Barta24

সোমবার, ২২ জুলাই ২০১৯, ৭ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

অপপ্রচার বন্ধে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চাইলেন বিভাগীয় কমিশনার

অপপ্রচার বন্ধে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চাইলেন বিভাগীয় কমিশনার
তথ্য অধিকার আইন বাস্তবায়নের লক্ষ্যে চট্টগ্রামে মতবিনিময় সভা/ ছবি: বার্তা২৪.কম
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
চট্টগ্রাম


  • Font increase
  • Font Decrease

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক, ইউটিউবে প্রধানমন্ত্রীসহ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার, গুজব বন্ধে প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আর্কষণ করেছেন চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার আব্দুল মান্নান। এক্ষেত্রে তিনি তথ্য মন্ত্রণালয়েরও সহায়তা কামনা করেন।

বৃহস্পতিবার (২০ জুন) দুপুরে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসের সম্মেলন কক্ষে তথ্য অধিকার আইন বাস্তবায়নের লক্ষ্যে অবেক্ষণ (সুপারভিশন) ও পরিবীক্ষণ মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্বকালে তিনি এ আহ্বান জানান। চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনের কার্যালয়ের উদ্যাগে সভায় অংশ নেন চট্টগ্রাম বিভাগীয় ও জেলা কমিটির সদস্যরা। এতে তথ্য কমিশনার সুরাইয়া বেগম প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

আব্দুল মান্নান বলেন, ‘নির্বিঘ্নে মানুষের কাছে তথ্য প্রাপ্তি নিশ্চিতে সরকার তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির সম্প্রসারণ করেছে। কিন্তু প্রতিদিন অফিস শেষে রাতে দেখি স্পিকার, সাবেক ও বর্তমান মন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতির নামে বেনামে গুজব আর অসত্য তথ্য প্রচার করছে। দেশের প্রথম সারির গণমাধ্যমের মতো এদের রেজিস্ট্রেশন দেওয়া হয়েছে কিনা আমার জানা নেই।’

‘ভালো সংবাদের প্রতি মানুষের আগ্রহ নেই। ভালো বিষয়গুলোও সংবাদ হচ্ছে না। তাদের সম্পূর্ণ আগ্রহ ৯০ শতাংশ নেগেটিভের প্রতি। অনেকে বলছেন এটি দেশের বাইরে লন্ডন থেকে হচ্ছে। এক্ষেত্রে তথ্য মন্ত্রণালয় ও দেশের টেলিভিশন সাংবাদিকদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানাচ্ছি।’

বিভাগীয় কমিশনার বলেন, ‘দেশের নাগরিক হিসেবে আপনার স্বাধীনতা আছে, তাই বলে আপনি অন্যের চিন্তা, মতাদর্শকে আঘাত করতে পারেন না। কারও ক্ষতি কিংবা বিদ্বেষ ছড়াতে পারেন না। আমি এমন অবস্থা নিরসনে প্রধানমন্ত্রীর মনোযোগ আর্কষণ করব।’

সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে চট্টগ্রামের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশরনার (উন্নয়ন) নুরুল আলম নিজামী, চট্টগ্রাম বিভাগের বিভিন্ন জেলার প্রশাসক, দুইজন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও), স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা অংশ নেন।

আপনার মতামত লিখুন :

খুলনায় হত্যা মামলায় ৪ আসামির যাবজ্জীবন

খুলনায় হত্যা মামলায় ৪ আসামির যাবজ্জীবন
দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

খুলনায় হত্যা মামলায় চার আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার হাফেজ ফরহাদুজ্জামানকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের পাশাপাশি তাদের ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা, অনাদায়ে আরও ছয় মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (২২ জুলাই) দুপুরে খুলনার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ প্রথম আদালতের বিচারক মো. ইয়ারব হোসেন এ রায় ঘোষণা করেন। অভিযোগ প্রমাণ না হওয়ায় মামলার অপর পাঁচ আসামিকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

নিহত হাফেজ ফরহাদুজ্জামান ডুমুরিয়ার শোভনা ইউনিয়নের মৌলভীপাড়ার মৃত বাবর আলীর ছেলে।

দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন-একই গ্রামের পীর আলী তফাদারের ছেলে শহীদ তফাদার, আমিন সরদার ও তার ভাই আজিজুল সরদার এবং সাত্তার সরদারের ছেলে সোলায়মান সরদার।

