Barta24

শনিবার, ১৭ আগস্ট ২০১৯, ২ ভাদ্র ১৪২৬

English

রোদের প্রখরতাকে থামিয়ে হঠাৎ বৃষ্টি

রোদের প্রখরতাকে থামিয়ে হঠাৎ বৃষ্টি
রাজধানতে বৃষ্টি হচ্ছে / ছবি: বার্তা২৪
নিউজরুম এডিটর
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

রোদের প্রখরতাকে থামিয়ে রাজধানীতে হঠাৎ ভারী বৃষ্টি হয়। বজ্রপাত না থাকলেও ঠাণ্ডা বাতাস বইছে। তাপমাত্রাও কিছুটা কমে আসছে। এতে রাজধানীবাসীর মধ্যে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে।

বৃহস্পতিবার (১৩ জুন) দুপুর আড়াইটার দিকে রাজধানীর গুলশানসহ কয়েকটি স্থানে হঠাৎ বৃষ্টি শুরু হয়। প্রস্তুতি না থাকায় রাস্তায় থাকা ব্যস্ত মানুষেরা বৃষ্টির কারণে পথে ঘাটে আটকে যান। নিরাপদ আশ্রয়ের সন্ধানে আশপাশের দোকানপাটে আশ্রয় নেন পথচারীরা। প্রথমে ভারী বৃষ্টি হলেও পরবর্তীতে হালকা বৃষ্টি হয়। তবে কিছু জায়গায় এক পশলা বৃষ্টি শেষেই থেমে যায়। অনেক স্থানে আকাশ মেঘলা রয়েছে।

এদিকে, রাজধানীর মতো দেশের বিভিন্ন জায়গায় বৃষ্টি হচ্ছে। ফরে সারাদেশের তাপমাত্রা কিছুটা কমছে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/13/1560416505400.jpg
সংসদ ভবন এলাকায় হঠাৎ মেঘাচ্ছন্ন হয়ে আসে আকাশ, ছবি: বার্তা২৪

 

আবহাওয়াবিদ মো. শাহীনুল ইসলাম বার্তা২৪.কমেক বলেন, ‘লঘুচাপের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ থেকে উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে। দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমী বায়ু চট্টগ্রাম অঞ্চল পর্যন্ত অগ্রসর হয়েছে। ফলে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টি শুরু হচ্ছে। শুক্রবার থেকে বৃষ্টির প্রবণতা বৃদ্ধি পাবে। তাপমাত্রাও হ্রাস পাবে। সোমবার (১৭ জুন) পর্যন্ত বৃষ্টি অব্যাহত থাকতে পারে। এর পর দু-একদিন পর আবারও বৃষ্টি শুরু হতে পারে। মৌসুমি বায়ুর প্রভাব এখনো পড়েনি। ’

তিনি আরও বলেন, ‘ আজ (বৃহস্পতিবার) ভারতের গুজরাটে আঘাত হানার কথা ছিল। তবে ঘূর্ণিঝড়টির দিক পরিবর্তন হয়েছে। এর কিছুটা প্রভাব বাংলাদেশে রয়েছে। এ কারণে বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশে আসতে সময় লাগছে।’

আপনার মতামত লিখুন :

বরিশালে কমছে ডেঙ্গু রোগী

বরিশালে কমছে ডেঙ্গু রোগী
বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন ডেঙ্গু আক্রান্তরা/ ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

বরিশালে কমতে শুরু করেছে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা। সেই সঙ্গে হাসপাতালগুলোতেও কমছে রোগী ভর্তির সংখ্যা। ঈদুল আজহা ঘিরে এ রোগীর সংখ্যা বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকলেও তুলনামূলক বাড়েনি।

শনিবার (১৭ আগস্ট) দুপুর পর্যন্ত বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে গত ২৪ ঘণ্টায় ৬১ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছে। যার মধ্যে ৩৭ জন ‍পুরুষ, ১৫ জন মহিলা ও ৯ জন শিশু। সব মিলিয়ে বর্তমানে শেবাচিমে ২৬০ জন রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন। যার মধ্যে ১৪৬ জন পুরুষ, ৫৬ জন নারী ও ৫৮ জন শিশু রয়েছে।

বিষয়টি বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে শনিবার (১৭ আগস্ট) দুপুরে নিশ্চিত করেছেন শেবাচিম পরিচালক ডাক্তার মোঃ বাকির হোসেন।

এ সময় তিনি জানান, গত তিন থেকে চার দিন ধরে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত রোগী শেবাচিম হাসপাতালে তুলনামূলক কম ভর্তি হচ্ছে। আগামী কয়েক দিনের মধ্যে ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসবে বলেও আশাবাদী ঐ পরিচালক।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/17/1566039735609.gif

শেবাচিমে ডেঙ্গু রোগীর ভর্তি পরিসংখ্যানে দেখা যায়, শুক্রবারের ৫০ জন, বৃহস্পতিবার ৬৭ জন ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত রোগী ভর্তি হয়েছিল। এর আগে প্রতিদিন ২৪ ঘণ্টায় গড়ে ৮০ থেকে ৮৫ জন করে ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হতো।

