Barta24

শনিবার, ২০ জুলাই ২০১৯, ৫ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

ভারত-বাংলাদেশের বাণিজ্য বৃদ্ধি আঞ্চলিক অর্থনীতিকে এগিয়ে নিবে

ভারত-বাংলাদেশের বাণিজ্য বৃদ্ধি আঞ্চলিক অর্থনীতিকে এগিয়ে নিবে
রংপুরে-ভারতীয় সহকারি হাই-কমিশনারকে সংবর্ধনা
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম রংপুর


  • Font increase
  • Font Decrease

ভারতীয় সহকারী হাই কমিশনের নবনিযুক্ত সহকারী হাই কমিশনার সঞ্জীব কুমার ভাটী বলেছেন, ‘ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে বাণিজ্য বাড়ানোর যথেষ্ঠ সম্ভাবনা রয়েছে। এই অমিত সম্ভাবনাকে সামনে রেখে দু’দেশের সঙ্গে পারস্পারিক বাণিজ্য বৃদ্ধির মাধ্যমে আঞ্চলিক অর্থনীতিকে এগিয়ে নেয়া সম্ভব। এ কারণে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরো সুদৃঢ়করণের লক্ষ্যে দু’দেশের প্রধানমন্ত্রী একযোগে কাজ করে যাচ্ছেন।’

রোববার (১৬ জুন) দুপুরে রংপুর আরসিসিআই সভাকক্ষে চেম্বার অব কমার্স এ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

ভাটী বলেন, ভৌগোলিক সুবিধা, উষ্ণ বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক, বিনিয়োগ বান্ধব পরিবেশের কারণে ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে বাণিজ্যিক সম্পর্ক সুদৃঢ় হওয়া প্রয়োজন। বাংলাদেশি পণ্যের বাজার সম্প্রসারণের ক্ষেত্রে ভারতে যেসব প্রতিবন্ধকতা দেখা দিয়েছে। তা নিরসনে দুই দেশের সরকারের উচ্চ মহলে তুলে ধরা হবে।’

নবনিযুক্ত ভারতীয় সহকারী হাই কমিশনার সঞ্জীব কুমার ভাটীর সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন রংপুর চেম্বার সভাপতি মোস্তফা সোহরাব চৌধুরী টিটু।

তিনি বক্তব্যে বলেন, ‘ভারতে পণ্য রপ্তানিতে শুল্ক সমস্যার চেয়ে বড় বাধা হিসেবে দেখা দিয়েছে অনুন্নত অবকাঠামো ও বিদ্যমান অশুল্ক (নন টেরিফ) জটিলতা। এ কারণে ভারতে বাংলাদেশি পণ্য রপ্তানির সম্ভাবনা কাজে লাগানো যাচ্ছে না।’

বাংলাদেশ, ভারত, ভূটান এবং নেপাল সড়ক যোগাযোগ স্থাপনে যে চুক্তিস্বাক্ষর হয়েছে, তা দ্রুত কার্যকরের দাবি জানিয়ে মোস্তফা সোহরাব বলেন, ‘ওই চুক্তি কার্যকর হলে যোগাযোগ ব্যবস্থায়  অভূতপূর্ব উন্নতি সাধিত হবে। পণ্যবাহী গাড়ি সরাসরি যাতায়াত শুরু হলে বাংলাদেশি পণ্যের রপ্তানি বাণিজ্য আরও বৃদ্ধি পাবে।’

অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, রংপুর চেম্বারের সিনিয়র সহ-সভাপতি মোজতোবা হোসেন রিপন, বিশিষ্ট আমদানি ও রফতানিকারক ময়েন উদ্দিন, শাহজাহান মিয়া, রংপুর চেম্বারের সাবেক নির্বাহী সদস্য রফিকুল ইসলাম ফরহাদ, সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি মোস্তফা আহমেদ প্রমুখ।

এ সময় বক্তারা অপর্যাপ্ত বন্দর সুবিধা, অশুল্ক বাধা, দুর্বল অবকাঠামো ও রফতানি প্রক্রিয়াকরণ জটিলতা, বাংলাদেশি বেশকিছু পণ্যের মানসনদ ভারত কর্তৃক গ্রহণ না করা, ভারতের শুল্ক বিভাগে এইচএস কোড, বাংলাদেশি পণ্যের নমুনা ভারতীয় পরীক্ষাগারে পরীক্ষা-নিরীক্ষায় সময়ক্ষেপণ, স্থলপথে ব্যবসায়ীদের যাতায়াতের সুবিধার জন্য পোর্ট এন্ট্রি ভিসা প্রদানসহ বিভিন্ন কারণে চাহিদা থাকা সত্ত্বেও ভারতে বাংলাদেশি পণ্যের রফতানি বাণিজ্য সম্প্রসারণ করা সম্ভব হচ্ছে না বলে মতামত ব্যক্ত করেন।

আপনার মতামত লিখুন :

রোহিঙ্গা ইস্যুতে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে সেমিনার

রোহিঙ্গা ইস্যুতে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে সেমিনার
যুক্তরাষ্ট্রের হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে রোহিঙ্গা ইস্যু নিয়ে সেমিনারে আলোচকরা/ ছবি: সংগৃহীত

মিয়ানমার থেকে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের টেকসই ও স্থায়ী প্রত্যাবাসনে ভূমিকা রাখতে শিক্ষাবিদ, গবেষক ও উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ. কে. আব্দুল মোমেন।

