Barta24

রোববার, ২১ জুলাই ২০১৯, ৬ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

মেয়র নাছিরের সঙ্গে রিভা গাঙ্গুলির সাক্ষাৎ

মেয়র নাছিরের সঙ্গে রিভা গাঙ্গুলির সাক্ষাৎ
চসিক মেয়র আ জ ম নাছিরের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন ভারতীয় হাইকমিশনার রিভা গাঙ্গুলি
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
চট্টগ্রাম


  • Font increase
  • Font Decrease

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (চসিক) মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীনের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার রিভা গাঙ্গুলি দাস।

সোমবার (১৭ জুন) চসিক মেয়রের কার্যালয়ে গিয়ে তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন ভারতীয় হাইকমিশনার। এ সময় দুজনের মধ্যে বেশকিছু বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।

মেয়র নাছির বলেন, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে ভারতের ভূমিকা এক অনবদ্য ইতিহাস। ভারত বাংলাদেশের প্রায় এক কোটি শরণার্থীকে আশ্রয় দিয়ে মহানুভবতার পরিচয় দিয়েছিল। বাংলাদেশের জন্য ভারতবাসীর এতটা ত্যাগ ও ভালোবাসা বিশ্বের ইতিহাসে এক বিরল ঘটনা।

নবনিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনারকে চট্টগ্রাম বন্দরের সক্ষমতা জানাতে সিটি মেয়র বলেন, বিগত ১০ বছরে চট্টগ্রাম বন্দরের সক্ষমতা অনেক গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। বন্দরের সক্ষমতার জন্য প্রধানমন্ত্রী নিজেই উদ্যোগী হয়ে বৃহত্তর চট্টগ্রামের উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছেন।

বে টার্মিনাল, কন্টেইনার স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ প্রকল্পগুলো বাস্তবায়িত হলে বর্তমানে বন্দরে যে সক্ষমতা আছে তা দ্বিগুণ বৃদ্ধি পাবে বলে হাইকমিশনারকে জানান মেয়র নাছির।

বর্তমান সরকারের গৃহীত প্রকল্প মাতারবাড়ী ডিপ সি-পোর্ট, মিরসরাই অর্থনৈতিক অঞ্চল, কর্ণফুলী নদীর তলদেশে নির্মাণাধীন ট্যানেলসহ চট্টগ্রাম অঞ্চলে চলমান উন্নয়ন সম্পর্কিত বিভিন্ন প্রকল্পের বিষয়েও হাইকমিশনারকে অবহিত করের আ জ ম নাছির।

ভারতীয় হাইকমিশনার রিভা গাঙ্গুলি দাস বলেন, বাংলাদেশ উন্নয়নে এগিয়ে যাক, ভারত সরকারও তা চায়। এতে ভারতের সহযোগিতা আগামীতেও অব্যাহত থাকবে এবং বাংলাদেশের উন্নয়নে পাশে থাকতে ভারত অঙ্গীকারাবদ্ধ। বাংলাদেশকে ভারত সবসময় বন্ধুপ্রতিম রাষ্ট্র হিসাবেই দেখে বলে দুই দেশের জনগণের মধ্যেও বন্ধুত্বপূর্ণ আচরণ লক্ষ্য করা যায়।

তিনি আরো বলেন, চট্টগ্রাম বন্দরের বহুমুখী ব্যবহারের মাধ্যমে ভারতের সেভেন সিস্টারসহ দুই দেশের জনগণের আর্থিক উন্নতি সম্ভব। চট্টগ্রাম বন্দরের বহুমুখী ও সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করা গেলে এ অঞ্চলে শ্রমবাজার, কর্মসংস্থান, পুঁজি বিনিয়োগ, অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও দুই দেশের জনগণের আর্থিক উন্নতি ঘটবে।

