Barta24

বুধবার, ১৭ জুলাই ২০১৯, ২ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

বার্ন ইউনিটে থামছে না সাবিনার আহাজারি

বার্ন ইউনিটে থামছে না সাবিনার আহাজারি
বার্ন ইউনিটে থামছে না সাবিনার আহাজারি, ছবি; বার্তা২৪
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
রংপুর


  • Font increase
  • Font Decrease

দেবরের স্ত্রীর দেওয়া মরিচ মেশানো গরম পানিতে ঝলসে গেছে গৃহবধূ সাবিনার মুখ। নয়দিন ধরে হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে থামছে না তার আহাজারি। কিছুক্ষণ পর পর চিৎকার করছেন। তার আহাজারিতে কান্না করছে দশ বছরের শিশু সন্তান রিতুমনি। মা মেয়ের কান্নায় ভারি হয়ে উঠেছে বার্ন ইউনিটের পরিবেশ।

বুধবার (১৯ জুন) বিকেলে রংপুর মেডিকেল কলেজ (রমেক) হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে গিয়ে এমন চিত্র দেখা যায়।

জানা গেছে, দগ্ধ সাবিনা বেগম রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার লক্ষীটারি ইউনিয়নের পূর্ব মান্দ্রাইন গ্রামের গোলাম রব্বানীর স্ত্রী। গাছ কাটা নিয়ে বিরোধের জের ধরে তার মুখে ও বুকে মরিচ মাখা গরম পানি ঢেলে দেন ছোট দেবরের স্ত্রী আমেনা বেগম ওরফে ময়নাবুড়ি। এ ঘটনার পর মামলা হলেও এখনো ধরা ছোঁয়ার বাইরে অভিযুক্তরা।

এলাকাবাসী জানান, গত ১১ জুন সকালে সাবিনাদের বসত ভিটায় লাগানো গাছ কাটাকে কেন্দ্র করে দেবর তারিক মিয়া ও ময়না বুড়ির সঙ্গে ঝগড়া বিবাদ সৃষ্টি হয়। এ সময় ময়নাবুড়ি ফুটন্ত গরম পানির মধ্যে মরিচের গুঁড়া মিশিয়ে সাবিনার মুখে ও বুকে ছুঁড়ে দেন। এতে সাবিনার মুখ ও বুক ঝলসে যায়। ঘটনার সময় দগ্ধ সাবিনার চিৎকারে এলাকাবাসী ছুটে এসে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন।

রমেক হাসপাতালের বার্ন ইউনিটের বিভাগীয় প্রধান ডাক্তার মারুফুল ইসলাম বার্তা২৪.কমকে বলেন, ‘দগ্ধ সাবিনার শরীরের ২৮ ভাগ ঝলসে গেছে। তাকে সুস্থ্য করার আমাদের চেষ্টা অব্যহত আছে। তবে তার মুখের অবস্থা আগের মত ফিরানো যাবে না।’

দগ্ধ সাবিনার ভাই শারীরিক প্রতিবন্ধী সাঈদ মিয়া বার্তা২৪.কমকে বলেন, ‘ঘটনার পর পরই আমরা মামলা করেছি। কিন্তু পুলিশ এখন পর্যন্ত আসামিদের গ্রেফতার করেনি। আমার বোনের দুই মেয়ের মধ্যে রিতুমনি ঘটনার সময় গরম পানিতে আহত হয়। আমি এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তসহ জড়িতদের শাস্তি চাই।’

গঙ্গাচড়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুশান্ত কুমার সরকার বার্তা২৪.কমকে বলেন, ‘আমরা অভিযোগ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আসামিদের গ্রেফতারে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়েছিলাম। কিন্তু আসামিরা ঘটনার পর থেকে গা ঢাকা দিয়েছে। তাদের গ্রেফতারে চেষ্টা চলছে।’

আপনার মতামত লিখুন :

পুরান ঢাকায় ভবন ধস: একজনের মরদেহ উদ্ধার

পুরান ঢাকায় ভবন ধস: একজনের মরদেহ উদ্ধার
পুরান ঢাকায় দোতলা ভবন ধসে পড়েছে, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

