Barta24

শনিবার, ২০ জুলাই ২০১৯, ৫ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

শতবর্ষী সেই বৃদ্ধার দায়িত্ব নিতে চান জাপা মহাসচিব রাঙ্গা

শতবর্ষী সেই বৃদ্ধার দায়িত্ব নিতে চান জাপা মহাসচিব রাঙ্গা
ছবি: বার্তা২৪.কম
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
রংপুর


  • Font increase
  • Font Decrease

মাল্টিমিডিয়া অনলাইন নিউজ পোর্টাল বার্তা২৪.কম-এ ‘সন্তান থাকার পরও শতবর্ষী মায়ের বসবাস টয়লেটে’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশের পর বৃদ্ধা নছিমনের ভরণ পোষণের দায়িত্ব গ্রহণে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন সাবেক প্রতিমন্ত্রী মসিউর রহমান রাঙ্গা।

সোমবার (২৪ জুন) রাতে মসিউর রহমান তার ব্যক্তিগত সহকারির মাধ্যমে বৃদ্ধা নছিমনের খোঁজ খবর নেন।

জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ ও জাতীয় পার্টির মহাসচিব মসিউর রহমান রাঙ্গা বার্তা২৪.কমকে তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন।

সাবেক এই প্রতিমন্ত্রী জানান, ‘বৃদ্ধা মায়ের টয়লেটে বসবাসের সংবাদটি আমাকে ব্যথিত করেছে। আমি মর্মাহত। সন্তান থাকার পরও মায়ের এমন মানবেতর জীবনযুদ্ধ দেখাটা সত্যি কষ্টদায়ক।’
https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/25/1561399778229.jpgতিনি আরো বলেন, “ফেসবুকে ‘আমরাই পাশে রংপুর’ গ্রুপ আমাকে ওই বৃদ্ধা মায়ের ব্যাপারে অবগত করলে আমার ব্যক্তিগত সহকারিকে দিয়ে তার খোঁজ নিয়েছি। তার পরিবার ও স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে সেখানে তার বসবাসের জন্য একটি ঘর নির্মাণ করে থাকার ব্যবস্থাসহ সব ধরনের খরচের দায়িত্ব নেওয়ার কথা জানিয়েছি।”

এদিকে রাঙ্গার ব্যক্তিগত সহকারি শাহীন হোসেন জাকির বার্তা২৪.কমকে বলেন, স্যারের নির্দেশে আমি বৃদ্ধা যেখানে থাকেন সে জায়গাটি পরিদর্শন করেছি। তার বড় ছেলের ঘরের পাশে নতুন একটি ঘর নির্মাণ করে সখানে থাকার ব্যবস্থা করা হবে। স্যার (রাঙ্গা) বৃদ্ধা নছিমনের থাকা, খাওয়া, চিকিৎসা সেবার খরচ বহন করবেন।
https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/25/1561399800279.jpgএ ব্যাপারে ‘আমরাই পাশে রংপুর’ গ্রুপের এডমিন আল-আমিন সুমন বার্তা২৪.কমকে বলেন, ‘আমরা জাতীয় পার্টির মহাসচিবের সঙ্গে যোগাযোগ করে বৃদ্ধা নছিমনের মানবেতর জীবনযাপনের কথা তুলে ধরলে তিনি আমৃত্যু বৃদ্ধার ভরণ পোষণের দায়িত্ব নেয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।’

আপনার মতামত লিখুন :

‘প্রিয়া সাহাকে আইনের আওতায় আনতে কাজ করছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়’

‘প্রিয়া সাহাকে আইনের আওতায় আনতে কাজ করছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়’
ডিএমপি কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া/ ফাইল ছবি

বাংলাদেশবিরোধী মন্তব্য করায় প্রিয়া সাহাকে আইনি প্রক্রিয়ার মধ্যে আনতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয় কাজ করছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া।

শনিবার (২০ জুলাই) দুপুরে রাজধানীতে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশনে (বিএফডিসি) বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। সহিংস উগ্রবাদবিরোধী' ছায়া সংসদ বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠানের আয়োজন করে ডিবেট ফর ডেমোক্রেসি।

আছাদুজ্জামান মিয়া বলেন, ‘প্রিয়া সাহার এমন মন্তব্যের বিষয়ে জানতে পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয় যোগাযোগ করছে। সমস্ত বক্তব্য, তথ্য-প্রমাণ তদন্তের সাপেক্ষে প্রিয়া সাহার বিরুদ্ধে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয় আইনগত ব্যবস্থা নেবে। বাংলাদেশে চলমান সব উন্নয়ন, গণতন্ত্র, সার্বভৌমত্ব ও অগ্রযাত্রাকে বাধাগ্রস্ত করতে এটি একটি আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্র।’

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/20/1563616113182.gif

তিনি বলেন, ‘রথযাত্রা, ফিরতি রথযাত্রা, দুর্গাপূজাসহ হিন্দু সম্প্রদায়ের বিভিন্ন অনুষ্ঠান, বড়দিনে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করে থাকি। সংখ্যালঘুদের ওপর কেউ যাতে নির্যাতন ও হামলা করতে না পারে, সে জন্য তৎপর ভূমিকা পালন করে থাকি। সংখ্যালঘুদের ওপর নির্যাতন চালিয়ে কারো জমি ছিনিয়ে নেওয়ার মতো কোনো ঘটনা বাংলাদেশে ঘটেনি।’

তিনি আরও বলেন, ‘সহিংস উগ্রবাদ দমনে ধর্মীয়, পারিবারিক ও সামাজিক মূল্যবোধ গুরুত্বপূর্ণ। আর বাংলাদেশে ধর্মীয়, পারিবারিক ও সামাজিক মূল্যবোধ আছে বলে আমরা উগ্রবাদ নিয়ন্ত্রণ করতে পেরেছি।’

