Barta24

সোমবার, ২২ জুলাই ২০১৯, ৭ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

আমার কারণে খালেদার জামিন হচ্ছে না, এটা হাস্যকর: কাদের

আমার কারণে খালেদার জামিন হচ্ছে না, এটা হাস্যকর: কাদের
বক্তব্য রাখছেন কাদের, ছবি: বার্তা২৪
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

‘আমি বলেছি বেগম খালেদা জিয়ার জামিনের ব্যাপারে সরকার কোনো হস্তক্ষেপ করবে না। আমার এই বক্তব্যের জন্য নাকি বিএনপি নেত্রীর জামিন হচ্ছে না, বিএনপি নেতাদের এমন কথা হাস্যকর। আমার বক্তব্যের সঙ্গে বিএনপি নেত্রীর জামিন না হওয়ার মধ্যে তারা কিভাবে যোগসূত্র খুঁজে পেলেন সেটা আমার বোধগম্য নয়।’

বুধবার (১৮ জুন) দুপুরে গুলিস্তানে আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক বর্ধিত সভায় এসব কথা বলেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। ২৩ জুন আওয়ামী লীগের ৭০ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে এই বর্ধিত সভার আয়োজন করে ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগ।

সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘বেগম খালেদা জিয়ার ৩০/৩২ টা মামলায় জামিন হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়াতেই তার জামিন হচ্ছে। তাই বিএনপি নেত্রীর জামিনের সঙ্গে সরকারি দলের জেনারেল সেক্রেটারির বক্তব্যের মধ্যে আপনারা ঠিক কী যোগসূত্র খুঁজে পেলেন আমার জানা নেই। আমি বলেছি, আদালত বেগম জিয়াকে মুক্তি দিলে সরকার সেখানে কোনো হস্তক্ষেপ অতীতেও করেনি, বর্তমানেও করছে না, ভবিষ্যতেও করবে না।’

সহযোগী সংগঠনগুলোর মেয়াদোত্তীর্ন কমিটি প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘আমাদের সহযোগী সংগঠনগুলোর যাদের মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়েছে তাদেরকে সম্মেলন আয়োজন করতে কেন্দ্র থেকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। শুধু সহযোগী সংগঠনগুলোই নয়, আওয়ামী লীগের যেসব জেলা উপজেলা শাখার কমিটির মেয়াদোত্তীর্ণ হয়ে গেছে তাদেরকেও আগামী জাতীয় সম্মেলনের আগে স্ব স্ব শাখার সম্মেলন করার জন্য কেন্দ্র থেকে সার্কুলার দেয়ার মধ্যদিয়ে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।'

দলে নতুন রিক্রুটমেন্টের গুরুত্ব তুলে ধরে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘এবারের নির্বাচনে আমাদের নেত্রী আওয়ামী লীগের যে ইশতেহার দিয়েছিল এই ইশতেহারে মুগ্ধ হয়ে বিশেষ করে তরুণ সমাজ আকৃষ্ট হয়েছে। তারা দলে দলে আওয়ামী লীগের মিছিলে অংশ নিয়েছে। শুধু তাই নয় অনেক সংস্কৃতি কর্মী, ব্যবসায়ী, নাট্যকর্মী যারা কোনো দিন আওয়ামী লীগের মিছিলে আসেনি তারাও মিছিল করেছে। তাই তাদেরকে আমাদের দলে ধরে রাখতে হবে। তাদের আবেগের সঙ্গে চেতনাকে যুক্ত করতে হবে। কেননা আবেগের সঙ্গে চেতনা যুক্ত না হলে আবেগের কোনো মূল্য নেই।'

মহানগরের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগের এক্সপেরিয়েন্সের সঙ্গে এনার্জি যুক্ত করতে হবে। সেজন্য সদস্য সংগ্রহ অভিযান নতুন করে শুরু করুন।’

ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সভাপতি এ কে এম রহমত উল্লাহর সভাপতিত্বে সভায় আরও বক্তব্য দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ব্যারিস্টার মুহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, মহানগর উত্তরের সাধারণ সম্পাদক সাদেক খানসহ আরও অনেকে।

আপনার মতামত লিখুন :

ছেলেধরা গুজব: পুলিশের সব ইউনিটকে সতর্ক থাকার নির্দেশ

ছেলেধরা গুজব: পুলিশের সব ইউনিটকে সতর্ক থাকার নির্দেশ
ছবি: সংগৃহীত

ছেলেধরা গুজবের বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়ে বাংলাদেশ পুলিশের সব ইউনিটকে সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়েছে পুলিশ সদর দফতর।

সোমবার (২২ জুলাই) পুলিশ সদর দফতরের সহকারী মহাপরিদর্শক (এআইজি-অপারেশনস) সাঈদ তারিকুল হাসান সারা দেশের পুলিশের ইউনিটগুলোকে এ বিষয়ে চিঠি পাঠিয়েছেন।

দেশের বিভিন্ন স্থানে ছেলেধরা গুজব ছড়িয়ে গণপিটুনিতে হত্যার মাধ্যমে অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টির চেষ্টা চলছে বলে মনে করে পুলিশ।

