Barta24

বুধবার, ২৪ জুলাই ২০১৯, ৯ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

ফের পেছাল ছাত্রলীগ নেতা মর্তুজা হত্যার রায়

ফের পেছাল ছাত্রলীগ নেতা মর্তুজা হত্যার রায়
ছবি: বার্তা২৪.কম
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
চট্টগ্রাম


  • Font increase
  • Font Decrease

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি আলী মর্তুজা হত্যা মামলার রায়ের দিন আবারো পিছিয়ে গেল। গত ২৮ মে রায় পিছিয়ে দিয়ে ২০ জুন বৃহস্পতিবার নির্ধারণ করেছিলেন বিচারক। এবার আরও পিছিয়ে আগামী দিয়ে ১৫ জুলাই রায়ের দিন নির্ধারণ করেন।

১৮ বছর পর আলোচিত এই হত্যা মামলার রায়ের অপেক্ষায় ছিলেন স্বজন ও দলীয় নেতাকর্মীরা। ২০০১ সালের ২৯ ডিসেম্বর নিজ বাড়ি হাটহাজারীর ছড়ারকুলে ব্রাশফায়ারে হত্যা করা হয় আলী মর্তুজাকে।

আলোচিত এই মামলার প্রধান আসামি শিবির ক্যাডার হাবিব খান ঘটনার পর থেকে পলাতক রয়েছেন। জামিনে গিয়ে পলাতক রয়েছেন দুই আসামি। বিভিন্ন সময় নিহত হয়েছেন তিনজন। অন্য দুজন কারাগারে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে চট্টগ্রাম জেলা আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর এ কে এম সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, ‘চাঞ্চল্যকর আলী মর্তুজা হত্যা মামলায় আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক শেষ হয়েছে। বিচার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ায় চতুর্থ অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম মঙ্গলবার (২৮ মে) রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেছিলেন। আদালত মামলাটির রায় পুনরায় নির্ধারণ করেন ২০ জুন। কিন্তু ২০ জুন রায় না দিয়ে আবার পিছিয়ে ১৫ জুলাই শুনানির দিন নির্ধারণ করেন। আশা করছি সেদিন আসামিদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত হবে।’

এই মামলায় বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাড. ইব্রাহিম হোসেন চৌধুরী বাবুল বলেন, ‘ছাত্রনেতা আলী মর্তুজা হত্যা মামলার বিচারকাজ শেষে চতুর্থ অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতে মামলার রায় ঘোষণা করার কথা ছিল। হঠাৎ করে আদালত রায়ের নতুন তারিখ ঘোষণা করে।’

মামলার বাদী নিহত আলী মর্তুজার বড় ভাই আলী নাসের চৌধুরী বার্তা২৪.কম-কে বলেন, ‘দীর্ঘ ১৮টি বছর ভাই হারানোর যন্ত্রণা নিয়ে দিন কাটাচ্ছি। আজ সেই ঘৃণ্য আসামিদের সর্বোচ্চ শাস্তির অপেক্ষায় ছিলাম। কিন্তু হঠাৎ করে রায়ের দিন পরিবর্তন হওয়ায় আমরা হতাশ। তবুও এটুকুই আশা করছি সব আসামিকে বিজ্ঞ আদালত মৃত্যুদণ্ড দেবেন।’

আসামিদের মধ্যে ঘটনার পর থেকে পলাতক রয়েছেন শিবির ক্যাডার হাবিব খান। জামিনে গিয়ে পলাতক মো. হাসান ও মো. ইসমাইল। র‌্যাবের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়েছে সন্ত্রাসী গিট্টু নাসির, গণপিটুনিতে নিহত হন আইয়ুব আলী ওরফে রাশেদ ও সন্ত্রাসীদের গুলিতে মারা যান সাইফুল ইসলাম। শিবির ক্যাডার তছলিম উদ্দিন ওরফে মন্টু ও মো. আলমগীর ওরফে বাইট্টা আলমগীর কারাগারে।

উল্লেখ্য, ২০০১ সালে আলী মর্তুজা হত্যার পরদিন ৩০ ডিসেম্বর আটজনকে আসামি করে হাটহাজারী থানায় হত্যা মামলা করেন তার বড় ভাই ফতেয়াবাদ আদর্শ বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আলী নাসের চৌধুরী। তদন্ত শেষে পুলিশ ২০০৪ সালে এই মামলার অভিযোগপত্র দেয়। এতে আটজনকেই অভিযুক্ত করা হয়।

আপনার মতামত লিখুন :

রোবট দিয়ে বোমা পরীক্ষা, বিস্ফোরণে নিষ্ক্রিয়

রোবট দিয়ে বোমা পরীক্ষা, বিস্ফোরণে নিষ্ক্রিয়
ঘটনাস্থলে বোম ডিসপোজাল ইউনিট ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

