Barta24

সোমবার, ২২ জুলাই ২০১৯, ৭ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

বিড়ির দাম ১৪ টাকা থেকে কমিয়ে ১০ টাকা করার দাবি

বিড়ির দাম ১৪ টাকা থেকে কমিয়ে ১০ টাকা করার দাবি
জাতীয় প্রেসক্লাবে বাংলাদেশ বিড়ি শ্রমিক ফেডারেশনের সংবাদ সম্মেলন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
ঢাকা


  • Font increase
  • Font Decrease

বিড়িতে সম্পূরক শুল্ক কমিয়ে বিড়ির দাম ১৪ টাকা থেকে ১০ টাকা করার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ বিড়ি শ্রমিক ফেডারেশন।

রোববার (১৬ জুন) জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানান সংগঠনটির সভাপতি এম কে বাঙালি।

লিখিত বক্তব্যে এম কে বাঙালি বলেন, ‘২০১৯-২০ অর্থ বছরের প্রস্তাবিত বাজেটে বিড়ির ওপর অযৌক্তিকভাবে কম দামি সিগারেটের চেয়ে ৪ গুণ বেশি শুল্ক নির্ধারণ করা হয়েছে। বিড়িতে ২৪.২০ শতাংশ শুল্ক বৃদ্ধি করা হয়েছে। অন্যদিকে কম দামি সিগারেটে মাত্র ৫.৭১ শতাংশ শুল্ক বৃদ্ধি করা হয়েছে। বিড়ির সম্পূরক শুল্ক ৩০% থেকে ৩৫% করা হয়েছে অর্থাৎ ৫% বৃদ্ধি করা হয়েছে। অন্যদিকে বহুজাতিক কোম্পানির কমদামি সিগারেট ও  বেশি দামি সিগারেটের সম্পুরক শুল্ক বৃদ্ধি করা হয় নাই।’

এ সময় সংবাদ সম্মেলনে শ্রমিক নেতারা ৮ দফা দাবি তুলে ধরেন।

দাবিসমূহ হল: বিড়ির দাম ১৪ টাকা থেকে কমিয়ে ১০ টাকা করতে হবে, 'সম্পূরক শুল্ক' কমিয়ে ভারতের ন্যায় প্রতি হাজারে ১৪ টাকা করতে হবে,কম দামি ও বেশি দামি সিগারেটে সম্পূরক শুল্ক বৃদ্ধি করতে হবে,বিড়ির ওপর আরোপিত অগ্রিম আয়কর বাতিল করতে হবে, বঙ্গবন্ধুর চালুকৃত  বিড়িকে অবিলম্বে কুটির শিল্প ঘোষণা করতে হবে, নিম্নস্তর ও  মধ্যম স্তরের সিগারেট একীভূত করে সমমূল্য করতে হবে, উচ্চস্তরের সিগারেটের মূল্য ও সম্পূরক শুল্ক অধিক হারে বৃদ্ধি করতে হবে ও শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি হাজার প্রতি ১০০ টাকা করতে হবে।

এ সময় সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বিড়ি শ্রমিক ফেডারেশনের যুগ্ম সম্পাদক মো. হারিক হোসেন, কার্যকরী সভাপতি আমিন উদ্দিন বিএসসি, সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমান, সহ-সম্পাদক প্রণব দেনাথ ও সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল হাসনাত লাভলু প্রমুখ।

আপনার মতামত লিখুন :

চট্টগ্রাম ফ্লাইওভারে জলাবদ্ধতায় কমিশনারের ক্ষোভ

চট্টগ্রাম ফ্লাইওভারে জলাবদ্ধতায় কমিশনারের ক্ষোভ
ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতা নিরসনে সিডিএর নেওয়া মেগা প্রকল্পের পরও নাগরিকদের ভোগান্তির কারণে সংস্থাটির কার্যক্রমে ক্ষোভ ও  অসন্তোষ  প্রকাশ করেছেন বিভাগীয় কমিশনার আবদুল মান্নান।

তিনি বলেন, 'অনেক প্রশাসনিক ধাপ অতিক্রম করে বিভাগীয় কমিশনার হতে হয়। এমন কাজ করেন যেন দায়িত্ব শেষে মরে গেলেও মানুষ ৪০ বছর পর বলবে মেয়র আমাদের জন্য এটি তৈরি করে গিয়েছিলেন।'

সোমবার (২২জুলাই) দুপুরে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে বিভাগীয় উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির সভায় সভাপতিত্বকালে বিভাগীয় কমিশনার এমন ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

