Barta24

বুধবার, ২৪ জুলাই ২০১৯, ৯ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

জাপান-বাংলা‌দে‌শের সম্পর্ক আরও ভা‌লো হ‌বে: জাপানি রাষ্ট্রদূত

জাপান-বাংলা‌দে‌শের সম্পর্ক আরও ভা‌লো হ‌বে: জাপানি রাষ্ট্রদূত
জাপানের রাষ্ট্রদূত হি‌রোইয়াসু ইজুমি, ছবি: বার্তা২৪.কম
স্টাফ ক‌রেসপ‌ন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
ঢাকা


  • Font increase
  • Font Decrease

বাংলা‌দে‌শের প্রধানমন্ত্রী শেখ হা‌সিনার সাম্প্রতিক জাপান সফরের কথা উল্লেখ ক‌রে বাংলাদেশে নিযুক্ত জাপানের রাষ্ট্রদূত হি‌রোইয়াসু ইজুমি ব‌লে‌ছেন, ‘জাপান ও বাংলা‌দে‌শের মধ্যকার সম্পর্ক আরো ভা‌লো হ‌বে।’

বুধবার (১৯ জুন) রা‌তে রাজধানীর হো‌টেল ইন্টারক‌ন্টি‌নেন্টা‌লে এসিআই ও ইয়ানমামের যৌথ আ‌য়োজ‌নে ইয়ানমার এগ্রো‌টেক বাংলা‌দে‌শের আনুষ্ঠা‌নিক উদ্বোধন অনুষ্ঠা‌নে ইং‌রেজিতে লি‌খিত বক্তব্য দেওয়ার পর বাংলা ভাষায় এ কথা ব‌লেন তি‌নি।

তি‌নি ব‌লেন, ‘বাংলা‌দে‌শ উন্নয়নশীল দে‌শের কাতা‌রে চ‌লে এসেছে। কিন্তু নি‌জে‌দের স্বয়ংসম্পূর্ণ করার মত সু‌যোগ সু‌বিধারও কিছু সীমাবদ্ধতা র‌য়ে‌ছে দেশটির।’

বাংলা‌দে‌শের সঙ্গে জাপা‌নের ধারাবা‌হিক সুসম্পর্কে নানা উদাহরণ তু‌লে ধরে তি‌নি ব‌লেন, ‘বাংলা‌দে‌শের বন্ধু দেশ হি‌সে‌বে জাপান সব ধর‌নের টেক‌নোলজি এদে‌শের সঙ্গে শেয়ার কর‌তে প্রস্তুত। আমি আশা ক‌রি, জাপান ও বাংলা‌দে‌শের সম্পর্ক আরো ভা‌লো হ‌বে।’

অনুষ্ঠা‌নে প্রধান অতিথি হি‌সে‌বে বক্তব্য রা‌খেন কৃ‌ষিমন্ত্রী আব্দুর রাজ্জাক। বি‌শেষ অতিথি হি‌সে‌বে বক্তব্য রা‌খেন কৃ‌ষি মন্ত্রণালয়ের স‌চিব না‌সিরুজ্জামান ও ইয়ানমার এগ্রি‌বিজ‌নেসের প্রে‌সি‌ডেন্ট হি‌রোআ‌কি কিতাওকা। এসময় এসিআই লি‌মি‌টেডের চেয়ারম্যান এম. আনিস উদ দৌলা, এসিআই লি‌মি‌টে‌ডের ব্যবস্থাপনা প‌রিচালক ড. ফা হ আনসারী ও নির্বাহী প‌রিচালক সুব্রত রঞ্জন দাস উপ‌স্থিত ছি‌লেন।

আপনার মতামত লিখুন :

নিষেধাজ্ঞা শেষে মাছ শিকারে সাগরে ছুটছে জেলেরা

নিষেধাজ্ঞা শেষে মাছ শিকারে সাগরে ছুটছে জেলেরা
নিষেধাজ্ঞা শেষে মাছ শিকারে সাগরে ছুটছে জেলেরা

মাছ শিকারে ৬৫ দিনের নিষেধাজ্ঞা শেষ হওয়ায় মধ্যরাত থেকেই সাগরে যেতে শুরু করেছেন উপকূলীয় জেলেরা। মাছ ধরাকে কেন্দ্র করে মৎস্য বন্দরগুলো এখন জেলেদের পদচারণায় মুখর। জেলেদের প্রত্যাশা আবহাওয়া ভালো থাকলে এবং ভাগ্য ভালো হলে এবার বেশি মাছ আহরণ করে ফিরতে পারবেন। এতে করে কিছুটা হলেও অলস ৬৫ দিনের যে ধার-দেনা তা পরিশোধ করতে পারবেন।

