায় রাখতে হবে।’

শনিবার (৭ জুলাই) সকালে ধানমন্ডিতে কবি নজরুল ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে ২০১৯-২০২০ শিক্ষাবর্ষের নবীন প্রশিক্ষণার্থীদের ওরিয়েন্টেশন ক্লাস অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় ২০১৬-২০১৯ সালের বিভিন্ন শিক্ষাবর্ষের নজরুল-সংগীত, আবৃত্তি ও নৃত্য প্রশিক্ষণ কোর্সের উত্তীর্ণ প্রশিক্ষণার্থীদের মাঝে সনদপত্র বিতরণ করা হয়।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘কবি নজরুল ইনস্টিটিউট নজরুলের অপ্রকাশিত গানের রেকর্ড ও সুর সংগ্রহের কাজ করছে। তাছাড়া প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে নজরুল ইনস্টিটিউট নজরুল-সংগীত, আবৃত্তি ও নৃত্য বিষয়ক বিভিন্ন প্রশিক্ষণ কোর্স আয়োজন করে আসছে। প্রতিষ্ঠানটি প্রথম থেকেই নজরুল-সংগীতের বিকৃতি বিষয়ে সচেতন এবং বিকৃতি রোধে তথা নজরুল অনুমোদিত সুর (আদি গ্রামোফোন রেকর্ডের বাণী ও সুরসহ) সংরক্ষণ ও প্রশিক্ষণের মাধ্যমে প্রচারের জন্য নানা কার্যক্রমে সক্রিয়ভাবে নিয়োজিত।’

তিনি আরও বলেন, ‘বর্তমানে নজরুল ইনস্টিটিউট শিশু, কিশোর, তরুণ, উচ্চতর ডিপ্লোমা, উচ্চাঙ্গ সংগীতসহ ১১টি প্রশিক্ষণ কোর্স এবং নজরুল আবৃত্তি দুটি ও নৃত্য তিনটিসহ মোট ১৬টি প্রশিক্ষণ কোর্সের মাধ্যমে নজরুল সংগীতের বাণী ও সুর প্রচার করে যাচ্ছে।’

কবি নজরুল ইনস্টিটিউটের ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারপারসন জাতীয় অধ্যাপক রফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন নজরুল-সংগীত স্বরলিপি প্রমাণীকরণ পরিষদের সভাপতি সেলিনা হোসেন। স্বাগত বক্তব্য দেন- কবি নজরুল ইনস্টিটিউটের নির্বাহী পরিচালক মো. আব্দুর রাজ্জাক ভূঞা।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র