Barta24

সোমবার, ১৯ আগস্ট ২০১৯, ৪ ভাদ্র ১৪২৬

English

রাজনৈতিক কাকদের নিয়ে বিএনপির দল গঠন: তথ্যমন্ত্রী

রাজনৈতিক কাকদের নিয়ে বিএনপির দল গঠন: তথ্যমন্ত্রী
চট্টগ্রামে ছয় দফা দিবসের আলোচনায় তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ/ ছবি: বার্তা২৪.কম
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
চট্টগ্রাম


  • Font increase
  • Font Decrease

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যার পরে রাজনৈতিক কাকদের নিয়ে বিএনপি গঠন করায় দলটি ঐতিহাসিক ছয় দফা, ৭ মার্চ পালন করে না বলে মন্তব্য করেছেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।

তিনি বলেন, ‘স্বাধীনতার পরিকল্পনার প্রেক্ষিতেই ছয় দফা ঘোষণা করেছিলেন বঙ্গবন্ধু। কিন্তু বিএনপি বাংলাদেশে বিশ্বাস না করে পাকিস্তানী ভাবধারায় বিশ্বাসী। এজন্যই দলটি ঐতিহাসিক দিবসগুলো পালন করে না। চট্টগ্রামে কয়েক ধরনের বিএনপি রয়েছে। কিছু হঠাৎ বিএনপি, আর কিছু বাই-চান্স বিএনপি।’

শুক্রবার (৭ জুন) বিকালে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের বঙ্গবন্ধু হলে ছয় দফা দিবস উপলক্ষে আলোচনায় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘দীর্ঘ সময় দল ক্ষমতায় থাকায় দলে অনেক সুযোগ সন্ধানীর অনুপ্রবেশ ঘটেছে। এরা প্রায় সময় দল ও সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডকে প্রশ্নবিদ্ধ করার অপচেষ্টা চালানোর চেষ্টা করে। তাদের চিহ্নিত করতে হবে।’

সভায় শিক্ষা উপমন্ত্রী ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল বলেন, ‘তরুণ ও নতুন, যারা আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে এসেছি, আমাদের ছয় দফা ভালো করে জানতে হবে। যে যুগান্তকারী চিন্তা ছয় দফায় লিপিবদ্ধ হয়েছিল তা ধারণ করতে হবে। অন্যথায় কেউ ভবিষ্যৎ রাজনীতিতে ঠিকে থাকতে পারবে না।’

তিনি ছয় দফা ঘোষণা করা চট্টগ্রামের ঐতিহাসিক লালদিঘিতে ছয় দফা নিয়ে ভাস্কর্য স্থাপনের জন্য সিটি মেয়রের প্রতি আহ্বান জানান।

নগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিন বলেন, ‘রাজনীতিতে সুস্পষ্ট ধারণা থাকতে হবে। আদর্শ ধারণ করে ত্যাগের মন মানসিকতায় এগিয়ে আসতে হবে। ছয় দফার মাধ্যমেই জাতীয়তাবাদের উন্মেষ হয়েছিল। এর হাত ধরেই এসেছে স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব।’

সভায় সভাপতিত্ব করেন নগর আওয়ামী লীগের (ভারপ্রাপ্ত) সভাপতি মাহতাব উদ্দিন। এতে অন্যদের মধ্যে রাউজানের সাংসদ ফজলে করিম চৌধুরী, দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোসলেম উদ্দিন আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমান, মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি নঈম উদ্দিন চৌধুরী, খোরশেদ আলম সুজন প্রমুখ বক্তব্য রাখেন। সভা পরিচালনা করেন নগর আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক শফিকুল ইসলাম।

আপনার মতামত লিখুন :

‘আমাকে ফাইন করুন’

‘আমাকে ফাইন করুন’
মহাখালী বাস টার্মিনাল পরিদর্শনে মেয়র আতিকুল ইসলাম

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম বলেছেন, ‘আমার সিটি করপোরেশনের কোথাও যদি পানি জমে থাকে, মিডিয়াতে যদি নিউজ আসে তাহলে দায়িত্বশীল কর্মকর্তাকে ফাইন করার নির্দেশ দিয়েছি, ওই কর্মকর্তাকে শাস্তির নির্দেশ দিয়েছি। আর যদি আমার অপরাধ থাকে আমাকে ফাইন করুন, আমি আইনের ঊর্ধ্বে নই।’