এদিকে শনিবার সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন ৫৯ জন ডেঙ্গু রোগী। শুক্রবার সকালের হিসাব অনুযায়ী, ২৪ ঘণ্টায় ৯১ জন ও বৃহস্পতিবার ১১৪ জন ডেঙ্গু রোগী সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ত্যাগ করেছেন।

ঈদের পরে ১৪ আগস্ট হাসপাতালে ৩৪৬ জন ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসাধীন ছিল। ১৫ আগস্ট ছিল ২৯৯ এবং ১৬ আগস্ট তা কমে দাঁড়ায় ২৫৮ জনে।

উল্লেখ্য, গত ১৬ জুলাই থেকে ১৭ আগস্ট দুপুর পর্যন্ত এক মাসে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত এক হাজার ১৭২ জন রোগী ভর্তি হয়েছে। যার মধ্যে চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন ৯১২ জন। আর মৃত্যু হয়েছে শিশুসহ চার জন রোগীর।

ঝিলপাড়া বস্তির আহতদের চিকিৎসার ভার নেবে ডিএনসিসি

ঝিলপাড়া বস্তির আহতদের চিকিৎসার ভার নেবে ডিএনসিসি
অগ্নিকাণ্ডে আহতদের সমস্ত চিকিৎসা ব্যয় বহন করার ঘোষণা দিলেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে সব হারিয়ে পথে বসেছে হাজার হাজার বস্তিবাসী। রাজধানীর মিরপুর-৭ নম্বর সেকশনের ঝিলপাড় বস্তিতে অগ্নিকাণ্ডে আহতদের সমস্ত চিকিৎসা ব্যয় বহন করার ঘোষণা দিলেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম। তিনি বলেছেন, যতদ্রুত সম্ভব তাদের ঘর করে দেবে স্থানীয়রা। এই মুহূর্তে যারা আহত হয়ে হাসপাতালে আছেন বা যারা এখানে আছেন তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। চিকিৎসার যত খরচ সিটি করপোরেশন বহন করবে।

শনিবার (১৭ আগস্ট) বিকেলে মিরপুরের-৭ নম্বর সেকশনের ঝিলপাড় বস্তিতে সরেজমিনে পরিদর্শন শেষে মেয়র একথা বলেন।

মেয়র বলেন, ‘আগুন কীভাবে লাগল তদন্ত সাপেক্ষে বলা যাবে। আমার মনে হয় বস্তিতে যারা থাকেন তাদের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা একটা জায়গা দিয়েছেন বাউনিয়াবাঁধে। ওখানে প্রায় ১০ হাজার পরিবারকে পর্যায়ক্রমে স্থানান্তর করা হবে। এটি একটি ভাল উদ্যোগ।’

আতিকুল ইসলাম বলেন, ‘যাদের স্থায়ী নিবাস বস্তিবাসী হিসেবে তারাই সেখানে পর্যায়ক্রমে চলে যেতে পারবেন। প্রধানমন্ত্রীও বস্তিবাসীদের জন্য স্থায়ী বাসস্থান করে দিতে চান। বাউনিয়াবাঁধে কাজ শুরু হয়ে গেছে। ওখানে ১০ হাজার বস্তিবাসীর জায়গা হবে।’

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/17/1566037408562.jpg

মেয়র বলেন, ‘এই মুহূর্তে যাদের খাদ্যের প্রয়োজন আমরা তার ব্যবস্থা করছি। এটা অব্যাহত থাকবে। এই বস্তিতে যারা থাকেন, তারা কিন্তু ভাড়ায় থাকেন। অর্থাৎ যারা স্থানীয় আছেন তারা ঘরবাড়ি উঠিয়ে ভাড়া দেন। আমরা কথা বলেছি শিগগিরি এখানে ঘর নির্মাণ করে দেবেন।

তিনি বলেন, ‘যদি কোনো ধরণের সহযোগিতা প্রয়োজন হয় আমরা অবশ্যই তা দেব। আহতদের প্রাথমিক চিকিৎসা দিচ্ছি। বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা করেছি। আহতদের চিকিৎসার সব খরচ সিটি করপোরেশন বহন করবে। এই মুহূর্তে কাজ হলো প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া।’

মেয়র আরও বলেন, ‘বস্তিতে যাদের ঘর পুড়েছে তারা যেন থাকতে পারে সেজন্য ৫-৬টি স্কুলে তাদের রাখার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। যতক্ষণ পর্যন্ত তারা বাসাবাড়িতে না যেতে পারেন ততক্ষণ স্কুলেই থাকবেন। অবশ্য স্কুল খোলার আগেই তাদের থাকার ব্যবস্থা করবে। এখানে যদি আর্থিক সহযোগিতা প্রয়োজন হয় আমরা অবশ্যই করব।’

বস্তিবাসীদের ৮ মাসের আল্টিমেটামে ওই এলাকা থেকে সরে যাবার কথা হয়েছিল এমন প্রশ্নের জবাবে মেয়র বলেন, ‘বিষয়টি আমার জানা নেই। এমন কোনো তথ্যও আমার কাছে নেই।’

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র