পুরান ঢাকার পাটুয়াটুলীতে দোতলা ভবন ধসের ঘটনায় নিখোঁজ দুইজনের মধ্যে একজনের মরদেহ উদ্ধার করেছে ফায়ার সার্ভিস। 

বুধবার (১৭ এপ্রিল) সন্ধ্যায় এ মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে বলে ফায়ার সার্ভিসের নিয়ন্ত্রণ কক্ষের দায়িত্বরত কর্মকর্তা রাসেল সিকদার বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, 'ভবন ধসের ঘটনায় নিখোঁজ দুইজনের মধ্যে একজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, নিখোঁজ আরেকজন ধ্বংসস্তুপের মধ্যে রয়েছে। উদ্ধার তৎপরতায় ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট কাজ করছে।'

উল্লেখ্য, বুধবার (১৭ এপ্রিল) বিকেলে পুরান ঢাকার পাটুয়াটুলীস্থ সুমনা হাসপাতালের পাশে ছয় নম্বর লেনের পুরনো একটি দোতলা ভবন ধসে পড়েছে।

আরও পড়ুন: পুরান ঢাকায় দোতলা ভবন ধস

এইচএসসি’র ফলাফলে রাজশাহী মহিলা কলেজের চমক

এইচএসসি’র ফলাফলে রাজশাহী মহিলা কলেজের চমক
রাজশাহী সরকারি কলেজ/ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

রাজশাহী সরকারি মহিলা কলেজে এইচএসসির ফলাফলে চলতি বছর জিপিএ-৫ পাওয়ার হারে শিক্ষার্থীরা চমক দেখিয়েছে। এ বছর কলেজটির বিজ্ঞান, মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগ থেকে জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা ১৮২ জন। অথচ গত বছর কলেজটি থেকে মাত্র ১০ জন পরীক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছিল।

শিক্ষাবোর্ড সূত্র জানায়, সরকারি মহিলা কলেজ থেকে এবার ১ হাজার ৩৮৫ জন পরীক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে। এর মধ্যে পাস করেছে ১ হাজার ৩১৭ জন। পাসের হার ৯৫ দশমিক ০৯ শতাংশ।

এর মধ্যে বিজ্ঞান বিভাগ থেকে পাস করেছে ৬১৪ জন। ফেল করেছে ২৭ জন। মানবিকে পাস ও ফেলের সংখ্যা যথাক্রমে ৪৩০ ও ৩৯। আর ব্যবসা শিক্ষা বিভাগে পাস-ফেল যথাক্রমে ২৭৩ ও ২১ জন। এ বছর জিপিএ-৫ পাওয়া ১৮২ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে ১৫৯ জন বিজ্ঞান, ২১ জন মানবিক ও দুইজন ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের শিক্ষার্থী।

গত বছর শুধু বিজ্ঞান ও মানবিক বিভাগ থেকে পাঁচজন করে মোট ১০ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছিল। সে বছর ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের কেউ জিপিএ-৫ অর্জন করতে পারেনি।

এর আগে ২০১৭ সালে কলেজটি থেকে ৭০ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পায়। ২০১৬ সালে জিপিএ-৫ পেয়েছিল ৭৭ জন। আর ২০১৫ সালে পেয়েছিল ৫৫ জন। এ বছর জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।

কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর সৈয়দা নীলুফার ফেরদৌস এই ফলাফলে ভীষণ খুশি। তিনি বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে বলেন, ‘আমাদের এবারের পাসের হার ৯৫ দশমিক ০৯ শতাংশ। এটা খারাপ না। জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যাও এবার অনেক বেড়েছে। তাই আমরা খুশি।’ অধ্যক্ষ আরও বলেন, ‘শিক্ষক-শিক্ষার্থীর সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এই ফলাফল অর্জন করা সম্ভব হয়েছে। ভবিষ্যতে যেন আরও ভাল করা যায় সেই চেষ্টাই থাকবে।‘

 

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র