২৩ জুলাই নিষেধাজ্ঞা শেষ হওয়ায় মধ্য রাতেই অধিকাংশ ট্রলার মাছ শিকারের উদ্দেশে গভীর সাগরে রওনা করেছেন। সাত থেকে দশদিন  মাছ শিকারের প্রস্তুতি নিয়ে এসব ট্রলার সাগরে পাড়ি জমিয়েছে। তবে নিষেধাজ্ঞার মধ্যেও সাগরে যারা আগে মাছ শিকারে গেছেন তাদের অনেকই ভালো সাইজের এবং পর্যাপ্ত মাছ নিয়ে ফিরেছেন। এ কারণে এখন সাগরে মাছ শিকারের উপযুক্ত সময় মনে করছেন জেলেরা। তবে এরপরও সৃষ্টি কর্তার রহমত ও ভাগ্যের উপর নির্ভর করেই এসব জেলেদের ছুটে চলা।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/24/1563957305935.jpg

এ দিকে নিষেধাজ্ঞা চলাকালীন সময়ে অনেক জেলে সাগরে মাছ শিকারে যান।  নিষেধাজ্ঞা শেষ হওয়ায় সেসব ট্রলার এখন ফিরতে শুরু করেছে। প্রতিটি ট্রলারেই ইলিশ থেকে শুরু করে বিভিন্ন জাতের সামুদ্রিক মাছ রয়েছে। এ কারণে পটুয়াখালীর মহিপুর আলিপুর মৎস্য বন্দরে এখন নানামুখী ব্যস্ততা। কেউ মাছ বিকিকিনি করছেন কেউবা আবার প্যাকেট করে দেশের বিভিন্ন এলাকায় পাঠাচ্ছেন।

মৎস্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এখন সাগরে পর্যাপ্ত মাছ রয়েছে। আর আগামী দুই মাস মাছের এই উৎপাদন অব্যাহত থাকবে বলে মনে করেন তারা। নিয়মনীতি মেনে জেলেরা মাছ শিকার করলে দেশে মাছের উৎপাদন দিনকে দিন বৃদ্ধি পাবে বলেও জানান পটুয়াখালী জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোল্লা এমদাদুল্যাহ।

মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি এবং মৎস্য সম্পদের মজুত বৃদ্ধির লক্ষ্যে এবারই প্রথম ২২ মে থেকে ২৩ জুলাই পর্যন্ত বঙ্গোপসাগরে ৬৫ দিন সকল ধরনের মাছ শিকারে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে সরকার। নিষেধাজ্ঞার এই সময়ে জেলেদের সহায়তার জন্য ৪০ কেজি করে চালও বিতরণ করা হয়।

ভারত সবসময় বিমসটেককে সমর্থন দেবে: জয়শংকর

ভারত সবসময় বিমসটেককে সমর্থন দেবে: জয়শংকর
বিমসটেক মহাসচিব এম শহীদুল ইসলাম ও ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর

ভারত সবসময় বিমসটেককে (বে অব বেঙ্গল ইনিশিয়েটিভ ফর মাল্টিসেক্টরাল টেকনিক্যাল অ্যান্ড ইকোনমিক কো-অপারেশন) সমর্থন দিয়ে যাবে বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এস জয়শঙ্কর।

বিমসটেকের মহাসচিব এম শহীদুল ইসলাম মঙ্গলবার (২৩ জুলাই) নয়াদিল্লিতে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এ প্রতিশ্রুতি দেন।

বুধবার (২৪ জুলাই) ঢাকাস্থ বিমসটেক সচিবালয় থেকে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী জয়শঙ্কর বিমসটেকের প্রতি ভারতের দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে বলেন, ভারত বিমসটেকের উন্নতি এবং সদস্য রাষ্ট্রগুলির দ্বারা এই আঞ্চলিক উদ্যোগকে আরও শক্তিশালী করার পক্ষে।

বিমসটেকের চলমান প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারের কথা উল্লেখ করে জয়শঙ্কর আশা প্রকাশ করেন, যে কার্যক্রমগুলো গ্রহণ করা হয়েছে তাতে বিমসটেক ভবিষ্যতে আরও ফল দেবে।

তিনি বলেন, ভারতের প্রতিবেশী এবং বিশেষত পূর্ব দিকে দৃষ্টি নিবদ্ধ করে বিমসটেক ভারতের জন্য অগ্রাধিকার পাবে।

ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক সংযোগগুলি জোরদার করে বিমসটেক সদস্য রাষ্ট্রগুলি যে উদ্যোগ নিয়েছে তাকে স্বাগত জানিয়ে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বঙ্গোপসাগর অঞ্চলের সব দেশের যৌথ সমৃদ্ধির জোরালো সমর্থক।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র