সোমবার (১৯ আগস্ট) দুপুরে মহাখালী বাস টার্মিনাল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের একথা বলেন মেয়র। এসময় স্থানীয় কাউন্সিলর মফিজুর রহমান, জাহাঙ্গীর নগর বিশ্ববিদ্যালয়ের কীটতত্ব বিভাগের অধ্যাপক কবিরুল বাশার, অঞ্চল-৩ এর নির্বাহী কর্মকর্তা মো. হেমায়েত হোসেন, ডিএসসিসি’র নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাজিদ আনোয়ার, মহিলা কাউন্সিলর আলেয়া সারোয়ার ডেইজী ও শ্রমিক নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

মেয়র বলেন,  আমরা প্রতিটি বাড়িতে চিরুনি অভিযান শুরু করছি। আমি বলেছি আমি আর আমার অফিস করতে চাই না। আমার গাড়িতেই আমি অফিস করব। এই কয়েক দিন গাড়িতেই অফিস করব।

তিনি বলেন, যেখানে জমা পানি, স্বচ্ছ পানি সেখানেই এডিস মশার জন্ম নেবে। রোদ হচ্ছে, বৃষ্টি হচ্ছে এডিস মশা হবেই। তাই সবাইকে দায়িত্ব নিতে হবে। যার যার এলাকা নিজ দায়িত্বে পরিষ্কার রাখতে হবে।

গণমাধ্যমকর্মীদের উদ্দেশে বলেন, আমার সিটি করপোরেশনে পানি জমে আছে, আমি ম্যাজিস্ট্রেটকে বলেছি, “যদি আমার সিটি করপোরেশনের কোথাও পানি জমে থাকে, যদি কোন নিউজ জানতে পারি। সিটি করপোরেশনের যে দায়িত্বে তাকেই জরিমানা করতে বলেছি। তাকেও জেল দিতে বলেছি। দরকার পরলে মেয়রকেও ফাইন দিবা, জরিমানা দিবা। আমিও আইনের ঊর্ধ্বে নই। সিটি করপোরেশনের যদি কোনও কাজের অবহেলা থাকে তাহলে তার দায়িত্ব মেয়রকে নিতে হবে।’’

খুলনায় ৪ কোটি টাকা আত্মসাতের মামলায় বাবা-ছেলে গ্র‌েফতার

খুলনায় ৪ কোটি টাকা আত্মসাতের মামলায় বাবা-ছেলে গ্র‌েফতার
টাকা আত্মসাতের মামলায় গ্র‌েফতারকৃত বাবা-ছেলে, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

খুলনায় ব্যবসার চার কোটি টাকা আত্মসাতের মামলায় বাবা ও ছেলেকে গ্রেফতার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।

সোমবার (১৯ আগস্ট) দুপুর‌ে নগরীর শেরে বাংলা রোডের নিজ বাড়ি থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়। এর আগে গত ১৫ আগস্ট চার কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে বাবা ও দুই ছেলের বিরুদ্ধে মামলা করেন ব্যবসায়ী এম এ মাজেদ সরকার। গ্রেফতার হওয়া দু'জন হলেন মামলার প্রধান আসামি মাহমুদুর রহমান ও তার বাবা আবদুল কাদের। মামলার অপর আসামি মাহমুদুরের ভাই আরিফুর ইসলাম পলাতক রয়েছেন।

সিআইডির এসআই মধুসুধন বর্মণ বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে বলেন, 'বাদী ও আসামিরা ২০১০ সাল থেকে অংশীদারি ব্যবসা শুরু করেন। তারা যৌথ হিসেবে লেনদেন করতেন। ৪/৫ মাস আগে আসামিরা ব্যাংক থেকে সব টাকা তুলে নিয়ে বাদীকে বের করে দেন। এরপরে বাদী নগরীর সোনাডাঙ্গা থানায় মামলা দায়ের করেন।

তিনি জানান, আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। পরে মামলার তদন্ত কর্মকর্তার কাছে হস্তান্তর করা হবে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র