Barta24

বুধবার, ২৪ জুলাই ২০১৯, ৯ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

হে‌লিকপ্টা‌রে করে ডিএনসিসির ওয়ার্ড পরিদর্শন

হে‌লিকপ্টা‌রে করে ডিএনসিসির ওয়ার্ড পরিদর্শন
ডিএনসিসি মেয়র আতিকুল ইসলাম, ছবি: সুমন শেখ
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
ঢাকা


  • Font increase
  • Font Decrease

উন্নয়ন পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ ও কি কি উন্নয়ন করা প্রয়োজন তা জানতে হে‌লিকপ্টা‌রে করে ওয়ার্ডগুলো পরিদর্শন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা উত্তর সি‌টি ক‌রপো‌রেশ‌নের (ডিএনসিসি) মেয়র আতিকুল ইসলাম।

বৃহ‌স্পতিবার (২০ জুন) রাজধানীর সাতারকু‌লে ৪১ নম্বর ওয়ার্ড উন্নয়‌নের ল‌ক্ষ্যে আ‌য়ো‌জিত মতবি‌নিময় সভায় এ কথা জানান মেয়র।

‌তি‌নি ব‌লেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা অনুসারে গ্রাম হ‌বে শহর, এমন প‌রিকল্পনা বাস্তবায়‌নের ল‌ক্ষ্যে ঢাকা সি‌টি ক‌রপো‌রেশ‌নের এক‌টি অভিজ্ঞ দল ওয়ার্ডগু‌লো হে‌লিকপ্টা‌রে করে প‌রিদর্শন ক‌রেছে। এ এলাকার সা‌বেক চেয়ারম্যান, কাউন্সিলরসহ সি‌টি করপো‌রেশ‌নের কর্মকর্তা‌দের সমন্ব‌য়ে এক‌টি ক‌মি‌টি করে দি‌য়ে‌ছি। সবাই মি‌লে এসব এলাকার উন্নয়‌নের জন্য সুপ‌রিক‌ল্পিত উদ্যোগ নি‌চ্ছি।’

amik
ডিএনসিসি মেয়র আতিকুল ইসলাম, ছবি: সুমন শেখ

 

নতুন ওয়ার্ডগু‌লোর জন্য ৪২শ’ কো‌টি টাকার বরাদ্দ র‌য়ে‌ছে উল্লেখ ক‌রে ঢাকা উত্ত‌রের নগর পিতা আতিকুল ব‌লেন, ‘কোনো এলাকার উন্নয়ন শুধু সি‌টি করপো‌রেশনের একার মাধ্য‌মে সম্ভব নয়। এর জন্য এলাকার সবাই‌কে এক সঙ্গে কাজ কর‌তে হ‌বে। বি‌শেষ ক‌রে ডেঙ্গু প্র‌তি‌রো‌ধে জনস‌চেতনতার কোনো বিকল্প নেই। সবাই‌কে সতর্ক থাক‌তে হ‌বে। কোথাও পা‌নি জ‌মে যাতে মশার বংশবৃদ্ধি না হয় সেদিকে সবাইকে নজর রাখ‌তে হ‌বে।’

stiker
সচেতনতামূলক পোস্টার-স্টিকার লাগাচ্ছেন ডিএনসিসি মেয়র আতিকুল ইসলাম, ছবি: সুমন শেখ

 

এসময় এ‌ডিস মশা থে‌কে নিরাপদ থে‌কে ডেঙ্গু ও চিকুনগু‌নিয়া প্র‌তি‌রোধ করতে জনস‌চেতনতামূলক স্টিকার বিতরণ ক‌রেন তি‌নি।

মত‌বি‌নিময় সভায় ৪১ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর সফিকুল ইসলা‌মের সভাপ‌তি‌ত্বে বক্তব্য রা‌খেন সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর কামরুন নাহার, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আবদুল হাই, প্রধান ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা ক্যাপ‌টেন মনসুর, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনা‌রেল মোমিনুর রহমান মামুন প্রমুখ।

আপনার মতামত লিখুন :

নিষেধাজ্ঞা শেষে মাছ শিকারে সাগরে ছুটছে জেলেরা

নিষেধাজ্ঞা শেষে মাছ শিকারে সাগরে ছুটছে জেলেরা
নিষেধাজ্ঞা শেষে মাছ শিকারে সাগরে ছুটছে জেলেরা

মাছ শিকারে ৬৫ দিনের নিষেধাজ্ঞা শেষ হওয়ায় মধ্যরাত থেকেই সাগরে যেতে শুরু করেছেন উপকূলীয় জেলেরা। মাছ ধরাকে কেন্দ্র করে মৎস্য বন্দরগুলো এখন জেলেদের পদচারণায় মুখর। জেলেদের প্রত্যাশা আবহাওয়া ভালো থাকলে এবং ভাগ্য ভালো হলে এবার বেশি মাছ আহরণ করে ফিরতে পারবেন। এতে করে কিছুটা হলেও অলস ৬৫ দিনের যে ধার-দেনা তা পরিশোধ করতে পারবেন।