রিভা গাঙ্গুলি বলেন, দুই দেশের বন্ধুত্বের নির্দশন হিসেবে নমনীয় ঋণ চুক্তির আওতায় চট্টগ্রামে এলইডি প্রকল্প উপহার দিয়েছে ভারত সরকার। এটা ভারত সরকারের গ্রাউন্ড ওয়ার্ক। শুধুমাত্র ঘর-গৃহস্থালির কাজেই নয়, এলইডি বাল্বের সাহায্যে আলোকিত হবে নগরীর ৪১টি ওয়ার্ডের পথ-ঘাটও। এর ফলে দিনের যে সময়টিতে বিদ্যুতের চাহিদা থাকে সবচেয়ে বেশি সেই সময় বিদ্যুতের চাহিদা কমিয়ে আনতে এই এলইডি বাতি কার্যকর ভূমিকা রাখবে।

সাক্ষাৎকালে উপস্থিত ছিলেন ভরতীয় সহকারী হাইকমিশনার অনিন্দ্য ব্যানার্জি, কাউন্সিলর শৈবাল দাশ সুমন, চসিক প্রধান নিবার্হী কর্মকর্তা মোহাম্মদ সামসুদ্দোহা, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা মুফিদুল আলম ও প্রধান নগর পরিকল্পনাবিদ এ কে এম রেজাউল করিম প্রমুখ।

আপনার মতামত লিখুন :

কাদেরের সঙ্গে দেখা করলেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত মিলার

কাদেরের সঙ্গে দেখা করলেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত মিলার
প্রিয়া সাহার ইস্যুতে কাদেরের সঙ্গে দেখা করলেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত মিলার

প্রিয়া সাহা ইস্যুতে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন ঢাকাস্থ মার্কিন রাষ্ট্রদূত আর্ল রবার্ট মিলার।

রোববার (২১ জুলাই)  সকালে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের অফিস কক্ষে ওবায়দুল কাদেরের সঙ্গে রবার্ট মিলার সাক্ষাৎ করেন বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

সাক্ষাতে প্রিয়া সাহা প্রসঙ্গে বাংলাদেশ সরকারের অবস্থানের বিষয়ে মার্কিন রাষ্ট্রদূত ইতিবাচক মনোভাব ব্যক্ত করেন।

এর আগে সেতুমন্ত্রী মিলারকে বলেন, প্রিয়া সাহা কোন প্রেক্ষিতে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে এমন অভিযোগ করেছেন এবং তার বক্তব্যের মর্মার্থ তিনি দেশে ফিরে এসে নিশ্চয়ই দেশবাসীর কাছে পরিষ্কার করবেন।

মন্ত্রী আরও বলেন, প্রিয়া সাহা’র আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ রয়েছে। বিষয়টি পরিষ্কারভাবে ব্যাখ্যা করার আগ পর্যন্ত তার বিরুদ্ধে কোন আইনানুগ ব্যবস্থা না নেয়ার নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

এ সময় বাংলাদেশ সরকারের অবস্থানের প্রশংসা করে আর্ল রবার্ট মিলার দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক এবং অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

প্রয়োজনীয় খাদ্য-পুষ্টি পায় না ৪ কোটি মানুষ

প্রয়োজনীয় খাদ্য-পুষ্টি পায় না ৪ কোটি মানুষ
ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

প্রয়োজনীয় খাদ্য ও পুষ্টি পায় না দেশের দরিদ্র ৪ কোটি মানুষ। খাদ্য নিরাপত্তার জন্য সামাজিক নিরাপত্তাসহ বিভিন্ন কর্মসূচী থাকা সত্ত্বেও দেশের মোট জনসংখ্যার ১২ দশমিক ৯ শতাংশ এই মানুষগুলো কম খেয়ে জীবন ধারণ করছে।

২১ জুলাই রোববার (২১ জুলাই) ঢাকার ইকনোমিক রিপোর্টার্স ফোরামের (ইআরএফ) মিলনায়তনে ‘খাদ্য অধিকার আইন প্রণয়নে গণমাধ্যমের ভূমিকা’ শীর্ষক এক সংলাপে এই তথ্য তুলে ধরা হয়। খাদ্য অধিকার বাংলাদেশের সাধারণ সম্পাদক ও ওয়েভ ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক মহসিন আলী।

