Barta24

মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই ২০১৯, ১ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

নির্বাচনকালে সেনাবাহিনীর বিচারিক ক্ষমতার বিপক্ষে তোফায়েল

নির্বাচনকালে সেনাবাহিনীর বিচারিক ক্ষমতার বিপক্ষে তোফায়েল
সেন্ট্রাল ডেস্ক ২


  • Font increase
  • Font Decrease
আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় সেনাবাহিনীকে বিচারিক ক্ষমতা দেওয়ার বিপক্ষে মত দিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য তোফায়েল আহমেদ। তিনি বলেছেন, নির্বাচনের সময় সেনাবাহিনী কেন বিচারিক ক্ষমতা পাবে। ভোটের সময় সেনাবাহিনী কেবল অন্যান্য বাহিনীকে সহায়তা করবে। বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার দাবির বিষয়ে সরকারের মনোভাব জানতে চাইলে বাণিজ্যমন্ত্রী আজ সোমবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের কাছে এ কথা বলেন। ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) ভোট নেওয়ার বিষয়ে দলের অবস্থান ব্যাখ্যা করেন তিনি। তিনি বলেন, ইভিএম নিয়ে আওয়ামী লীগ নির্বাচন কমিশনে (ইসি) দলীয় অবস্থান জানিয়েছে। এখন নির্বাচন কমিশন চাইলে ভোটে ইভিএম ব্যবহার করবে, না চাইলে নেই। এটা ইসির সিদ্ধান্তের ব্যাপার। বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ২০০১ সালের নির্বাচনে সেনাবাহিনীকে বিচারিক ক্ষমতা দিয়ে মোতায়েন করা হয়েছিল। এতে বিএনপি লাভবান হয়েছিল। কিন্তু আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা তখন ভোটের সময় ছিলেন বাগানে। তিনি বলেন, ‘সেনাবাহিনী ভোটের সময় সিভিলদের সহায়তা করবে। তাদের কেন বিচারিক ক্ষমতা দিতে হবে?’ আওয়ামী লীগের এই নেতা বলেন, ২০১৪ সালে নির্বাচনে অংশ না নিয়ে বিএনপি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে দলটির কোনো লাভ হয়নি। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় নির্বাচন সুষ্ঠু হবে না—বিএনপি চেয়ারপারসনের এমন বক্তব্যকে অপ্রত্যাশিত বলে মন্তব্য করেন তিনি। গত নির্বাচনে আওয়ামী লীগ কোনো কারচুপি করেনি। গতকাল রোববার রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে এক সমাবেশে বিএনপি চেয়ারপারসন বলেছেন, শেখ হাসিনার অধীনে নিরপেক্ষ নির্বাচন হবে না। তিনি নির্বাচনে বিচারিক ক্ষমতা দিয়ে সেনা মোতায়েন করার দাবি ও ইভিএম ব্যবহার না করার দাবি জানান।
আপনার মতামত লিখুন :

এইচএসসির ফল প্রকাশ বুধবার

এইচএসসির ফল প্রকাশ বুধবার
পুরনো ছবি

চলতি বছর অনুষ্ঠিত উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হবে আগামীকাল।

বুধবার (১৭ জুলাই) সকাল ১০টায় গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতে ফলের অনুলিপি তুলে দেবেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি এবং শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরীসহ সংশ্লিষ্ট বোর্ড প্রধানরা।

পরে সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে ফলাফলের বিভিন্ন দিক তুলে ধরবেন শিক্ষামন্ত্রী। মন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলনের পর থেকে শিক্ষার্থীরা ফল জানতে পারবেন।

স্ব-স্ব প্রতিষ্ঠান থেকে রেজাল্ট শিট ডাউনলোডের প্রক্রিয়া কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের জানিয়েছে ঢাকা বোর্ড।

