Barta24

মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই ২০১৯, ১ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

বাজেটে স্মার্টফোন আমদানিতে বর্ধিত কর প্রত‍্যাহার চায় বিএমবিএ

বাজেটে স্মার্টফোন আমদানিতে বর্ধিত কর প্রত‍্যাহার চায় বিএমবিএ
জাতীয় প্রেসক্লাবে মোবাইল ফোন আমদানিকারক, ডিস্ট্রিবিউটর ও উৎপাদনকারীদের সংগঠন বিএমবিএ আয়োজিত সংবাদ সম্মেলন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
ঢাকা


  • Font increase
  • Font Decrease

২০১৯-২০ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে স্মার্টফোন আমদানির উপর বর্ধিত ২৪ শতাংশ কর প্রত‍্যাহারের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ মোবাইল ফোন ব‍্যবসায়ী এসোসিয়েশন (বিএমবিএ)।

আমদানি শুল্ক ১৫ শতাংশ বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানান সংগঠনের নেতারা।

বুধবার (১৯ জুন) দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে মোবাইল ফোন আমদানিকারক, ডিস্ট্রিবিউটর ও উৎপাদনকারীদের সংগঠন বিএমবিএ আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এই দাবি জানানো হয়।

সংবাদ সম্মেলনে বিএমবিএ'র সভাপতি মোহাম্মদ নিজাম উদ্দিন জিটু বলেন, মোবাইল ফোন আমদানিতে অতিরিক্ত শুল্ক ও কর আরোপের ফলে মোবাইল ব‍্যবহারকারীর সংখ্যা কমে যেতে পারে। মোবাইল ব‍্যবহারকারীর সংখ্যা কমলে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যাও কমে যাবে ফলে সরকারের রাজস্ব আদায়ও কমে যাবে।

তিনি বলেন, ২০১৮-১৯ অর্থবছরে আমদানি শুল্ক ১০ শতাংশ যা ২০১৯-২০ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে ১৫ শতাংশ বৃদ্ধি করে ২৫ শতাংশ করা হয়েছে। শুল্ক ও ভ‍্যাটসহ চলতি অর্থবছরে ৩০ দশমিক ৭৫ শতাংশ রয়েছে। তা বৃদ্ধি করে ৫৭ দশমিক ৩১ শতাংশ করা হয়েছে। এ অবস্থায় যদি স্মার্টফোন আমদানির উপর অতিরিক্ত শুল্ক ও কর আরোপ করা হলে এর সঙ্গে জড়িত ডিজিটাল আর্থিক লেনদেন, শিক্ষাব‍্যবস্থা, ডিজিটাল কৃষি উন্নয়ন, ডিজিটাল স্বাস্থ্যসেবা বাধাগ্রস্ত হবে।

তিনি আরও বলেন, প্রস্তাবিত শুল্কের বর্ধিত কর কার্যকর হলে চোরাইপথে মোবাইল ফোন আমদানি বেড়ে যাবে ফলে সরকার হাজার হাজার কোটি টাকা রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হবে, এবং অর্থনীতি ঝুঁকির মুখে পড়বে। সাধারণ ব‍্যবসায়ীরা হয়রানির শিকার হবেন। প্রকৃত আমদানিকারক আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হয়ে আমদানিতে নিরুৎসাহিত হবে এবং বাজারে এক ধরনের কৃত্রিম সংকটের সৃষ্টি হবে।

সংগঠনের পক্ষ থেকে তিনি এ সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসার আহ্বান জানিয়ে বলেন, আমাদের দাবি সমূহ বিবেচনা করে ২০১৯-২০ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে স্মার্টফোন আমদানির উপর আরোপিত বর্ধিত কর প্রত‍্যাহার করে এ শিল্পকে এবং শিল্পের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সকলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নিকট আবেদন জানাচ্ছি।

 

আপনার মতামত লিখুন :