ইকো কোআপারেশনের সিভিক এনগেজমেন্ট এলায়েন্স প্রোগ্রাম ও ক্রিশ্চিয়ান-এইড এর সহায়তায় খাদ্য অধিকার বাংলাদেশ ও ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরাম এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

প্রবন্ধে বলা হয়, এ পরিস্থিতি দেশে সকল মানুষের মৌলিক অধিকার খাদ্য, শিক্ষা, চিকিৎসা, বস্ত্র ও বাসস্থান প্রতিষ্ঠার বিষয়কে চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন করে তুলেছে। এই প্রেক্ষাপটে অবিলম্বে ‘খাদ্য অধিকার আইন’ প্রণয়নে উদ্যোগ গ্রহণের মাধ্যমে অতিদরিদ্র ও দরিদ্র মানুষের খাদ্য ও পুষ্টি অধিকার নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

ইআরএফের সাবেক সাধারণ সম্পাদক বদিউল আলমের সভাপতিত্বে সংলাপ সঞ্চালন করেন বর্তমান সাধারণ সম্পাদক এস এম রাশিদুল ইসলাম।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, সংবিধান খাদ্য অধিকারকে স্বীকৃতি প্রদান করেছে কিন্তু সময়ের প্রক্ষোপটে এখন প্রয়োজন আইন তৈরি করা। বাংলাদেশ আর্থ-সামাজিক ক্ষেত্রে যথেষ্ট অগ্রগতি সাধন করেছে এবং ক্রমাগতভাবে দারিদ্র্যের হার কমে আসার ক্ষেত্রেও ঈর্ষাণীয় সাফল্য অর্জন করেছে।

কিন্তু এরপরও এখনো বাংলাদেশের ২ কোটি ৫০ লাখ মানুষ অপুষ্টির শিকার। যার মধ্যে প্রায় ৪৪ শতাংশ নারী রক্ত স্বল্পতায় ভূগছে। উত্তরবঙ্গসহ দারিদ্র্যপ্রবণ ৯ জেলায় ও এর বাইরে নদীভাঙন এলাকা, চরাঞ্চল ও হাওর এলাকা, রাজধানী ঢাকাসহ বিভিন্ন মহানগরের বস্তিবাসী, চা বাগানের শ্রমিক, হরিজন ও বেদে সম্প্রদায়, হিজড়া সম্প্রদায়, আদিবাসী জনগোষ্ঠীর উল্লেখযোগ্য সংখ্যা এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অন্যান্য অংশ মানবেতর জীবনযাপন করে।

এদের খাদ্য ও পুষ্টির দিকে বিশেষ মনযোগ দিতে এবং তা নিশ্চিতে খাদ্য অধিকার আইন প্রনয়ণ জরুরি বলে মত প্রদান করেন বক্তারা।

তারা বলেন, দেশের উন্নয়নে মেগা প্রকল্প যেমন প্রয়োজন রয়েছে, পাশাপাশি অগ্রাধিকার ভিত্তিতে দরিদ্র এবং অতিদরিদ্রদের জীবনমান উন্নয়নের জন্যও প্রকল্প নিতে হবে। এসব প্রকল্পের মাধ্যমে কর্মসংস্থান হবে এবং এর মাধ্যমে দরিদ্র মানুষ নিজেরাই নিজেদের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারবে।

সংলাপে ‘খাদ্য অধিকার আইন’ প্রণয়নে গণমাধ্যমের ভূমিকা বিষয়ে উল্লেখ করে বক্তারা বলেন, এ বিষয়ে গণমাধ্য খাদ্য ও পুষ্টি পরিস্থিতি বিষয়ে প্রকৃত পরিস্থিতি তুলে ধরা, পরিস্থিতি বিশ্লেষণের আলোকে খাদ্য অধিকার আইনের প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে দেশব্যাপি সচেতনতা বৃদ্ধিতে প্রতিবেদন -এর মাধ্যমে নীতি-নির্ধারক ও সরকারের সংশ্লিষ্ট পক্ষসমূহকে প্রভাবিত করার ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করতে পারে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র