Barta24

মঙ্গলবার, ২৩ জুলাই ২০১৯, ৮ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

রামেকে ভুল চিকিৎসায় নার্সের মৃত্যু, পরিচালকের কক্ষ ভাঙচুর

রামেকে ভুল চিকিৎসায় নার্সের মৃত্যু, পরিচালকের কক্ষ ভাঙচুর
হাসপাতালের গেটে নার্সদের বিক্ষোভ, ছবি: বার্তা২৪
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে সিজার করাতে গিয়ে ভুল চিকিৎসায় একজন নার্সের মৃত্যু হয়েছে। রোববার (১৬ জুন) রাত পৌনে ৮টার দিকে এই ঘটনা ঘটে।

মৃত ওই নার্সের নাম মোছা. দিলারা খাতুন (৩০)। তিনি রাজশাহীর বাঘা উপজেলার নওটিকা গ্রামের মিঠুন মিয়ার স্ত্রী এবং রামেক হাসপাতালে দায়িত্বরত ছিলেন। তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় দিলারা খাতুনের স্বজনরা দাবি করেন- চিকিৎসকের ভুলে দিলারার মৃত্যু হয়েছে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/16/1560699737505.jpg

এদিকে, চিকিৎসকের ভুলে দিলারা খাতুনের মৃত্যুর খবর হাসপাতালে কর্মরত নার্সদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়লে তারা বিক্ষোভ শুরু করেন। পরে তারা হাসপাতালের পরিচালকের কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নেন। একপর্যায়ে বিক্ষুব্ধ নার্সরা পরিচালকের কক্ষের কাচের দরজায় ভাঙচুর চালান। রাত ৯টায় এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত সেখানে বিক্ষোভ চলছিল।

জানা যায়, গর্ভবতী ওই নারী নার্স গত তিনদিন ধরে রামেক হাসপাতালের আইসিইউতে ভর্তি ছিলেন। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে তিনি হাসপাতালে ভর্তি হন। রোববার (১৬ জুন) সন্ধ্যায় তার সিজারের ব্যবস্থা করা হয়। কিন্তু সিজারের সময় তিনি মারা যান.

জানতে চাইলে হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. জামিলুর রহমান মোবাইলে বার্তা২৪.কম-কে বলেন, ‘আমি বাইরে আছি। তবে বিষয়টি জেনেছি। নার্স দিলারা খাতুনের সিজারে যে চিকিৎসক এবং নার্সরা যুক্ত ছিলেন, তাদেরকে ডাকা হয়েছে। বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে খতিয়ে দেখা হবে।’

আপনার মতামত লিখুন :

গণপিটুনির কারণ খতিয়ে দেখা হবে : আইনমন্ত্রী

গণপিটুনির কারণ খতিয়ে দেখা হবে : আইনমন্ত্রী
আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক

 

আইন বিচার  ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, সাম্প্রতিক ঘনঘন অগ্নিকাণ্ড, ধর্ষণ ও গণপিটুনির ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখা হবে। যে কোন ঘটনার একটা স্বাভাবিকতা আছে আর একটা অস্বাভাবিকতাও আছে। আপনারা যদি আগুন লাগার ঘটনা দেখে থাকেন। তাহলে দেখবেন, এটা কন্টিনিউয়াস ঘটতে থাকে। তারপরে ধর্ষণের ঘটনা কন্টিনিউয়াস ঘটতে থাকল। এখন গণপিটুনির ঘটনা ঘটছে। একটা দুটো দুর্ঘটনা হলে ঠিক আছে। কিন্তু ১১-১২ টা ঘটনা ঘটেছে-এটা অস্বাভাবিক।

মঙ্গলবার (২৩ জুলাই) রাজধানীর একটি হোটেলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আয়োজিত জাতিসংঘ নির্যাতন বিরোধী কনভেনশন (ইউএনসিএটি) বিষয়ে সিভিল সোসাইটির সঙ্গে এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন তিনি।

আইনমন্ত্রী বলেন, যেখানে গত বছরে একটাও গণপিটুনির ঘটনা নাই, সেখানে হঠাৎ এক মাসে সাত দিনের মধ্যে ১১ টা গণপিটুনির ঘটনা ঘটে গেল। এ ঘটনাগুলো দেশে যে গণতান্ত্রিক পরিবেশ বিরাজ করছে তা নষ্ট করার জন্য কি না-তা খতিয়ে দেখা হবে।

দেশে বিচারবর্হিভূত হত্যার পরিমাণ কমেছে মন্তব্য করে আনিসুল হক বলেন, একটাও যাতে বিচার বহির্ভূত হত্যা না হয়, আমরা সে দিকেই অগ্রসর হচ্ছি। নির্যাতন বন্ধে সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে। ফলে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সহ বিভিন্ন স্থানে নির্যাতন কমেছে।

মন্ত্রী বলেন, দেশের যেখানেই অপরাধ হচ্ছে সেখানেই তা রুখে দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। ধর্ষণ বা অন্যান্য নির্যাতন বন্ধ করার জন্য সরকার অনেক চেষ্টা করছে। মাদক নির্মূলের জন্যও চেষ্টা করা হচ্ছে।

মন্ত্রী বলেন, এসিড সন্ত্রাস দমনে যেমন দেশের মানুষ সবাই একত্রিত হয়েছিল তেমনি এইসব অপরাধ দমনে সকলের সহযোগিতা প্রয়োজন।

 

সৎ বাবার বিরুদ্ধে প্রতিবন্ধী শিশু হত্যার অভিযোগ

সৎ বাবার বিরুদ্ধে প্রতিবন্ধী শিশু হত্যার অভিযোগ
ছবি: সংগৃহীত

ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া উপজেলায় স্বাধীন (৪) নামে বাকপ্রতিবন্ধী এক শিশুকে গলাটিপে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তার সৎ বাবার বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় স্থানীয়রা সৎ বাবা কামাল উদ্দিনকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে।

মঙ্গলবার (২৩ জুলাই) দুপুরে উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের কান্দানিয়া কচুয়ারপাড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, ছয় মাস আগে কচুয়ারপাড় এলাকার কামাল উদ্দিন একই গ্রামের বিধবা উম্মে কুলছুমকে প্রতিবন্ধী শিশুটিসহ বিয়ে করেন। বিয়ের পর থেকে প্রায়ই স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়া হতো।

মঙ্গলবার সকালে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়ার পর কুলছুম প্রতিবন্ধী ছেলেকে বাড়িতে রেখে পাশের এক বাড়িতে চলে যান। দুপুরে বাড়ি ফিরে শিশুটিকে মৃত অবস্থায় দেখতে পান।

বিকালে ভবানীপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শাহীনূর মল্লিক জীবন বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে বলেন, ‘বাকপ্রতিবন্ধী স্বাধীনকে তার সৎ বাবা কামাল উদ্দিন গলাটিপে হত্যা করেছে বলে দাবি করছে শিশুটির মা কুলছুম। স্থানীয়রা কামালকে আটক করে ইউনিয়ন পরিষদে নিয়ে আসার পর পুলিশকে বিষয়টি জানানো হলে অভিযুক্ত কালামকে থানায় নিয়ে যায় পুলিশ।’

ফুলবাড়িয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফিরোজ তালুকদার বলেন, ‘লাশ উদ্ধার করে থানায় আনা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য শিশুটির মরদেহ মমেক হাসপাতালে পাঠানো হবে।’

তিনি জানান, অভিযুক্ত সৎ বাবা কামালকে থানায় রাখা হয়েছে। তবে এখনো পর্যন্ত কেউ এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ করেননি। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র