প্রায় দু'মাস পরে চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক সেবা সংস্থা, বন্দর, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, গণপূর্ত, স্থানীয় সরকার, সড়ক ও জনপথ, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল, বিদ্যুৎ উন্নয়নের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন বিভাগীয় কমিশনার। 

সভার শুরুতে আলোচ্যসূচি মোতাবেক বন্দরের কোনো প্রতিনিধি না থাকায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি। একইসঙ্গে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিবের বরাবর চিঠি দেওয়ার কথা জানান তিনি। এরপর চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের প্রতিনিধিকে টানা বর্ষণে সৃষ্ট জলাবদ্ধতার কারণ জানতে চান।

'কয়েকদিন আগে বৃষ্টির সময় গণমাধ্যম থেকে শুরু করে ফেসবুকে প্রহসন শুরু হয়েছে। ফ্লাইওভারে পানি জমে এমন ইতিহাস পৃথিবীর কোথায় নাই।'- নলে তিনি কোথাও রডের পরিবর্তে বাঁশ দিয়ে না দিয়ে, আর অহেতুক বায়বীয় খরচ দেখিয়ে অর্থ ছাড়ের জন্য আবেদন না করার কথা উল্লেখ করেন।'  

সম্প্রতি টানা বর্ষণের মুখে গত ১৩ জুলাই শহর রক্ষায় নির্মিতব্য উপকূলীয় বাঁধ পতেঙ্গা আউটার রিং ওয়াকওয়ে মেগা প্রকল্প ধসে পড়ে। উদ্বোধনের আগে ধসে পড়ায় এ নিয়ে সিডিএর সাবেক চেয়ারম্যান আবদুছ ছালামের দুর্নীতি করে প্রকৃত তদন্ত দাবি করেন।     

সভার শেষে বিভাগীয় কমিশনার প্রতিটি জেলায় সরকারের নেওয়া প্রকল্পের কাজ অগ্রগতির জন্য জেলা প্রশাসকদের স্ব শরীরে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেন। 

 

ছেলেধরা গুজব: পুলিশের সব ইউনিটকে সতর্ক থাকার নির্দেশ

ছেলেধরা গুজব: পুলিশের সব ইউনিটকে সতর্ক থাকার নির্দেশ
ছবি: সংগৃহীত

ছেলেধরা গুজবের বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়ে বাংলাদেশ পুলিশের সব ইউনিটকে সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়েছে পুলিশ সদর দফতর।

সোমবার (২২ জুলাই) পুলিশ সদর দফতরের সহকারী মহাপরিদর্শক (এআইজি-অপারেশনস) সাঈদ তারিকুল হাসান সারা দেশের পুলিশের ইউনিটগুলোকে এ বিষয়ে চিঠি পাঠিয়েছেন।

দেশের বিভিন্ন স্থানে ছেলেধরা গুজব ছড়িয়ে গণপিটুনিতে হত্যার মাধ্যমে অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টির চেষ্টা চলছে বলে মনে করে পুলিশ।

চিঠিতে বলা হয়, ছেলেধরার গুজব বন্ধ করতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক, টুইটার, ইউটিউব এবং ব্লগগুলো নজরদারির আওতায় আনার জন্য ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। এছাড়া এ সংক্রান্ত পোস্ট দিলে বা শেয়ার করলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।

চিঠিতে চারটি বিষয় উল্লেখ করে বলা হয়েছে, সেগুলো হলো- শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কেন্দ্রিক জনসচেতনতা বৃদ্ধি, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম মনিটরিং এবং ইলেকট্রনিক মিডিয়া ও পত্রিকায় গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ।

চিঠিতে এছাড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে টহল ও গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, পরিচালনা পরিষদের সদস্য ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা করে সচেতনতা বাড়ানোরও তাগিদ দেওয়া হয়। ছুটির পর অভিভাবকরা যাতে শিক্ষার্থীদের নিয়ে যান, সে বিষয় নিশ্চিত করার জন্য স্কুল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা, প্রতিটি স্কুল ক্যাম্পাসের সামনে ও বাইরে ক্লোজ সার্কিট (সিসিটিভি) ক্যামেরা স্থাপন, মেট্রোপলিটন ও জেলা শহরের বস্তিতে নজরদারি বৃদ্ধির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

আরও বলা হয়েছে, আজকের এ চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে পুলিশের ইউনিটগুলো কি ব্যবস্থা নিয়েছে তা আগামী তিন দিনের মধ্যে পুলিশ সদর দফতরে ফ্যাক্সের মাধ্যমে জানাতে হবে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র