চিঠিতে বলা হয়, ছেলেধরার গুজব বন্ধ করতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক, টুইটার, ইউটিউব এবং ব্লগগুলো নজরদারির আওতায় আনার জন্য ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। এছাড়া এ সংক্রান্ত পোস্ট দিলে বা শেয়ার করলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।

চিঠিতে চারটি বিষয় উল্লেখ করে বলা হয়েছে, সেগুলো হলো- শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কেন্দ্রিক জনসচেতনতা বৃদ্ধি, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম মনিটরিং এবং ইলেকট্রনিক মিডিয়া ও পত্রিকায় গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ।

চিঠিতে এছাড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে টহল ও গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, পরিচালনা পরিষদের সদস্য ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা করে সচেতনতা বাড়ানোরও তাগিদ দেওয়া হয়। ছুটির পর অভিভাবকরা যাতে শিক্ষার্থীদের নিয়ে যান, সে বিষয় নিশ্চিত করার জন্য স্কুল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা, প্রতিটি স্কুল ক্যাম্পাসের সামনে ও বাইরে ক্লোজ সার্কিট (সিসিটিভি) ক্যামেরা স্থাপন, মেট্রোপলিটন ও জেলা শহরের বস্তিতে নজরদারি বৃদ্ধির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

আরও বলা হয়েছে, আজকের এ চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে পুলিশের ইউনিটগুলো কি ব্যবস্থা নিয়েছে তা আগামী তিন দিনের মধ্যে পুলিশ সদর দফতরে ফ্যাক্সের মাধ্যমে জানাতে হবে।

রংপুরে বানভাসিদের হাতে আনসারের ত্রাণ

রংপুরে বানভাসিদের হাতে আনসারের ত্রাণ
ত্রাণ নিচ্ছেন বন্যা দুর্গতরা, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

রংপুরের পীরগাছায় বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করেছে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী (আনসার-ভিডিপি)।

সোমবার (২২ জুলাই) দুপুরে পীরগাছায় ছাওলা ইউনিয়নের শিবদেব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে তিন শতাধিক বানভাসির হাতে ত্রাণ তুলে দেয়া হয়।

আনসার ও ভিডিপির রংপুর রেঞ্জের পরিচালক একেএম জিয়াউল আলম প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন।

বানভাসিদের হাতে আনসারের ত্রাণ

এ সময় তিনি বলেন, 'আনসার ও ভিডিপির রংপুর রেঞ্জ নিজ তহবিল থেকে সামান্য ত্রাণ সহায়তা নিয়ে বন্যা দুর্গতদের পাশে দাঁড়িয়েছে। এসব প্যাকেটে চিড়া, মুড়ি, গুড়, খাবার স্যালাইন, পানি বিশুদ্ধিকরণ ট্যাবলেট, বিশুদ্ধ পানি, মোমবাতি ও দিয়াশলাই রয়েছে। এটা সামান্য সহায়তা। তবে আমাদের বিশ্বাস, সবাই যার যার অবস্থান থেকে বানভাসি মানুষদের পাশে সহায়তার হাত বাড়ালে বন্যার্তদের খাবার হাহাকার কমে আসবে।'

ত্রাণ বিতরণকালে অন্যান্যদের উপস্থিত ছিলেন- রংপুর জেলা কমান্ডেন্ট মো. জিয়াউর রহমান, কোম্পানি কমান্ডার রেজাউল ইসলাম, উপজেলা প্রশিক্ষক মো. আজম, শিবদেব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শাহ্ মো. শফিকুল ইসলাম প্রমুখ।

বানভাসিদের হাতে আনসারের ত্রাণ

এদিকে ত্রাণ হাতে বাড়ি ফেরার পথে বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কের সঙ্গে কথা বলেন আফরোজা বেগম। তিনি বলেন, 'শিবদেব, গাবুড়া, জুয়ান, রামসিং গ্রামে এখনো হাঁটু পানি আছে। এবারের বন্যায় এসব গ্রামের অনেক ফসলি জমি পানির নিচে তলিয়ে আছে। পুকুর ডুবে মাছ ভেসে গেছে। অনেক ঘরবাড়ি বানের তোড়ে ভেঙে গেছে। ক্ষতিগ্রস্ত মানুষরা এখনো খাবার সংকটসহ কর্মহীন অবস্থায় আছে। সরকারিভাবে খুব বেশি ত্রাণ পৌঁছেনি এসব গ্রামে।'

ত্রাণ সহায়তা প্রসঙ্গে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আব্দুল হাকিম সরদার বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে বলেন, 'অধিকাংশ বাড়িতে পানি ওঠায় রান্না করার পরিস্থিতি নেই। তাদের জন্য শুকনা খাবারের প্রয়োজন। ত্রাণ হিসেবে ইতোমধ্যে শুকনা খাবার ও কিছু জিআরের চাল বিতরণ করা হয়েছে। এছাড়াও আরও সরকারি ত্রাণ বরাদ্দের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।'

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র