Barta24

সোমবার, ২২ জুলাই ২০১৯, ৭ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

সাংবাদিকতার মূল জায়গা হচ্ছে শিখতে চাওয়া

সাংবাদিকতার মূল জায়গা হচ্ছে শিখতে চাওয়া
বাংলাদেশে অনলাইন সাংবাদিকতার জনক ও বার্তা২৪.কম-এর এডিটর ইন চিফ আলমগীর হোসেন/ ছবি: বার্তা২৪.কম
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

তরুণ সাংবাদিকদের উদ্দেশে বাংলাদেশে অনলাইন সাংবাদিকতার জনক ও বার্তা২৪.কম-এর এডিটর ইন চিফ আলমগীর হোসেন বলেছেন, ‘সাংবাদিকতার মূল জায়গা হচ্ছে শিখতে চাওয়া। এখন তরুণ সাংবাদিকদের মধ্যে দেখা যায়, আমি সব শিখে ফেলেছি ভাব, আসলে তা না। আমাদের প্রতি মুহূর্তে শেখা উচিত। যার যত শেখার আগ্রহ, সে তত উন্নতি করবে। আমরা যে যত খাটাখাটনি করব, তার ভবিষ্যৎ তত ভালো।’

বৃহস্পতিবার (২০ জুন) বাংলাদেশ প্রেস ইনস্টিটিউটের সেমিনার কক্ষে আয়োজিত তিন দিনব্যাপী ‘টেলিভিশন সাংবাদিকতায় বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ’ এর সমাপনী অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।

প্রশিক্ষণকালে রিপোর্টারদের মানসিকভাবে চিন্তামুক্ত রাখার আহ্বান জানিয়ে আলমগীর হোসেন বলেন, ‘আমাদের সময়ে ডিআরইউ‘র মাধ্যমে প্রশিক্ষণ দেওয়া হতো, তবে তা সীমিত আকারে। আমার মনে হয়, প্রশিক্ষণ নিতে আসা রিপোর্টারদের মেন্টাল্লি ফ্রি রাখা উচিত। ৩/৪টা অ্যাসাইনমেন্ট মাথায় নিয়ে প্রশিক্ষণ ভালো হবে না। এটাকে রীতিমত ক্লাস হিসেবে নিতে হবে। এজন্য প্রতিষ্ঠানগুলোকে রিপোর্টারদের ফ্রি রাখতে হবে।’

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/20/1561034213625.jpg

ডিআরইউ প্রতিষ্ঠার স্মৃতি তুলে ধরে আলমগীর হোসেন বলেন, ডিআরইউতে আমি তিন বার কমিটিতে ছিলাম, তখন ছোট্ট পরিসর ছিল। শাহজাহান সরদারের পর আমি সভাপতি হলাম। ছোট জায়গা, তখন ওখানে বস্তি ছিল। লাখ লাখ টাকা সংগ্রহ করলাম। বস্তিবাসীদের বললাম, আপনাদের ২০ থেকে ২৫ হাজার করে টাকা দিচ্ছি, আপনারা অন্য কোথাও ঘর তৈরি করতে পারবেন। এখন ডিআরইউ একটা আকৃতি নিয়েছে। এক হাজার ৮০০ সদস্য প্রতিষ্ঠানটির।’

সাংবাদিকদের জন্য প্রশিক্ষণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ জানিয়ে তিনি বলেন, ‘এখন শুনি, বিদেশ থেকে প্রশিক্ষণের জন্য গণমাধ্যমে কোনো আমন্ত্রণ এলে রিপোর্টারদের না পাঠিয়ে এডিটররা নিজে চলে যান। আমার মনে হয়, যারা সাংবাদিকতায় আরও বেশি সময় দিতে পারবেন তাদের দক্ষ বানানোর জন্য পাঠানো উচিত।’

গণমাধ্যমের সংকট তুলে ধরে বার্তা২৪.কম’র এডিটর ইন চিফ বলেন, ‘বর্তমানে গণমাধ্যমে নানা সংকট চলছে। প্রথম সারির পত্রিকার গলা সমান বিজ্ঞাপন কিন্তু নিউজ নেই। এরপরও তারা সাংবাদিক ছাঁটাই করছে। সিনিয়রদের ছাঁটাই করে অল্প টাকায় সাংবাদিক নিচ্ছে।’

আপনার মতামত লিখুন :

ছেলেধরা গুজব: পুলিশের সব ইউনিটকে সতর্ক থাকার নির্দেশ

ছেলেধরা গুজব: পুলিশের সব ইউনিটকে সতর্ক থাকার নির্দেশ
ছবি: সংগৃহীত

ছেলেধরা গুজবের বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়ে বাংলাদেশ পুলিশের সব ইউনিটকে সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়েছে পুলিশ সদর দফতর।

সোমবার (২২ জুলাই) পুলিশ সদর দফতরের সহকারী মহাপরিদর্শক (এআইজি-অপারেশনস) সাঈদ তারিকুল হাসান সারা দেশের পুলিশের ইউনিটগুলোকে এ বিষয়ে চিঠি পাঠিয়েছেন।