রাজধানীর খামারবাড়িস্থ বঙ্গবন্ধু চত্বরের পাশেই যে বোমা সাদৃশ্য বস্তু শনাক্ত করা হয়, সেটার অবস্থান ও শক্তি বোঝার জন্য রোবট দিয়ে পরীক্ষা করেছে বোমা নিষ্ক্রিয়কারী দল (বোম ডিসপোজাল ইউনিট)।

পরবর্তীতে বিস্ফোরণের মধ্য দিয়ে ওই বোমাগুলো নিষ্ক্রিয় করে বোম ডিসপোজাল ইউনিট। এ সময় বিকট শব্দে চারপাশ কেঁপে ওঠে।

বুধবার (২৪ জুলাই) রাত ৩টার দিকে তেজগাঁও জোনের সহকারী কমিশনার মাহামুদ হাসান বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।

রোবট দিয়ে বোমা পরীক্ষা, বিস্ফোরণে নিষ্ক্রিয়

তিনি বলেন, 'সেখানে বোমা সদৃশ্য বস্তু রয়েছে, জানার পর জায়গাটি নিরাপত্তা বেষ্টনী দিয়ে ঘেরাও করে রাখা হয়। ওই বোমাগুলো কতটুকু কার্যকর আর কেমন অবস্থায় আছে তা জানার জন্য পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার জন্য রোবট পাঠানো হয়। সেটা মনিটরে দেখে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।'

পুলিশের এ কর্মকর্তা বলেন, 'বোম ডিসপোজাল ইউনিট একটি বিস্ফোরণের মাধ্যমে ওই বোমগুলো নিষ্ক্রিয় করতে সক্ষম হয়। এ সময় বিকট শব্দ হয়। সেখানে মোট পাঁচটি অক্ষত বোম ছিল।'

তিনি আরও বলেন, 'বোমা নিষ্ক্রিয়ের পর তার কিছু অংশবিশেষ বোম ডিসপোজাল ইউনিট সংগ্রহ করে নিয়ে গেছে। পরবর্তীতে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে জানানো হবে এগুলো কি ধরনের বোমা ছিল।'

উল্লেখ্য, এর আগে রাজধানীর খামারবাড়ি এলাকার কাছাকাছি দুই জায়গা থেকে বোমা সদৃশ বস্তুর সন্ধান পায় পুলিশ।

আরও পড়ুন: রাজধানীতে বোমা সদৃশ বস্তু উদ্ধার

রাজধানীতে বোমা সদৃশ বস্তু উদ্ধার

রাজধানীতে বোমা সদৃশ বস্তু উদ্ধার
উদ্ধারকৃত বোমা সদৃশ বস্তু, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

রাজধানীর খামারবাড়ি এলাকার কাছাকাছি দুই জায়গা থেকে বোমা সদৃশ বস্তু উদ্ধার করেছে পুলিশ। উদ্ধারকৃত বোমা নিষ্ক্রিয় করতে ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে বোম ডিসপোজাল ইউনিট।

মঙ্গলবার (২৩ জুলাই) দিবাগত রাতে বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে বিষয়টি নিশ্চিত করেন তেজগাঁও থানার ওসি শামীম উর রশিদ।

শামীম উর রশিদ বলেন, 'খামার বাড়ির রাস্তায় বঙ্গবন্ধু চত্বরের কাছাকাছি দুই জায়গায় দুটি বোমা সাদৃশ্য বস্তু শনাক্ত করা গেছে। প্রাথমিকভাবে আমার নিশ্চিত হয়ে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি। ঘটনাস্থলে বোমা নিষ্ক্রিয় করার জন্য বোম ডিসপোজাল ইউনিট এসেছে।' 

রাজধানীতে বোমা সদৃশ বস্তু উদ্ধার

তিনি বলেন, 'শনাক্ত করা বোমা সদৃশ্য এ দুটি বস্তু আদৌ বোমা কিনা এ বিষয়টি এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ঘটনাস্থলে কাজ করছে বোম ডিসপোজাল ইউনিট।'

তবে বোম ডিসপোজাল ইউনিটের একটি সূত্রে জানা গেছে, একটি কার্টুনের ভেতর দুটি বোমা উদ্ধার করা গেছে। তবে সেগুলোর কার্যকারিতা সম্পর্কে এখনো জানা সম্ভব হয়নি। মনে হচ্ছে তরল কোনো কিছুর ভেতরে কালো স্কচ টেপ দিয়ে পেঁচিয়ে রাখা হয়েছে। পরীক্ষা নিরীক্ষা চলছে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র