আরও পড়ুন: প্রিয়া সাহার বক্তব্য অসত্য: কাদের

আরও পড়ুন: প্রিয়া সাহার কাছে প্রমাণ চাইবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়

সরল বিশ্বাসে কিছু করলে অপরাধ নয় বলেছি : দুদক চেয়ারম্যান

সরল বিশ্বাসে কিছু করলে অপরাধ নয় বলেছি : দুদক চেয়ারম্যান
'দুর্নীতি দমনে আইনজীবী এবং বিচার বিভাগের ভূমিকা' শীর্ষক আলোচনা সভায় দুদক চেয়ারম্যান

সরল বিশ্বাসে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের করা কাজ কোনো অপরাধ নয় সম্প্রতি দেওয়া এমন বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিয়ে দুদক চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ বলেছেন, 'এ ব্যাপারে আমার উত্তর একেবারে সহজ। একটি প্রশ্নের বিপরীতে আমি যে উত্তর দিয়েছিলাম সেখানে আমি দুর্নীতি শব্দটি উচ্চারণ করি নাই। আপনারা দেখেতে পারেন। দুর্নীতি কিভাবে আসলো আই হ্যাভ নো আইডিয়া। যারা এনেছেন সেটা তাদের দায়, মোটেও আমার দায় নয়।'

শনিবার (২০ জুলাই) জাতীয় প্রেসক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে 'দুর্নীতি দমনে আইনজীবী এবং বিচার বিভাগের ভূমিকা' শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। সভার আয়োজন করে হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশ।

১৯ জুলাই সচিবালয়ে এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে দুদক চেয়ারম্যান বলেন, এটা সবার জন্য যে সরল বিশ্বাসে সরকারি কর্মকর্তারা কিছু করলে সেটা কোনো অপরাধ নয়, সরল বিশ্বাসে যদি আপনি কোনো কাজ করেন, এবং সেটা যদি বড় কিছুও হয় তাও কোনো অপরাধ নয়। তিনি বলেন, পেনাল কোডেই বলা আছে যে, সরল বিশ্বাসে কৃতকর্ম কোনো অপরাধ নয়, জেনারেল একসেপশন বলে এটাকে। কিন্তু আপনাকে প্রমাণ করতে হবে যে সরল বিশ্বাসে আপনি এ কাজটা করেছেন।'

এ প্রসঙ্গে আলোচনা সভায় তিনি আরও বলেন, 'আমি কোনো ব্যাখ্যা দিতে প্রস্তুত নই। কারণ আপনারা আমাকে জিজ্ঞেস করেছিলেন পরিষ্কার করতে। আমি পরিষ্কার করেছি ওখানে।'

দুর্নীতির ব্যাপারে তিনি বলেন, 'অনেকেই বলেন সরকারদলীয় মন্ত্রী-এমপিদের কিছু করা হয় না। আমার জানামতে আন্ডার প্রসিকিউশন, আন্ডার ইনভেস্টিগেশন এর নামে ইনকোয়ারিতে ১০ থেকে ১৫ জন রয়েছেন সরকার দলীয়। এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের এক দলে রয়েছে ১৫ জন, আরেক দলে রয়েছে ১২ জন, আরেক দলের ব্যবসার সঙ্গে সম্পৃক্ত ইন কোয়ারিতে আছে প্রায় ২৫ জন। এছাড়াও ঊর্ধ্বতন আমলা রয়েছে সচিব থেকে শুরু করে জয়েন সেক্রেটারি পর্যন্ত প্রায় ১৫ জন আছে। ইনভেস্টিগেশনের সময় তথ্য প্রকাশ হলে সেটি বিব্রতকর হয়ে পড়ে। সেজন্য সব তথ্য জানিয়ে দেওয়া একটু অসুবিধার বিষয়। এরপরও কিভাবে যেন সেই তথ্য পাচার হয়ে যায়। সেটি একটি বড় চ্যালেঞ্জ, সেই দায় আমার।'

ইকবাল মাহমুদ বলেন, দুদক আকাশ থেকে উড়ে আসে নাই। এখানে যারা কাজ করেন তারা কিন্তু বিদেশ থেকে আসে নাই। আমরা সবাই এই সমাজের মানুষ। আমরা সবাই এই মাটির সন্তান, এই পরিবেশের প্রোডাক্ট। এই সমাজেরই অংশ। সমাজের অন্যান্য জায়গায় যা হয়, আমার এখানে তা হয় না কথাটা সঠিক নয়। ছোট গাছ উপড়ে ফেলার যতটা সহজ, বট গাছ উপড়ে ফেলা অনেক কঠিন। তাই বলে যে আমরা বট গাছ ধরছি না তা নয়।

এ সময় সাংবাদিকদের উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, 'আপনারা সংবাদ পরিবেশন করবেন যাতে প্রতিষ্ঠানের ক্ষতি না হয়। ব্যক্তি ক্ষতি হোক অসুবিধা নাই। কারণ, প্রতিষ্ঠান রাষ্ট্রের, সরকারের নয়। আমাদের ব্যর্থতা আছে। সে ব্যর্থতা কাটানোর জন্য কি করা যায় সেটা আপনারা বলুন। সবার সম্মিলিত প্রয়াস ছাড়া দুর্নীতি দমন সম্ভব না।'

আলোচনা সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন, আপিল বিভাগের বিচারপতি মো. নিজামুল হক, হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশ এর প্রেসিডেন্ট অ্যাড. মনজিল মোরসেদ প্রমুখ।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র