২৩ জুলাই নিষেধাজ্ঞা শেষ হওয়ায় মধ্য রাতেই অধিকাংশ ট্রলার মাছ শিকারের উদ্দেশে গভীর সাগরে রওনা করেছেন। সাত থেকে দশদিন  মাছ শিকারের প্রস্তুতি নিয়ে এসব ট্রলার সাগরে পাড়ি জমিয়েছে। তবে নিষেধাজ্ঞার মধ্যেও সাগরে যারা আগে মাছ শিকারে গেছেন তাদের অনেকই ভালো সাইজের এবং পর্যাপ্ত মাছ নিয়ে ফিরেছেন। এ কারণে এখন সাগরে মাছ শিকারের উপযুক্ত সময় মনে করছেন জেলেরা। তবে এরপরও সৃষ্টি কর্তার রহমত ও ভাগ্যের উপর নির্ভর করেই এসব জেলেদের ছুটে চলা।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/24/1563957305935.jpg

এ দিকে নিষেধাজ্ঞা চলাকালীন সময়ে অনেক জেলে সাগরে মাছ শিকারে যান।  নিষেধাজ্ঞা শেষ হওয়ায় সেসব ট্রলার এখন ফিরতে শুরু করেছে। প্রতিটি ট্রলারেই ইলিশ থেকে শুরু করে বিভিন্ন জাতের সামুদ্রিক মাছ রয়েছে। এ কারণে পটুয়াখালীর মহিপুর আলিপুর মৎস্য বন্দরে এখন নানামুখী ব্যস্ততা। কেউ মাছ বিকিকিনি করছেন কেউবা আবার প্যাকেট করে দেশের বিভিন্ন এলাকায় পাঠাচ্ছেন।

মৎস্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এখন সাগরে পর্যাপ্ত মাছ রয়েছে। আর আগামী দুই মাস মাছের এই উৎপাদন অব্যাহত থাকবে বলে মনে করেন তারা। নিয়মনীতি মেনে জেলেরা মাছ শিকার করলে দেশে মাছের উৎপাদন দিনকে দিন বৃদ্ধি পাবে বলেও জানান পটুয়াখালী জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোল্লা এমদাদুল্যাহ।

মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি এবং মৎস্য সম্পদের মজুত বৃদ্ধির লক্ষ্যে এবারই প্রথম ২২ মে থেকে ২৩ জুলাই পর্যন্ত বঙ্গোপসাগরে ৬৫ দিন সকল ধরনের মাছ শিকারে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে সরকার। নিষেধাজ্ঞার এই সময়ে জেলেদের সহায়তার জন্য ৪০ কেজি করে চালও বিতরণ করা হয়।

ভারত সবসময় বিমসটেককে সমর্থন দেবে: জয়শংকর

ভারত সবসময় বিমসটেককে সমর্থন দেবে: জয়শংকর
বিমসটেক মহাসচিব এম শহীদুল ইসলাম ও ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর

ভারত সবসময় বিমসটেককে (বে অব বেঙ্গল ইনিশিয়েটিভ ফর মাল্টিসেক্টরাল টেকনিক্যাল অ্যান্ড ইকোনমিক কো-অপারেশন) সমর্থন দিয়ে যাবে বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এস জয়শঙ্কর।

বিমসটেকের মহাসচিব এম শহীদুল ইসলাম মঙ্গলবার (২৩ জুলাই) নয়াদিল্লিতে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এ প্রতিশ্রুতি দেন।

বুধবার (২৪ জুলাই) ঢাকাস্থ বিমসটেক সচিবালয় থেকে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী জয়শঙ্কর বিমসটেকের প্রতি ভারতের দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে বলেন, ভারত বিমসটেকের উন্নতি এবং সদস্য রাষ্ট্রগুলির দ্বারা এই আঞ্চলিক উদ্যোগকে আরও শক্তিশালী করার পক্ষে।

বিমসটেকের চলমান প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারের কথা উল্লেখ করে জয়শঙ্কর আশা প্রকাশ করেন, যে কার্যক্রমগুলো গ্রহণ করা হয়েছে তাতে বিমসটেক ভবিষ্যতে আরও ফল দেবে।

তিনি বলেন, ভারতের প্রতিবেশী এবং বিশেষত পূর্ব দিকে দৃষ্টি নিবদ্ধ করে বিমসটেক ভারতের জন্য অগ্রাধিকার পাবে।

ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক সংযোগগুলি জোরদার করে বিমসটেক সদস্য রাষ্ট্রগুলি যে উদ্যোগ নিয়েছে তাকে স্বাগত জানিয়ে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বঙ্গোপসাগর অঞ্চলের সব দেশের যৌথ সমৃদ্ধির জোরালো সমর্থক।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র