শুক্রবার (১৯ জুলাই) যুক্তরাষ্ট্রের বোস্টনে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের হার্ভার্ড কেনেডি স্কুলের ‘অ্যাশ সেন্টার ফর ডেমোক্রেটিক গভর্ননেন্স এন্ড ইনোভেশন’ সেন্টারে অনুষ্ঠিত সেমিনারে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ আহ্বান জানান।

‘ইন্টারন্যাশনাল রোহিঙ্গা অ্যাওয়ারনেস কনফারেন্স’ শীর্ষক এ সেমিনারের আয়োজন করেন বোস্টনস্থ অর্থনীতিবিদ ড. আব্দুল্লাহ শিবলী, ড. ডেভিড ড্যাপাইচ ও সমাজকর্মী নাসরিন শিবলী।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/20/1563639147560.gif

রোহিঙ্গা ইস্যু কিভাবে বাংলাদেশের অর্থনীতি, সমাজ ও পরিবেশের উপর প্রভাব ফেলছে সেমিনারে তা উল্লেখ করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘বিশ্বের সবচেয়ে ভাগ্য বিড়ম্বিত, অমানবিক সহিংসতার শিকার এই মানুষগুলোকে আশ্রয় না দিলে তাদের আর যাওয়ার কোনো জায়গা ছিল না।’

মন্ত্রী রোহিঙ্গা সংকটের ইতিহাস তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, ‘মিয়ানমার এই সংকট সমাধানে এগিয়ে আসেনি। কফি আনান কমিশনের সুপারিশ থেকে শুরু করে কোনো পদক্ষেপই তারা বাস্তবায়ন করেনি। রাখাইন রাজ্যে বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের ফিরে যাওয়ার আস্থা ও নিরাপত্তা সৃষ্টিকারী কোনো অনুকূল পরিবেশই তারা সৃষ্টি করতে পারেনি। পরিবর্তে মিয়ানমার বিষয়টি নিয়ে ব্লেইম গেম খেলছে।’

রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে যা সম্ভব তার সব সবকিছুই বাংলাদেশ করে যাচ্ছে উল্লেখ করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘এই সংকটের সমাধানে আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক পদক্ষেপের পাশাপাশি শিক্ষাবিদ, গবেষক ও বিশ্বের খ্যাতনামা উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহকে ভূমিকা রাখতে হবে, যাতে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের টেকসই ও স্থায়ী প্রত্যাবাসন নিশ্চিত হয়।’

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/20/1563639181228.gif

সেমিনারে অন্য আলোচকদের মধ্যে ছিলেন জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক হাইকমিশনের নিউইয়র্কস্থ কার্যালয়ের পরিচালক নিনেথ কেলি ও হার্ভার্ড কেনেডি স্কুলের ভিয়েতনাম ও মিয়ানমার কর্মসূচির সিনিয়র ইকোনমিস্ট ও প্রফেসর ইমেরিটাস ডেভিড ড্যাপাইচ।

অনুষ্ঠানটির মডারেটর ছিলেন হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক ও হার্ভার্ডের অ্যাশ সেন্টার ফর ডেমোক্রেটিক গভর্নন্যান্স এর পরিচালক এন্থনি সাইচ।

নিনেথ কেলি রোহিঙ্গা সঙ্কটে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও জনগণের উদারতা, সহানভূতি ও মানবিকতার প্রশংসা করেন। বক্তব্যের শুরুতে তিনি একটি ভিডিও চিত্রের মাধ্যমে রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বিভিন্ন দৃশ্যপট তুলে ধরেন।

ডেঙ্গু পরিস্থিতি উদ্বেগজনক তবে নিয়ন্ত্রণের বাইরে নয়

ডেঙ্গু পরিস্থিতি উদ্বেগজনক তবে নিয়ন্ত্রণের বাইরে নয়
ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশে ডেঙ্গু পরিস্থিতি উদ্বেগজনক তবে নিয়ন্ত্রণের বাইরে নয় বলে জানিয়েছেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিওএইচও) দেশীয় প্রতিনিধি ডা. এডউইন স্যালভাদর।

তিনি বলেছেন, ‘এই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের সঙ্গে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা একযোগে কাজ করবে।’

শনিবার (২০ জুলাই) ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র সাঈদ খোকনের নিজ বাসভবনে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার এক প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

সভায় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে তারা প্রতিবেদন দেবেন যার সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করবে ডিএসসিসি।

সাঈদ খোকন বলেন, ‘ডেঙ্গু কখনো বাইরের ময়লায় বা ড্রেনে হয় না। এটা হয় পরিষ্কার সাদা পানিতে। তাই এই রোগ প্রতিরোধে সচেতনতার বিকল্প নেই।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা গত ফেব্রুয়ারি মাসে ঢাকার ৩৩ হাজার বাড়িতে ডেঙ্গু মশার উৎপত্তিস্থল ধ্বংস করি এবং এটি ধ্বংস করার উপায় শিখিয়ে দিয়ে আসা সত্ত্বেও দুঃখজনক বিষয় হচ্ছে পরে সেই বাড়িতে পরিদর্শনে গেলে পূর্বের সেই একই পরিস্থিতি দেখতে পাই যা অত্যন্ত দুঃখজনক।’

বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন- অন্যান্যের মধ্যে হেলথ ইমার্জেন্সির দল প্রধান হাম্মাম এল সাক্কা, আইভিডি ইম্যুনাইজেশন ভ্যাক্সিন ডেভেলপমেন্টর রাজেন্দ্র বোহরা, ঢাকার বিভাগীয় সমন্বয়ক ডা. মো. জাহাঙ্গীর আলম, করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান প্রমুখ।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র