খালাসপ্রাপ্তরা হলেন-মোমিন সরদার, সবুর সরদার, নুর ইসলাম সরদার, জুলফিকার সরদার ও নিছার সরদার।

আদালতের রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী এম ইলিয়াস খান জানান, মসজিদের বালু চুরির প্রতিবাদ করায় ২০১৫ সালের ৫ জুন শুক্রবার জুমার নামাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে হাফেজ ফরহাদুজ্জামানকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় নিহতের ভাই ফারুক হোসেন বাদী নয়জনের বিরুদ্ধে ডুমুরিয়া থানায় মামলা করেন। ওই বছরের ৯ অক্টোবর ডুমুরিয়া থানার সেই সময়ের উপপরিদর্শক (এসআই) জাহাঙ্গীর হোসেন নয়জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। মামলায় ৩০ জন সাক্ষীর মধ্যে ২২ জনের সাক্ষ্য নেওয়া হয়। সাক্ষ্য প্রমাণের ভিত্তিতে সোমবার এ রায় দেন আদালত।

চট্টগ্রাম ফ্লাইওভারে জলাবদ্ধতায় কমিশনারের ক্ষোভ

চট্টগ্রাম ফ্লাইওভারে জলাবদ্ধতায় কমিশনারের ক্ষোভ
ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতা নিরসনে সিডিএর নেওয়া মেগা প্রকল্পের পরও নাগরিকদের ভোগান্তির কারণে সংস্থাটির কার্যক্রমে ক্ষোভ ও  অসন্তোষ  প্রকাশ করেছেন বিভাগীয় কমিশনার আবদুল মান্নান।

তিনি বলেন, 'অনেক প্রশাসনিক ধাপ অতিক্রম করে বিভাগীয় কমিশনার হতে হয়। এমন কাজ করেন যেন দায়িত্ব শেষে মরে গেলেও মানুষ ৪০ বছর পর বলবে মেয়র আমাদের জন্য এটি তৈরি করে গিয়েছিলেন।'

সোমবার (২২জুলাই) দুপুরে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে বিভাগীয় উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির সভায় সভাপতিত্বকালে বিভাগীয় কমিশনার এমন ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

প্রায় দু'মাস পরে চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক সেবা সংস্থা, বন্দর, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, গণপূর্ত, স্থানীয় সরকার, সড়ক ও জনপথ, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল, বিদ্যুৎ উন্নয়নের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন বিভাগীয় কমিশনার। 

সভার শুরুতে আলোচ্যসূচি মোতাবেক বন্দরের কোনো প্রতিনিধি না থাকায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি। একইসঙ্গে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিবের বরাবর চিঠি দেওয়ার কথা জানান তিনি। এরপর চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের প্রতিনিধিকে টানা বর্ষণে সৃষ্ট জলাবদ্ধতার কারণ জানতে চান।

'কয়েকদিন আগে বৃষ্টির সময় গণমাধ্যম থেকে শুরু করে ফেসবুকে প্রহসন শুরু হয়েছে। ফ্লাইওভারে পানি জমে এমন ইতিহাস পৃথিবীর কোথায় নাই।'- নলে তিনি কোথাও রডের পরিবর্তে বাঁশ দিয়ে না দিয়ে, আর অহেতুক বায়বীয় খরচ দেখিয়ে অর্থ ছাড়ের জন্য আবেদন না করার কথা উল্লেখ করেন।'  

সম্প্রতি টানা বর্ষণের মুখে গত ১৩ জুলাই শহর রক্ষায় নির্মিতব্য উপকূলীয় বাঁধ পতেঙ্গা আউটার রিং ওয়াকওয়ে মেগা প্রকল্প ধসে পড়ে। উদ্বোধনের আগে ধসে পড়ায় এ নিয়ে সিডিএর সাবেক চেয়ারম্যান আবদুছ ছালামের দুর্নীতি করে প্রকৃত তদন্ত দাবি করেন।     

সভার শেষে বিভাগীয় কমিশনার প্রতিটি জেলায় সরকারের নেওয়া প্রকল্পের কাজ অগ্রগতির জন্য জেলা প্রশাসকদের স্ব শরীরে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেন। 

 

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র