দেশের বিভিন্ন স্থানে ছেলেধরা গুজব ছড়িয়ে গণপিটুনিতে হত্যার মাধ্যমে অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টির চেষ্টা চলছে বলে মনে করে পুলিশ।

চিঠিতে বলা হয়, ছেলেধরার গুজব বন্ধ করতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক, টুইটার, ইউটিউব এবং ব্লগগুলো নজরদারির আওতায় আনার জন্য ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। এছাড়া এ সংক্রান্ত পোস্ট দিলে বা শেয়ার করলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।

চিঠিতে চারটি বিষয় উল্লেখ করে বলা হয়েছে, সেগুলো হলো- শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কেন্দ্রিক জনসচেতনতা বৃদ্ধি, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম মনিটরিং এবং ইলেকট্রনিক মিডিয়া ও পত্রিকায় গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ।

চিঠিতে এছাড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে টহল ও গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, পরিচালনা পরিষদের সদস্য ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা করে সচেতনতা বাড়ানোরও তাগিদ দেওয়া হয়। ছুটির পর অভিভাবকরা যাতে শিক্ষার্থীদের নিয়ে যান, সে বিষয় নিশ্চিত করার জন্য স্কুল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা, প্রতিটি স্কুল ক্যাম্পাসের সামনে ও বাইরে ক্লোজ সার্কিট (সিসিটিভি) ক্যামেরা স্থাপন, মেট্রোপলিটন ও জেলা শহরের বস্তিতে নজরদারি বৃদ্ধির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

আরও বলা হয়েছে, আজকের এ চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে পুলিশের ইউনিটগুলো কি ব্যবস্থা নিয়েছে তা আগামী তিন দিনের মধ্যে পুলিশ সদর দফতরে ফ্যাক্সের মাধ্যমে জানাতে হবে।

রংপুরে বানভাসিদের হাতে আনসারের ত্রাণ

রংপুরে বানভাসিদের হাতে আনসারের ত্রাণ
ত্রাণ নিচ্ছেন বন্যা দুর্গতরা, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

রংপুরের পীরগাছায় বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করেছে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী (আনসার-ভিডিপি)।

সোমবার (২২ জুলাই) দুপুরে পীরগাছায় ছাওলা ইউনিয়নের শিবদেব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে তিন শতাধিক বানভাসির হাতে ত্রাণ তুলে দেয়া হয়।

আনসার ও ভিডিপির রংপুর রেঞ্জের পরিচালক একেএম জিয়াউল আলম প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন।

বানভাসিদের হাতে আনসারের ত্রাণ

এ সময় তিনি বলেন, 'আনসার ও ভিডিপির রংপুর রেঞ্জ নিজ তহবিল থেকে সামান্য ত্রাণ সহায়তা নিয়ে বন্যা দুর্গতদের পাশে দাঁড়িয়েছে। এসব প্যাকেটে চিড়া, মুড়ি, গুড়, খাবার স্যালাইন, পানি বিশুদ্ধিকরণ ট্যাবলেট, বিশুদ্ধ পানি, মোমবাতি ও দিয়াশলাই রয়েছে। এটা সামান্য সহায়তা। তবে আমাদের বিশ্বাস, সবাই যার যার অবস্থান থেকে বানভাসি মানুষদের পাশে সহায়তার হাত বাড়ালে বন্যার্তদের খাবার হাহাকার কমে আসবে।'

ত্রাণ বিতরণকালে অন্যান্যদের উপস্থিত ছিলেন- রংপুর জেলা কমান্ডেন্ট মো. জিয়াউর রহমান, কোম্পানি কমান্ডার রেজাউল ইসলাম, উপজেলা প্রশিক্ষক মো. আজম, শিবদেব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শাহ্ মো. শফিকুল ইসলাম প্রমুখ।

বানভাসিদের হাতে আনসারের ত্রাণ

এদিকে ত্রাণ হাতে বাড়ি ফেরার পথে বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কের সঙ্গে কথা বলেন আফরোজা বেগম। তিনি বলেন, 'শিবদেব, গাবুড়া, জুয়ান, রামসিং গ্রামে এখনো হাঁটু পানি আছে। এবারের বন্যায় এসব গ্রামের অনেক ফসলি জমি পানির নিচে তলিয়ে আছে। পুকুর ডুবে মাছ ভেসে গেছে। অনেক ঘরবাড়ি বানের তোড়ে ভেঙে গেছে। ক্ষতিগ্রস্ত মানুষরা এখনো খাবার সংকটসহ কর্মহীন অবস্থায় আছে। সরকারিভাবে খুব বেশি ত্রাণ পৌঁছেনি এসব গ্রামে।'

ত্রাণ সহায়তা প্রসঙ্গে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আব্দুল হাকিম সরদার বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে বলেন, 'অধিকাংশ বাড়িতে পানি ওঠায় রান্না করার পরিস্থিতি নেই। তাদের জন্য শুকনা খাবারের প্রয়োজন। ত্রাণ হিসেবে ইতোমধ্যে শুকনা খাবার ও কিছু জিআরের চাল বিতরণ করা হয়েছে। এছাড়াও আরও সরকারি ত্রাণ বরাদ্দের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।'

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র