দালাল চক্রের সক্রিয় ৭ সদস্যের কারাদণ্ড

দালাল চক্রের সক্রিয় ৭ সদস্যের কারাদণ্ড
দণ্ডপ্রাপ্ত দালাল চক্রের সদস্যরা, ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীর হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও পঙ্গু হাসপাতালের সামনে থেকে দালাল চক্রের সক্রিয় ৭ সদস্যকে আটক করে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছেন র‌্যাব-২ এর ভ্রাম্যমাণ আদালত।

এদের মধ্যে ইলিয়াস হোসেনের (৩৩) তিন মাস, মো.শাওন মৃধার (২৫) এক মাস, ওমর ফারুক (২০) এক মাস, জহিরুল ইসলাম জনির (২২) এক মাস, মো. ফয়েজুল্লার (৩৩) এক মাস, মো. রেজাউল করিমের (৪৬) এক মাস এবং মো. দুলালের (৩০) পনের দিন কারাদণ্ডাদেশ দেওয়া হয়।

মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) র‍্যাব-২ এর সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) মোহাম্মদ সাইফুল মালিক এসব তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, ‘দীর্ঘদিন থেকে একটি সংঘবদ্ধ দালালচক্র রাজধানীর আগারগাঁও হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও পঙ্গু হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীদেরকে বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে স্থানীয় বিভিন্ন বেসরকারি ক্লিনিকে নিয়ে যায়। এর মাধ্যমে তারা অসহায় রোগীদের নিকট থেকে চিকিৎসার নামে বিপুল পরিমাণ অর্থ হাতিয়ে নেয়। এসব অভিযোগের ভিত্তিতে র‍্যাব-২ অভিযান পরিচালনা করে।’

র‌্যাব কর্মকর্তা বলেন, ‘অভিযান শেষে র‌্যাব সদর দফতরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আনিছুর রহমানের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে ৭ দালালকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

‘সংবিধানের মধ্যে থেকে দায়িত্ব পালন করুন’

‘সংবিধানের মধ্যে থেকে দায়িত্ব পালন করুন’
ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি মোহাম্মদ ইমান আলী, পুরনো ছবি

ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠায় সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি মোহাম্মদ ইমান আলী।

মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) সুপ্রিম কোর্ট মিলনায়তনে বিভাগীয় কমিশনার ও ডিসিদের সঙ্গে সাক্ষাতকালে তিনি এ আহ্বান জানান।

হাইকোর্ট বিভাগের অতিরিক্ত রেজিস্ট্রার ওসমান হায়দার সাংবাদিকদের জানান, এটি ছিল সৌজন্য সাক্ষাৎ। এখানে সাবজুডিশ বিষয়ে কোনো আলোচনা হয়নি। বিচারপতি মোহাম্মদ ইমান আলী বলেছেন, সংবিধানের মধ্যে থেকে আইনানুগভাবে যার যার অবস্থান থেকে নিজ নিজ দায়িত্ব পালন করতে হবে।

প্রধান বিচারপতির কার্যভার পালনরত বিচারপতি মোহাম্মদ ইমান আলী ডিসি ও বিভাগীয় কমিশনারদের উদ্দেশে বলেন, আদালতের আদেশ পালনের জন্য আপনাদেরও দায়িত্ব রয়েছে। এককভাবে ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব না।

এর আগে ডিসি ও বিভাগীয় কমিশনারদের মধ্যে থেকে একজন করে বক্তব্য দেন। তারা বলেন, ভূমির ইজারা সংক্রান্ত মামলাগুলো অনেক সময় উচ্চ আদালতের আদেশে স্থগিত থাকে। এসব মামলা দ্রুত নিষ্পত্তি হলে সরকারের রাজস্ব আদায় বাড়তো। আর আদালতের নির্দেশগুলো ডিজিটাল পদ্ধতিতে দ্রুত পৌঁছাতে পারলে কাজ করা আরও সহজ হতো।

সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠানে আপিল বিভাগের বিচারপতিরা ছাড়াও সুপ্রিম কোর্টের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র