বোর্ডের ওয়েবসাইটে (www.dhakaeducationboard.gov.bd) ‘রেজাল্ট’ কর্নারে ক্লিক করে ইআইআইএন নম্বর এন্ট্রি করে প্রতিষ্ঠনভিত্তিক রেজাল্ট শিট ডাউনলোড করা যাবে। এছাড়া জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ইমেইলে কেন্দ্র ও প্রতিষ্ঠানভিত্তিক ফল পাঠানো হবে। ডিসি অফিস ও ইউএনও কার্যালয় থেকে ফলের হার্ড কপি সংগ্রহ করা যাবে।

এছাড়া দুপুর ১টায় মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটে (www.bmeb.gov.bd) প্রবেশ করে আলিম পরীক্ষার জেলা ও প্রতিষ্ঠানভিত্তিক ফল পাওয়া যাবে।

উল্লেখ্য, গত ১ এপ্রিল এ বছর এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয়। আটটি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, মাদরাসা ও কারিগরি বোর্ড মিলিয়ে মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১৩ লাখ ৫১ হাজার ৩০৯ জন।

এর মধ্যে আটটি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের ১১ লাখ ৩৮ হাজার ৫৫০ জন, মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডে ৭৮ হাজার ৪৫১ জন এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে এক লাখ ২৪ হাজার ২৬৫ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়।

মোট কেন্দ্রের সংখ্যা দুই হাজার ৫৮০টি। পরীক্ষা শেষ হয় ১২ মে। আর ১২ থেকে ২১ মের মধ্যে হয় ব্যবহারিক পরীক্ষা।

বন্যার্তদের জন্য রেড ক্রিসেন্টে ছুটি বাতিল

বন্যার্তদের জন্য রেড ক্রিসেন্টে ছুটি বাতিল
ছবি: সংগৃহীত

বন্যার্তদের মধ্যে শুকনা খাবার ও প্রয়োজনীয় সামগ্রী বিতরণ করছে রেড ক্রিসেন্ট। এ কাজে সহযোগিতা করতে সোসাইটি জাতীয় সদর দফতরসহ ৩২ জেলার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ছুটি বাতিল করেছে রেড ক্রিসেন্ট। শুক্র ও শনিবারও অফিস খোলা রাখা হয়েছে।

বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব জানানো হয়েছে। এছাড়া রেড ক্রিসেন্ট রাঙ্গামাটিতে ৪০০, সুনামগঞ্জে ১০০, বান্দরবানে ১০০, সিলেটে ২০০, জামালপুরের ৫০০ এবং লালমনিরহাটে ১৫০ পরিবারের মধ্যে শুকনা খাবার দিয়েছে বলে জানানো হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) সোসাইটির কনফারেন্স কক্ষে ‘বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় করণীয়’ শীর্ষক বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সোসাইটির ডিজাস্টার রেসপন্স বিভাগ জানায়, বন্যা পরবর্তী ক্ষতিগ্রস্ত জনগণকে চিকিৎসা সেবা দিতে প্রস্তুত রাখা হয়েছে মেডিকেল টিম ও প্রয়োজনীয় ওষুধ। এছাড়া প্রস্তুত রাখা হয়েছে ন্যাশনাল ডিজাস্টার রেসপন্স টিম, ন্যাশনাল ডিজাস্টার ওয়াটসন রেসপন্স টিম, ইউনিট ডিজাস্টার রেসপন্স টিম ও রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের স্বেচ্ছাসেবকদের। সার্বক্ষণিক ক্ষয়ক্ষতির তথ্য সংগ্রহের জন্য সোসাইটির মগবাজার জাতীয় সদর দফতরে কাজ করছে ‘বিডিআরসিএস
কন্ট্রোল রুম’।

সব ধরনের তথ্য জানতে ফোন নম্বর: +০০৮৮-০২-৯৩৫৫৯৯৫ (সরাসরি), ০১৭২০৯৭৭৮৭৭, ০১৮১১৪৫৮৫২৪, ৯৩৩০১৮৮, ৯৩৩০১৮৯, ৯৩৫০৩৯৯-২৮২।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র